Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৫১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সব থেকে পরিবেশবান্ধব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  


গ্যাস ফুরিয়ে গেলে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আমাদের বিদ্যুৎ দেবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।


বুধবার (১৮ মে) আওয়ামী লীগ আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  


বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।


সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ বাংলাদেশ পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল।


এর ভেতরে আমাদের কিছু নতুন আঁতেল আবার জুটেছে। একজন অর্থনীতিবিদ বলেই দিলেন আমরা যে, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছি এটা না কি অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ ক্ষতিকর।


আমরা প্রশ্ন হচ্ছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এটা হচ্ছে সব থেকে পরিবেশবান্ধব। গ্যাস তো চিরদিন থাকে না। এক একটা কূপের তার তো সময় নির্দিষ্ট থাকে। তেলভিত্তিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ আমরা করি, অনেক খরচেরও ব্যাপার। যদি কোন দিন এমন হয় যে, আমাদের গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টই বিদ্যুৎ দেবে। 


আর এটা পরিবেশবান্ধবও একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে বিনিয়োগটা বড় করে দেখা যায়। কিন্তু এর বিদ্যুৎ যখন উৎপাদন হবে আর এর বিদ্যুৎ যখন মানুষ ব্যবহার করবে আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বেশি অবদান রাখবে। 


আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি বলেই সারা বাংলাদেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা যখন রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করলাম তখন কত সমালোচনা। আমরা যখন ডিজিটার বাংলাদেশ ঘোষণা দিলাম তখন কত সমালোচনা। এখন ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করেই আমাদের সমালোচনা করছে। তারা যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন এটা কিন্তু আমরা দিচ্ছি। 


খালেদা জিয়ার আমলে, জিয়ার আমাল বা এরশাদের আমলে তাদের কি কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল। অধিকার ছিল, কতটুকু অধিকার ভোগ করতেন তারা। টক শো তারা করেই যাচ্ছেন, টক টক কথা বলেই যাচ্ছেন। তাদের তো গলাটিপে ধরি না, মুখ চিপেও ধরি না। বলেই যাচ্ছেন, সব কথা বলার শেষে বলে কথা বলতে দেওয়া হয় না। 


বিএনপির এক নেতা তো সারা দিন মাইক মুখে লাগিয়ে আছেন। সারাক্ষণ বলেই যাচ্ছেন। একবার কথা বলতে বলতে গলায় অসুখও হলো। চিকিৎসা করে তিনি আবার কথা বলছেন। কথা তো কেউ বন্ধ করছে না। তাদের আন্দোলনে যদি জনগণ সাড়া না দেয় সে দোষটা কাদের?


প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে যে, অর্থনীতিবিদ তিনি হিসাব দেখালেন তাকে আমি বলবো, তিনি কী এটা প্রকৃতপক্ষে জেনেই বলছেন, না কি না জেনেই বলছেন। আমি তার জ্ঞান নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলবো না কারণ তারা অনেক ভালো লেখাপড়া জানেন। 


কিন্তু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে একটি মানুষের বা একটা জাতি যে কতটুকু উন্নতি হতে পারে সে তো আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নটা বাইরের লোকে দেখে কিন্তু তারা দেখে না চোখে।


পদ্মাসেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আরেকটি হচ্ছে পদ্মাসেতু, এই পদ্মাসেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনুস। কেন, গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকে উপদেষ্টা হতে। এমিরেটাস উপদ্ষ্টো হিসেবে থাকার জন্যে, আরও উচ্চ মানের। সেটায় সে থাকবে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। 


ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারবেন না ১০ বছর। গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে, তিনি মামলায় যে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনুস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাফুজ আনাম তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টেটমেন্টে, হেলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। হিলারি লাস্ট একেবারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার শেষ কর্মদিবসে পদ্মাসেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। 


যাক একদিকে সাপে বর হয়েছে। বাংলাদেশের নিজের অর্থায়নে পদ্মাসেতু করতে পারে সেটা আজকে আমরা প্রমাণ দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এখানে একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন পদ্মাসেতু দিয়ে যে রেললাইন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, এ টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে এই ঋণ শোধ হবে কী করে কারণ দক্ষিণবঙ্গের কোনো মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন, এই রেল ভায়াবল হবে না। সেতুর কাজ হয়ে গেছে এখন সেতু নিয়ে আর কথা বলে পারছে না। রেলে কাজ চলছে, রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। আমার মনে হয় আমাদের সবার উনাকে চিনে রাখা উচিত। রেলগাড়ি যখন চালু হবে উনাকে রেলে নিয়ে চড়ানো উচিত।


