Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে শরণখোলার শাহিন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৩৯৬জন দেখেছেন

Image
নাজমুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারী তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।গত ৩০ শে জানুয়ারি মঙ্গলবার কলেজ শাখার সভাপতি মোহাম্মদ রিপন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জুয়েল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। নবগঠিত এই কমিটিতে মোঃ মিলন আলীকে সভাপতি এবং আলী হাসান মেহেদীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

কমিটির শীর্ষপদে নতুন করে স্থান পেয়েছেন শরণখোলার সোহান ইসলাম শাহিন (২৪)। তাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এতে সংগঠনের উত্তরোত্তর উন্নতি হবে বলে মনে করেন সংগঠনের সদস্যরা।

নতুন এই কমিটির ব্যাপারে জানতে চাইলে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল জিয়াদ বলেন, যথোপযুক্ত এবং সার্বিক বিবেচনায় এই কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুপাতে কমিটিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন করে শীর্ষপদে যোগ্যরা স্থান পেয়েছেন। এতে সংগঠনের ভালো কিছুই হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও খবর



যবিপ্রবি'র ৯ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১৪০জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:চাকরি প্রার্থীদের অপহরণ এবং একজন আবাসিক শিক্ষার্থীকে রাতভর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ৯ শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আজীবন বহিষ্কৃত ৯ জন এবং বর্তমানে ছাত্রত্ব না থাকায় আরও চার জনসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধেই দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডের ১০০তম (বিশেষ) সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যদের অনেকে ভার্চুয়ালি এবং সশরীরে সভায় অংশ নেন। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনের পর তা নিয়মানুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ডিসিপ্লিনারি কমিটির সুপারিশ রিজেন্ট বোর্ডের সভায় উপস্থাপন করার পর তা ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহের বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি গত ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর  লিফট অপারেটর নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ডের সময় উদ্ভূত ঘটনাসমূহ রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যদের অবহিত করেন এবং গত ২০২৪ সালের ৪ জুন  যবিপ্রবি শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান (পিইএসএস) বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিন রহমানকে রাতভর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনা অবহিত করেন।

রিজেন্ট বোর্ডের সভায়, গত ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর  লিফট অপারেটরে চাকরি প্রার্থীদের অপহরণের ঘটনায় সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এবং তাদের বিষয়ে ইতিমধ্যে জারিকৃত বিধি-নিষেধ লঙ্ঘন করায় যবিপ্রবির ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ বেলাল হোসেন, ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী জি এম রাইসুল হক রানা, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান (পিইএসএস) বিভাগের শিক্ষার্থী নৃপেন্দ্র নাথ রায়, মুশফিকুর রহমান, ফাহিম ফয়সাল লাবিব ও মোঃ আবু বক্কারকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যবিপ্রবির রুলস অব ডিসিপ্লিন ফর স্টুডেন্টস অনুযায়ী আজীবন বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে ফাহিম ফয়সাল লাবিবের বর্তমানে ছাত্রত্ব নেই। উল্লিখিতদের মধ্যে যাদের ছাত্রত্ব নেই তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একইসাথে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ও আবাসিক হলে প্রবেশে বিধি-নিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

রিজেন্ট বোর্ডের সভায়, গত ২০২৪ সালের, ৪ জুন দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মসিয়ূর রহমান হলের ৩০৬ নম্বর কক্ষে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিন রহমানকে রাতভর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনা প্রমাণিত হওয়ায় যবিপ্রবির শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের সোহেল রানা, রেদওয়ান আহমেদ জিসান, মো. বিপুল সেখ, ইছাদ হোসেন,মো.আশিকুজ্জামান (লিমন) ও মো. আমিনুল ইসলাম; ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মো. বেলাল হোসেন ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মো. রায়হান রহমান রাব্বীকে যবিপ্রবির রুলস অব ডিসিপ্লিন ফর স্টুডেন্টস অনুযায়ী আজীবন বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে সোহেল রানা, ইছাদ হোসেন এবং আশিকুজ্জামান (লিমন)-এর বর্তমানে ছাত্রত্ব নেই। উল্লিখিতদের মধ্যে যাদের ছাত্রত্ব নেই তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একইসাথে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ও আবাসিক হলে প্রবেশে বিধি-নিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

