Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

টাকা ফেরত দেয়ার কার্যক্রম শুরু করলো ইভ্যালি

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার : গ্রাহকের পাওনা টাকা ফেরত দিতে শুরু করেছে দেশের শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি। রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সভাকক্ষে মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামানের উপস্থিততে ১৫০ জন গ্রাহকের হাতে ১৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (কার্যক্রম ও গবেষণাগার) ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেন, উপপরিচালক (অভিযোগ) মাসুম আরেফিন, কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির, ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মাদ রাসেলসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ইভ্যালি নতুন করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর পর তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে ভোক্তা অধিকারে থাকা অভিযোগ নিষ্পত্তি শুরু করলো। এসব অভিযোগ নিষ্পত্তির আগে ভোক্তা-অধিকারে ইভ্যালির বিরুদ্ধে ৬ হাজার ৫৯৬টি অভিযোগ ছিল। রবিবার ১৫০টি অভিযোগ নিষ্পত্তির বিপরীতে ১৫ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ভোক্তা-অধিকারে ইভ্যালির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ নিষ্পত্তি সম্পর্কে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ইভ্যালি ব্যবসা করতে পারলে টাকা ফেরত দিতে পারবে। জেলে আটকে রাখলে টাকা পাওয়া সম্ভব না। ইভ্যালিকে ব্যবসা চালাতে হলে আমাদের অভিযোগ নিষ্পত্তি চলমান প্রক্রিয়াতে শেষ করতে হবে। এটা না করলে আমরা ইভ্যালির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো। গ্রাহকের টাকা ফেরত দেয়ার বিষয়ে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মাদ রাসেল বলেন, আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভোক্তা-অধিকারে থাকা অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি শুরু করলাম। প্রতি মাসে ব্যবসায়িক মুনাফার অংশ থেকে নির্দিষ্ট সংখ্যক অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হবে। আমরা এখন যে পদ্ধতিতে ব্যবসা করছি এতে করে খুব দ্রুতই সকলের টাকা পরিশোধ করা সম্ভব হবে। যারা অভিযোগ করেছে শুধু তাদের নয়; যারা টাকা পাবেন এমন সবার টাকাই পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হবে। এ জন্য আমরা ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব), বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সঙ্গে আলাপ করে শিগগির ঘোষণা দেবো।

আরও খবর



মিরসরাইয়ে দুইদিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃৃতিক প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:মিরসরাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইদিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতা বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান নয়নের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের দিন স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাছিমা আক্তার। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির খান, আবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ইছাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল আলম, ইছাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আনোয়ারুল ইসলাম মোর্শেদ, বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ বিএসসি, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য এরাদুল হক, জয়নাল আবেদীন, ফরিদুল ইসলাম, শিক্ষানুরাগী সদস্য জাহেদ রফিক, দাতা সদস্য নাজমুল হুদা বাবর, সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য জাহেদা আক্তার, সাধারণ অভিভাবক সদস্য পান্না রানী ভৌমিক সহ শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

এর আগে মঙ্গলবার ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নুরুল আবছার। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান নয়নের সঞ্চালনায় বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাছিমা আক্তার, সহকারি প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ বিএসসি, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য এরাদুল হক, জয়নাল আবেদীন, ফরিদুল ইসলাম, শিক্ষানুরাগী সদস্য জাহেদ রফিক, দাতা সদস্য নাজমুল হুদা বাবরসহ শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ। মঙ্গলবার প্রথম দিন সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।

প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল ১০০ মিটার দৌড়, ২০০ মিটার দৌড়, ৪০০ মিটার দৌড়, ৮০০ মিটার দৌড়, মুরগির লড়াই, বস্তা দৌড়, উচ্চ লাফ, দীর্ঘ লাফ, গোলক নিক্ষেপ, চাকতি নিক্ষেপ, বর্সা নিক্ষেপ, মার্বেল দৌড়, দড়ি লাফ, যোগাযোগ দৌড়, ধীর গতিতে সাইকেল চালানো, অন্ধজনের হাঁড়ি ভাঙ্গা, মিউজিক্যাল পিলো, স্মৃতি পরীক্ষা।

বুধবার দ্বিতীয় দিনের প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল কবিতা আবৃত্তি, একক অভিনয়, কেরাত, হামদ, নাত, গজল, দেশের গান, ভাষার গান, পল্লী গীতি, আধুনিক গান, নজরুল গীতি, রবীন্দ্র গীতি, জারি গান, ভান্ডারি গান, একক নৃত্য, যৌথ নৃত্য, গীতি নকশা।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাগেরহাটে ৪ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে ৪ কেজি গাঁজাসহ রানী বেগম (৩৬) নামে এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর থানায় ওই নারী মাদক কারবারিকে সোপর্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে রোববার রাতে বাগেরহাট দড়াটানা সেতুর টোল প্লাজা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় রানী বেগমকে।

বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতার রানী বেগম মোরেলগঞ্জ উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের মৃত আনোয়ার শেখের মেয়ে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে পিরোজপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী তিতাস পরিবহনে মাদকের একটি বড় চালান নিয়ে এক নারী মাদক কারবারি বাগেরহাট আসতেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট দড়াটানা সেতুর টোল প্লাজার দক্ষিণ পাশে পরিবহনটি চেক করার সময় পরিবহন হতে এক নারী ট্রাভেল ব্যাগ নিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ওই নারী যাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় পালানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি একেক সময় একেক প্রকার উত্তর দেন। জিজ্ঞাবাদের এক পর্যায়ে তিনি তার নাম ঠিকানা প্রকাশ করেন এবং তার ট্রাভেল ব্যাগের ভিতরে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা আছে স্বীকার করেন।

এ সময় তাদের কাছে থাকা কালো রঙয়ের ট্রাভেল ব্যাগ থেকে আকাশি রঙয়ের পলিথিনের ব্যাগে মোড়ানো বাদামি স্কচটেপ দ্বারা প্যাচানো ২টি প্যাকেটে মোট ৪ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক অবৈধ বাজার মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ কংগ্রেসের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:কংগ্রেসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের দাবি করা হয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী ও পুরোনো দল। দলটির দাবি, আয়কর দপ্তর (আইটি) তাদের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিয়েছে। ভারতের লোকসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে এমনটি হলো। খবর বিবিসির।

জব্দ করার খবর জানানোর পরে ফের কংগ্রেস থেকে বলা হয়, আদালতের শুনানি পর্যন্ত আয়কর কর্মকর্তারা তাদের অ্যাকাউন্টের তহবিল ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধের বিষয়টিকে গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ বলে আখ্যা দিয়েছেন কংগ্রেসনেতা মল্লিকার্জুন খাগড়ে। এ বিষয়ে মন্তব্য চাইলেও কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি সরকার ও আয়কর দপ্তর।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কংগ্রেসনেতা অজয় মাকেন বলেন, দলের চেকের বিপরীতে অর্থ দেওয়া হচ্ছে না এমনটি দুদিন আগে ঊর্ধ্বতনদের জানানো হয়। তদন্তের জন্য দলটির সমস্ত অ্যাকাউন্টের লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে বলে তাদের জানানো হয়েছে।

অজয় মাকেন বলেন, দলের অ্যাকাউন্টগুলোতে যে অর্থ রয়েছে তা আসে জনসাধারণের অনুদানের মাধ্যমে। এ ছাড়া ইয়ুথ উয়ংয়ের অ্যাকাউন্টে অর্থ আসে সদস্যদের কাছ থেকে। কংগ্রেসের ইয়ুথ উয়ংয়ের অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান এই কংগ্রেসনেতা।

আয়কর দপ্তরের এই কাজে তাদের দলের সমস্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রভাবিত হবে দাবি করে অজয় মাকেন বলেন, ‘আমাদের কাছে খরচের মতো কোনো অর্থ নেই। এমনকি, বিদ্যুৎ বিল ও কার্যালয়ের কর্মীদের বেমন দেওয়ার মতো অর্থও নেই।’ কি কারণে এমনটি করা হয়েছে তা জানিয়ে এই কংগ্রেস নেতা বলেন, ২০১৮-১৯ সালের কর রিটার্ন জমা দেওয়ায় ৪৫ দিন দেরি হওয়ায় এমনটি করেছে তারা। আয়কর দপ্তর কংগ্রেসকে ২১০ কোটি রুপি দিতে নির্দেশ দিয়েছে।

কংগ্রেসনেতা ভিভেক তানখা বলেন, এ নিয়ে তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অন্তর্র্বতীকালীন সময়ে অ্যাকাউন্টগুলোর অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আয়কর দপ্তর। আগামী বুধবার এ নিয়ে আদালতে শুনানি হবে।

সমালোচকদের দাবি, বিরোধীদের দমনে সরকারি দপ্তরগুলোকে ব্যবহার করছে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি সরকার। নির্বাচনের আগে এই তৎপরতা বেড়েছে। তবে, এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি ও মোদি।


আরও খবর



তানোরে টাকা দিলে এনআইডি কার্ড মিলে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:জাতীয় পরিচয় পত্র এনআইডি কার্ড নিতে হলে গুনতে হয় টাকা, আর না দিলে মাসের পর মাস অফিসে ধরনা দিয়েও মিলেনা কার্ড বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু কার্ড না সাটিফাই কপি দিতেও গুনতে হয় বাড়তি টাকা। রাজশাহীর তানোরে নির্বাচন অফিসে প্রতিনিয়ই ঘটছে এমন অনিয়মের ঘটনা  । এতে করে অফিসের কর্তাদের এমন অনৈতিক কান্ডে ফুঁসে উঠেছেন সেবা প্রার্থীরা। সেই সাথে সাটিফাই কপি দেয়ার নামেও ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা করে আদায় করেন এমন অভিযোগ অহরহ । 

জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপির)  হাতিনান্দা গ্রামের সজিব আলী ও তার স্ত্রী নতুন এনআইডি করার জন্য সকল নিয়ম মেনে আবেদন করেন  বিগত প্রায় পাঁচ মাস আগে। কিন্তু এনআইডি কার্ড পেতে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত  ডাটা এন্টি অপারেটর হেলাল উদ্দিন ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষের ৫ হাজার টাকা দিতে না পারার কারনে জুটেনি এনআইডি কার্ড। 

সোমবার দুপুরের দিকে ভুক্তভোগী সজিব ও তার স্ত্রী শিলা খাতুন মলিন মুখে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্বাক হয়ে বসে ছিলেন। তাদের এমন অবস্থা দেখে জানতে চাইলে তারা জানান, আমরা দরিদ্র অসহায় মানুষ। বিগত প্রায় পাচ মাস ধরে এনআইডি কার্ড করে দিব বলে হেলাল স্যার ঘোরাচ্ছেন। হাতিনান্দা থেকে এতবার অফিসে আসা হয়েছে বলাই যাবেনা। ভ্যান অটোরিকশাতে করে আসতে হয়। কাজ ফেলে আসতে হয়। কাজ না করলে ভাত জুটেনা। প্রায় দিন ডাকেন হেলাল স্যার। ডেকে বলে আজ একাগজ নাই এজন্য হবেনা, আবার ৫ হাজার টাকা না দেয়া পর্যন্ত হাজারো ঘোরাঘুরি করলে কাজ হবে না। হেলাল স্যার আমাকে বলে দেখছনা তোমার সামনে অনেকে কার্ড নিয়ে যাচ্ছে। তারা টাকা দেয় এজন্য কাজ হয়। আর তুমি টাকা দেওনা এজন্য কাজ হবে না।
ভুক্তভোগীরা আরো জানান,  উপজেলা নির্বাচন অফিসে টাকা ছাড়া কোনই সেবা মিলেনা। টাকা দিলেও সেবা পেতে বিলম্ব হয়। টাকায় যেন সেবার মুল লক্ষ তাদের। এককথায় অনিয়ম দূর্নীতিতে নিমজ্জিত অফিস টি। অথচ যে টাকা নেয়া হবে তা ব্যাংকের মাধ্যমে। মনে হয় অফিসই একটা ব্যাংক।

ডাটা এন্টি অপারেটর হেলাল দুপুরের দিকে  আসেন উপজেলা সংলগ্ন দোকানে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় ৫ হাজার টাকা কি জন্য দাবি করেছেন, তিনি জানান এটা মিথ্যা কথা কেউ প্রমান দিতে পারবেনা। সাথে সাথে দুই ভুক্তভোগী কে আনা হয় হেলালের কাছে। ভুক্তভোগী সজিব ও তার স্ত্রী অকপটে বলেন এস্যার ৫ হাজার টাকা চেয়েছে, টাকা ছাড়া কাজ করবেনা। তখন হেলাল চুপ মেরে কোন কথা না বলে দ্রুত চলে যান।উপজেলা নির্বাচন অফিসার কামরুজ্জামানের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেন নি। 

তবে জেলার অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা আজাদুল হেলালের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এনআইডি দেয়ার জন্য টাকা নেয়ার কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। সার্টিফাই কপি দিতেও টাকা নেই জানতে চাইলে তিনি জানান, এটা বন্ধ আছে, টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে নেয়ার নিয়ম।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নির্বাচনে জনগণ ও গণতন্ত্রের জয় হয়েছে: সংসদে রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আয়োজনকে যুগান্তকারী ঘটনা।

তিনি বলেন, জনগণের রায় মেনে নিয়ে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গণতন্ত্রের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন অত্যন্ত যুগান্তকারী ঘটনা, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় হয়েছে দেশের জনগণের, জয় হয়েছে গণতন্ত্রের।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণের শুরুতে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। এসময় তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাচন ঘিরে একটি মহল সহিংসতা ও সংঘাত সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের শান্ত-স্নিগ্ধ যাত্রাপথে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছিল। তাদের গণতন্ত্র বিরোধী ও সহিংস কর্মকাণ্ড সাময়িকভাবে জনগণকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রাখলেও ভোটারদের ভোটদান থেকে বিরত রাখতে পারেনি। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্যই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সব পদক্ষেপ সার্থক হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে। আমি আশা করি, ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সহিংসতা ও নৈরাজ্যের পথ পরিহার করে সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণ ও গণতন্ত্রের কল্যাণে অহিংস পন্থায় গঠনমূলক কর্মসূচি পালন করবে। সরকারও এক্ষেত্রে সংযত আচরণ করবে- এটাই সবার প্রত্যাশা।

২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী দেশে যে নৃশংস সহিংসতা হয়েছিল তাকে ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়’ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচনসহ পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত সকল নির্বাচনে সহিংসতার পুনরাবৃত্তি থেকে মুক্তি পেয়েছি।

এ সময় রাষ্ট্রপতি ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের বর্বর হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় উল্লেখ করে নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবারের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন।


আরও খবর