সর্বশেষ

আজঃ শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১

ভোলার লালমোহনে ভিজিএফের ১৬ বস্তা চাল অন্যত্র বিক্রির সময় জনতার হাতে জব্দ হয়েছে

লালমোহন প্রতিনিধিঃ

সারা দেশে অনেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে সরকারী ভিজিএফ এর চাউল বিতরনে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে।করোনার দুর্যোগের সময়ে অভাবী মানুষের চাল আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন,৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নোয়াব বকশী সহ কয়েক মেম্বারের বিরুদ্ধে।কালমা ইউনিয়নের এ চৌকিদার এবং দফাদার মতিউর রহমানের সহায়তায় পাচারকৃত ১৬ বস্তা সরকারী চাল লালমোহন উপজেলায় ডাওরী ব্রিজের পাশেই পরিবহনকালে স্থানীয় কিছু গনমাধ্যমের কর্মীরা এ চালগুলো কোথায় পেলেন এমন প্রশ্ন করলে তার কোন সদুত্তর দিতে পারেনি ।পরবর্তীতে এগুলো ফেলে কৌশলে চৌকিদার এবং দফাদার মতিউর রহমান পালিয়ে যায়।স্থানীয় ভাবে এর ভিডিও ফুটেজ মোবাইলে ধারন করে একব্যাক্তি ঘটনার আলামত রেকর্ড করে রাখেন।জানা গেছে গত ছ মাস ধরেই কালমা ইউনিয়নের কোন লোকজনই সরকারী ভিজিএফ এর চাউল পাচ্ছিলেন না।তাদের অনেকেই বলেন চেয়ারম্যান মেম্বাররাই এগুলো নিজেদের লোকজনকে ভাগ বাটোয়ারা করে দিয়ে দেন।তাদের অনেকেই এগুলো বিক্রি করে টাকা ক্যাশ করে নেন।ঘটনার পর থেকেই দফাদার সহ চৌকিদারদের অনেকের মোবাইল বন্ধ পাওয়াগেছে।৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নোয়াব বকশী মুঠোফোনে আলাপকালে সাংবাদিকদের জানান ৩/৪ মাসের ভিজিএফ এর চাউল সবাইকে এক সাথে গতকাল দেয়া হয়েছে।একেক জন অনেক চাল পেয়েছে,৪/৫ জনের চাল একটি রিকসাযোগে নেওয়ার সময় এগোলোকেই আটক করে কিভাবে  এনেছে তা জানতে চাওয়াতেই চৌকিদার এবং দফাদার মতিউর রহমান এগোলো রেখে ভয়ে স্থান ত্যাগ করেছে।তবে স্থানীয় ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলেন চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন এর কাছে বার বার চালের জন্য গেলেও তাদের ছমাস যাবত ঘোরাতে থাকেন।ভিজিএফের ১৬ বস্তা চাল অন্যত্র পাচারের বিষয়টি একাধিক মাধ্যম হতে নিশ্চিত হওয়াগেছে।