Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

ত্রাণ নিয়ে দ্বন্দ্ব: আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতার জিডি

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
Image

গুলি করে খুন ও গুম করাসহ ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা চন্দন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পলাশ কান্তি বিশ্বাস।

সোমবার (২৭ জুন) বিকেলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি এই জিডি করেন। জিডিতে কলমাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চন্দন বিশাসকে (৬৮) অভিযুক্ত করা হয়েছে। পারিবারিকভাবে তারা দু’জন একই গোষ্ঠীর ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

এ বিষয়ে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পলাশ কান্তি বিশ্বাস বলেন, ‘আমি আমার আসনের সংসদ সদস্যের অধীনে রাজনীতি করি। বন্যা দুর্গতদের জন্য জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্যের নামে ত্রাণ বরাদ্দ আসে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চন্দন বিশ্বাস সেই ত্রাণ গ্রহণ করতে চাইলে আমি বাধা দিই। এ কারণে তিনি (চন্দন বিশ্বাস) গত রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যলয়ের সামনের রাস্তায় আমাকে ‘গুলি করে খুনের পর গুম করবেন’ বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় মারমুখী হলে উপস্থিত লোকজন আমাকে রক্ষা করেন।

এর আগেও দলীয় অফিসে তিনি (চন্দন বিশ্বাস) একাধিকবার মানুষকে গুলি করার হুমকি ধামকি দিয়েছেন। তাই জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছেন বলে জানান যুবলীগের এই নেতা।

এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চন্দন বিশ্বাস জানান, ‘তারে (পলাশ কান্তি বিশ্বাস) আমি কেন গুলি করতে যাব। বাটপারি করতে-করতে আর জায়গা পায় না। মিথ্যা ও বানোয়াট। সে কী মানুষটা, তারে গুলি করে আমার কী লাভ হবে। চড় থাপ্পড় খাইতে পারে।’

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল আহাদ জিডির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী জিডি গ্রহণ করে তা আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশ পেলে তদন্ত করা হবে।


আরও খবর



সিরিজ নির্ধারণ করলো দুই ইনিংসের ১৫তম ওভার

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ১৬ August ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

প্রথম ১৪ ওভার আমরাই এগিয়ে ছিলাম, ১৫তম ওভারে খেলা বদলে গেলো- সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ হেরে কথাটি বলেছেন বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তিনি মূলত জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ১৫তম ওভারের দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

তবে শুধু জিম্বাবুয়ের নয়, ম্যাচের দুই ইনিংসেই ১৫তম ওভারটি নির্ধারণ করে দিয়েছে সিরিজের শিরোপা উঠবে কোন দলের হাতে। দুই ইনিংসেই ১৪তম ওভার পর্যন্ত ভালোভাবেই ম্যাচে ছিল বাংলাদেশ দল। কিন্তু ১৫তম ওভারে দারুণ ব্যাটিং-বোলিং করে সিরিজ জিতে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টানা তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের বোলিং তোপে পড়ে ১৪ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৭৬ রান। সেখান থেকে নাসুম আহমেদের করা ১৫তম ওভারে ৩৪ রান তুলে নেন রায়ান বার্ল।

ওভারের প্রথম চার বলে ছক্কা হাঁকানোর পর পঞ্চম বলটি অল্পের জন্য বাউন্ডারি পান জিম্বাবুয়ের বাঁহাতি ব্যাটার। শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে নাসুমকে বিব্রতকর রেকর্ডে শীর্ষে তুলে দেন বার্ল। শুধু তাই নয়, পথ হারানো নিজ দলকে আশার আলো দেখান তিনি।

একের পর এক উইকেট হারাতে থাকা জিম্বাবুয়ে সেই ১৫তম ওভার থেকে ৩৪ রান তুলেই ঘুরে দাঁড়ায়। লুক জঙউইকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে মাত্র ৩১ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়েন। যা জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের সপ্তম উইকেট জুটি।

এছাড়া বিশ্ব টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ছয় উইকেট পড়ার পর ন্যুনতম ২৫ বল খেলা জুটির মধ্যে বার্ল-জঙউই জুটির রান তোলার হারই সর্বোচ্চ। বার্লের ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে ৫৪ রান, জঙউই করেন ২০ বলে ৩৫ রান। শেষ ৬ ওভারে ৮০ রানসহ ১৫৬ রানে পৌঁছায় স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।

