Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

তানোরে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে বিয়ের পরই শিক্ষিকাকে ডিভোর্স, প্রতারক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে বিয়ের ৫দিন পরই শিক্ষিকাকে ডিভোর্স দেয়া প্রতাকরকে গ্রেপ্তার করেছে তানোর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার প্রতারকের নাম নাজির হোসেন (৩৭)। সে  উপজেলার কলমা ইউপির কলমা গ্রামের আব্দুল হামিদের পুত্র। এঘটনায়  থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। 

জানা গেছে,  উপজেলার একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জৈনকা সহকারী শিক্ষিকা (স্বামী পরিত্যক্তা)'র সাথে ১ বছর আগে ফেসবুক পরিচয়ের সুত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্কের সুত্র ধরে পর্যায়ক্রমে ওই শিক্ষিকার কাছ থেকে ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক প্রেমিক নাজির হোসেন। 

গত ৩রা মার্চ ২০২৪ইং তারিখ বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে তানোর ভূমি অফিসের সামনের রাস্তায় এক সাথে ৮লাখ ৬০ হাজার টাকাসহ মোট ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক প্রেমিক নাজির। গত ২০ এপ্রিল (প্রেমিকা) সহকারী শিক্ষিকাকে তানোর পৌর সভার কাজী আব্দুল মতিন কাজীর কাছে নিয়ে রেজিস্ট্রী করে বিয়ে করে প্রেমিকাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় প্রেমিক নাজির হোসেন। 

বিয়ের ৫দিন পর গত ২৫ শে এপ্রিল ২০২৪ ইং তারিখে ডিভোর্স দিয়ে ডাকযোগে ডিভোর্স লেটার প্রেমিকার বাবার বাড়ি ও স্কুলের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয় প্রেমিক। গত ১১ই মে শনিবার প্রতারক প্রেমিক তার বাড়ি কলমা গ্রামে আসলে উভয় পরিবারের সদস্য তাকে আটক রেখে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। বিষয়টি সমাধানে ব্যর্থ হন উভয় পক্ষ ও স্থানীয়রা। 

পরে গত রোববার দুপুরে  থানা পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ প্রতারক প্রেমিক নাজির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এঘটনায় (স্বামী পরিত্যক্তা) সহকারী শিক্ষিকা প্রেমিকা বাদি হয়ে  থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। 

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, এঘটনায়  থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতারক প্রেমিককে থানা হাজতে রাখা হয়েছে।  সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হবে। তিনি বলেন, প্রতারক প্রেমিক এর আগেও ২ টি বিয়ে করেছে।

আরও খবর



স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে গুলি, অবস্থা আশঙ্কাজনক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৪২জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো বন্দুকধারীর গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ মে) বিকেলে হ্যান্ডলোভা শহরের হাউস অব কালচারের বাইরে তাকে তাকে লক্ষ্য করে পরপর চারটি গুলি করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ। খবর  সিএনএন-এর।

স্থানীয় বার্তা সংস্থা টিএএসআর’র বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাজধানী ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বের শহর হ্যান্ডলোভায় নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছিলেন ফিকো। এ সময় তার ওপর গুলি চালানো হয়। তার পেটে ৪টি গুলি লেগেছে। এরই মধ্যে এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে।

ফিকোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পার্লামেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান লুবস ব্লাহা। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী গুলিবিদ্ধ হওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হাউস অব কালচার সেন্টারের বাইরে বেশ কিছু মানুষ হামলাকারীকে ধরতে ছুটছে।

স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো’র ফেসবুক পেজ থেকে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোড়া হয়েছে এবং তার জীবন হুমকির মধ্যে রয়েছে। এই মুহূর্তে তাকে হেলিকপ্টারে করে বাঙ্কসা বায়াসত্রিকাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কারণ ব্রাতিসলাভাতে পৌঁছাতে বেশি সময় প্রয়োজন হবে।

তবে ঠিক কী কারণে গুলি চালানো হয়েছে, সেটার কারণ আপাতত স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে স্লোভাকিয়ার কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি।


আরও খবর



মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় আব্দুল মান্নান ও শালিখা উপজেলায় শ্যামল কুমার দে বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১১জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে   মাগুরার মহম্মদপুরে আব্দুল মান্নান আনারস এবং শালিখা উপজেলায় শ্যামল কুমার দে আনারস প্রতীক নিয়ে  বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। আব্দুল মান্নান ৪৩ হাজার ৯৭৭  ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়। তার নিকটতম প্রতিদন্দি শালিক পাঁখী কবিরুজ্জামান পান ৩৩ হাজার ৯৬২ ভোট। শালিখায় শ্যামল কুমার দে ৩১ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদন্দি রেজাউল ইসলাম মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোট পান ২৬ হাজার৭৮৪ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে সজিব আহমেদ ৩৫ হাজার ৬৭৮ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জেসমিন আক্তার শাবানা ১৩ হাজার ৭৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন   শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

মহম্মদপুর উপজেলায়  চেয়ারম্যান পদে ৭ জন এবং শালিখা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদন্দিতা করেন। মহম্মদপুর উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ৬৪ টি ভোট কেন্দ্রে  এক লাখ ৮১ হাজার ৩৬২ জন ভোটার এবং শালিখা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৫৪ টি ভোট কেন্দ্রে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২৫৫ জন ভোটারের জন্য ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়। 

