Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

টাকা আসবে কোথা থেকে, খরচ হবে কোথায়

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

২০২২-২০২৩ অর্থবছরের জন্য ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই ব্যয় বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের (পাঁচ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা) চেয়ে ১৪ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। যা বাংলাদেশের মোট জিডিপির ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ।

‘কোভিড অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’ শিরোনামে বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে মন্ত্রিসভায় বাজেট অনুমোদন হয়।

প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট চার লাখ ৩১ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে চার লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর–সংগৃহীত কর থেকে পাওয়া যাবে তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর–বহির্ভূত কর থেকে আসবে ১৮ হাজার কোটি টাকা। এছাড়াও কর ব্যতীত প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

ফলে, মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। গত বাজেটে এ হার ছিল ৬ দশমিক ২ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে এ ঘাটতি মেটানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে আসবে ৯৫ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান আসবে তিন হাজার ২৭১ কোটি টাকা। এছাড়াও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আসবে এক লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া হবে এক লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা, সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ও অন্যান্য খাত থেকে ৫ হাজার ১ কোটি টাকা ঋণ নেবে সরকার। বাজেটে জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা।

২০২২-২০২৩ অর্থবছরে বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে চার লাখ ৩১ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা। এই ব্যয়ের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় করা হবে ৭৬ হাজার ৪১২ কোটি টাকা। পণ্য ও সেবার জন্য ব্যয় করা হবে ৩৮ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা। ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ৮০ হাজার ২৭৫ কোটি। ভর্তুকি প্রণোদনা ও নগদ ঋণ বাবদ এক লাখ ৭৭ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

উন্নয়ন ব্যয়ের মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) খরচ করা হবে দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। এডিপিবহির্ভূত বিশেষ প্রকল্পে ব্যয় হবে সাত হাজার ৭২১ কোটি টাকা। কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিতে দুই হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা খরচ করা হবে।

কোন খাতে কত বরাদ্দ
প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের ১৪ দশমিক ৭০ শতাংশ থাকছে এ খাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে সুদের জন্য। এ খাতে বরাদ্দ ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ। ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে। ভর্তুকি ও প্রণোদনায় থাকছে ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

এছাড়া জনপ্রশাসনে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ, স্বাস্থ্যে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ, প্রতিরক্ষায় ৫ শতাংশ, জ্বালানি ও বিদ্যুতে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ, কৃষিতে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ৪ দশমিক ৪ শতাংশ, গৃহায়ণে ১ শতাংশ, বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্মে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ, শিল্প ও অর্থনৈতিক সার্ভিসে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ, পেনশনে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং বিবিধ ব্যয়ের জন্য ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এ বাজেটে ঘাটতিও ধরা হয়েছে বড়।

অনুদান বাদে এই বাজেটের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। আর অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট। বাজেটে সঙ্গত কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



ম্যানেজার পদে চাকরি দেবে ডিবিএল গ্রুপ

প্রকাশিত:Wednesday ১৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

বহুজাতিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ডিবিএল গ্রুপে ‘ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ডিবিএল গ্রুপ
বিভাগের নাম: প্রি অডিট

পদের নাম: ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ (অ্যাকাউন্টিং)
অভিজ্ঞতা: ০৬-০৮ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ৩১ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



কথা কম বলে কাজে প্রমাণ দিন

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল সম্প্রতি নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রসঙ্গে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আত্মঘাতী ও অপরিণামদর্শী। এমন বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত। জাতি সিইসির কাছে এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য কোনোভাবেই প্রত্যাশা করে না। সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের ‘তলোয়ারের বিপরীতে রাইফেল নিয়ে দাঁড়ানো’ বক্তব্যে গোটা জাতি হতাশ হয়েছে। তার এই বক্তব্য নিয়ে ইতোমধ্যে সর্বমহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মতো একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়ে সহিংসতাকে উসকে দেওয়ার মতো এমন বক্তব্য কোনোভাবেই দিতে পারেন না। জাতি তা প্রত্যাশাও করে না। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরুর দিনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) সঙ্গে সংলাপে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, সব দল সহযোগিতা না করলে আমরা সেখানে ব্যর্থ হবো। আপনাদের সমন্বিত প্রয়াস থাকবে, কেউ যদি তলোয়ার নিয়ে দাঁড়ায়, আপনাকে রাইফেল বা আরেকটি তলোয়ার নিয়ে দাঁড়াতে হবে। আপনি যদি দৌড় দেন, তাহলে আমি কী করবো?

গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন সংবাদে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করেছে। নির্বাচন কমিশন একটি দায়িত্বশীল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রের নির্বাচনসমূহ স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও সবার জন্য সমান ক্ষেত্র নিশ্চিত করার দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত। কিন্তু নির্বাচনে সবার সহযোগিতা চাইতে গিয়ে সম্ভাব্য সহিংসতা প্রসঙ্গে সিইসি যে তলোয়ারের বিপরীতে তলোয়ার বা রাইফেল ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছেন- প্রকান্তরে তা সহিংসতাকেই উসকে দেবে। এধরনের বক্তব্য যেকোনো নাগরিকের জন্য যেখানে অপরাধ প্রবণতার শামিল, সেখানে সিইসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত থেকে এমন বক্তব্য আত্মঘাতী, অপরিণামদর্শী ও অগ্রহণযোগ্য।

সিইসির এমন বক্তব্য নির্বাচনকেন্দ্রিক পেশিশক্তির ব্যবহার, বুথ দখল কিংবা ভোটারদের ভোট দিতে বাধা প্রদান, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধাদান, জোরপূর্বক বাক্স ভরার মতো ঘটনা, অরাজকতা বিগত কয়েকটি নির্বাচনকে যেখানে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করেছে, সেখানে এমন বক্তব্য এই প্রবণতাকে আরও উৎসাহিত করবে।

জাতি আশা করে সিইসি তার এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেবেন ও তলোয়ারের বিপরীতে রাইফেল বা তলোয়ার নিয়ে দাঁড়ানোর পরামর্শটি জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে প্রত্যাহার করে নেবেন। মূলত কথা কম বলে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান আয়োজন করাটা ইসির অঙ্গীকার হওয়া উচিত। কিন্তু নির্বাচনকালীন সহিংসতাকে রোধের নামে পাল্টা সহিংস আচরণের এই পরামর্শ সহিংসতা ঠেকানোর জন্য কোনোভাবেই যথোপযুক্ত কৌশল হতে পারে না।

এধরনের বক্তব্য সহিংসতারোধে কার্যকরী কৌশল প্রণয়নে কমিশনের ব্যর্থতাকে স্পষ্ট করে দেয়। একই সঙ্গে তা নির্বাচনের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার বা রাজনৈতিক দলগুলোকে বা তাদের ছত্রচ্ছায়ায় স্বার্থান্বেষী মহলকে সহিংসতা বেছে নিতেই উৎসাহিত করবে। জাতি আশা করে, কমিশন এ ধরনের সহিংসতা সহায়ক প্রস্তাবের পথ পরিহার করে নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য সহিংসতা রোধে কার্যকর কর্মকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে উদ্যোগী হবে।

পাশাপাশি কোনো ধরনের সহিংসতা বিশেষত নির্বাচনকালীন সহিংসতাকে উসকে দেয় এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া থেকে কমিশন নিজেকে বিরত রাখবে বলেও সচেতন নাগরিকরা আশা প্রকাশ করে। আমার একটা বিষয় কোনোভাবেই মাথায় ঢুকছে না যে, যারাই নির্বাচন কমিশনে যান তাদের বিবেক বুদ্ধি ও স্বাভাবিক বিচার বিবেচনা কি লোপ পেয়ে যায়? নাকি যাদের বিচার বিবেচনাবোধ খুবই কম তারাই কমিশনে নিয়োগ পান। নির্বাচন কমিশন কাজের চেয়ে কথা বলাটাকে যে কেন বেশি পছন্দ করেন তা মোটেই বোধগম্য নয়। কমিশন কি জনগণের মনের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ? নাকি তারা বুঝতেই চান না।

ভোটাররা কথা নয় নির্বাচন সহায়ক দৃশ্যমান কাজ দেখতে চায়। যেখানে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশে এই মুহূর্তে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ব্যাপক বাক্যযুদ্ধ চলমান। কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে তা এখনও অমীমাংসিত, ইভিএমের ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো বিভক্ত। নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা কেমন হবে তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তখন ইসির এমন দায়িত্বনহীন বক্তব্য কতটা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সহায়ক হবে তা আজ সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে।

যেখানে মানুষ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ দায়িত্বশীল ভূমিকা আশা করে সেখানে এমন বিতর্কিত বক্তব্য রাজনৈতিক সংকটকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলবে। জনগণ আশা করে নির্বাচন কমিশন যতদূর সম্ভব কম কথা বলবে। বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন কাজ বা কথা বলা থেকে বিরত থাকবে। জাতি কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন পুনরায় দেখতে চায় না। আশা করতে চাই কমিশন সরকারি দলের নয় বরং প্রকৃত ভোটারদের মনোভাবটা জানার বা বোঝার চেষ্টা করবে। তাহলেই তারা সফল হবেন।

লেখক: আইবিএ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]


আরও খবর



ধোঁকা-প্রতারণার ধরণ কেমন?