পদ্মাসেতু নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর খালেদা জিয়া বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু করা হচ্ছে। কারণ স্প্যান‌গুলো যে বসাচ্ছে ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানাচ্ছে ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসসরাও। তাদেরকে কী করা উচিত, পদ্মাসেতুতে নিয়ে যেয়ে ওখান থেকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি একটা এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয় তাকেও পদ্মানদীতে নিয়ে দুটা চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়, একটু চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত, তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। 



বড় অর্থনীতিবিদ জ্ঞানীগুণী তারা এই ধরনের অর্বাচীনের মতো কথা বলে কিভাবে, সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে না কী খুব ভুল করছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাই উৎক্ষেপণ করেছি, এতো টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কি হবে এ প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাাদেশের জন্য ভালো কিছু করলেই তাদের গায়ে লাগে। কেন তারা কী এখনও সেই পাকিস্তানি জান্তাদের পদলেহনকারি খোসামোদি-তোসামোদি দল। 


গালিটালি দেই না, দেওয়ার রুচিও নাই তবু একটু না বলে পারি না পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী যেভাবে মেয়েদের ওপর নির্যাতন করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে, পেড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল সেই পাকিস্তানিদের পদলেহনকারি সারমেয়র দল এখনও বাংলাদেশে জীবিত। এখনও এরা বাংণাদেশে ভালো কিছু হলে এরা ভালো দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না। 


তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবো ভ্যাকসিনটা বিনা পয়সা দিয়েছি আমি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি। সে ভ্যাকসিন তো এরা নিয়েছেন, এটা তো বাদ দেয়নি। আমরা বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। বুস্টার ডোজও আমরা শুরু করেছি। তারা তো নিশ্চয় দুটো ডোজ নিয়েছে, বুস্টার ডোজও নিয়েছেন।


 বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন নিতে পারলো আর আমাদের উন্নয়নটা চোখে পড়ে না। এখন কি ভ্যাকসিন চোখেও দিতে হবে না কি সেটাই মনে হচ্ছে, তাহলে যদি দেখে, তাছাড়া দেখবে না। ম্যাগা প্রজেক্ট জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে।


 আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশের এই উন্নতি হচ্ছে। এর আগে, যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কি একটা দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবে যে তারা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করে বা দেশের কোনো উন্নয়ন করেছে বা বিদেশে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে, করতে পারে নাই। বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের জাতি বানিয়েছিলেন, আজকে আমরা মর্যাদাশীল জাতি। আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করেছি।


বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশি কথা বলে যাচ্ছে বিএনপি, এদের নেতৃত্ব কোথায়, নেতৃত্ব নাই। সব তো সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি দিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। আর নির্বাচনে পরাজয় হবে জেনে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, কলুষিত করতে চায়। যারা একটু আমাদের জ্ঞানী-গুণী আঁতেলরাও উল্টোপাল্টা কথা বলেন তাদেরকেও বলবো দেশ চালাবার যদি ইচ্ছা থাকে তো মাঠে আসেন, ভোটে নামেন, কেউ ভোট কেড়ে নেবে না। আমরা বলতে পারি, আমরা ভোট কেড়ে নিতে যাই না। আমরা জনগণের ভোট পাই এবং আমরা পাবো কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করেছি। সেজন্যই জনগণ আমাদের ভোট দেবে।


সবশেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক দিন পর মন খুলে কথা বললাম। এ সময় তিনি বলেন, আসলে এই করোনা ভাইরাস বন্দি করে রেখে দিয়েছে আমাকে। ২০০৭ সালে ছিলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে বন্দি। এখন আমি নিজের হাতে নিজেই বন্দি।


আরও খবর



দোকানের ক্যাশ কাউন্টারে লুকিয়ে মালিক বাঁচলেও ঝলসে যান ২ ক্রেতা

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

শনিবার (৪ জুন) রাত ৮টার দিকে নিজের দোকানে বসেছিলেন মো. রাজু আহমেদ (৩৫)। সেখান থেকে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন দেখতে পান তিনি। ডিপোর মূল ফটকের সামনের দিকে তার দোকান। ঘটনাস্থল থেকে দোকানটি আধা কিলোমিটার দূরে। রাত ১১টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে সেখানে বিস্ফোরণ হয়। এসময় তার দোকানের সামনের অংশে দাঁড়িয়েছিলেন দুজন ক্রেতা।

