Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

ভাত দিয়েই তৈরি করুন মচমচে পাকোড়া

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

পাকোড়া খেতে কে না পছন্দ করেন। বিশেষ করে অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে বিকেলের নাস্তায় পাকোড়া না হলে চলে না অনেকেরই। বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তৈরি করা যায় পাকোড়া।

তবে চাইলে খুব সহজে ভাত দিয়ে ঝটপট ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন ভাতের পাকোড়া। জেনে নিন ঝটপট রেসিপি-

উপকরণ

১. ভাত ১ কাপ
২. লবণ স্বাদমতো
৩. ডিম ১টি
৪. পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ
৫. কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ
৬. মুরগির মাংস সেদ্ধ আধা কাপ
৭. মরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ
৮. কর্নফ্লাওয়ার ২ চা চামচ
৯. টমেটো সস ১ টেবিল চামচ ও
১০. তেল পরিমাণমতো।

jagonews24

পদ্ধতি

প্রথমে ভাতের সাথে সামান্য লবণ ও ডিম ভালো করে মেখে নিন। এরপর একটি বাটিতে পেঁয়াজ, মরিচ, ধনেপাতা কুচি, মরিচের গুঁড়া ও সেদ্ধ মুরগির মাংস ছড়িয়ে নরম করে ভাতের সঙ্গে মেখে নিন। এরপর র্কনফ্লাওয়ার ও টমেটো সস মিশিয়ে আবারও মেখে নিন।

এবার চুলায় তেল গরম করে নিন। তারপর ভাতের মিশ্রণ থেকে পাকোড়ার সাইজে তৈরি করে নিন। তারপর ডুবো তেলে পাকোড়াগুলো ছেড়ে দিন।

এপিঠ ওপিঠ ভালো করে উল্টে বাদামিরঙা করে ভেজে নিন পাকোড়াগুলো। ব্যাস তৈরি হয়ে যাবে ভাতের মচমচে পাকোড়া। এবার টমোটো সস দিয়ে পরিবেশন করুন ভাতের পাকোড়া।


আরও খবর



চাকরির প্রলোভনে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২ অভিযুক্ত গ্রেফতার

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

পটুয়াখালীর গলাচিপায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে।

বুধবার (২০ জুলাই) সকালে উপজেলার চর সহরি এলাকার ইব্রাহিম দফাদারের ইবুর বসতঘরে এ ধর্ষণের এই ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতার রিয়াজ (২০) ডাকুয়া ইউনিয়নের আমীর হোসেন হাওলাদারের ছেলে এবং রাব্বি (২১) গাজী ডাকুয়া ইউনিয়নের আজীজ গাজীর ছেলে। তাদের দুজনের বাড়ি উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের আটখালী গ্রামে। রিয়াজ পেশায় মোটরসাইকেলচালক এবং রাব্বি গাজী রাজমিস্ত্রির কাজ করেন।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আনোয়ার হোসেন বলেন, ভিকটিম আসামিদের পূর্ব পরিচিত। ১৭ জুলাই পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে ০১নং আসামি ভিকটিমকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ০২নং আসামিসহ লঞ্চে ঢাকায় নিয়ে যান। ঢাকায় পৌঁছালে পরবর্তীতে ভিকটিম চাকরি করবে না বলে জানালে পুনরায় লঞ্চে ঢাকা থেকে পটুয়াখালী আসেন।

পরবর্তীতে পটুয়াখালী থেকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসামি রিয়াজ হাওলাদার ও আসামি রাব্বি গাজী পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে ভিকটিমকেসহ আসামিরা হরিদেবপুর আসার সময় ভিকটিম কৌশলে নিমাই চন্দ্র দাসের বাড়িতে গিয়ে ঘটনা জানালে স্থানীয় ইউপি সদস্য পুলিশে খবর দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত রিয়াজ হাওলাদার ও রাব্বি গাজীকে গ্রেফতার করে।

ওসি আরও জানান, ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। বৃহস্পতিবার ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে এবং আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে।


