Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

উলিপুরে ‘দৈনিক যায়যায়দিন’র ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image
বাবুল, কুড়িগ্রাম ব্যুরো চিফ:কুড়িগ্রামের উলিপুরে ‘দৈনিক যায়যায়দিন’র ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ০৬ জুন, বিকেলে উপজেলা যায়যায়দিন ফ্রেন্ডস ফোরাম’র আয়োজনে উলিপুর প্রেসক্লাবের হলরুমে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক যায়যায়দিনের উপজেলা প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম বিটু।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সদ্য শপথ নেয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুর রহমান তালুকদার সাজু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সরকার ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মতি শিউলী।
দৈনিক করতোয়ার উপজেলা প্রতিনিধি সাজাদুল ইসলাম সাজু'র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জিনিউজবিডি২৪ এর কুড়িগ্রাম ব্যুরোচিফ ও উলিপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুল আলম বাবুল, দৈনিক ভোরের ডাকের উপজেলা প্রতিনিধি নূরবক্ত মিয়া, দৈনিক কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান মানু, সাপ্তাহিক জুলফিকারের সম্পাদক মমতাজুল হাসান করিমী, দৈনিক পরিবেশের উপজেলা প্রতিনিধি নুরুজ্জামান সরকার, দৈনিক দাবানলের উপজেলা প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান শাহীন, দৈনিক আমার সংবাদের উপজেলা প্রতিনিধি কামরুজ্জামান স্বাধীন, সহকারি শিক্ষক হারুন অর রশীদ প্রমুখ।
  
এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে উলিপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিক, যায়যায়দিন উপজেলা ফ্রেন্ডস ফোরাম’র সদস্যগণসহ সূধিজন উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনকা‌লে ষ্টী‌লের নৌকা সহ আটক ২

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৬০জন দেখেছেন

Image

আনোয়ার হো‌সেন র‌নি,ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি:ছাত‌কে চেলা ও মরা চেলা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে অ‌বৈধ ড্রেজার ও একটি স্টীলের  নৌকাসহ ২ ব‌্যক্তি কে আটক করেছে নৌ পুলিশের একটি দল।

শ‌নিবার রা‌তে উপ‌জেলার ইসলাসপুর ইউপির চেলা নদীর বাবনগাও মরা নদী থে‌কে ষ্টী‌লের নৌকাসহ তাদের আটক করেন পু‌লিশ।আসামী‌দেরকে গত রোববার সকা‌লে ছাতক থে‌কে সুনামগঞ্জ আদাল‌তে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে।

আটককৃতরা হলেন- সি‌লে‌টের কোম্পানীগঞ্জ থানার চাটিবহর গ্রা‌মের আব্দুর রহিম  ছে‌লে মানিক মিয়া( ৫২) একই মৃত আঞ্জু মিয়ার ছে‌লে চেরাগ আলী( ৫২) কে ষ্টী‌ল  ১৭শ ফুট নৌকা ৮শত ফুট বালুসহ আটক ক‌রেন নৌ পু‌লিশ।

এ ঘটনায় এসআই ফরিদ উদ্দিন বাদী হ‌য়ে ধারা- বালু মহাল ও মাটি  ব্যাবস্থাপনা আইনের ২০১০ এর ১৫(১) তৎসহ ৪৩১ পেনাল কোড এর এক‌টি মামলা দা‌য়ের ক‌রেন  মামলা নং- ১২/১২১ তাং- ০৯/০৬/২০২৪।

এ ব‌্যাপা‌রে ছাতক নৌ  পু‌লি‌শের ইনচাজ আনোয়ার মিয়া এ ঘটনার সত‌্যতা নি‌শ্চিত ক‌রে ব‌লেন চৈলা নদী‌তে এদের নেতৃ‌ত্বে  অ‌বৈধ ড্রেজার দি‌য়ে প্রতি‌নিয়ত পাথর বালু উত্তোল‌ন করার অপরা‌ধে নৌকা সহ আটক ক‌রা হয়। এদের‌কে গত রোববার সকা‌লে সুনামগঞ্জ আদাল‌তে পাঠা‌নো হ‌য়।


