Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সুন্দরগঞ্জে কলেজ ছাত্রকতৃক গৃহবধু ধর্ষিতা থানায় মামলা দায়ের

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

একেএম শামছুল হক সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:সুন্দরগঞ্জে কলেজ ছাত্র এইচএসসি পরীক্ষার্থি কতৃক এক সন্তানের জননী গৃহবধু ধর্ষিতা হওয়ায় বিচার চেয়েথানায় মামলা দিয়েছেন ওই গৃহবধু।ঘটনার ৩দিন অতিবাহিত হলেও এপযন্ত  এজাহার মামলা হিসেবে গণ্য হযনি,,,।থানাও এলাকাবাসি সুত্রে জানা যায় উপজেলার ছাপরহাটি ইউপির পঃছাপরহাটি গ্রামের আঃকাফির ৩য় পুত্র লিমন মিয়া (২১)চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থি, নিজ বাড়ির পার্শ্ববতি  একই মৌজার আঃ কুদ্দুস মিয়ার পুত্রবধু আঃ রাজ্জাকের স্ত্রীকে ধর্ষন করে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে ৬জুলাই,, প্রতিদিনের মত রাতের খাওয়া শেষকরে ঘুমিয়ে  যান ওই গৃহবধু।স্বামি আঃরাজ্জাক ঢাকায় থাকার সুবাদে রাত অনুমান১০টার দিকে কৌশুলে ঘরের দরজা খুলে ঘুমন্ত অবস্হায় গৃহবধুকে ধর্ষনকরতে থাকলে এমতাস্হায় ওইগৃহবধু জাগ্রতহয়ে ধর্ষক লিমনকে জাপটে ধরে চিৎকার দেয়,এতে পার্শ্ববতি ঘরের আঃকুদ্দুছ ও তার স্ত্রী ইছামতি সহ পাশের বাড়ির ইসমাঈল দৌড়ে এসে লিমনকে আটক করে।এসময় লিমন এলোপাতারি কিলঘুষি মেরে দৌড়ের চেষ্টাকরলে আঃকুদ্দুস পড়নের লুঙ্গি টেনে ধরলে লিমন লুঙ্গিখুলে রেখে উলঙ্গ অবস্হায় পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগি গৃহবধু জানায়, লিমন বিভিন্ন প্রকার ভয়দেখিয়ে তিন মাসপুর্বে  তাকে ধর্ষনকরে মেবাইলে ভিডিও ধারনকরে ফেসবুকে দেয়ার ভয়দেখায় এবং তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোগ করতে আসছে। কিছুদিন থকে তাকে বিয়ের চাপ দিলে তালবাহানা করতে থাকে।এরপর গত ৫জুলাই রাতে তাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটায়।এঘটনায় গত ৭জুলাই ধর্ষিতা বাদি হয়ে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন।সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম এজাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ঘটনার তদন্তপুর্বক আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহন করবেন বলে জানান।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকান্ডে আত্রাইয়ের তিনজন নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:সৌদি আরবের রিয়াদের মুসাসানাইয়া এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে পুড়ে চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার রয়েছেন তিনজন। বুধবার সৌদির স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা নাগাদ আগুনের এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন নিহতদের স্বজনরা। 

নিহতের খবর পাবার পর থেকে এই তিন জনের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। নিহতদের মধ্যে আত্রাই উপজেলার তেজনন্দি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে ফারুক হোসেন (৪০), শিকারপুর গ্রামের সাহাদ আলীর ছেলে এনামুল হোসেন (২৫) ও দিঘা স্কুলপাড়া গ্রামের কবেজ আলীর ছেলে শুকবর রহমান (৪০)।

তেজনন্দি গ্রামের ফারুক হোসেনের বাড়ীতে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের লোকজন, প্রতিবেশি এবং আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাক্সক্ষীরা ভীড় করে আছেন। গ্রাম জুড়েই যেন কান্না আর শোকের রোল পরে গেছে। ফারুকের স্ত্রী-দুই সন্তানকে যেন কেউ থামাতেই পারছেন না। বার বার কান্নায় ভেঙ্গে পরছেন। 

ফারুকের ভাতিজা পিন্টু আলী জানান, চাচা ফারুক হোসেন গার্মেন্টসে কাজ করতেন। গত ৬বছর আগে ধারদেনা করে সৌদি আরবে যান। কিন্তু যাবার পর থেকেই সেখানে নানা সমস্যার মধ্যে পরে যায়। গত প্রায় ৮মাস হচ্ছে স্থায়ী ভাবে সোফা তৈরির কারখানায় কাজে যোগদান করেছেন। এরই মধ্যে বুধবার রাত ১০টা নাগাদ মোবাইল ফোনে জানতে পারেন কারখানায় আগুনে ফারুক নিহত হয়েছেন। 