আরও খবর



বেলাল মোহাম্মদ: জীবনজুড়ে কাব্যময় সুখ-দুঃখ

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

কবি বেলাল মোহাম্মদের ‘রবারের খেলা’ বইটি যখন হাতে আসে; তখন আমি সম্ভবত একাদশ শ্রেণিতে পড়ি। হয়তো ২০০৩-২০০৪ সাল হবে। খালাবাড়ির পারিবারিক পাঠাগার থেকে বইটি এনেছিলাম। বইয়ের খালি পাতায় খালাতো ভাই মো. মহি উদ্দিনের নাম লেখা আছে। বই নম্বর সাত। স্বাক্ষরে আরেক খালাতো ভাই মহসীনের নাম। তারিখ ১৯৯৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। শুরুতেই এসব বলার কারণ বইটি প্রকাশিত হয়েছে ১৯৯৬ সালে কলকাতা বইমেলায়। প্রকাশ করেছিল প্রকাশনা সংস্থা প্রমা প্রকাশনী। প্রচ্ছদ করেছিলেন বিজয় দত্ত। বইয়ের স্বত্ব ছিল কবির ছেলে জেড কে আনন্দের। বইয়ের মূল্য রাখা হয়েছিল পঁচিশ টাকা। ভূমিকা লিখেছিলেন কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

একসময় বইটির নাম মনে থাকলেও আমি ভেবেছিলাম, হয়তো হারিয়ে ফেলেছি। কবি বেলাল মোহাম্মদ ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই মুত্যুবরণ করেন। ২০১৪ সালে ঢাকায় থিতু হওয়ার পর থেকে বইটি অনেক খুঁজেছি। কলকাতায় প্রকাশিত বলে বাংলাদেশে পাইনি। রকমারিতেও নেই। আশার কথা হলো, গত কোরবানির ছুটিতে পুরোনো বইয়ের মাঝে বইটি খুঁজে পেয়েছি। সঙ্গে তার ‘সাকিন সন্দ্বীপ’ নামের একটি কিশোর উপন্যাসও পেয়েছি। সেটি সংগ্রহের ইতিহাস আমার মনে নেই। হয়তো পল্টনের পুরান বইয়ের দোকান থেকে কিনেছিলাম। বলে রাখা ভালো, কবি বেলাল মোহাম্মদের প্রতি আমার এত আগ্রহ কেন? কারণ তিনি আমার আত্মীয়। আমার মেজ আপা মোহসিনা পারভীনের (খালাতো বোন) চাচা শ্বশুর। আপার শ্বশুর কামালুদ্বীন খানও বিদ্বান ছিলেন। তিনি ইসলামি পণ্ডিত ছিলেন। লক্ষ্মীপুর রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন। অবসরকালে ইসলামী ব্যাংকের শরীয়াহ বোর্ডের সদস্য ছিলেন। তাঁর লেখা ‘নকশে হায়াৎ’ পড়েছিলাম অনেক আগে।

বেলাল মোহাম্মদ ১৯৩৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার মায়ের নাম মাহমুদা খানম এবং বাবার নাম মৌলভি মোহাম্মদ ইয়াকুব। তিনি দশ সন্তানের মধ্যে পঞ্চম ছিলেন। তিনি ইন্টারমিডিয়েট দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। ছাত্রাবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের প্রথম চট্টগ্রাম কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৫৫ সাল থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত টানা ৯ বছর মিরসরাইয়ের আমানটোলা খানকা শরীফে সূফি আবদুল লতিফের সান্নিধ্যে অবস্থান করেন। এ বিষয়ে ‘আমানটোলার সুফি’ নামে একটি বইও লিখেছেন।

১৯৬৪ সালে তিনি দৈনিক আজাদীতে উপ-সম্পাদক হিসেবে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি রেডিও পাকিস্তান চট্টগ্রাম কেন্দ্রে ‘স্ক্রিপ্ট রাইটার’ পদে চুক্তিবদ্ধ হন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কালুরঘাট প্রচার ভবনে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের উদ্যোক্তা-সংগঠক ও মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শব্দসৈনিক ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১ জুন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বেতারের সহকারী পরিচালক (মুজিবনগর কর্মচারী) পদে নিযুক্ত হন। সরকারি চাকরির মেয়াদ শেষে বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান পরিচালনা বিভাগ থেকে ১৯৯৪ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

তার স্ত্রী ১৯৭৩ সালে মারা যান। এরপর তিনি আর বিবাহ করেননি। একমাত্র ছেলে জেড কে আনন্দকে নিয়েই পাড়ি দিয়েছেন সংসার-সমুদ্র। কিন্তু ১৯৯৮ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে তরুণ লেখক ছেলেটিও মৃত্যুবরণ করেন। ছেলেকে হারিয়ে মানসিকভাবে অনেকটা ভেঙে পড়েন কবি বেলাল মোহাম্মদ। এরপর থেকে পড়াশোনা, লেখালেখি ও দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করেই কাটিয়ে দেন। ছেলের প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা একসঙ্গে আনন্দ ভূমিকা প্রকাশন থেকে ২০১২ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়।