১৫৭ রানের লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। গতবছরই জিম্বাবুয়ে সফরের শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১৯৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করে সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। এবারও জয়ের পথে ছিল বাংলাদেশ। ইনিংসের ১৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৯৭ রান।

সিরিজ নির্ধারণ করলো দুই ইনিংসের ১৫তম ওভার

শেষ ছয় ওভারে ৬ উইকেট হাতে রেখে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৬০ রান। উইকেটে ছিলেন দুই স্বীকৃত ব্যাটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। একই সময় জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৭৬ রান; তাই স্পষ্ট এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।

কিন্তু এরপরই আসে সেই ১৫তম ওভার। ক্যারিয়ারের মাত্র চতুর্থ টি-টোয়েন্টি খেলতে নামা ব্র্যাড ইভান্সের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ-আফিফদের সহজেই বেশ কিছু রান তুলে নেওয়ার আশায় ছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু বিধিবাম! উল্টো বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দেন ইভান্স।

সেই ওভারের দ্বিতীয় বলে এগিয়ে মারতে গিয়ে উইকেটের পেছনে রেগিস চাকাভার গ্লাভসে ক্যাচ দেন ২৭ বল খেলে ২৭ রান করা মাহমুদউল্লাহ। পরের খাটো লেন্থের ডেলিভারি পুল করতে গিয়ে হাওয়ায় ভাসিয়ে চাকাভার হাতেই ধরা পড়েন অধিনায়ক মোসাদ্দেক।

পরপর দুই বলে দুই উইকেট হারানোর পর সেই ওভার থেকে বাংলাদেশ পায় মাত্র ২ রান। যেখানে সমীকরণ ছিল ওভারপ্রতি ১০ রান করে। সেখানে ১৫তম ওভার শেষে দুই উইকেট হারিয়ে ওভারপ্রতি ১১.৬০ রানের চাহিদায় পড়ে যায় বাংলাদেশ।

সেখান থেকে আর দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদি হাসান। দুজন মিলে ২৪ বলে ৩৪ রানের জুটিতে খানিক আশা জাগালেও শেষপর্যন্ত ১৪৬ রানে থামে বাংলাদেশ। যার সুবাদে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় জিম্বাবুয়ে।


আরও খবর



‘হাওয়া’ ছবির প্রচারণায় অনন্ত জলিল

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

গভীর সমুদ্রে চিত্রায়িত মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘হাওয়া’। এরই মধ্যে ব্যতিক্রমী পোস্টার ট্রেলার ও সিনেমার ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গান দিয়ে মুক্তির আগেই বেশ মনে ধরেছে সিনেমাপ্রেমীদের। এবার পরিবারের সবাইকে নিয়ে ‘হাওয়া’ সিনেমা দেখার আহ্বান জানালেন অনন্ত জলিল।

এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, সাদা সাদা কালা কালা এই গানটি ‘হাওয়া’ সিনেমার গান। আর গানটি আমার খুব ভালো লেগেছে। আশা করছি দর্শক আপনাদের মনে লেগেছে। ‘অসম্ভব কে সম্ভব করাই অনন্তের কাজ’ জিপির এই টিভিসির নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন। আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ। ‘হাওয়া’ ছবিটি তিনি নির্মাণ করেছেন। দর্শক আপনারা পরিবারের সকলে মিলে ‘হাওয়া’ সিনেমাটি দেখতে হলে যাবেন। আমি ‘হাওয়া’ ছবির জন্য শুভ কামনা জানাচ্ছি। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

এদিকে আগামীকাল শুক্রবার (২৯ জুলাই) দেশের ২৪টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘হাওয়া’ সিনেমা। যার মধ্যে দেশের সবচেয়ে অত্যাধুনিক স্টার সিনেপ্লেক্সের ৫টি শাখায় প্রতিদিন চলবে সিনেমাটির ২৬ শো।

