Logo
আজঃ Monday ২৭ June ২০২২
শিরোনাম

তাসকিনকে অবশ্যই পুরস্কার দেওয়া উচিত- মাশরাফি

প্রকাশিত:Tuesday ২৯ March ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৭৭জন দেখেছেন
Image

স্পোর্টস ডেস্কঃ

খেলোয়ারী জীবনে প্রথমবারের মতো আইপিএলে ডাক পেলেও জাতীয় দলকেই প্রাধান্য দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। এজন্য ডানহাতি এই পেসারকে পুরস্কৃত করতে বললেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।



 

দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়ানডে সিরিজ চলাকালীন সময়ে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছ থেকে খেলার প্রস্তাব পেয়েছিলেন তাসকিন। তাকে পুরো মৌসুমের জন্য চেয়েছিল আইপিএলের নতুন দলটি। কিন্তু সিরিজের মাঝে প্রস্তাব আসায় বিসিবি তাসকিনকে অনুমতি দেয়নি। তাসকিন নিজেও জাতীয় দলকেই বেছে নিয়েছেন।


আইপিএলকে 'না' বলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নিয়ে দলকে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় এনে দিয়েছেন তাসকিন। হয়েছেন সিরিজ সেরাও।  


তাসকিনের আইপিএলে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে আগেই সাধুবাদ জানিয়েছিলেন মাশরাফি। আজ মিরপুর শের-ই- বাংলায় তিনি তাসকিনকে পুরস্কৃত করার দাবি জানালেন, 'অবশ্যই (পুরস্কার দেওয়া উচিত)। যদি (জেমস) অ্যান্ডারসন ও (স্টুয়ার্ট) ব্রডের দিকে তাকান, ইসিবি কিন্তু তাদেরকে এই পুরস্কারটা দেওয়া হয়। যেহেতু তারা আইপিএল না খেলে দেশকে সার্ভিস দিচ্ছে, তাদেরকে নূন্যতম পুরস্কার দেওয়া হয়। '


ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের টাকা ছেড়ে জাতীয় দলকে বেছে নেওয়া ক্রিকেটারদের পুরস্কার দেওয়ার ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে ম্যাশ বলেন, 'পুরস্কার দিলে হয় কি, ক্রিকেটারদের ভালো লাগা কাজ করে যে, না বোর্ড আমাদের বিষয়টা দেখছে। তখন আমরা টেস্ট ক্রিকেট কেন, যে কোনো ফরম্যাটে ক্রিকেট খেলার জন্য প্রস্তুত। '


নিলামে সাকিব আল হাসান সুযোগ না পাওয়ায় এবং তাসকিন না যাওয়ায় এবারের আইপিএলে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান।


আরও খবর



৩৫তম জন্মদিনে জেনে নিন মেসির ১০টি অজানা তথ্য

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

৩৫টি বসন্ত পার করে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তার পায়ের জাদুতে মুগ্ধ হননি এমন ফুটবল ভক্ত কমই পাওয়া যাবে। ক্লাব ফুটবলে বার্সেলোনা এবং পিএসজির হয়ে জিতেছেন প্রায় সব পুরস্কারই। জাতীয় দলের হয়ে জিতেছেন কেবল একটি কোপা আমেরিকা ট্রফি।

১৯৮৭ সালের ২৪ জুন আর্জেন্টিনার সান্তা ফে রাজ্যের রোজারিও শহরে জন্মগ্রহণ করেন মেসি। ১১ বছর বয়সে দেখা দেয় তার গ্রোথ হরমোন সমস্যা। যেটার চিকিৎসা ব্যায় মাসে ৯০০ ডলার।

ওই সময় বার্সার স্পোর্র্টিং ডিরেক্টর কার্লেস রেক্সাসের চোখে পড়েন। বার্সা তার চিকিৎসা এবং ফুটবল ট্রেনিংয়ের দায়িত্ব নেয়ার কথা জানায়। তখনই মেসির বাবার সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয় বার্সা কর্মকর্তার।

২০০৮ সাল থেকেই আনতোনেল্লা রোকুজ্জোর সঙ্গে প্রেম মেসির। ২০১২ সালে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। ২০১৭ সালে এসে বিয়ে করেন তারা। এর মধ্যে তিনটি সন্তানেরও বাবা-মা হয়েছেন মেসি ও রোকুজ্জো। এ তিনজনের নাম থিয়াগো মেসি, মাতেও মেসি এবং মাতেও মেসি।