আরও খবর



ডাক বিভাগকে বাঁচাতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পলক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১২৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ঘোষণা দিয়েছেন,ডাক বিভাগকে বছরে ৭০০ কোটি টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে উল্লেখ করে এ অধিদপ্তরের গাড়ি ও জমি বেসরকারি খাতে দেওয়ার।

মঙ্গলবার (৪ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি। ডাক বিভাগের মোট ৪৬২টি গাড়ি আছে। এর মধ্যে ১৩৫টি অচল পড়ে আছে বলে জানান জুনাইদ আহমেদ পলক। প্রায় ৬৯ কোটি টাকার গাড়ি পড়ে আছে কেন ডাক বিভাগের এক কর্মকর্তার কাছে এর সদুত্তর চান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, গাড়ি সার্ভিস পয়েন্ট এমনকি সারা দেশে থাকা ডাক বিভাগের জমির সঠিক ব্যবহার করতে না পারায় বছরে ৭০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছে ডাক বিভাগ।

এসব গাড়ি সাত দিনের মধ্যে ঠিক করে কাজে লাগাতে না পারলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে। ডাক বিভাগের জমিগুলোও আমরা প্রয়োজনে বেসরকারি খাতে দেব। তারা লভ্যাংশের অংশ আমাদের পরিশোধ করবে।

শুধু সেবা বেসরকারিকরণ নয় এই পরিস্থিতিতে ডাক বিভাগকে বাঁচাতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বসে বসে বেতন নেবেন তা হবে না। ৩০ জুনের মধ্যে ঠিক হয়ে যান। নয়তো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসময় ডাক বিভাগেরর জন্য নতুন আইন আসছে সরকার বলে জানান পলক।

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট মানুষের বাড়ি বাড়ি ডেলিভারির ব্যবস্থা করা হবে। এ বিষয়ে আমি পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলব। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকেও এ বিষয়ে বলব।

মতবিনিময় সভায় ডাক বিভাগ, ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ লজিস্টিকস খাতসংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




সিরাজগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image
রাকিব সিরাজগঞ্জ থেকে:সিরাজগঞ্জে জেলা পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালা বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরা ব্যবসায়ী,খাদ্য ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধি,সুধীজন, গণমাধ্যম কর্মী ও সরকারি কর্মকর্তাগণদেরকে নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
বুধবার ( ১৫ মে) সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ.কে শহিদ শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালায়  সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এর সভাপতিত্বে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নিরাপদ খাদ্য সিরাজগঞ্জ জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আতিকুর রহমান। 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নিরাপদ খাদ্র বিষয়ক জনসচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন,সদস্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ শোয়েব। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ শোয়েব তিনি বলেন,নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অবশ্যই ভালো ও উন্নত মানের বীজ তৈরি করতে হবে। কৃষি বিভাগের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে খাদ্য ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগর মাধ্যমে নিয়ম কানুন বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে। কৃষি ক্ষেত্রে কীটনাশকের প্রয়োগ কমাতে হবে। জৈব সারের প্রয়োগ বাড়াতে হবে। ক্ষতিকারক পোকামাকড় দমনে কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে পোকা দমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে। প্রতিনিয়ত মনিটরিং এবং হোটেল রেস্তোরা মালিক কর্মচারীদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। সর্বপরি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে যে আইন আছে তা প্রয়োগ করতে হবে এবং শাস্তির আওতায় আনতে হবে। কর্মশালার সভাপতি জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন,খাদ্য যদি নিরাপদ না হয় তাহলে তা খাদ্য নয়। খাদ্যকে নিরাপদ হওয়া উচিত সবার আগে। কারণ খাদ্য থেকে বিরত থাকার কোন উপায় নেই। তবে খাদ্য নিয়ে আমাদের মাঝে অসচেতনতা আছে। জনসচেতনতাই পারে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে। অনিরাপদ খাদ্যের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। স্মার্ট খাদ্য গ্রহণ করতে হবে তবেই স্মার্ট নাগরিক গড়ে উঠবে।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) গনপতিরায়, সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. রামপদ রায়,জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক, সিনিয়ার সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো.হারুনর রশিদ প্রমুখ।