বিস্ফোরণের শব্দে দোকানি রাজু দ্রুত ক্যাশ কাউন্টারের আড়ালে বসে পড়েন। এতে তার কোনো ক্ষতি না হলেও সামনে থাকা দুজন ক্রেতার পুরো শরীর ঝলসে যায়। দুমড়ে-মুচড়ে গেছে দোকানের শাটার। পুরো এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ভেঙে গেছে আশপাশের অসংখ্য ঘরবাড়ি।

বিএম কনটেইনার ডিপোতে ঘটা ভয়াবহ বিস্ফোরণের খুব কাছে থেকেও অক্ষত অবস্থায় ফেরা মুদিদোকানি রাজু আহমেদ মঙ্গলবার (৭ জুন) জাগো নিউজকে এভাবেই সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দেন।

jagonews24বিস্ফোরণে আশপাশের বাড়ির কাঁচের গ্লাস ভেঙে পড়ে/ছবি: জাগো নিউজ

রাজু আহমেদ বলেন, ‘দোকানের কাছাকাছি আমার দোতলা বাড়ি। বাসায় ১৪টি কাঁচের জানালা ছিল। সবগুলোর গ্লাস ভেঙে গেছে। ভাঙা কাঁচ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় ঘরে পা ফেলার উপায় নেই। ঘরে কাঠের যে দরজা ছিল, সেটাও ভেঙে দ্বিখণ্ড হয়ে গেছে। রাতে বাড়িতে নারী-শিশুরা ঘুমাচ্ছিল। তাদের ওপর ভাঙা কাঁচ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে।’

ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের জন্য মালিকপক্ষ দায়ী বলে মনে করেন দোকানি রাজু আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মালিকের ভুলের কারণে এতবড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা যদি সুরক্ষিতভাবে সবকিছুর ব্যবস্থাপনা করতেন, তাহলে এতবেশি ক্ষতি হতো না।’

বিস্ফোরণের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আরেক ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে, তিন কেজিরও বেশি ওজনের লোহা প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে উড়ে গিয়ে একটি বাড়ির জানালার ওপর পড়েছে। জানালার গ্লাস ভেঙে আমার মেয়ের পা কেটে গেছে। বিস্ফোরণে আমার বাড়ির ভবনটি কেঁপে ওঠে।’

jagonews24দুমড়ে-মুচড়ে যায় দোকানের শাটার/ছবি: জাগো নিউজ

বিএম কনটেইনার ডিপোর উত্তর পাশে ফার্মেসির মালিক সুমন কুমার নাথ জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিস্ফোরণে দোকানের তাকে সাজিয়ে রাখা সব ওষুধ তছনছ হয়ে যায়। কাঁচের বোতলের সিরাপগুলো নিচে পড়ে ভেঙে যায়।’

এদিকে, সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকে চরম আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ফের বিস্ফোরণের আশঙ্কায় অনেকেই এলাকা ছাড়ছেন। বিস্ফোরণ আতঙ্কে শিশুদের অন্য এলাকায় স্বজনদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন অনেক বাসিন্দা।

শনিবার (৪ জুন) রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর কেমিক্যাল থাকা কনটেইনারে একের পর এক বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে।

jagonews24ভেঙে পড়া কাঁচের টুকরো/ছবি: জাগো নিউজ

প্রায় ৬১ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে বিএম কনটেইনার ডিপোতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ১৮ ব্রিগেডের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম হিমেল এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ডিপো থেকে বড় ধরনের কোনো বিপদ হওয়ার আশঙ্কা নেই।’

ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা প্রশাসন।


আরও খবর



ঢাকায় চাকরির সুযোগ দিচ্ছে ওয়ালটন

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসিতে ‘ডেপুটি চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার (ডিসিএফও)’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

পদের নাম: ডেপুটি চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার (ডিসিএফও)
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর (অ্যাকাউন্টিং/ফিন্যান্স)
অভিজ্ঞতা: ১০-১৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.jobs.bdjobs.com/jobdetails এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১০ জুলাই ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



চবিতে সাংবাদিকদের হুমকি: ৯ ছাত্রলীগকর্মীকে শোকজ

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সাংবাদিকদের হল থেকে বের করে দেওয়ার হুমকির ঘটনায় ৯ ছাত্রলীগকর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে তাদের এ নোটিশ দেওয়া হয়।