৩৫তম জন্মদিন এমন এক সময়ে পালন করছেন, যখন দুর্দান্ত একটি দল নিয়ে কাতার বিশ্বকাপে খেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

মেসির জন্মদিনে পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো তার ক্যারিয়ারের ১০টি অজানা দিক।

১. মেসিকে তার ক্ষিপ্রতা, তৎপরতা এবং গতির কারণে ডাকা হয় ‘দ্য ফ্লি’ নামে।

২. বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলারদের একজন মেসি।

৩. কার্লেস রেক্সাস, বার্সেলোনার প্রথম স্পোর্টিং ডিরেক্টর। তিনি যখন আর্জেন্টিনায় ছোট্ট মেসির ফুটবল স্কিল দেখেন, খুব অভিভূত হয়ে যান এবং তাৎক্ষনিক তার বাবার সঙ্গে মেসির ব্যাপারে চুক্তি সাক্ষর করেন। সেখানো কোনো কাগজ না থাকায় ন্যাপকিন বা টিস্যু পেপারে চুক্তির স্বাক্ষর করেন।

৪. ২০০৩ সালে এস্পানিওলের বিপক্ষে প্রথম বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় অভিষিক্ত হন মেসি। ওই সময় তার বয়স ছিল ১৭ বছর। বার্সার ইতিহাসে তৃতীয় সর্বকণিষ্ট ফুটবলার হিসেবে অভিষেক হয় তার। শুধু তাই নয়, ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে গোল করার রেকর্ডও গড়েন তিনি।

৫. মেসির রয়েছে দুটি পাসপোর্ট। একটি আর্জেন্টিনার নাগরিক হিসেবে। অন্যটি স্পেনের নাগরিক হিসেবে। ২০০৫ সালে স্পেনের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

৬. ২০০৮ সালে বার্সার আরেক আইকনিক ফুটবলার, ব্রাজিলিয়ান রোনালদিনহোর কাছ থেকে ১০ নম্বর জার্সি গ্রহণ করেন।

৭. ২০০৯ সালে তিনি প্রথম ফিফা প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। একই বছর জয় করেন ব্যালন ডি’অরও। ২০১৯ সালে জয় করেন ফিফা বেস্ট মেন্স প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার। ৬ বার জয় করেন ইউরোপিয়ান গোলেন সু। ২০১৪ বিশ্বকাপে জেতেন সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল।

৮. দ্য রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন মেসিকে স্পেন জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য অনুরোধ করেছিল। যেহেতু তাকে স্পেনের নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্তু মেসি নিজের দেশ আর্জেন্টিনাকেই বেছে নেন জাতীয় দলে খেলার জন্য। জাতীয় দলের হয়ে ২০২১ সালে জয় করেন কোপা আমেরিকা ট্রফি। ২০১৪ বিশ্বকাপ, ২০১৫ এবং ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে পারেননি।

৯. মেসি নিজের নামে প্রতিষ্ঠা করেন ‘লিও মেসি ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশনের উদ্দেশ্য হচ্ছে অবহেলিত এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা এবং চিকিৎসা সুনিশ্চিত করা।

১০. বার্সেলোনায় প্রায় ২১ বছর কাটিয়েছেন মেসি। ক্লাবটির জার্সিতে খেলেছেন ৫২০ ম্যাচ। গোল করেছেন ৪৭৪টি। এরপর ২০২১-২২ মৌসুমে যোগ দেন প্যারিসের ক্লাব পিএসজিতে।


আরও খবর



সীমান্ত হত্যা বন্ধে একমত বিজিবি-বিএসএফ

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৯৭জন দেখেছেন
Image

সীমান্ত হত্যা, মাদক পাচার বন্ধসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ এবং ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ। পাশাপাশি অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালানরোধসহ অমীমাংসিত সীমান্ত সমস্যা সমাধানে দুই বাহিনী পারস্পারিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এক হয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সিলেটে চারদিনের সীমান্ত সম্মেলন শেষে বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের পক্ষ থেকে এই প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হয়েছে। গত ৩০ মে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার এই সম্মেলন শেষ হয়।

jagonews24

সম্মেলনে বিজিবির চট্টগ্রাম রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তানভীর গনি চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। এতে সরাইল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার রিজিয়ন এবং ময়মনসিংহ সেক্টর বিজিবির শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতীয় পক্ষে বিএসএফের ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল সুমিত শরণের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। এতে বিএসএফের মেঘালয়, মিজোরাম, কাচার এবং ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