আরও খবর



মাগুরায় উপজেলা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৬০জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:৬ষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে মাগুরা সদর ও শ্রীপুর উপজেলার ১৭৭ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বুধবার সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে ভোট গ্রহণ চলবে চলবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে মাগুরা সদর উপজেলার ১২০ টি ভোট কেন্দ্রে ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ৫০৬ জন ভোট প্রদান করবেন। অন্যদিকে শ্রীপুর উপজেলার ৫৭ টি ভোট কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৫২ জন ভোটার। সকাল থেকেই কেন্দ্র গুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম। লক্ষ করা যাচ্ছে।মাগুরার দুইটি উপজেলায়  ৫১ টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ/ গুরুত্বপূর্ণ  ঘোষনা করেছে জেলা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে।ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন সে জন্য মাগুরায় ৬ স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব, বিজিবি,  আনসার সদস্য ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মাগুরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: মাসুদুর রহমান ।

আরও খবর



সরকার আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর: শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য ও দায়িত্ব হলো নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, সমতা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা। বর্তমান সরকার আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৮ এপ্রিল) ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০২৪’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘স্মার্ট লিগ্যাল এইড, স্মার্ট দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় মুক্তির ঐতিহাসিক সংগ্রাম ও নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বঙ্গবন্ধুর প্রধান লক্ষ্য ছিল এমন এক শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, যেখানে সব নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং সুবিচার নিশ্চিত হবে। সেই লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের সংবিধানে তিনি মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে আইনের দৃষ্টিতে সমতা, আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার, গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ, সম্পত্তির অধিকারসহ ১৮টি মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত করেন। কিন্তু জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ড, সামরিক শাসন এবং স্বৈরাচারী, গণবিরোধী ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির ক্ষমতা দখল জনগণের সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নকে বারবার দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে সব দুঃশাসন ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে বাংলাদেশকে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ করেছে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব এবং এ সময়ে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উন্নীত করব। স্মার্ট বাংলাদেশে সরকারি কার্যক্রম ও সেবাগুলো হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিদীপ্ত ও উদ্ভাবনী। টেকসই উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রায় ন্যায়বিচারে অভিগম্যতা নিশ্চিত করার জন্য ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’ সারা বাংলাদেশের আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থসামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান করছে। সরকারি আইনগত সহায়তাকে আরো টেকসই, উদ্ভাবনী, জনবান্ধব এবং পক্ষদের আইনগত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসকে ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির কেন্দ্রস্থল’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধিতে লিগ্যাল এইড অফিসগুলো আইনগত পরামর্শ সেবা দিয়ে মামলাজট নিরসনে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমরা বদ্ধপরিকর। টেকসই উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্য, শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নে সবার জন্য ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ সুগম করার জন্য আইন ও বিচার বিভাগ ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’র মাধ্যমে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। আমি বিশ্বাস করি, স্মার্ট লিগ্যাল এইড, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট সমাজ এবং সর্বোপরি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। সকলের সমন্বিত উদ্যোগেই অচিরেই সুশাসন নিশ্চিত করে আমরা বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে পরিণত করতে সক্ষম হব।


আরও খবর



মাগুরা সদর উপজেলায় রানা আমীর ওসমান শ্রীপুরে শরিয়ত উল্লাহ রাজন বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১২১জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে মাগুরা সদরে রানা আমীর ওসমান ও শ্রীপুর উপজেলায় শরিয়ত উল্লাহ রাজন বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছে।   রানা আমীর ওসমান পেয়েছে ৮৩০৭১   ভোট আর তার প্রতিদন্দি শেখ রেজাউল ইসলাম পেয়েছে ৫০৮৬৩   ভোট।শরিয়ত উল্লাহ রাজন পেয়েছে ৪৪৯৪৭  ভোট। তার নিকটতম প্রতিদন্দি মোস্তাসিম বিল্লাহ পেয়েছে ২৯২৮১  ভোট।দুটি উপজেলায়  ১৭৭ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার ৮ মে সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে ভোট গ্রহণ চলে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে মাগুরা সদর উপজেলার ১২০ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা  ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০৬ জন,  অন্যদিকে শ্রীপুর উপজেলার ৫৭ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটারর ছিল  ১ লাখ ৪৯ হাজার ৬৫২ জন। সকাল থেকেই কেন্দ্র গুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম লক্ষ করা যায়। মাগুরা সদরে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বাহারুল ইসলাম ৩৩৬৮৮ ভোট,  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সোনিয়া ৩৫৫৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। শ্রীপুর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে বাবুল রেজা ২৬৫৫৬ ভোট, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নার্গিস সুলতানা ৫১৪৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে।

মাগুরার দুটি উপজেলায়  ৫১ টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ  ঘোষনা করে জেলা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে।ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন সে জন্য মাগুরায় ৬ স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব, বিজিবি,  আনসার সদস্য ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করে বলে জানান,মাগুরার পুলিশ সুপার মোঃ মশিউদৌলা রেজা। নির্বাচনে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

আরও খবর