স্টার সিনেপ্লেক্সের বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘মুক্তির আগেই রেকর্ডের পথে ‘হাওয়া’। কারণ মুক্তির প্রথম দিনে এত শো অন্য কোনো বাংলা সিনেমা সাম্প্রতিক সময়ে পায়নি। দর্শকের তুমুল চাহিদার কারণে এতগুলো শো। আমরা আশা করছি সিনেমাটির শো আরও বাড়বে। এরই মধ্যে টিকিটের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করছি। মুক্তির প্রথম দুইদিনের টিকিট ইতোমধ্যে শেষ। বলতে পারেন টিকিটের জন্য হাহাকার।’

মেজবাউর রহমান সুমনের কাহিনি এবং সংলাপে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন, সুকর্ণ সাহেদ ধীমান এবং জাহিন ফারুক আমিন।

এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুশি, শরিফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, নাসির উদ্দিন খান, সোহেল মণ্ডল, রিজভী রিজু, মাহমুদ হাসান এবং বাবলু বোস। চিত্রগ্রহণ করেছেন কামরুল হাসান খসরু, সম্পাদনা সজল অলক, আবহ সংগীত রাশিদ শরীফ শোয়েব এবং গানের সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী।


আরও খবর



পটুয়াখালীতে মুরগি-ডিমের দোকানে অভিযান

প্রকাশিত:Thursday ১৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে পটুয়াখালীতে মুরগি ও ডিমের দোকানে অভিযান চালিয়ে তিন ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে শহরের নিউমার্কেট এলাকায় অভিযান চালান জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম।

পটুয়াখালীতে মুরগি-ডিমের দোকানে অভিযান

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর পরই সারাদেশের মতো পটুয়াখালীর বাজারেও নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করেছে বিক্রেতারা। বৃহস্পতিবার শহরের নিউমার্কেট এলাকায় মুরগি ও ডিমের দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে। এসময় বিভিন্ন দোকানে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



বৃষ্টিতে বিদ্যালয়ে হাঁটু পানি, শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ১৬ August ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

একটু ভারি বৃষ্টিতেই চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে হুজরাপুর মডেল একাডেমিতে হাঁটু পানি জমেছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম। সংশ্লিটরা বলছেন, বিদ্যালয়ে পয়ঃনিষ্কাশন পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ জলাবদ্ধতা।

সোমবার (১ আগস্ট) বিকেলে হুজরাপুর মডেল একাডেমিতে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

হুজরাপুর মহল্লার বাসিন্দা আদরি বেগম বলেন, স্কুলের পাশের জমিটি উঁচু করে ভরাট করায় এমন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশের জমি উঁচু হওয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে পানি বের হতে না পেরে সামান্য বৃষ্টিতেই স্কুলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম। গত তিনদিনের বৃষ্টিতে এমন অবস্থা হয়েছে। বিষয়টি আমি লিখিত ভাবে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা, রহনপুর পৌর মেয়র ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রহনপুর পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান খান বলেন, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এরইমধ্যে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। খুব শিগগির পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা খাতুন বলেন, বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতার বিষয়টি শুনেছি। খুব শিগগির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করলো দুদক

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

নদী থেকে বালু উত্তোলন ও প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৩৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম খানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১ আগস্ট) দুপুরে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করা হয়। মামলার বাদী অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আতাউর রহমান। দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, গতকাল (রোববার) দুদক সচিব মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে সেলিম খানের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদনের বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, অনুসন্ধানে সেলিম খানের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপনের প্রমাণও মিলেছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দুদকের অনুসন্ধানে সেলিম খানের নামে ৩৬ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। জমি, বাড়ি ও ফ্ল্যাটসহ সম্পদের দালিলিক মূল্য অনুযায়ী মোট সম্পদের হিসাব করা হয়েছে।

সচিব জানান, সেলিম খানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় কমিশনের অনুমোদনক্রমে তার বরাবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়। সেলিম খান সম্পদ বিবরণী দাখিল করলে তা যাচাই-বাছাই শেষে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের প্রমাণ পায় দুদক। আর এ কারণেই দুদক আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় কমিশন কর্তৃক একটি মামলা রুজুর অনুমোদন দেওয়া হয়।


আরও খবর