Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রীর দাম কমবে

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

২০২২-২৩ অর্থবছরে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপত্তাসামগ্রীর উৎপাদন ও ব্যবসায়ীপর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে করোনা টেস্ট কিট, পিপিই, নিরাপত্তাপোশাক, প্লাস্টিক ফেইস শিল্ড, মেডিকেল নিরাপত্তাসামগ্রী, হাসপাতালে ব্যবহারের জন্য প্রতিরক্ষামূলক চশমা, গগলস ও মাস্ক।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা জানান।

প্রস্তাবিত বাজেটে বেশকিছু পণ্যের ওপর শুল্ককর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশ থেকে আমদানি করা হুইল চেয়ারের ওপর কর বিলোপের প্রস্তাব করা হয়। ফলে দেশের বাজারে এসব স্বাস্থ্য নিরাপত্তাসামগ্রীর সহজলভ্যতা হবে এবং দাম কমতে পারে।

এছাড়া দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের পড়ার উপকরণ ব্রেইল মুদ্রণের ওপর ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের জন্য কানে শোনার যন্ত্র ও এই যন্ত্রে ব্যবহৃত ব্যাটারি আমদানিতে শুল্ককর ২৫ শতাংশ কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে ব্রেইল মুদ্রণ ও কানে কম শোনার যন্ত্রের দাম কমতে পারে।

করোনাভাইরাসের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এ বাজেটে ঘাটতিও ধরা হয়েছে বড়।

অনুদান বাদে এ বাজেটের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। আর অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট। বাজেটে সঙ্গত কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



ডুয়েটের মামুন যেভাবে হলেন মেটার ইঞ্জিনিয়ার

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ১৬ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

আবদুল্লাহ আল মামুনের স্বপ্ন ছিল বুয়েটে (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) পড়ে ইঞ্জিনিয়ার (প্রকৌশলী) হওয়ার। কিন্তু শারীরিক নানা সমস্যার কারণে সেই স্বপ্ন অধরা থেকে যায়। তবে মামুন হাল ছাড়েননি। তার পথচলায় নানা বাধা আসলেও তিনি সামনে এগিয়ে চলেছেন। পড়েছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট)।

সম্প্রতি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছেন ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা ইনকরপোরেশনে। তার মেটায় চাকরি, নতুনদের পরামর্শ ও ভবিষ্যৎ ভাবনা সম্পর্কে জানিয়েছেন জাগো নিউজকে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনিসুল ইসলাম নাঈম

জাগো নিউজ: প্রথমে শৈশবের গল্প ও বেড়ে উঠা সম্পর্কে বলুন?
আবদুল্লাহ আল মামুন: আমার শৈশবের অর্ধেকটা কেটে যায় অ্যাজমা আর বাতজ্বরের সঙ্গে যুদ্ধ করে। বাবার চাকরির সুবাদে আমার শৈশব কাটে রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায়। সেখানেই আমার প্রথম স্কুল জীবন শুরু। পরবর্তীতে আব্বু বদলি হয়ে উত্তরবঙ্গে চলে আসেন, তখন থেকে আমাদের ঠিকানা বগুড়ার জেলার শেরপুর উপজেলায়। শৈশবে আমি অনেকটা ডানপিটে স্বভাবের ছিলাম। বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা, বর্ষায় মাছ ধরা, স্কুল ফাঁকি দিয়ে সিনেমা দেখা কোনোটাই বাদ যাইনি। আর পড়াশুনায় মধ্যম মানের ছাত্র ছিলাম।

jagonews24

জাগো নিউজ: কখন থেকে সফটওয়্যার ও প্রোগ্রামিং-এর প্রতি মনোযোগ দিলেন?
আবদুল্লাহ আল মামুন: বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই আমি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মনোযোগ দেই। তখন থেকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ঐ সময়ের যে টেকনোলজি ছিল সেগুলো নিয়ে কাজ শুরু করি। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্লাস প্রজেক্টে কাজ করি। কিন্তু টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলোতে চাকরি পাওয়ার জন্য প্রোগ্রামিং কম্পিটিশন কখনোই করা হয়ে উঠেনি। আমি যখন পিএইচডির শেষবর্ষে যখন চাকরির জন্য চেষ্টা করি, তখন থেকে প্রবলেম সলভিং বা প্রোগ্রামিং শুরু করি।