যবিপ্রবির উপাচার্য ও রিজেন্ট বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.মোঃ আনিছুর রহমান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) খালেদা আক্তার, যুগ্ম সচিব ড. মোর্শেদা আক্তার, যশোরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.কাওছার উদ্দিন আহম্মদ, আইসিসিডিআর’বি-এর বায়োসেফটি অ্যান্ড বিএসএল-৩ ল্যাবরেটরির প্রধান ড. আসাদুলগনি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. কৌশিক সাহা, ইউজিসি অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. এম. এ. রশীদ, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মর্জিনা আক্তার, যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব,অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মেহেদী হাসান, রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহিরয়ার জাহেদী এমপি, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবু বক্কর সিদ্দিকী, যশোর সরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম আহসান হাবীব, রিজেন্ট বোর্ডের সচিব ও রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব প্রমুখ।


আরও খবর



তিস্তায় বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে সম্মান জানাবে চীন: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:তিস্তা নদীতে প্রকল্প নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের। চীন বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে সম্মান জানাবে,বলেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রাষ্ট্রদূত।

ইয়াও ওয়েন বলেন, তিস্তা সম্পর্কে আপনারা অবগত আছেন। আমি এটা নিয়ে কি বলতে পা‌রি। তিস্তা নদী বাংলাদেশের সীমানায়, এটা বাংলাদেশের নদী। তিস্তা নদীতে প্রকল্প নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ নেবে। চীন সেই সিদ্ধান্তে সম্মান জানাবে। এই মুহূর্তে আমি এটাই বলতে পা‌রি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা বাংলাদেশের নদী, সে তার অংশে যেকোনো প্রকল্প নিতে পারে। তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করতে চীন প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশ ফি‌জিবল স্টা‌ডি করার কথা বলেছে। এখন প্রস্তাব গ্রহণ করার বিষয় বাংলাদেশের।

ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা প্রস্তুত এবং ওপেন। সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ৮ জুলাই (সোমবার) সকালে ঢাকা থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। ৯ জুলাই (মঙ্গলবার) তিনি বেইজিংয়ে বিজনেস ফোরামে যোগ দিয়ে বক্তব্য দেবেন। পরদিন ১০ জুলাই (বুধবার) বঙ্গবন্ধুকন্যা চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে আর্থিক সহায়তা এবং নতুন প্রকল্পে অর্থায়নের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। পরে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন। প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফরের সময় দেশটির সঙ্গে বেশ কয়েকটি দলিল সইয়ের কথা রয়েছে। এছাড়া সরকারপ্রধান বঙ্গবন্ধুর বই ‘আমার দেখা নয়াচীন’র চাইনিজ ভাষায় অনুবাদের মোড়ক উন্মোচন করবেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডিক্যাব প্রেসিডেন্ট নূরুল ইসলাম হাসিব ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান অপু।


আরও খবর

রিজার্ভ কমল ১৩২ কোটি ডলার

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪

বাড়ল স্বর্ণের দাম

রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪




বেনাপোল কাস্টম হাউস’ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে বেশি আয় করেছে ২১৬.৫৯ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১২৪জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:টানা ১ যুগ ধরে বেনাপোল কাস্টম হাউস রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জণে ব্যর্থ হলেও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২১৬.৫৯ কোটি টাকা বেশি আয় করেছে।

সুত্রে জানা যায়, এ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বেনাপোল কাস্টম হাউসকে বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৬২৩৮ কোটি টাকা। সেখানে বেনাপোল কাস্টম হাউস ৩০ জুন-২০২৪ পর্যন্ত সংশোধিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রকাশ করেছেন ৫৯৪৮ কোটি টাকা। আদায় দেখিয়েছেন ৬১৬৪.৫৯ কোটি টাকা। যা শতকরা প্রবৃদ্ধির হার প্রকাশ করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি।

এই সময়ে এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১৭ লাখ ২১ হাজার ৭৮০ টন। যা বিগত বছরের তুলনায় ২ লাখ ৮১ হাজার ৯৭০ টন কম। এখানে পণ্য আমদানি কমলেও রাজস্ব আদায় বেড়েছে।