পরিবারে তিনি ছিলেন সবার ‘জাদুমণি’। সবার খোঁজ-খবর নিতেন সব সময়। তিনি তাঁর ‘রবারের খেলা’ কাব্যগ্রন্থটি বড় ভাইয়ের স্ত্রী অকালপ্রয়াত লেখিকা সফিনাজ নুরুন্নাহারকে উৎসর্গ করেছিলেন। শেষদিকে তিনি রাজধানীর উত্তরায় বসবাস করতেন। তার বড় ভাই তাকে একটি ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তিনি ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই ৭৭ বছর বয়সে মারা যান। ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৫টার দিকে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। তাঁর ইচ্ছানুসারে মরদেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাশাস্ত্রের শিক্ষার্থীদের গবেষণার উদ্দেশ্যে দান করা হয়।

বেলাল মোহাম্মদ ২০১০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার; ২০১১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বহু পুরস্কার, সংবর্ধনা ও সম্মাননা পেয়েছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহের সংখ্যা ৬০টিরও বেশি। এর মধ্যে—‘কবিতা নয়’ (১৯৫৪), ‘পর্যায়ক্রম নেই’ (১৯৬৯), ‘অকাল অপাত্র’ (১৯৭৭), ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ (১৯৮৩), ‘ছোটদের আর এক মুক্তিযুদ্ধ’ (১৯৮৬), ‘রবারের খেলা’ (১৯৯৬), ‘জয় বাংলা রেডিও’ (১৯৯৬), ‘নির্বাচিত কবিতা’ (২০০১), ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার’ (২০০১), ‘বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ’ (২০০১), ‘বীরশ্রেষ্ঠদের কথা’ (২০০১), ‘আমাদের বিশেষ দিনগুলো’ (২০০১), ‘আমার প্রতিবাদের ভাষা’ (২০০৪), ‘আমানটোলার সুফি’ (২০০৫), ‘অন্যকূলে পলিমাটি’ (২০০৯), ‘উপনয়ন’ (২০০৯), ‘চিত্ররূপা’ (২০০৯), ‘নারীগণ’ (২০১১), ‘স্বপ্নসাধ ক্রসবাঁধ’ (২০১৩), ‘কতো ঘরে ঠাঁই’ (২০১৩), ‘মরণ-উত্তর’ (২০১৩), ‘যাবো কেষ্টপুর’ (২০১৩) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

তিনি কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, গবেষণা, সম্পাদনা, উপন্যাস, শিশুতোষ বই রচনা করেছেন। তবে কবি হিসেবেই বেশি পরিচিতি লাভ করেছেন। এবার তাঁর ‘রবারের খেলা’ বইটির দিকে দৃষ্টিপাত করছি। গ্রন্থের ভূমিকায় কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছিলেন, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামী হলেও বেলাল মোহাম্মদের রচনায় শুধু উচ্চ চিৎকার নেই। তাঁর কবি হৃদয়টি অতিশয় সংবেদনশীল, কখনো ধারালো বিদ্রুপে তা ঝলসে উঠলেও তিনি চিরকালীন মানব সম্পর্কে আস্থাবান। মানবতাই তাঁর কবিতার মূল সুর। বাংলাদেশের মাটিতে তাঁর শিকড়, ঐতিহ্যের প্রতি তিনি দায়বদ্ধ। ‘মাটি জানেই না, স্বয়ং সে মৃতসঞ্জীবনী’ এরকম পংক্তি যেন শুধু বাংলার কোনো কবির পক্ষেই লেখা সম্ভব। কোনো কোনো কবিতায় মরমী আবেগ ভারি চমৎকার ফুটেছে। যেমনঃ
‘কারো জন্যে গীতের আসর
কারো জন্যে রাতের বাসর
তোমার জন্যে কিসের সময়সীমা?
তোমার জন্যে এখন-তখন, সারাজীবন।’
তাঁর এই কবিতা-সংগ্রহটি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ একটি স্থান পাবে, এই আমার বিশ্বাস।’ (ভূমিকা: রবারের খেলা)
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ও বিদায় নিয়েছেন তাঁর (বেলাল মোহাম্মদ) মৃত্যুর এক বছর আগে। এক কবির প্রতি অন্য কবির সেই ভালোবাসা এখনো রয়ে গেছে বইয়ের পাতায়।