জাগো নিউজ: মেটাতে চাকরি পাওয়ার জন্য নিজেকে কীভাবে প্রস্তুত করেছেন?
আবদুল্লাহ আল মামুন: শুরু থেকেই টেক জায়ান্ট গুগল, মেটা, মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানিতে চাকরি করার ইচ্ছা ছিল। এসব কোম্পানিতে চাকরি পাওয়ার ধাপ প্রায় একই। প্রথমে খোজ খবর নিতে থাকি ইন্টারভিউর জন্য কী কী ধাপ আছে। প্রতিটা ধাপের প্রিপারেশন কেমন নিতে হয়। কী কী রিসোর্স রয়েছে অনলাইনে। গুছিয়ে নিয়ে নিজের মতো প্রস্তুতি শুরু করি। এরমধ্যে কোডিং রাউন্ডে প্রোগ্রামিং স্কিল বেশি জরুরি। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের প্রবলেম সলভ করতাম। শুরুর দিকে প্রবলেম সলভ করতে না পাড়ায় হতাশায় ভুগেছি। তারপর নিয়মিত অনুশীলন করার ফলে ধীরে ধীরে স্কিল বাড়তে থাকে।

জাগো নিউজ: মেটাতে কী ধরনের চাকরির সুযোগ আছে?
আবদুল্লাহ আল মামুন: মেটাতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ছাড়াও সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ও অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং পদে চাকরির সুযোগ আছে। তাছাড়া যে কোনো সাবজেক্ট থেকেই এখানে চাকরির সুযোগ আছে। মেটা অনেক বড় কোম্পানি। এখানে অনেক লোকবলের প্রয়োজন। যে কারণে কাজের অনেক ক্ষেত্র আছে এখানে। মেটার জব পোর্টাল থেকে নিজস্ব দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আবেদন করতে হয়।

jagonews24

জাগো নিউজ: কীভাবে একজন নতুন গ্র্যাজুয়েট মেটাতে চাকরির জন্য আবেদন করবেন?
আবদুল্লাহ আল মামুন: মেটাতে আবেদনের আগে কিছু বিষয় জানা দরকার। এসব টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলোতে অনেক চাকরির সিভি জমা পড়ে। তাই একটু টেকনিক্যাল হওয়া জরুরি। প্রতিটা টেক জায়ান্ট কোম্পানির ক্যারিয়ার পোর্টালে চাকরির অপশন দেওয়া থাকে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ডাইরেক্ট আবেদন করা যাবে। তার আগে সিভির সঙ্গে লিংকড-ইন প্রোফাইল সুন্দর করে সাজিয়ে রাখতে হবে। প্রয়োজনীয় তথ্যের সঙ্গে সব স্কিল বিস্তারিত উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া মেটাতে চাকরি করেন পরিচিত কোনো লোক থাকলে তাদের রেফারেন্সে আবেদন করতে পারেন। এতে ইন্টারভিউ পাওয়ার চান্সটা বেশি থাকে।

জাগো নিউজ: মেটাতে ইন্টারভিউ দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলুন?
আবদুল্লাহ আল মামুন: মেটাতে কয়েকটা রাউন্ডে ইন্টারভিউ হয়ে থাকে। প্রথমেই রিক্রুটমেন্ট থেকে ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। সেখানে একজন আবেদনকারীর পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানা হয়। পাশাপাশি দেখা হয়, তিনি মূল ভাইবা দেওয়ার জন্য যোগ্য কি না। এরপর ফোন স্কিন রাউন্ড হয়। এটা মূলত ভিডিও কলের মাধ্যমে নেওয়া হয়। এখানে কোডিং ও প্রোগ্রামিং স্কিল দেখা হয়। এই রাউন্ডে পাস করার পর আসবে অন-সাইট রাইন্ড বা ফাইনাল রাইন্ড। ফাইনাল রাউন্ডে কয়েকটা পর্ব থাকে। এতে থাকে সিস্টেম ডিজাইন রাউন্ড। এই পর্বে কোনো একটি সিস্টেম কীভাবে ডিজাইন হয়, সে সম্পর্কে ধারণা দিতে হয়। এছাড়া বিহ্যাভিওরাল ইন্টারভিউ হয়। এখানে আবেদনকারীর আগের কী কী অভিজ্ঞতা আছে, কী কী চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করবে, জবে থাকাবস্থায় সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করেছেন, কারও সঙ্গে মতবিরোধ হলে কীভাবে সমাধান করেছেন, এসব দক্ষতা দেখা হয়।