সম্মেলনে বিজিবি কর্মকর্তারা সীমান্ত হত্যা, বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর বিএসএফ ও ভারতীয় নাগরিকদের হামলা, মাদক পাচার, ভারতীয় নাগরিকদের অনুপ্রবেশ, নারী ও শিশু পাচার, ভারত দিয়ে জোর করে বাস্তুচ্যূত মিয়ানমারের নাগরিকদের অনুপ্রবেশ এবং সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বিএসএফ ও ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে বিএসএফকে অনুরোধ জানান।

এছাড়া দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন সমস্যা সংক্রান্ত বিষয়গুলোও উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে কসবা রেলওয়ে লিংক প্রজেক্টের কাজ পুনরায় শুরু ও যৌথ নদী কমিশন অনুমোদিত বাংলাদেশ অংশের নদী শাসন সংক্রান্ত কাজে বিএসএফের বাধা অপসারণ বিষয়ে আলোচনা হয়। বিদ্যমান অন্যান্য সীমান্ত ইস্যুগুলোর বিষয়েও একযোগে কাজ এবং পারস্পারিক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়েও একমত হন দুই দেশের কর্মকর্তারা।

বিজিবির প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত হত্যা ও মাদক পাচার বন্ধে উভয়দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সম্মিলিত জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে একমত পোষণ করে বিএসএফ। এছাড়া ভারতীয় নাগরিকদের অনুপ্রবেশ বন্ধে উভয় বাহিনী নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সম্মেলনে বিএসএফও তাদের পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরে। এর মধ্যে ছিল- বাংলাদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশ এবং বিএসএফ ও ভারতীয় নাগরিকদের ওপর হামলা, মাদক, গরু ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। এছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ও বিভিন্ন সীমান্ত স্থাপনা নির্মাণ ও উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার বিষয়টিও তুলে ধরে বিএসএফ।

jagonews24

জবাবে বিজিবি সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারতে কোনো বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করলে তার বিরুদ্ধে বিদ্যমান সীমান্ত আইন ও নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়। এছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া বা স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া, বিদ্যমান বিধিবিধান ও বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে প্রস্তাবনা পাঠানোর ওপর বিজিবি গুরুত্বারোপ করে।

উত্থাপিত বিষয়গুলোর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান চট্টগ্রাম রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তানভীর গনি চৌধুরী বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে সব বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা বন্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে (যদি বিএসএফ কর্তৃক এ ধরনের কাউকে পাওয়া যায় বা গ্রেফতার করা হয়) বিদ্যমান সীমান্ত আইন ও বিধিবিধান ও নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ী কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা সর্বতোভাবে পরিহার করার জন্য বিএসএফকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।

মাদক পাচার, উভয় দেশের নাগরিকদের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম ও চোরাচালান দমন সংক্রান্ত সব বিষয়েও একযোগে কাজ করা এবং গরু চোরাকারবারীদের প্রতিহত করতে নিয়মিত তথ্য আদানপ্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


আরও খবর



ভয় নেই, আমরা আপনাদের পাশে আছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ২৩ June ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, অনেকেই পানিবন্দি হয়ে আছেন। তাদের উদ্ধারে আমরা আর্মি নিয়োগ করেছি। নৌকা ও স্পিডবোট সংগ্রহ করা হচ্ছে। সবাইকে দ্রুত উদ্ধার করে আশ্রয়স্থলে নিয়ে যাওয়া হবে। সবাইকে উদ্ধার করা হবে। ভয় নেই, আমরা আপনাদের পাশে আছি।

আজ শুক্রবার বিকেলে ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ভিডিওবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত রাত ও আজ সকাল থেকে সিলেটের নেতাকর্মীরা কন্টিনিউয়াসলি আমাকে জানাচ্ছেন, সিলেট সদর, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট, সুনামগঞ্জ, ছাতক, সদরের জালালাবাদ, হাটখোলা, কান্দিরগাঁও, মোংলাগাঁও টোকেরগাঁও- সব এলাকায় যথেষ্ট পানি উঠেছে। এ নিয়ে আমাকে ডিসি, মেয়র ও সহকর্মীরা জানিয়েছেন। এটা জানার পর যথেষ্ট ব্যবস্থা নিয়েছি।

তিনি বলেন, আমি জানার পরপরই প্রধানমন্ত্রী, আমাদের কেবিনেট সেক্রেটারি, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, সংশ্লিষ্ট আর্মি অফিসার, দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করেছি। আমাদের রিলিফের কোনো অভাব নেই। যথেষ্ট রিলিফ দেওয়া হয়েছে। নগদ টাকা দেওয়া হয়েছে। আর শুকনো খাবারও দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এরই মধ্যে সিলেটে ২০০ টন চাল, নগদ ৩০ লাখ টাকা, ৮ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে আরও পাঠানো হবে।