কবি বেলাল মোহাম্মদের কবিতা সহজ-সরল ও প্রাঞ্জল। কোনো আতিশয্য নেই তাতে। কেমন সাবলীল ভাবেই বলে ফেলতে পারেন অন্তরের গভীর কথাগুলো। পাঠকের হৃদয়কে স্পর্শ করে নিতে পারে সহজেই। কবির ভাষায়—
‘দীর্ঘ জল কেটে চলে যায় লাশের ভেলা—
কিন্তু লক্ষীন্দরের চুলে বেহুলা কাটে না তো বিলি।
নিঃসঙ্গ লক্ষীন্দর দীর্ঘ জল কেটে চলে যায়।’
(জন্মদিনে জলযানে: রবারের খেলা, পৃ-৯)
তাই তো উপমা-অলঙ্কারে তাঁর কবিতা হয়ে উঠেছে পাঠকেরই অভিব্যক্তি। স্মরণ করিয়ে দেয় ভালোবাসার ইতিহাস। যা অন্তরের অতলে গিয়ে যেন কড়াঘাত করে।

বেলাল মোহাম্মদের কবিতায় ব্যাপক কারুকাজ লক্ষ্য করা যায়। তাঁর ছন্দ ও ভাষাজ্ঞান কল্পনাতীত। কবিতায় তুলে ধরেছেন দুঃখ, ভালোবাসা, সমাজ, দেশ, রাজনীতি ও মানবতাবাদ। শিরোনাম কবিতায় কবি বলেছেন—
‘টানলে টান টান হয়, ছাড়া পেলে
ফিরে আসে ফের।
বারবার তোমার আমার রবারের খেলা।’
(রবারের খেলা: রবারের খেলা, পৃ-২১)
কবি এখানে বোঝাতে চেয়েছেন প্রান্তিক জীবনের সহযোগ। তুলে এনেছেন সুখের অনটন কিংবা খুনসুটির কথা। জীবন কি তবে রবারেরই খেলা। টানলেই টান টান, ছেড়ে দিলেই ফিরে যায়।

ছড়া কিংবা ছন্দোবদ্ধ কবিতায় তাঁর বিচরণ দেখতে পাই কখনো কখনো। সেই সঙ্গে উঠে আসে গ্রামীণ উপকরণ। মাটির গন্ধ, জলের ঢেউ ছোঁয়া কবি গ্রামকেও আপন করে নেন অনায়াসে। কবির ভাষায়—
‘আদূরে বোলচাল
ভেতরে আলোচাল
গরুতে খাবে না রে,
আমূল অধিকারে।।’
(তোর পাকা ধান: রবারের খেলা. পৃ-২৮)
মাটির সঙ্গে সঙ্গে দেশমাতার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন কবি। একজন শব্দসৈনিক হয়ে উদ্বুদ্ধ করেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের। তাই তো কবি বলেছেন—
‘আমি তো দেখলাম, মায়ের বোনের ভালবাসায়
মরলো যুবারা, মাটিকে ভালোবেসে মরলো লক্ষপ্রাণ।
ওরা কি পেলো সুখ?
তবু তো মিছে নয় সেই ভালোবাসা।
আমরা মান পেলাম, সীমানা পেলাম সেই ভালোবাসায়।
(কিছুই জানি না-জানি না: রবারের খেলা, পৃ-১৩)
তাঁর কবিতায় মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা এসেছে সঙ্গত কারণেই। যুদ্ধদিনের দুঃসহ স্মৃতি তিনি আমৃত্যু লালন করেছেন মননে ও কবিতায়।

কবির মনের অনন্ত হতাশা ও প্রত্যাশা প্রাপ্তির শুকরিয়াও ফুটে ওঠে কবিতায়। চেয়ে অনেক কিছু পাওয়ার পরও হতাশা যেন থেকে যায় মনে। আবার না চাইতেই সামান্য কিছু পেলেও কবি যেন উচ্ছসিত হন। যেন রবীন্দ্রনাথেরই পুনরাবৃত্তি—‘না চাহিলে যারে পাওয়া যায়’। কবি বলেছেন—
‘চেয়ে যা পাই, হোক না অনেক তা-ই—
যেচে যা দাও, তিলেক হলেও
তার তুলনা নাই।।’
(তিলেক হলেও: রবারের খেলা, পৃ-৪৩)
জীবন মানেই দুঃখ-বিরহ। জীবন মানেই ভালোবাসা-আনন্দ। তবে কারো কারো জীবনে তা কেবলই মরীচিকা। কবিও এখানে ব্যতিক্রম নন।