প্রকাশিত:Tuesday ১৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

লেনদেন ও বেচাকেনা ইত্যাদির ক্ষেত্রে কাউকে ধোঁকা দেওয়া কিংবা কারো সঙ্গে প্রতারণা করা ইসলামে নিষিদ্ধ। বেচাকেনার ক্ষেত্রে পণ্যদ্রব্যের অতিরিক্ত পরিচয় কিংবা বর্ণনার ক্ষেত্রে দোষ-ত্রুটি লুকানোও ধোঁকা-প্রতারণার শামিল। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এক হাদিসে ধোঁকা-প্রতারণার ধরণ সুস্পষ্টভাবে ওঠে এসেছে। সেই হাদিসটি কী?

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো এক খাদ্যবস্তুর স্তূপের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় এর ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে এর অভ্যন্তরে ভেজা পেলেন। তখন তিনি বললেন, হে খাদ্যের মালিক! এটি কি? উত্তরে সে বললো, হে আল্লাহর রাসুল! বৃষ্টির  কারণে এরূপ হয়েছে। এ কথা শুনে তিনি বললেন-

اَفَلَا جَعَلْتُهُ فَوْقَ الطّعَامِ حَتّى يَرَاهُ النَّاسُ مَنْ غَشَّ فَلَيْسَ مِنِّىْ

তুমি ভেজা খাদ্যশস্য উপরে রাখলে না কেন? তাহলে তো ক্রেতাগণ এর অবস্থা দেখতে পেত। অর্থাৎ প্রতারিত হতো না। (জেনে রেখো!) যে ধোঁকা দেয় সে আমার উম্মাতের মধ্যে গণ্য হবে না।’ (মুসলিম, মিশকাত)

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের  এ হাদিসে ধোঁকা-প্রতারণা ধরণ সুন্দরভাবে ওঠে এসেছে। ভেতরে খারাপ কিংবা ভেজা পণ্য রেখে উপরে দেখানোর জন্য ভালো বা শুকনো পণ্য রাখাই ধোঁকা বা প্রতারণা। এমনটি উম্মতে মুহাম্মাদির চরিত্র হতে পারে না। যারা এ চরিত্রের লোক তারা উম্মতে মুহাম্মাদির অন্তর্ভূক্ত নয়।

মনে রাখতে হবে

ধোঁকা-প্রতারণা হীন মানসিকতার পরিচয় দেয়। এর মাধ্যমে অপরকে ঠকানো হয় এবং মিথ্যপর আশ্রয় নেওয়া হয়। এ কারণেই ইসলামি শরিয়তে ধোঁকা-প্রতারণা হারাম।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যে কোনো ধোঁকা-প্রতারণার কাজ থেকে হেফাজত করুন। কথা ও কাজে স্বচ্ছ ও গুনাহমুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



সিনিয়র ম্যানেজার নিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে ‘সিনিয়র ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড
বিভাগের নাম: অনলাইন ব্যাংকিং

পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ১০ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১০ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



শেখ হাসিনা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না: পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ১৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ঢেউটিন দেওয়া হচ্ছে, আগামীতে আরও দেওয়া হবে। আওয়ামী লীগ গরীবের সরকার। আওয়ামী লীগের নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুর সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের সামাদ আজাদ অডিটোরিয়ামে তার নিজস্ব তহবিল থেকে নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এমএ মান্নান বলেন, গত একমাস ধরে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। তেল, চাউলের দাম বেড়েছে। তা আমরা স্বীকার করি। কিন্তু আমাদের জন্য এ দাম বৃদ্ধি পায়নি।

jagonews24

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, মোড়লদের লড়াইয়ে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। তবে আর বেশি দিন নয়! আগামী একমাসের মধ্যে সবকিছু আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে যাবে। দামও কমবে বিদ্যুৎও পাওয়া যাবে।

মন্ত্রী বলেন, গত ১৪ বছরে দেশে উন্নয়ন হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। শিক্ষা, যোগাযোগসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন হচ্ছে।

এর আগে পরিকল্পনামন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে বরাদ্দকৃত উপজেলার দুস্থ ও অসহায় ১৭৫ পরিবারের মধ্যে এক বান করে ঢেউটিন ও নগদ তিন হাজার টাকা বিতরণ করেন। এছাড়াও তিনি চার কোটি ৩৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের আমড়াতৈল থেকে নয়াবন্দর ভায়া শ্রীরামসী বাজারের রাস্তা নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।


আরও খবর