জাগো নিউজ: সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কত সময় লাগতে পারে?
আবদুল্লাহ আল মামুন: আবেদন করা থেকে শুরু করে রেজাল্ট আসা পর্যন্ত একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। তবে গড় হিসাব করলে দেখা যায়, এক থেকে দেড়মাস পর্যন্ত সময় লাগে।

jagonews24

জাগো নিউজ: আন্তর্জাতিক এসব প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশিদের সুযোগ কেমন?
আবদুল্লাহ আল মামুন: বিশ্বসেরা টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলোতে চাকরির ক্ষেত্রে সব দেশের জন্য সমান সুযোগ আছে। যে কোনো দেশ থেকে বা যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে আবেদন করা যাবে। যে কেউ আবেদন করলে তার প্রোফাইলের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর তাকে ইন্টারভিয়ের জন্য ডাকা হবে। মেটা সব দেশকে সমানভাবে মূল্যায়ন করে। সেক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশীদেরও সমান সুযোগ আছে এখানে।

জাগো নিউজ: যারা মেটাতে চাকরি করতে আগ্রহী, তাদের জন্য আপনার কী পরামর্শ থাকবে?
আবদুল্লাহ আল মামুন: দেশের তরুণরদের জন্য মেটার পাশাপাশি অন্যান্য টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলোতেও চাকরির সুযোগ আছে। অনেকে সঠিক ইনফরমেশন ও সাহসের অভাবের কারণে এসব কোম্পানিতে আবেদন করেন না। হয়তো অনেকেই স্বপ্ন দেখতে ভয় পান। তাই বড় বড় কোম্পানিতে চাকরির স্বপ্ন দেখতে হবে এবং পাশাপাশি চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ থেকে প্রচুর লোকবল এসব কোম্পানিতে জব করছেন। আমি মনে করি, আমাদের দেশের তরুণদের মধ্যেও সেই যোগ্যতা আছে।

জাগো নিউজ: আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
আবদুল্লাহ আল মামুন: আপাদত মেটাতেই আমার ভিত্তি মজবুত করা এবং যোগ্যতা, কর্মনিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা আরও কয়েকধাপ এগিয়ে যেতে চাই। এই অবস্থানে থেকেই দেশের সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। পাশাপাশি দেশের আইসিটি খাতে নিজের মেধা ও দক্ষতা শেয়ার করতে চাই।


আরও খবর



শেখ কামালের শিষ্টাচার যুব রাজনীতির জন্য অনুকরণীয়: হানিফ

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের শিষ্টাচার যুব রাজনীতির জন্য অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

তিনি বলেছেন, শেখ কামাল ২৬ বছর বয়সে বহুমাত্রিক প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তিনি দেশের স্বাধীনতা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। রণাঙ্গনের সাহসী যোদ্ধা ছিলেন। এর পাশাপাশি তার শিষ্টাচারও ছিল অনুকরণীয়। শেখ কামালের আচরণ, শিষ্টাচার অনুসরণ করে আগামীদিনের নেতৃত্বের জন্য যুব সমাজকে তৈরি করতে হবে। তার শিষ্টাচার ধারণ করতে পারলে সৃষ্টিশীল মননের সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, শেখ কামাল ছিলেন বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের একজন। তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। রাষ্ট্রপতির (বঙ্গবন্ধু) ছেলে হলেও কখনো ক্ষমতা তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। তারুণ্যের অহংকার শেখ কামাল ছিলেন সংস্কৃতিপ্রেমী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল বাংলাদেশের আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক এমন মন্তব্য করে হানিফ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ফুটবল প্রেমী। শেখ কামাল একজন দক্ষক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। তিনি আবাহনী ক্রীড়াচক্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আবাহনী প্রতিষ্ঠার পর ক্রীড়াঙ্গনে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছিল। দেশে ফুটবলের জাগরণ সৃষ্টি হয়েছিল।

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবক্ষয় দেখলে শেখ কামালের কথা মনে পড়ে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, একসময় গ্রামে-গঞ্জে জারি-সারি, পালাগান, নাটক হতো। আজ তা হারিয়ে গেছে। সংস্কৃতি মানুষের জীবনকে বিকশিত করার জন্য ভূমিকা রাখে। শেখ কামাল মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য হাজার বছরের সংস্কৃতি তুলে ধরতে থিয়েটার গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। স্পন্দন নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শেখ কামাল।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ কামাল রাষ্ট্রপ্রধানের সন্তান ছিলেন কিন্তু পদ-পদবিতে তার আগ্রহ ছিল না। তিনি বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে দেশ গড়ায় ভূমিকা রাখতে চেয়েছিলেন।

