Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৯

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৬৩জন দেখেছেন

Image

জসীমউদ্দীন ইতি ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:প্রাইমারির সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ঠাকুরগাঁওয়ে ডিজিটাল ডিভাইস ও মোবাইল ফোনসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির মোবাইল ডিভাইস ও মুঠোফোন সহ ৯ জন পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) পৌর শহরের পুলিশ লাইন স্কুল, সদর উপজেলার কচুবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সন্দেহজনক কয়েকজন পরীক্ষার্থীর শরীর তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় ব্যাংকিং ক্রেডিট কার্ডের আকারে তৈরি একাধিক মোবাইল ডিভাইস। এ সময় তাদের গ্রেপ্তার করে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আটককৃতরা হলেন, সোহানুর রহমান (২৮), সাং- আলসিয়া, পিতা -মোঃ হুমায়ুন, থানা- রানিশংকৈল, মোছা: আরজিনা (৩০), স্বামী -আমিরুল ইসলাম, সাং- নারায়নপুর, থানা পীরগঞ্জ, মোছা: হাসনাহেনা (৩০), স্বামী আনিসুর রহমান, থানা বালিয়াডাঙ্গী, মোঃ আনোয়ার খালেদ (২৮) পিতা মোঃ হাসান আলী, সাং- আলাকসিপি, থানা বালিয়াডাঙ্গী, শ্রী টঙ্গনাথ বর্মন (৩২), পিতা- পঞ্চানন চন্দ্র , সাং-বাজেবকসা, থানা -রাণীশংকৈল, মোঃ ওমর ফারুক (২৯), পিতা- মো: আলিম উদ্দিন, সাং- পাটুয়াপাড়া, থানা -পীরগঞ্জ , মোছা: রেজিনা খাতুন (২৯), স্বামী- আজহারুল, সাং- মধুপুর, থানা- রুহিয়া, আব্দুল্লাহ আল নোমান (২৭), পিতা- আকবর আলী, থানা- রানীশংকৈল, আমিরুল ইসলাম (২৮), পিতা- এনামুল হক, থানা- রাণীশংকৈল । এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার খন্দকার মনছুর রহমান জানান, নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেয়া সরকারি কলেজ, কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ,কচুবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়সহ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে নয়জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এদিকে ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ কবির জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আগামীকাল শনিবার আদালতে প্রেরণ করা হবে।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মাগুরায় সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪১জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। ‘মহান স্বাধীনতা দিবস বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৪’ শিরোনামে এই টুর্নামেন্টে মাগুরা ১ আসনের  মমাগুরা সদরের ৯ ও শ্রীপুর উপজেলার ৮ ইউনিয়ন মিলে ১৭টি ইউনিয়ন ফুটবল দল অংশ নিচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার রাওতড়া হৃদয়নাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ভার্চুয়ালি টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন মাগুরা ১ আসনের সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান। তাঁর পিতা খোন্দকার মশরুর রেজার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। উদ্বোধনী খেলায় সদরের জগদল ইউনিয়ন দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে মূল পর্বে খেলার সুযোগ করে নিয়েছে বগিয়া ইউনিয়ন ফুটবল দল। আয়োজকদের একজন সাবেক ফুটবলার মেহেদী হাসান উজ্জ্বল জানান, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সদর ও শ্রীপুরের ১৭টি ইউনিয়ন দল নিয়ে ফুটবল, কাবাডি ও ভলিবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার শ্রীপুরে ভলিবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। শিগগিরই কাবাডি টুর্নামেন্টও শুরু হবে। তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনতে এসব টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও খবর



"রাজধানী ঢাকায় প্রয়োজন ২৫ শতাংশ রাস্তা, আছে ৯ শতাংশ"

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন, রাজধানী ঢাকায় ২৫ শতাংশ রাস্তার প্রয়োজন হলেও সেখানে ৯ শতাংশ রাস্তা আছে বলে।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় ২ কোটি মানুষের বাস। একটা শহরে যানবাহন উপযোগী রাখার জন্য ও ট্রাফিক ব্যবস্থা সুষ্ঠু রাখার জন্য অন্ততপক্ষে ২৫ শতাংশ রাস্তার প্রয়োজন হয়। সেখানে আমাদের আছে ৯ শতাংশ। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে যুক্ত হলে সেটি সাড়ে ৯ শতাংশ হতে পারে। আমাদের রাস্তার সংকট রয়েছে।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা ট্রায়ালভাবে একবার দিয়েছিলাম। তাতে আমরা মহাজটের একটা দৃশ্য দেখেছি। সেজন্য আমরা সরে গিয়ে আরেকটি পরিকল্পনা নিয়েছি। দুই সিটির মেয়র আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমরা কীভাবে আরও লাইটিং সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে পারি সেটি আমরা শুরু করেছি। আমরা খুব শিগগিরই হয়তো পর্যায়ক্রমে কিছু কিছু জায়গায় আমরা শুরু করব।