এসময় মন্ত্রী স্থানীয় নেতাকর্মীদের খাবার রান্না করে নিয়ে বানভাসিদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ইলেকট্রিসিটির সমস্যাও সমাধান করা যায়নি। পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির ফলে এ সমস্যা হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী সার্বক্ষণিক এগুলো নিয়ে কাজ করছেন। আপনাদের ভয় নেই, আমরা আপনাদের পাশে আছি। আমাদের সব প্রশাসন কাজ করছে। আপনারা বিশ্বাস রাখতে পারেন, আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন আছে আপনাদের সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাবে।


আরও খবর



পদ্মা সেতু নির্মাণে যত দেশি উপকরণ

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতুর মূল কাঠামো স্টিলের। এই কাঠামো আনা হয়েছে চীন থেকে। দেশটি থেকে রেললাইনের কিছু উপকরণও আনা হয়েছে। কিছু উপকরণ আনা হয়েছে ইউরোপের দেশ লুক্সেমবার্গ থেকে। তবে বিশাল এই অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণের বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে দেশি উপকরণ। বিশেষ করে সিমেন্ট, রড, জিও ব্যাগসহ ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে দেশি উৎস থেকে।

পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ প্রকল্পের কাজে ব্যবহৃত উপকরণের একটি তালিকা করেছে। ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার সেতু প্রকল্পে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে তার ২৫ শতাংশের জোগান এসেছে দেশের ভেতর থেকেই। মূল সেতুতে ৩০টি উপকরণের ব্যবহার বেশি হয়েছে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রকল্পে বড় দুটি ঠিকাদার কোম্পানি চায়নিজ। এই কোম্পানিকে দেশীয় নানা পণ্য ব্যবহারে তাগাদা দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পে ব্যবহৃত রড, সিমেন্ট, ইট ও বালুর চাহিদা পূরণ হয়েছে বাংলাদেশের নানা কোম্পানির মাধ্যমে।

দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগ্রুপ প্রাণ-আরএফএল-এর মতো অনেক প্রতিষ্ঠান পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে নানাভাবে অংশীদার হয়েছে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (পিডিএল) ও রেইনবো পেইন্টস কাজ করেছে পদ্মা সেতুতে।

সেতুতে কাজ করা প্রসঙ্গে আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল বলেন, এই সেতুর সঙ্গে কানেক্টিং এন-৮ রোড আছে। তার একটা অংশ আমরা তৈরি করেছি। ব্রিজের ওপর বিটুমিনের ওয়ার্কটাও আমরা করেছি। পাশাপাশি এই বিটুমিনের ওপর রোডমার্কের কাজটাও রেইনবো পেইন্টসের সৌজন্যে আমরা করতে পেরেছি। ইতিহাসের অংশ হতে পেরেছি আমরা। এতে সত্যিই আনন্দিত।

দেশের শীর্ষ রড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম মোট রডের ৮৫ শতাংশ সরবরাহ করেছে সেতু প্রকল্পে। ব্যবহার হয়েছে বসুন্ধরা সিমেন্ট। পদ্মা সেতু প্রকল্পের অন্যতম চ্যালেঞ্জ ছিল নদীশাসন। চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন এ কাজ করেছে। এ কাজে ৪ কোটিরও বেশি জিও ব্যাগ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ডার্ড ফেল্ট লিমিটেড দিয়েছে। সেতু প্রকল্পে মৌলভীবাজার থেকে আনা ৫শ কোটি ঘনফুটের বেশি বালু ব্যবহার করা হয়েছে।

Padma-2

নদী শাসনে ফেলা হয়েছে এমন লাখো জিও ব্যাগ, ফাইল ছবি

নদীতে ৪৩টি ও ডাঙায় ৭৬টিসহ মোট ১১৮টি পিলারের পুরো রড, সিমেন্ট, কংক্রিট ও বালু সরবরাহ করেছে দেশীয় নানা প্রতিষ্ঠান। সংযোগ সড়কসহ পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ১ লাখ টন রড ব্যবহার হয়েছে। এর মধ্যে পিলার ও নদীশাসনে ৮৬ হাজার টন রডের একক জোগানদাতা বিএসআরএম। বাকি রডও সরবরাহ করেছে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