জানা গেছে, প্রতিবেশি দেশ ভারতের সঙ্গে স্থলবন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশের মধ্যে যতো বাণিজ্য সম্পাদিত হয় তার প্রায় ৮০ ভাগ পণ্য আমদানি হয় বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে। তবে বৈশি^ক মন্দাসহ নানা কারণে গেল কয়েক বছর ব্যবসায়ীরা ঠিকমতো এলসি করতে না পারায় আমদানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এছাড়া, ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য শুল্কায়নে কাস্টম কর্মকর্তাদের লাগামহীন ঘুষ বাণিজ্য, কতিপয় চিহ্নিত দুস্কৃতিকারি আমদানিকারকদের মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা পণ্য পাঁচারে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করা ও চেকপোস্ট কাস্টম দিয়ে সীমান্তের চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের সাথে অবৈধ আতাতের মাধ্যমে অবাধে বিনা শুল্কে আমদানি পণ্য পাঁচার হওয়ায় দীর্ঘ ১ যুগ যাবত প্রতিবছর এ বন্দর থেকে কাস্টম কর্মকর্তা ও চোরাকারবারিরা আঙুল ফুলে কলাগাছ বনেগেলেও সরকার হারাতে থাকে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব।

জানা যায়, বিদায়ী অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর থেকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে ফেব্রিক্স, পচনশীল কাঁচা পণ্য, ইংগড, ট্রাকের চেচিস, মটরপার্টস এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কাঁচামাল থেকে। আর সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি বিডি, এসএমসিএল নিলয় ও এসএম কর্পোরেশন বলে জানিয়েছে কাস্টমস সূত্র।

স্থানীয় সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল বন্দর থেকে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করলেও বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সন্তোষ জনক না। বন্দর থেকে পণ্য চুরি ও বারবার বন্দর অভ্যন্তরে রহস্যজনক অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অনেক ব্যবসায়ী এখান থেকে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছেন। এছাড়া এ বন্দর দিয়ে বৈধ পথে আমদানি পণ্যের সাথে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য আসতে থাকায় ঝামেলা এড়াতে সচেতন ব্যবসায়ীদের অনেকে অন্য বন্দরে চলে গেছে। নাম প্রকাশে ভয়ে ভীত বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডি এজেন্টের অধিকাংশ কর্মচারিরা জানান, বেনাপোল কাস্টমস হাউসের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারিরা আমদানি-রপ্তানিকারকদের গলার ফাঁস। বেনাপোল বন্দর হয়ে ভারত-বাংলাদেশ আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি পণ্যের শুল্কায়ন করেন শুল্কায়ন কর্মকর্তারা। সেখানে পণ্যের শ্রেণিভেদে শুল্কায়ন করেন সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা থেকে শুরু করে যুগ্ম কমিশনার পর্যন্ত। যেখানে ফাইল উপস্থাপনের সাথে পণ্য শুল্কায়নের আগেই নগদে প্রত্যেক দপ্তরের কর্মকর্তাদের পরিশোধ করতে হয় সর্বনিম্ন ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ লক্ষ টাকা।

এদিকে অধিকাংশ সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা জানান, শাড়ি, থ্রি-পিছ,কসমেটিক্স, ব্লাঙ্ককেটস, মেশিনারীজ পার্টস, সার্জিক্যাল আইটেম, চকলেটসহ আমদানিযোগ্য লাভজনক অনেক পণ্য দীর্ঘদিন যাবত ব্লাকের মাধ্যমে বেনাপোল আর্ন্তজাতিক চেকপোষ্ট কাস্টম হয়ে কাস্টমসের কতিপয় অসাধু সিন্ডিকেট কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সহযোগীতায় শুল্কফাঁকি দিয়ে দেশে প্রবেশ করছে। এতে চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তার অবৈধ পণ্য পাঁচারকারি সিন্ডিকেটের সদস্য সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) জুলহাস, নাইম, ইমরান, লিঙ্কন, দিদার বক্স, আনিছুর রহমান আনিছ, শরিফ,  ছাবিরা, সিপাই মতিন, নাজমুল, ট্যান্ডেল সাদ্দাম হোসেন, শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা, আনসার সদস্য আনিছুর,শামীম, নাসিম রেজা, সুমনসহ কতিপয় কর্মকর্তারা রাতারাতি কোটিপতি বনে গেলেও আমদানিকারকরা সরকারের শুল্ক দিয়ে বৈধপথে আমদানি বাণিজ্যে লোকশান গুনতে গুনতে বন্ধ করে দিয়েছে এ ধরণের পণ্য আমদানি। একইসাথে প্রতিবছর সরকার হারাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়।