শহীদ শেখ কামাল জীবনের শেষদিন পর্যন্ত মানুষের জন্য কাজ করেছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ সিনিয়র নেতা বলেন, ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে থাকলে মানুষের জীবনাচরণে পরিবর্তন আসে। কিন্তু শেখ কামাল ছিলেন একেবারে সাদামাটা মানুষ। কখনো তার মধ্যে দাম্ভিকতা কাজ করেনি। আর আরেক রাষ্ট্রপতির ছেলে তারেক রহমান দেশে হাওয়া ভবন বানিয়ে লুটপাট, মানুষ হত্যা করেছে। বাংলাদেশে সন্ত্রাস, জঙ্গির চারণভূমি বানিয়েছিল। কি বৈচিত্র্য।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফম. বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ও দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির।


আরও খবর



অর্থনীতির প্রধান খলনায়ক আর্থিক খাতের দুর্বলতা: ড. দেবপ্রিয়

প্রকাশিত:Thursday ১১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
Image

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে ‘অনভিপ্রেত ও অবিবেচনাপ্রসূত’ বলে উল্লেখ করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সংকট নিয়ে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) এক অনলাইন আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি। আলাপচারিতার শিরোনাম ছিল ‘বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় একটি উত্তরণকালীন নীতি সমঝোতা খসড়া’।

আলোচনায় এই অর্থনীতিবিদ জানান, দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ে নীতিনির্ধারকেরা বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা বলছেন।

তিনি বলেন, কেউ বলছেন, দুই মাসের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ঠিক হয়ে যাবে। কেউ বলছেন ২০২৪ সালের আগে ঠিক হবে না। আবার কারো বক্তব্য, আইএমএফের কাছ থেকে ঋণ নেবে না, কেউ বলছেন নেবে। এসব কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে, নীতি প্রণয়নের মধ্যে রাজনীতিবিদেরা নেই। আমলানির্ভর নীতি প্রণয়ন হচ্ছে।

আর্থিক খাতের দুর্বলতা অর্থনীতির প্রধান খলনায়ক দাবি করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আর্থিক খাতের দীর্ঘদিনের জমে থাকা বিষয় সংস্কার হয়নি। আর্থিক খাতের অযত্নের কারণে আমরা এগুতে পারছি না। এ খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকারকে ভর্তুকি কমাতে হচ্ছে। অথচ এখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে গরিব মানুষের সুরক্ষা দিতে ভর্তুকি দেওয়া বেশি প্রয়োজন ছিল।


আরও খবর



‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত ৭ খসড়া অযৌক্তিক’

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে মোট সাতটি খসড়া অযৌক্তিক দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান কাঞ্চন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সম্প্রতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের লাইসেন্সকরণ, ধূমপান এলাকা ব্যবস্থা বিলুপ্তিকরণ, খুচরা শলাকা নিষিদ্ধকরণ, পাবলিক প্লেসের সংজ্ঞায় চায়ের দোকান অন্তুর্ভুক্তিকরণ, বিক্রয়স্থলে তামাকজাত পণ্য প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ, ফেরি করে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধকরণ এবং সার্বিকভাবে জরিমানার পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধিকরণসহ মোট সাতটি খসড়া তৈরি করেছে সরকার। যা ব্যবসায়ীদের জন্য হুমকিস্বরূপ।

tobako2

তিনি বলেন, এই খসড়া প্রণয়ন করা হলে ১৫ লাখ প্রান্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতা বেকার হবে। অবৈধ পণ্যে বাজার সয়লাব হবে এবং সরকার রাজস্ব হারাবে। এ অবস্থায় প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে নতুন এ আইন প্রণয়ন না করার দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলার ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মগবাজারে ট্রেনের ধাক্কায় শিশু নিহত

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ১৩ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর মগবাজার ওয়্যারলেস গেট এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় মো. শামীম (৮) নামের এক শিশু নিহত হয়েছে।

সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শিশুর বাবা মো. রুবেল বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের ধাক্কায় আমার ছেলে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বাড়ি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার চন্দ্রিকান্দ্রা গ্রামে। বর্তমানে মগবাজার ওয়্যারলেস গেট এলাকার একটি বস্তিতে পরিবার নিয়ে থাকি।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি রেলওয়ে থানায় জানানো হয়েছে।


আরও খবর