প্রকল্পের অ্যাপ্রোচ রোডের শতভাগ করা হয়েছে বসুন্ধরা সিমেন্ট ব্যবহার করে। রিভার ট্রেনিংয়ের কাজেও বসুন্ধরা মূল সরবরাহকারী। মূল সেতুতে স্ক্যান সিমেন্টের সঙ্গে বসুন্ধরার অংশীদারত্ব ছিল। নদীশাসনের কাজে চার লাখ টন সিমেন্ট সরবরাহ করেছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা। ক্রাউন সিমেন্ট দিয়েছে ৯ হাজার টন। সিমেন্ট এসেছে আবুল খায়ের গ্রুপের শাহ সিমেন্ট এবং সেভেন সার্কেল গ্রুপের সেভেন রিংস সিমেন্ট থেকেও।

প্রকল্পে ব্যবহৃত পাথর অবশ্য এসেছে বিদেশ থেকে। নদীশাসনের জন্য ১১ লাখ ঘন মিটার ও মূল ব্রিজের জন্য ১০ লাখ ঘনমিটার পাথর এসেছে দুবাই, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া থেকে।

সেতুর মূল ঠিকাদার চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড ও সিনোহাইড্রো করপোরেশন। নদীশাসন ও মূল সেতুর কাজে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এই দুটি কোম্পানির মাধ্যমে।

এর বাইরে দক্ষিণ কোরিয়ার কে এ সি, মালয়েশিয়ান এইচসিএম জেভির সঙ্গে কাজ করেছে বাংলাদেশের আব্দুল মোনেম লিমিটেড।

প্রতিষ্ঠানটি মাওয়া সংযোগ সড়কে এইচসিএম জেভির সঙ্গে যৌথভাবে ১৯৩ কোটি টাকা, জাজিরা সংযোগ সড়কে একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রায় ১১শ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। সার্ভিস এরিয়া-২ নির্মাণে ২০৩ কোটি টাকার প্রকল্পের পুরোটাই করেছে আব্দুল মোনেম লিমিটেড।

দেশে তৈরি বিদ্যুতের ক্যাবল ব্যবহার হয়েছে প্রায় পৌনে ৩ লাখ মিটার এবং পাইপ এক লাখ ২০ হাজার মিটার, যা বাংলাদেশের বিভিন্ন কোম্পানির উৎপাদিত।

সেতুতে ২০ দেশের মেধা
বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নানান ভূমিকা রেখেছেন অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী। সেই ধারাবাহিকতায় পদ্মা সেতু নির্মাণেও বড় অবদান রেখেছেন তিনি। এছাড়া পদ্মা সেতুতে বাংলাদেশসহ অন্তত ২০টি দেশের মেধা কাজ করেছে। অর্থাৎ ২০ দেশের বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী, টেকনিশিয়ান ও কর্মীর মেধা-শ্রমে এই পদ্মা সেতু।

মূল সেতুর কাজে বাংলাদেশ, চীন, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লুক্সেমবার্গ, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়া নানান উপকরণের জোগান দিয়েছে। এর বাইরে সেতুর কাজে জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডসসহ আরও অনেক দেশের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের তিনটি বড় কন্ট্রাক্ট ছিল পদ্মা সেতুতে। মূল সেতু, নদীশাসন ও অ্যাপ্রোচ রোড। মূল সেতু ও নদীশাসনে চীনা ঠিকাদার। অ্যাপ্রোচ রোডে আবদুল মোনেম লিমিটেড (এএমএল) ও মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানি যৌথভাবে কাজ করেছে। আমাদের সক্ষমতা না থাকায় বিদেশি ঠিকাদার আনতে হয়েছে। তবে বিদেশি ঠিকাদারদের বলেছি তোমরা দেশি ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহার করবা। প্রকল্পে সিমেন্ট, বালু বাংলাদেশের। কিন্তু পাথর বাংলাদেশের ব্যবহার হয়নি, কারণ এই পাথর বাংলাদেশে নেই।


আরও খবর



অলির এলডিপির সঙ্গে বিএনপির সংলাপ

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

সরকারবিরোধী বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ার লক্ষে চলমান সংলাপের অংশ হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে সংলাপ করেছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মহাখালীতে এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমদের বাসভবনে এ সংলাপ হয়।

এতে বিএনপির পক্ষ থেকে অংশ নেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম থান।

এলডিপি’র প্রতিনিধিদের নেতৃত্ব দেন দলের চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীরবিক্রম।


আরও খবর