কাস্টম সুত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা, সেখানে আদায় হয়েছিলো ৫ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয় ১৮০ কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৬২৪৫ কোটি টাকা, আদায় হয়েছিলো ৪৫৯৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এতে রাজস্ব ঘাটতি হয় ১৬৪৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। তবে, সংশোধিত রাজস্ব আয় ৫১৫৮ কোটি টাকার বিপরীতে ঘাটতির পরিমান ৫৫৮ কোটি ৮ লাখ।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ২৪৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, সেখানে আদায় হয়েছিল ৪ http://cricket.banglaconverter.org/হাজার ১৪৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা। ওই বছর ঘাটতি ছিল ২ হাজার ৯৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছিল ৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঘাটতি ১১৪৫ কোটি টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ঘাটতি ১৭৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। তবে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছিল, আবার  ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ঘাটতি ২০৩ কোটি টাকা, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ঘাটতি ৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা, ২০১৩-১৪ তে ঘাটতি ১৩৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ২০১২-১৩ তে ঘাটতি ৪৫২ কোটি ৮৯ লাখ এবং  ২০১১-১২ অর্থবছরে ঘাটতির পরিমান ছিল ১৯৪ কোটি টাকা।

তবে, এবারের (২০২৩-২৪) অর্থবছরে রাজস্ব আহরণে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বেনাপোল বন্দরের কাস্টম সংশ্লিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা। অধিকাংশরা বলেছেন, এবার দূর্ণীতি দমন কমিশন কর্তৃক বেনাপোল কাস্টম হাউসের অধিনে কর্মরত ঘুষখোর কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে তাদের নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবসহ নগদ অর্থ ও সম্পত্তির খোজ-খবর নিলে বেরিয়ে আসবে অনেক অজানা তথ্য। বেরিয়ে আসবে নতুন চাকুরিতে প্রবেশকারিদের কর্মকর্তাদেরও অজ্ঞাত আয়ের পরিধি। তাতে, হয়রানী এড়িয়ে একদিকে এ বন্দর দিয়ে সুষ্ঠভাবে ব্যবসা বাড়াতে পারতে ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে সরকারের বাড়তে থাকবে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার মির্জা রাফেজা সুলতানা বলেন,বেনাপোল কাস্টম হাউস কমিশনারের সঠিক দিকনির্দেশনায় এবার আমরা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছি। এখানে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মধ্যে জবাবদিহিতা ও কাজের প্রতি স্বচ্ছতা বেড়েছে। আগামীতে এ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জণ অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



দূর্নীতির অভিযোগে ডিবির এস আই সৈয়দ আশরাফুল প্রত্যাহার

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:- আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজ এলাকার মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আত্মসাৎ ও ঘুষ দূর্নীতির অভিযোগে লক্ষীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত উপ-পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সেলিম কে তার কর্মরত স্থল থেকে প্রত্যাহার করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লক্ষীপুর জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। 


তথ্য সূত্র জানা যায়, বিগত ৪ এপ্রিল তার নিজ গ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের নারুই গ্রামের আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার,চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি ও লক্ষীপুর জেলা পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করে। এতে উল্লেখ্য করে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সেলিম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হওয়ায় তার নিজ এলাকায় নতুন বাড়ি ঘর করলে চাঁদা দাবি করা,ছোট ঘটনায় মামলা দিয়ে গুম করার ভয় দেখিয়ে টাকা নেয়া সহ পুলিশের চাকুরী থেকে চাকুরীচুত্যদের চাকুরীতে বহাল রাখতে মোটা অংকের টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কয়েকটি ফেইক আইডি খোলে সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে।


উল্লেখ্য তার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটা মানহানি মামলা চলমান রয়েছে যাহাতে সে জামিনে রয়েছে, আরেকটি আইসিটি মামলা চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইবুনালে তদন্তাধিন ও অপর একটি মামলায় হাইকোর্টে ১০ দিনের রোল আদেশ ইসূ করে ৬ বছর ধরে চাকরিতে কৌশলে বহাল রয়েছে। 


এসকল অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে অভিযোগকারী ও স্বাক্ষীদের স্বশরীলে স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পেয়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা পুলিশ লাইনে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে তার ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ। 


এবিষয়ে লক্ষীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ শাহাদাত হোসেন টিটো জানান,তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