উপজেলার দিঘা গ্রামের নিহত শুকবর আলীর জামাই বিদ্যুৎ হোসেন বলেন, তার শ্বশুড় কৃষি শ্রমিক ছিলেন। গত আড়াই বছর আগে একমাত্র সম্বল ১১শতক জায়গা বিক্রি করে তার সাথে ধারদেনার টাকায় সৌদি আরবে যান। এখন পর্যন্ত ধারদেনার টাকা শোধ করতে পারেননি। শুকবরের দুই ছেলে এক মেয়ে। ছেলেদের মধ্যে বড় ছেলে শামিম হোসে প্রতিবন্ধি। তার মাথা গোঁজার একমাত্র বাড়ীর তিনশতক জায়গা ছাড়া আর কোন জমি নেই। কিভাবে শ্বাশুড়ী, শ্যালোকদের নিয়ে চলবেন তা নিয়ে ঘোর বিপাকে পরেছেন। শ্বশুড় শুকবর আলীই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।

শিকারপুর গ্রামের নিহত যুবক এনামুলের চাচা জাহিদুল ইসলাম জানান, এনামুল গার্মেন্টস শ্রমিক ছিলেন। অনেকটা সুখের আসায় ঘর বাঁধতে ধারদেনা করে সৌদি আরবে যান। সেখান থেকে কেবলমাত্র রোজগারের টাকায় ধারদেনা শোধ করে ইটের বাড়ী নির্মাণ করছেন। বাড়ীর কাজ শেষ হলে আগামী বছর নাগাদ দেশে এসে বিয়ে করার কথা ছিলো। কিন্তু সেটা তার ভাগ্যে সইল না। বুধবার রাত অনুমান সাড়ে ১০টা নাগাদ আগুনে পুরে মারা যাবার খবর আসে। তখন থেকেই একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকে বাবা-মা পাথর হয়ে গেছেন। দ্রুত মরদেহ দেশে আনতে সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন নিহতদের তিন পরিবার।

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, সৌদিতে আগুনে পুরে তিনজনের নিহতের খবর পেয়েছি। তাদের পরিবারের খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। এছাড়া নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরাতে এবং সরকারী কোন সুযোগ সুবিধা থাকলে তা সহায়তা করতে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। 


আরও খবর



গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: উত্তর জনপদের শষ্যভান্ডার খ্যাত সবুজ অরণ্যে ঘেরা নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার পথে-প্রান্তরে গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল। কালের বিবর্তনে এ উপজেলার পথ-ঘাটে আগের মত তেমন একটা দেখা যায় না সোনাঝড়া সোনালু ফুলের গাছ। 

সবুজ পাতা ছাপিয়ে সোনালি রঙের ফুলে সেজেছে সোনালু গাছ। প্রকৃতির এক অপরূপ সৃষ্টি সোনালু ফুলের এ সৌন্দর্য। এ গাছটিকে বানরলাঠি বা বাঁদরলাঠি গাছও বলা হয়। সোনালি রঙের ফুল হওয়ার কারণেই মূলত এ গাছটির নামকরণ হয়েছে ‘সোনালু’। কবিগুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর নাম দিয়েছিলেন অমলতাস। হিন্দিতেও গাছটিকে অমলতাস বলা হয়। ইংরেজিতে সোনালু গাছকে বলা হয় গোল্ডেন শোয়ার। তবে বাংলাদেশে অঞ্চল ভেদে এর নামের ভিন্নতা রয়েছে।

গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে প্রাণের সজীবতা নিয়ে অলংকারের ন্যায় প্রকৃতিতে শোভা বৃদ্ধি করছে সোনালু ফুল। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গ্রীষ্মের দক্ষিণা হাওয়ায় সোনা ঝরা সোনালু ফুল যেন প্রকৃতির কানে দুলের মতো দুলছে।

বাংলাদেশের সিংহভাগ সোনালু গাছ জন্মায় প্রাকৃতিকভাবে। প্রকৃতির শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ গুণাবলি সম্পন্ন এই গাছটি বেশির ভাগই বেড়ে উঠছে অযত্ন আর অবহেলায়। সোনালু গাছের পাতা ও বাকল ভেষজগুণ সমৃদ্ধ। যা ডায়রিয়া ও বহুমূত্র রোগে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ায় এ গাছ বেশি জন্মে। গাছটি সাধারণত ১৫ থেকে ২০ মিটার উঁচু হয়। উঁচু থেকে মাঝারি উঁচু নিচু ভূমিতে সোনালু গাছের জন্য আদর্শ স্থান।

জানা গেছে, গাছটির আদি নিবাস হিমালয় অঞ্চল হলেও বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং মায়ানমার জুড়ে রয়েছে এর বিস্তার।

প্রকৃতিকে নয়নাভিরাম রূপে সাজিয়ে তুলতে সোনালু ফুলের জুড়ি নেই। পরিবেশ ও প্রকৃতির শোভা বৃদ্ধিতে সোনালু ফলের জুড়ি নেই। গ্রাম-বাংলার শিশু-কিশোরীরা এখনো ওই ফুলকে কানের দুল হিসেবে লাগিয়ে খেলায় মেতে ওঠে। সোনালু ফুলে শোভিত জেলার আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লা।