Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

স্বাস্থ্যের ডিজি হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৩৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক; দেশের কারাগারের হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগের বিষয়ে আদালতের আদেশ প্রতিপালন না করায় হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চে লিখিতভাবে ক্ষমা চান তিনি।

এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি দেশের কারাগারগুলোতে শূন্যপদে ৪৮ জন চিকিৎসক নিয়োগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় ব্যাখ্যা দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে তলব করেন হাইকোর্ট। ২৪ জানুয়ারি তাকে সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. জে আর খান রবিন, আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এ বিষয়ে ওইদিন আইনজীবী জে আর খান রবিন সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, গত ১৩ ডিসেম্বর কারাগারগুলোতে শূন্যপদে ৪৮ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ৭ জানুয়ারির মধ্যে এ নিয়োগ দিতে বলেছিলেন। কিন্তু এখনো শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এ কারণে আদালত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজিকে তলব করেছেন।

এর আগে ১৩ ডিসেম্বর কারা কর্তৃপক্ষ প্রতিবেদন দাখিল করে হাইকোর্টকে জানায়, কারাগারগুলোতে ৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ ও সংযুক্ত করা হয়েছে। ৪৮টি পদ শূন্য রয়েছে। শূন্যপদে নিয়োগের জন্য সময় প্রয়োজন। পরে আদালত এক দিন সময় বাড়িয়ে ৮ জানুয়ারির মধ্যে শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশ দেন।

২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি দেশে কারাবন্দিদের চিকিৎসার জন্য কারা হাসপাতালগুলোতে কত চিকিৎসক প্রয়োজন তা জানাতে কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে চিকিৎসক নিয়োগের বিধিমালা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল।

পরে কারা কর্তৃপক্ষ ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি একটি প্রতিবেদন দিয়ে আদালতকে জানান, কারাগারের হাসপাতালগুলোতে মোট ২৪ জন চিকিৎসক রয়েছেন। যদিও হাসপাতাল অনুসারে চিকিৎসক প্রয়োজন ১৪১ জন। পরে বাকি ১১৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর পরপর আরও চিকিৎসক নিয়োগ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ওই নিয়োগের পরে সেখানে মোট চিকিৎসকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১২। কিন্তু এর মধ্যে নিয়োগ পাওয়া চিকিৎসকদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ পায়।

চিকিৎসক নিয়োগের পর তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার কারণ জানতে চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন আইনজীবী জেআর খান রবিন। তার পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১ নভেম্বর বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাইকোর্ট।


আরও খবর



দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু জানিয়েছেন বর্তমানে দেশে গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৬ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট; যা ক্যাপটিভ ও অফগ্রিড নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ ২৯ হাজার ৭২৭ মেগাওয়াট বলে  ।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অধিবেশনে নসরুল হামিদ বলেন, ক্যাপটিভ ও অফগ্রিড নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বর্তমানে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৯ হাজার ৭২৭ মেগাওয়াট। আর গ্রিডভিত্তিক উৎপাদন ক্ষমতা ২৬ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট।

এর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক উৎপাদন ক্ষমতা ১১ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট (৪৩ শতাংশ), ফার্নেস অয়েলভিত্তিক ছয় হাজার ৪৯২ মেগাওয়াট (২৪ শতাংশ), ডিজেলভিত্তিক ৮২৬ মেগাওয়াট (৩ শতাংশ), কয়লাভিত্তিক চার হাজার ৪৯১ মেগাওয়াট (১৭ শতাংশ), হাইড্রো ২৩০ মেগাওয়াট (এক শতাংশ), অনগ্রিড সৌর বিদ্যুৎ ৪৫৯ মেগাওয়াট (দুই শতাংশ), বিদ্যুৎ আমদানি দুই ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট (১০ শতাংশ)।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রাপ্যতা অনুযায়ী উৎপাদন করা হয়ে থাকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার বিপরীতে ১৯ এপ্রিল সর্বোচ্চ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ৬৪৮ মেগাওয়াট।

শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা কমে যাওয়ায় এ বছর শীতকালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ উৎপাদন ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার মেগাওয়াটে নেমে আসে। আসন্ন গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদার পরিমাণ প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হবে।


আরও খবর



পোরশায় দাফনের ৪মাস পর কবর থেকে অফিস সহায়কের লাশ উত্তোলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬১৫জন দেখেছেন

Image

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি :নওগাঁর পোরশায় দাফন করার প্রায় ৪মাস পর মোকসেদ আলী(৫৫) নামের এক অফিস সহায়কের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। তিনি উপজেলার সোমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামানের উপস্থিতিতে স্থানীয় সোমনগর কবরস্থান থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়।