  -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের আয়োজনে প্রামাণ্যচিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৮২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক প্রাণী (মেরিন মেগাফনা) ‘করাত মাছ’ সম্পর্কিত প্রামাণ্যচিত্র ‘খটক: দ্য স্টোরি অফ এন আননোন জায়ান্ট’-এর প্রিমিয়ার এবং ‘রেইজ অব হোপ’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনীর আয়োজন করতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেঙ্গল এলাসমো ল্যাব। রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রাঙ্গনে আগামী ১৮ জুলাই বিকেল ৪টায় এ আয়োজন শুরু হবে।বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্য এবং অর্জিত জ্ঞান সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে বেঙ্গল এলাসমো ল্যাব ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় এই আয়োজন করছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে সকলের মাঝে বিশেষ করে, তরুণদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি, সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান ও প্রজাতি রক্ষা করা সম্পর্কে জানতে এবং রক্ষা করতে এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হবে।

বেঙ্গল এলাসমো ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলিফা বিনতে হক ব্রিটিশ কাউন্সিলের স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড ২০২৩-২৪ এর ‘সায়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ক্যাটাগরি’র ফাইনালিস্ট এবং একজন কমনওয়েলথ স্কলার। এ বিষয়ে তিনি বলেন,“প্রকৃতি ও মহাসাগর সংরক্ষণের বিষয়টি আসলে মানুষের ইচ্ছাধীন, এই ধারনাটিই আয়োজনের মূলে রয়েছে।হাঙর, শাপলাপাতা মাছ, ও করাত মাছের মতো মহাবিপন্ন প্রাণীদের নিয়ে সচেতন করতে সব ধরণের মানুষদের একত্রিত করা, অর্থপূর্ণ আলোচনা শুরু করা এবং আগামী প্রজন্মের স্বার্থে তাদের নিরাপদ রাখার উপায় বের করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।”

আগামী ১৮ জুলাই মহাবিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী ‘করাত মাছ’ সম্পর্কিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে। এর পাশাপাশি, তিনদিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীরও উদ্বোধন করা হবে; এ প্রদর্শনীতে অসাধারণ সব আলোকচিত্রের মাধ্যমে সমুদ্রের অপার রহস্য তুলে ধরা হবে।

এ বিষয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ডিরেক্টর শ্যানন ওয়েস্ট বলেন, “সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান ও প্রজাতির সুরক্ষা নিশ্চিতে সচেতনতা বাড়াতে বেঙ্গল এলাসমো ল্যাবের এই আয়োজনের অংশ হতে পেরে আমরা আনন্দিত। সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান সংরক্ষণ এবং দেশের উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় আমরা বেঙ্গল এলাসমো ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা ও আমাদের স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই প্রোগ্রাম ২০২৩-২৪ এর ফাইনালিস্ট এবং কমনওয়েলথ স্কলার আলিফা বিনতে হককে সাধুবাদ জানাই। সাসটেইনিবিলিটি নিশ্চিতে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ও বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তায় এবং যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন ও আস্থা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ব্রিটিশ কাউন্সিল, আলিফার এই অর্জন তারই সাক্ষ্য দেয়।”

উদ্বোধনী দিনে ‘বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশে প্রজাতি সংরক্ষণ’ (স্পিসিস কনজার্ভেশন ইন এ গ্লোবাল সাউথ কান্ট্রি), এই বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করে এক আলোচনা সভায় নিজেদের মতামত তুলে ধরবেন আমন্ত্রিত আলোচকরা। টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিশ্চিত করতে সামুদ্রিক প্রাণী, মাছ ও জেলে সম্প্রদায়ের গুরুত্ব এবং কার্যকর সংরক্ষণ নিশ্চিতে প্রমাণভিত্তিক ও বিজ্ঞানসম্মত গবেষণার সাথে কমিউনিটিকে সংযুক্ত করার প্রভাবের মতো বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে এই আলোচনা করা হবে।

আয়োজনে বৈশ্বিকভাবে মহাবিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী ‘করাত মাছের’ ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে। প্রাণীটি বাংলাদেশের উপকূলে নির্বিচারে মাছ ধরা ও বাসস্থান কমে যাওয়ার প্রভাবে মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে।

এই প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী নিয়ে কাজ করার অসুবিধা, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে জালে উঠা মাছ (বাইক্যাচ – জালে অনিচ্ছাকৃতভাবে ধরা পড়া মাছ বা প্রাণী, যা সাধারণত বিক্রি করা যায় না) ও তার প্রভাব এবং জেলেদের মাঝে সচেতনতার গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে মানুষ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর

মিরপুর-১০ গোলচত্বর রণক্ষেত্র

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