আরও খবর



দেশে কোটিপতির সংখ্যা কমেছে

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৫৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কয়েক দফা দেশে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়ার পর এবার কমেছে। এসব হিসাবে টাকার রাখার পরিমাণও কমেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছে, নানা কারণে ব্যাংক খাতের ওপর মানুষের আস্থা কমেছে। যার প্রভাব পড়ছে সব শ্রেণির আমানতকারীর ওপর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ সময়ে) কোটি টাকার ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি। পাশাপাশি আমানত কমেছে ১ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। মার্চ পর্যন্ত ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৯০টি। কোটি টাকার ওপরে এসব ব্যাংক হিসাবে ৭ লাখ ৪০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা জমা আছে। গত বছরের (২০২৩ সাল) ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি। এসব ব্যাংক হিসাবে মোট জমা ছিল ৭ লাখ ৪১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতিদের হিসাব সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি, আর তাদের অ্যাকাউন্টে আমানত কমেছে ১ হাজার ১১ কোটি।

মার্চ প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২০২ টি। এসব হিসাবের বিপরীতে আমানত জমা রয়েছে ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। তবে কোটি টাকার হিসাব মানে কোটিপতি নাগরিকের হিসাব নয়। অনেক ব্যক্তিই যেমন ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখেন, তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠানও ব্যাংকে কোটি টাকা জমা করে। অর্থাৎ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব বলতে যুগপৎ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই। তাছাড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তারও নির্দিষ্ট সীমা নেই। এতে করে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং নানা সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৬২৩টি, এসব হিসাবে জমা ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকার ১২ হাজার ৪৪৬টি হিসাবে জমার পরিমাণ ৮৮ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৫১৬টি। যেখানে জমার পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৪ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা। আর পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটির ১২ হাজার ৬৫২টি হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ৮৯ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা।

আলোচিত সময়ে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ৪ হাজার ৩৯৬টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৯৬১টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ২১১টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৮৭৫ টি আমানতকারীর হিসাব। আর ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫০১টি এবং ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৩৬৯টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ৬৮১টি। ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ১ হাজার ৮২৬টি। যা গত ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৮২টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ২ হাজার ২টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৩৪৫টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে ছিল ৯১২টি আমানতকারীর হিসাব। এছাড়া ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫১২টি, ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে ছিল ৪৮০টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ছিল ৭৩৮টি এবং ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮১২টি।

দেখা যায়, ১৯৭৫ সালে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব ছিল মাত্র ৪৭টি, ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৭ হাজার ৫১৬টি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার শুরুতে ২০২০ সালের মার্চে এই সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫, বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজারে ৮৯০টিতে দাঁড়িয়েছে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




দুই-তিন মাস ধরে এমপি আনারকে খুনের পরিকল্পনা হয়: ডিবিপ্রধান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৪২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যার পরিকল্পনা হয় দুই থেকে তিন মাস আগে, বলেছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ । ঢাকায় পুলিশের নজরদারির কারণে হত্যার স্থান হিসেবে বেছে নেওয়া হয় কলকাতাকে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিকেলে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।

ডিবিপ্রধান বলেন, রাজধানীর গুলশান ও বসুন্ধরার দুই বাসায় এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় দুই-তিন মাস আগে। তারা পরিকল্পনা করেছিল ঢাকায় হত্যা করবে। কিন্তু বাংলাদেশ পুলিশের নজরদারি ও ঢাকায় হত্যাকাণ্ডের পরে সব হত্যার ক্লু পুলিশ বের করেছে বলেই হত্যাকারীরা কলকাতায় এমপিকে হত্যা করেছে।

হারুন অর রশীদ বলেন, বিদেশের মাটিতে অপরাধ করলে বাংলাদেশ পুলিশের নজরে আসবে না বলেই অপরাধীরা কলকাতা বেছে নেয়। বাংলাদেশের মাটিতে অপরাধ করার সাহস পায়নি। তবে এ হত্যাকাণ্ডের পর তারা পালিয়ে থাকতে পারেনি। আমরা তিনজকে গ্রেপ্তার করেছি। আরও কয়েকজনকে নজরাদিতে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, হত্যাকারীরা এমনভাবে লাশ গুমের চেষ্টা করেছে যাতে কোনো হদিস না মেলে। লাশ গুমের জন্য হাড্ডি থেকে মাংস আলাদা করে পৃথক পৃথক ট্রলিতে করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