শোকজপ্রাপ্তরা হলেন, লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের (নিলয়), অর্থনীতি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের রানা আহমেদ, একই শিক্ষাবর্ষের ইসলাম ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ওয়ায়দুল হক লিমন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আশীষ দাস, দর্শন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সাজ্জাদুর রহমান, সংস্কৃত বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের তুষার তালুকদার বাপ্পা, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের আহম্মদ উল্লাহ রাব্বি ও একই বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের জাহিদুল ইসলাম এবং সংস্কৃত বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রুদ্র তালুকদার। তারা সবাই চবি ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াসের অনুসারী বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর মো. শাহরিয়ার বুলবুল তন্ময় জাগো নিউজকে বলেন, ‘অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ ছাত্রকে আমরা কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাদের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তের জবাবের প্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে গত ১৬ জুন ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাওল হলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলামের কক্ষে গিয়ে সাংবাদিকদের হল থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি 
 দেন। এ সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন তারা।


আরও খবর



পৃথিবীকে বাসযোগ্য করা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব: ঢাবি উপাচার্য

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ২৩ June ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, আমাদের পৃথিবী একটাই, এই পৃথিবীকে বসবাসের যোগ্য করে গড়ে তোলা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।

রোববার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রধান অতিথি হিসেবে এক র্যালির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরবরিকালচার সেন্টার ও এস্টেট অফিস যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন হলে পরিবেশ ক্লাব গঠন করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, প্লাস্টিক বর্জনে সচেতনতা বাড়ানো, বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন স্থাপন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানসহ ক্যাম্পাসে নানা কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

ক্যাম্পাসের প্রতিটি আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে শ্রেণিকক্ষ ও আবাসিক হলসহ সর্বক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার জন্য শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর থেকে শুরু করে অপরাজেয় বাংলা, টিএসসি হয়ে কার্জন হলে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবরিকালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রক্টর, এস্টেট ম্যানেজার, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ‘একটাই পৃথিবী, প্রকৃতির ঐকতানে টেকসই জীবন’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে পৃথক র্যালি বের করা হয়। এছাড়া ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি'র উদ্যোগে আরসি মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সংগঠন পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন করে।


আরও খবর



মার্ক টোয়েনের মজার ঘটনা: বুক রিভিউ

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

মার্ক টোয়েনের বই পড়ার শখ। যে বই হাতে নেন, তিনি সেটাই পড়েন। একদিন এক বন্ধু এসে বললেন, ‘সম্প্রতি অমুক লেখকের দারুণ একটা বই বেরিয়েছে, তুমি কি পড়েছ?’

মার্ক টোয়েন বললেন,‘হ্যাঁ পড়েছি।’ তার বন্ধু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেমন লাগল?’ মার্ক টোয়েন বললেন, ‘এক কথায় বইটি বন্ধ করলে আর খোলাই যায় না।’

একবার বিখ্যাত এবং বিতর্কিত শিল্পী হুইসলার একখানা ছবি আঁকছেন। সেই অসমাপ্ত ছবিটি দেখে মতামত দেয়ার জন্য তিনি আমন্ত্রণ জানালেন মার্ক টোয়েনকে। তো মার্ক টোয়েন এলেন তার স্টুডিওতে।

কিছুক্ষণ মন দিয়ে ছবিটি দেখার পর ছবির কোণায় একটা মেঘের দিকে আঙুল দেখিয়ে মার্ক টোয়েন বললেন, ‘আমি হলে মেঘটা ঐখানে ঐভাবে আঁকতাম। ওটা মুছে দিলে ছবিটার কোনো ক্ষতি হবে বলে মনে হয় না।’ কথা বলতে বলতে মার্ক টোয়েন আঙুলটা ঠেকালেন ছবিটার ওপর।

এটা দেখে চেঁচিয়ে উঠলেন হুইসলার,‘আরে করেন কী! রংটা এখনো কাঁচা রয়েছে। এইমাত্র মেঘটা আমি এঁকেছি।’

মার্ক টোয়েন জবাব দিলেন,‘অত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। আমার হাতে দস্তানা পরা আছে, আশা করি রং লাগবে না।’

লেখা: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রিয় পাঠক, আপনিও অংশ নিতে পারেন আমাদের এ আয়োজনে। আপনার মজার (রম্য) গল্পটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়। লেখা মনোনীত হলেই যে কোনো শুক্রবার প্রকাশিত হবে।


আরও খবর