তা ছাড়া একের পর এক দুঃখ আহত করেছে কবিকে। স্ত্রী-সন্তান হারানোর ক্ষত নিয়েই কাটিয়ে দিয়েছেন বাকিটা জীবন। তবুও আধুনিক ও স্মার্ট ছিলেন সব সময়। গবেষণা করেছেন, কবিতা, গল্প, উপন্যাস লিখেছেন। ছোটদের স্নেহ করতেন। ভালোবাসতেন স্বজনদের। তাতে তাঁর অন্তরের বেদনা প্রশমিত হয়েছে কি না—তিনিই হয়তো বলতে পারতেন। কবি অবশ্য বলেছেন—
‘আমার সময়গুলো কাকে খায়, পোকে খায়—
এমন তো ভাবতে পারিনি।
আমার সময়গুলো লাখেরাজ বনানীর ফুল ফল,
অযত্নে অপরিচর্যায় ঝরে যায়—
এমন তো ভাবতে পারিনি।’
(আমার সময়গুলো: রবারের খেলা, পৃ-২৪)
কবি অন্যত্র বলেছেন—
‘লেখাটা তোমার জন্যে—তোমারই জন্যে।
একবার তুমি যদি চোখ বুলিয়ে দাও,
ওতেই সার্থকতা।
তারপর ছিঁড়ে ছুঁড়ে ফেলতেও দ্বিধা নেই।’
(লেখাটা তোমার জন্য: রবারের খেলা, পৃ-৫৬)
বুকের ভেতর লালিত দুঃখ নিয়ে বাকিটা জীবন কাটিয়ে দেওয়া বড্ড সহজ নয়। সেই অসাধ্যকেই সাধন করেছেন তিনি। তারপরও সংসার বিমুখ হননি কখনো। জড়িয়ে ছিলেন পরিবারের অন্য সবার মায়ার বন্ধনে। ভালোবাসার পাত্র ছিলেন শেষ অবধি।

মানুষের মাঝেই কবি বেঁচে থাকবেন। বেঁচে থাকবেন কবিতায়। ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে তাঁর নাম। তা সহজেই মুছে ফেলবার নয়। তবুও কবিকে নিয়ে আরও বেশি আলোচনার দাবি রাখতেই পারি। পরবর্তী প্রজন্ম যেন চিনতে পারে তাঁকে। আমি তাঁর বহুল পাঠ ও আলোচনা কামনা করছি। মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।


আরও খবর



‘ফাতেমা’ নাম পেল সেই নবজাতক, ঠাঁই হচ্ছে শিশু নিবাসে

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়কে মায়ের পেট ফেটে জন্ম নেওয়া নবজাতককে সরকারি তত্ত্বাবধানে শিশু নিবাসে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা আজিমপুর শিশু নিবাসে পাঠানো হবে শিশুটিকে।

জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ওয়ালীউল্লাহ জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সুবিধাবঞ্চিত শিশু হিসেবে শিশু কল্যাণ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা আজিমপুর শিশু নিবাসে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে, আমরা কারোর তত্ত্বাবধানে নয়, সম্পূর্ণ সরকারি তত্ত্বাবধানে শিশুটিকে শিশু নিবাসে পাঠানো হচ্ছে।

শিশুটি শিশু কল্যাণ সভার সদস্য। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার নাম ফাতেমা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, শিশুটিকে লালন-পালনের জন্য শিশু কল্যাণ সভার সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত ঢাকার আজিমপুরের শিশু নিবাসে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের মতামত নেওয়া হয়েছে।

নবজাতক শিশুটির দাদা মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু বলেন, প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে এতে আমরা খুশি। দুই বছর লালন-পালন শেষে ফাতেমা আবারও আমাদের মাঝে ফিরে আসবে।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের সবার ইচ্ছা ছিল শিশুটির নাম ‘ফাতেমা’ রাখা হবে। জেলা প্রশাসক এবং কমিটির সদস্যরা সবাই মিলে ‌‘ফাতেমা’ নাম রাখায় আমরা খুশি।