আরও খবর



গাংনীতে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু ভূয়া চিকিৎসকের দুই বছর কারাদন্ড

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধি:মেহেরপুরের গাংনীতে ভূল চিকিৎসায় এক নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সুজন হোসেন নামের এক ভূয়া ডাক্তারের দুই বছরের কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ শুক্রবার সকালে  দণ্ডিতকে মেহেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যারাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম ও গাংনী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাদির হোসেন শামীম এ দন্ড প্রদান করেন। দণ্ডিত সুজন আলী গাংনীর মহাম্মদপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।ভ্রাম্যমাণ আদালত সুত্রে জানা গেছে, বাওট গ্রামের মনিরুল ইসলামের দুই দিন বয়সী নবজাতক শিশুর চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয় মহাম্মদপুর গ্রামের হালিমা ফার্মেসীতে।

সেখানে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শরিফুল ইসলামের ব্যক্তিগত চেম্বার রয়েছে। শরিফুল ইসলামের অনুপস্থিতিতে সেখানে সুজন আলী নামের এক ব্যক্তি নিজেকের ডাক্তার দাবি করে নবজাতকের চিকিৎসা দেন। কয়েকটি এন্টিবায়োটিক ওষুধসহ বিভিন্ন ওষুধ দেওয়া হয়। পরিবারের লোকজন বাড়ি ফিরে ওই ওষুধ সেবন করানোর পর নবজাতক আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিকেলে নবজাতকের মৃত্যু হলে ওই ফার্মেসীতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে সুজন ভূয়া ডাক্তার হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২৯ এর ১ ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছর কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আব্দুল আল মারুফ ও গাংনী থানা পুলিশের সহায়তায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক মিয়ানমারে নাগরিকদের

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মিয়ানমারের জান্তা সরকার নতুন একটি আইন (কনস্ক্রিপশন) প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। ওই আইন অনুযায়ী, দেশটির যুবক ও যুবতীদের বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে কাজ করতে হবে।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

কনস্ক্রিপশন আইনের বিষয়টি শনিবার জানিয়েছে জান্তা সরকার। এর মানে সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক কাজ করতে হবে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পুরুষ ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব নারীকে অন্তত দুইবছর সেনাবাহিনীতে কাজ করতে হবে। তবে, এর বেশি কিছু জানায়নি তারা।

এক বিবৃতিতে জান্তা সরকার জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় উপবিধি, পদ্ধতি, নির্দেশাবলী বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করবে।

বিবিসি জানিয়েছে, সবশেষ কয়েক মাসে বিদ্রোহীদের হাতে একের পর এক অপমানজনক পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে জান্তা বাহিনী। গত বছরের শেষের দিকে শান প্রদেশের তিনটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করা অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থন দেয়। ওই সময় চীন সীমান্তের একটি শহর দখলে নেয় তারা।

গত মাসে আরাকান আর্মি (এএ) জানিয়েছিল, তারা চিন প্রদেশের পালেতোয়া শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

সেনা অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সাবেক জেনারেল মিন্ত সোয়ে এর আগে বলেছিলেন, সংঘাত নিয়ন্ত্রণে না আনা গেলে দেশ ভেঙে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে।

বিবিসির তথ্যমতে, ২০১০ সালে কনস্ক্রিপশন আইনটি সামনে আনে দেশটির তৎকালীন সরকার। তবে, এ পর্যন্ত আইনটি বাস্তবায়িত হয়নি। আইন অনুযায়ী, প্রয়োজনে বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে কাজের সময়সীমা পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। আইনটি না মানলে জেল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের ক্ষমতায় আসে দেশটির সেনাবাহিনী। তবে, গত অক্টোবর থেকে বিদ্রোহী ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলো এক হয়ে আক্রমণ চালাচ্ছে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে। এতে অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে তারা।


আরও খবর



কিশোর গ্যাং বিভিন্ন গ্রুপের অতিষ্ঠ মানুষ, গ্রেপ্তার গ্যাংয়ের ৩৭ কিশোর

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২০৪জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:বাবা গ্রুপ, ০০৭ গ্রুপ, জাউরা গ্রুপ, ভোল্টেজ গ্রুপ,ডি কোম্পানি ও জাহাঙ্গীর গ্রুপসহ বিভিন্ন নামে গড়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। প্রতি গ্রুপে আনুমানিক ১০/১৬ জন করে কিশোর। টাকার বিনিময়ে মারামারি, দখলবাজি, পিকেটিং, ছিনতাই, ডাকাতি, খুনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে থাকে। তাদের ক্ষমতার জাহিরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে মানুষ।গত বৃহস্পতিবার মাত্র ৩ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ৩৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১। এলাকাবাসী ও র‌্যাব-১ সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় আনাচে-কানাচে গড়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। তাদের নামে বেনামে গড়ে তুলেছে বিভিন্ন গ্রুপ। বর্তমান সময়ে কিশোর গ্যাং, গ্যাং কালচার, উঠতি বয়সি ছেলেদের মাঝে ক্ষমতা বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক গ্রুপের সাথে অন্য গ্রুপের মারামারি করা বহুল আলোচিত ঘটনায় পরিনত হয়েছে।