জানা গেছে, অফিস সহায়ক মোকসেদ আলী গত বছরের ৬নভেম্বর দিবাগত রাতে মারা যান। স্ট্রোকজনিত কারনে মোকসেদের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের পক্থে কে জানানো হয়। সে কারনে পরের দিন মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর সোমনগর মসজিদে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। এর কিছুদিন পরে তার বোন সাপাহার উপজেলার মামুরিয়া গ্রামের শফিউদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা বেগম তার ভাইয়ের মৃত্যুকে স্বাভাবিক নয় দাবি করে নওগাঁ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মোকসেদ  আলীর স্ত্রী জান্নাতুন ফেরদৌস ও একই গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে মিজানুর রহমানকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিত স্থানীয় থানা পুলিশ মিজানুর রহমান এবং ঔ গ্রামের লোকমানের ছেলে রহমত আলীকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন এবং মোকসেদের স্ত্রী জান্নাতুন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতে মামলার শুনানি শেষে আদালত মোকসেদ আলীর লাশ কবর থেকে তুলে ময়না তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। লাশ উত্তোলনের সময় সাপাহার সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার এমএম সবুজ রানা, পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মধুপুরে পৌর বিএনপির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৬জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি) মধুপুর পৌর শাখার উদ্যোগে অসহায় হতদরিদ্র ও শীতার্ত  মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১২ফেব্রুয়ারী) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এর দিক নির্দেশনায় এবং মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব খন্দকার মোতালিব হোসেন এর সার্বিক সহযোগিতায় এ শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

পৌরবিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান রবিন, ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ ছালাম আকন্দ  সহ পৌর বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও  সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী গন উপস্থিত ছিলেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সৈয়দপুরে নামাজে সিজদারত অবস্থায় মুসল্লীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নামাজ পড়ার সময় মসজিদে সিজদারত অবস্থায় এক মুসল্লীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) শহরের ১৩ নং ওয়ার্ডের আল ফারুক একাডেমি সংলগ্ন বাঁশবাড়ী জামে রিজভীয়া মসজিদে ফজরের নামাজের সময় এই ঘটনা ঘটেছে। 

মৃত ব্যক্তির নাম ভোলা কোরাইশী।  মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। তিনি বাঁশবাড়ী পুরাতন কিলখানা মহল্লার বাসিন্দা মৃত খয়রাতী কোরাইশীর তৃতীয় ছেলে। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তিনি পেশায় একজন গোশত ব্যবসায়ী (কসাই) ছিলেন। শহরের রেলওয়ে কারখানা গেট বাজারে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 
জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার ভোরে বাঁশবাড়ী জামে রিজভীয়া মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করতে যান তিনি । সেখানে সুন্নত নামাজ পড়ার সময় সিজদারত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ফরজ নামাজ শুরুর সময় অন্যান্য মুসল্লীরা ডাকাডাকি করেও তার সাড়া না পাওয়ায় বুঝতে পারেন তিনি মারা গেছেন। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন গিয়ে লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন। 

মরহুমের ছোট ভাই সৈয়দপুর গোশত ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম কোরাইশী (ছটু) জানান, বড় ভাই ভোলা কোরাইশী অত্যন্ত সহজ সরল জীবন যাপন করতেন। নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন। সারা বচ্ছরই সপ্তাহে ৩ দিন নফল রোজা পালন করতেন। সম্প্রতি তিনি নামাজের পর প্রতিদিন মুয়াজ্জিন সাহেবের কাছে সহীহ পদ্ধতিতে কোরআন শরিফ পড়া শিখতেন। 

সৈয়দপুর উপজেলা গোশত ব্যবসায়ী সমিতি গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের সম্মানে দিনভর তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ জন প্রতিনিধি, বিশিষ্টজন, ব্যবসায়ীগণ গভীর শোক এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি বিমান চালু করতে চায় সুইজারল্যান্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঢাকার সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু করতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি।

মন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমরা আশা করছি আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ এবং সুইজারল্যান্ডের মাঝে এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হবে। এরপর আমরা দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল রুটের মধ্যে হওয়ায় আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের জন্য কাজ করছি।

মুহাম্মদ ফারুক খান আরও বলেন, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ ও নতুন টার্মিনাল নির্মাণসহ দেশের সব বিমানবন্দরের এভিয়েশন অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজ চলছে। আমরা আশা করছি, আগামী অক্টোবরে থার্ড টার্মিনাল চালু হওয়ার পর আকাশপথের বিদ্যমান যাত্রী সংখ্যা ও কার্গোর পরিমাণ কয়েক বছরের মধ্যেই দ্বিগুণ হবে।

পর্যটনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পর্যটনের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বছরেই তার বাস্তবায়ন শুরু হবে।

তিনি বলেন, আমরা বিদেশি পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারসহ দেশের আরও বেশ কিছু জায়গায় নিবিড় পর্যটন অঞ্চল তৈরি করছি। সেখানে সুইজারল্যান্ড বিনিয়োগ করলে আমরা তাদের সকল সুযোগ-সুবিধা দেব। পাশাপাশি আমরা ভিসা সহজীকরণ ও ই-ভিসা চালু করা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও কাজ করছি।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করাটা ছিল আমাদের জন্য আনন্দের। বাংলাদেশ টিম নেগোসিয়েশনে প্রশংসনীয় দক্ষতা দেখিয়েছে। তাদের দক্ষতা ও সহযোগিতার জন্য সুইজারল্যান্ডের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করছি বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের যে কাজ চলছে তা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। আমরা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগের জন্য সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলব।


আরও খবর