শিশুটির দাদা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রশাসন থেকে আমাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে, যে আমাদের থাকার জন্য দুই রুমবিশিষ্ট একটি হাফ বিল্ডিং এবং অপর দুই শিশু জান্নাত ও এবাদতের লেখাপড়াসহ সার্বিক সহায়তা করা হবে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচারক ওয়ায়েজ উদ্দিন ফরাজি জাগো নিউজকে বলেন, সড়কে জন্ম নেওয়ার পর ওই নবজাতক নগরীর লাবিব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে গত সোমবার (১৮ জুলাই) রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে তার জন্ডিস, ঘাড়ে এবং ডান হাতে ফ্র্যাকচার ধরা পড়ে। এ ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করে হাসপাতালের এনআইসিইউ বিভাগে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে নবজাতকের জন্ডিস ভালো হলেও বুকের ও ডান হাতের হাড়ের ফ্র্যাকচার পুরোপুরি ভালো হতে আরও কয়েকদিন লাগতে পারে।

গত ১৬ জুলাই দুপুরের পরে উপজেলার রাইমনি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৪০) তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রত্না আক্তারকে (৩০) আল্ট্রাসনোগ্রাফি করাতে ত্রিশালে আসেন। এ সময় তাদের সঙ্গে মেয়ে সানজিদা আক্তারও (৬) ছিল। তারা পৌর শহরের খান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে জাহাঙ্গীর আলম, স্ত্রী রত্না এবং মেয়ে তিনজনেরই মৃত্যু হয়। এ সময় ট্রাকচাপায় রত্নার পেট ফেটে কন্যাশিশুটির জন্ম হয়।


আরও খবর



সম্মেলন থেকে সাংবাদিকদের চলে যেতে বললেন আ’লীগ নেতারা

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন থেকে সাংবাদিকদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা চত্বরে আয়োজিত সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন কর্মরত সাংবাদিকরা।

মেঘনা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহমুদুল হাসান বিপ্লব সন্ধ্যায় জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের দাওয়াত কার্ড পেয়ে উপজেলায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা সংবাদ সংগ্রহে যান। অনুষ্ঠান শুরু হতেই সম্মেলনের কাউন্সিলর উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক লিটন আব্বাসী ও ভাওরখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাব মিয়া সাংবাদিকদের প্রোগ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বলেন।

সাংবাদিকরা এর কারণ জানতে চাইলে লিটন আব্বাসী বলেন, আমাদের প্রোগ্রামে সাংবাদিক প্রয়োজন নেই। আপনারা চলে যান। এ ঘটনার পর আমরা সকলে সম্মেলনস্থল ত্যাগ করে চলে আসি এবং সম্মেলনের সংবাদ সংগ্রহ বয়কট করি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত লিটন আব্বাসী বলেন, সম্মেলন চলাকালীন সময়ে যারা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করছিলেন আমি শুধু তাদের বেরিয়ে যেতে বলেছি। সাংবাদিকদের বেরিয়ে যাওয়ার কথা আমি বলিনি। বিএনপিপন্থী কিছু সাংবাদিক প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার বলেন, আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠানে ছিলাম। কই, কেউ তো এমন কোনো অভিযোগ দেয়নি। কেউ যদি এমন কথা বলে থাকেন, তবে তিনি ভুল তথ্য দিয়েছেন। এ ঘটনার সত্যতা পেয়ে আমি অবশ্যই এর বিচার করব।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আল মাহমুদ স্বপন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুবীর রায় নন্দী, কুমিল্লা-১ দাউদকান্দি-মেঘনা আসনের সংসদ সদস্য সুবিদ আলী ভূঁইয়া।

এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম. রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মিয়ানমারে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা জান্তা সরকারের

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

মিয়ানমারের সামরিক সরকার জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। জানানো হয়েছে, চলমান জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হবে। সোমবার (১ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং একটি অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখল করে। এরপর ক্ষমতাসীন রাজ্য প্রশাসন কাউন্সিল (এসএসি) প্রথম জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। ওই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অং সান সু চির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সামরিক বাহিনীর জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতভাবে সমর্থন করার পরে মিন অং হ্লাইং জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়াবেন।

মিন অং হ্লাইং বলেছেন, আমাদের দেশে অবশ্যই ‘অকৃত্রিম ও সুশৃঙ্খল বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ শক্তিশালী করতে হবে, যা জনগণের আকাঙ্ক্ষা।

এর আগে জাতিসংঘ জানিয়েছে, মিয়ানমার সামরিক বাহিনী নিয়মতান্ত্রিক মানবাধিকার লঙ্ঘন, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত।


আরও খবর