গ্যাং সদস্যরা এলাকায় নিজেদের অস্তিত্ব জাহির করার জন্য উচ্চ শব্দে গান বাজিয়ে দল বেধে ঘুরে বেড়ায়, বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালায়, পথচারীদের উত্ত্যক্ত করে এবং ছোট খাটো বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চড়াও হয়ে হাতাহাতি- মারামারি করে। এছাড়াও তারা নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখার জন্য একই এলাকায় অন্যান্য গ্রুপের সাথে প্রায়সই কোন্দলে লিপ্ত থাকে। তাদের এই ধরনের চলাফেরার কারণে সাধারণ লোকজন তাদের অনেকটাই এড়িয়ে চলে। এই এড়ানোর বিষয়টিকে তারা তাদের ক্ষমতা হিসেবে ভাবে এবং কোন ঘটনায় কেউ কোন প্রতিবাদ করলেও ক্ষমতা জাহির করতে মারামারি করাসহ অনেক সময় খুন করতেও দ্বিধাবোধ করে না। সস্প্রতি র‌্যাব-১ এর গোয়েন্দা অনুসন্ধানে রাজধানীর মহাখালী, বিমানবন্দর, বনানী, গাজীপুর ও

টঙ্গী থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় কতিপয় কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রম সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা গড়ে তুলেছে বাবা গ্রুপ, ০০৭ গ্রুপ, জাউরা গ্রুপ, ভোল্টেজ গ্রুপ, ডি কোম্পানি ও জাহাঙ্গীর গ্রুপসহ নামে বেনামে বিভিন্ন গ্রুপ। প্রত্যেক গ্রুপের আনুমানিক সদস্য ১০/১৫ জন সদস্য রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের নামে পেশীশক্তি প্রদর্শন করে আসছে। মাদক সেবন, সাইলেন্সারবিহীন মোটরসাইকেল চালিয়ে বিকট শব্দ করে জনমনে ভীতির সঞ্চার, স্কুল-কলেজে বুলিং, র‌্যাগিং, ইভটিজিং, ধর্ষণ, ছিনতাই, ডাকাতি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল ভিডিও শেয়ারসহ নানাবিধ অনৈতিক কাজে লিপ্ত কিশোর গ্যাং। তারা টাকার বিনিময়ে যে কোন পক্ষের হয়ে মারামারি, দখলবাজি, পিকেটিং করে। যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিশ্চিত ক্ষতির মুখে ধাবিত করছে। এরই প্রেক্ষিতে কিশোর গ্যাং এর বিপথগামী সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে সস্প্রতি র‌্যাব-১ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার রাত ৭টার থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব-১। মাত্র ৩ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে রাজধানী ঢাকার মহাখালী, বনানী, বিমানবন্দর, টঙ্গি ও গাজীপুর এলাকা থেকে ‘০০৭ গ্রুপের দলনেতা আল-আমিন, জাউরা গ্রুপের দলনেতা মাহাবুব, বাবা গ্রুপের দলনেতা সাদ, ভোল্টেজ গ্রুপের মনা, ডি কোম্পানি- (লন্ডন পাপ্পু চালায়) আকাশ ও আমির হোসেন গ্রুপ’ জাহাঙ্গীর গ্রুপ ওরফে বয়রা জাহাঙ্গীর গ্রুপসহ বিভিন্ন কিশোর গ্যাং গ্রুপের ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাসেল, আরাফাত, রবিন, আল-আমিন, ইসলাম, জুয়েল, রবিউল, মুরাদ, মাহাবুব, সাদ, রোহান, মনা, হৃদয়, ওবায়েদ, জিসান, আকাশ, ঈমন, রমজান, সজিব, শাকিব, রাজিব, আমির হোসেন, শাহজাহান সাজু @ রাসেল, জিলাদ মিয়া, হৃদয়, রায়হান, বাবু মিয়া, শাহজাহান, জালাল মিয়া,লামিম মিয়া, রাকিব, হিরা মিয়া, ইমরুল হাসান, সাকিন সরকার রাব্বি, সুজন মিয়া, খাইরুল, রাহাত। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাজা, ২৪টি মোবাইল, ১টি ব্লেড, ১টি কুড়াল, ১টি পাওয়ার ব্যাংক, ৫টি রড, ১৬টি চাকু, ৩টি লোহার চেইন, ১টি হাতুড়ী, ১টি মোটরসাইকেল এবং ২৪ হাজার ২৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক, অস্ত্র, ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া অফিসার) মোঃ মাহফুজুর রহমানের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টাকার বিনিময়ে যে কোন পক্ষের হয়ে মারামারি, দখলবাজি, পিকেটিং, ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজে লিপ্ত ছিল মর্মে স্বীকার করে। কিশোর গ্যাং এর বিপদগামী সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-১ এর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর