Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

শৃংখলা ফিরছে সড়কে পাল্টে গেছে যাত্রাবাড়ীর চিত্র

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৩২৬জন দেখেছেন

Image

শফিক আহমেদ চৌধুরীঃরাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার যানজটের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। গত দুই মাসের ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সার্বিক প্রচেষ্টায় সড়কে ফিরে এসেছে শৃংখলা৷ ফুটপাথ উচ্ছেদ,রাস্তা দখল করে বাজার, শহীদ ফারুক সড়কের দুইপাশে হকার, মোড়ে ফলপট্টি এখন আর কোন কিছুই নাই৷ এর ফলে যাত্রাবাড়ীর চিরচেনা যানজট যেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে বসে থাকতে সেখানে অনায়াসেই রাজধানীতে ঢুকছে প্রায় ৪৮ জেলার বাস।

গত মে মাসের প্রথম দিকে ডিএমপি পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান যাত্রা্বাড়ীর সড়ক ফুটপাথ পরিদর্শন করে তিনি বলেছিলেন, ফুটপাথ থাকবে উন্মূক্ত, রাস্তায় কোন বাজার হাট বসবে না৷ পুলিশ কমিশনারের এমন নির্দেশানর পর যাত্রাবাড়ী, জুরাইন,ষ্টাফ কোয়ার্টার দয়াগঞ্জ মোড় সহ ওয়ারী বিভাগের সড়কে শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে ট্রাফিক ডিসি আশরাফ ইমাম, এসি যাত্রাবাড়ী, এসি ডেমরা সহ সকল ট্রাফিক ইন্সপেক্টর গন মাঠে কাজ শুরু করেন।

এই বিষয়ে ওয়ারী বিভাগের ট্রাফিক ডিসি বলেন, আমি গত দুই মাসে আমার ষ্টাফদের নিয়ে মাঠে কাজ করে সড়কে শৃখলা ফিরিয়ে এনেছি এবং এটা ধরে রাখতে যা যা করনীয় সকল পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।তিনি আরো বলেন, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ সব সময় জনগনের সেবায় পাশে থাকবে।তীব্র তাপদাহে খাবার স্যালাইন ও খাবার পানি বিতরন। বিশ্ব মা দিবসে দু:স্থ মাদের মধ্যে খাবার বিতরন করা হয়৷

     -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




হিলিতে বাড়ছে মসলা জাত পণ্যের দাম

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:এখনো প্রায় একমাস বাকি কোরবানি ঈদ।এর আগেই দিনাজপুরের হিলিতে বেড়েছে মসলা জাত পণ্যের দাম। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে জিরাসহ মসলা জাতীয় পণ্য আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে ১/২ গাড়ি জিরাসহ অন্যান্য মসলাপণ্য আমদানি হতো।এখন প্রতিদিনই ৫/৭ গাড়ী জিরাসহ মসলা পণ্য আমদানি হচ্ছে। প্রতি টন জিরা আমদানি হচ্ছে ৩ হাজার ১৩০ ডলার মুল্যে। কোরবানি ঈদের একমাস আগে দাম বৃদ্ধিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি।তারা অধিক মুনাফার আশায় মসলা জাত পণ্য মজুদ রেখে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর খুচরা বিক্রেতারা বলছেন,আমরা ভারতীয় জিরা,আদা,চায়না রসুন বিক্রি করি। আমদানিকারকদের কাছ থেকে আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। আমদানিকারকরা বলছেন,ডলার সংকটের কারণে ভারত অভ্যন্তরে জিরাসহ অন্যান্য মসলা জাত পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দাম কয়েক দিনের স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে জানান আমদানিকারকরা ।  

আজ শনিবার দুপুরে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক মাস আগে মানভেদে জিরা বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ৫৭০ থেকে ৫৮০ টাকা দরে। এখন সেই জিরাই কেজিতে ১৩০ টাকা বেড়ে ৭০০ থেকে ৭১০ টাকা কেজি দরে হচ্ছে। অন্যান্য মসলা পণ্যের দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কালো এলাচ ২৬০০ থেকে ২৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তা এখন ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৭০০ থেকে ৩০০০ টাকা কেজি দরে এবং সাদা এলাচ মাঝারি ৩৪০০ শত টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তা এখন কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ৩ ৫০০ শত টাকা কেজি দরে, সাদা এলাচ বড় ধরণের ৪১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তা কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ৪২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও দারুচিনি, লং, গোল মরিচ,ধনিয়া,কালো জিরা কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে। এদিকে আমদানিকৃত আদা গেলো শনিবার (১৮ মে) প্রতিকেজি আদা ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ শনিবার (২৫ মে) বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। প্রতিকেজি দেশীয় রসুন ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। এক মাস আগে দেশীয় শুকনা মরিচ ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ তা কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর গতকাল শুক্রবার দেশীয় পেঁয়াজ ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ তা কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।   

রংপুর থেকে জিরা কিনতে আসা আকবর আলী জানান, আমি এক মাস আগে হিলিতে ঘুরতে এসে তখন ৫৮০ টাকা কেজি দরে জিরা কিনেছি। আজ হিলিতে একটি কাজে এসে জিরা কিনলাম ৭০০ টাকা কেজি দরে। 

আদা কিনতে আসা ফরহার হোসেন বলেন, কোরবানি ঈদের আগে হঠাৎ করেই আদার দাম বেড়ে গেছে। গত শনিবার প্রতিকেজি আদা বিক্রি হয়েছিল। ২৪০ টাকা কেজি দরে। আমি ৬০ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম আদা কিনি। আর আজ শনিবার বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি দরে। ৭০ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম আদা কিনলাম। 

আরেক ক্রেতা ধরন্দা গ্রামের গোলাম মোর্শেদ বলেন, প্রতিবছর কোরবানি ঈদের আগে সব ধরনের মসলার দামে বাড়ে। এবারও বেড়েছে। গেলো শনিবার প্রতিকেজি রসুন কিনি ২০০ টাকা কেজি দরে। আর আজ শনিবার কিনতে হলো ২৪০ টাকা কেজি দরে।তিনি আক্ষেপ করে বলেন,হিলি বন্দর দিয়ে প্রতিদিন আদা আসছে। কিন্তু আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা মজুদ রেখে বেশি দামে বিক্রি করছেন।

শুকনা মরিচ,আদা-রসুন ও পেঁয়াজ বিক্রেতা ময়নুল ইসলাম বলেন,আদা হিলিবন্দর দিয়ে আমদানি হয়। আর চায়না রসুন আমদানি হয় অন্যদিকে দিয়ে। পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে এক সপ্তাহ আগে এতিকেজি আদা ২২০ টাকায় কিনে ২৪০ টাকায় বিক্রি করি। আর রসুন ১৮০ টাকা কেজি দরে কিনে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করি। কিনতেই পড়ছে প্রতিকেজি আদা ২৬০ টাকা এবং রসুন কিনতে পড়ছে ২২০ টাকা। আমরা কেজিতে ২০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করছি। এ কারণেই শুকনা মরিচ,পেঁয়াজ আদা-রসুনের দাম বেড়েছে।

ডলার সংকট কাটিয়ে উঠলে ও জিরা আমদানিতে শুল্ক কমলে দাম আরও কমে আসবে বলে মনে করছেন আমদানিকারকেরা।

হিলি কাষ্টমস সূত্রে জানা গেছে,চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত ভারতীয় ৩৮৩ টি ট্রাকে ১০ হাজার ৭১৭ মেট্রিক টন জিরা ও ভারতীয় ১৬ টি ট্রাকে ২৫৩ মেট্রিকটন এলাচ এবং ভারতীয় ২৪১ টি ট্রাকে ৪১৩৭ মেট্রিক টন আদা আমদানি হয়েছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে।


আরও খবর



তাহিরপুর সীমান্তে গডফাদার ও সোর্সরা অধরা: ২ লড়ি অবৈধ কয়লা জব্দ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:ঈদকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বিভিন্ন সীমান্তে সরকারের কোটিকোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে পাচাঁর করা হচ্ছে গরু, ঘোড়া, কয়লা, চিনি, সুপারী ও পেয়াজসহ মদ, গাঁজা, ইয়াবা ও নাসির উদ্দিন বিড়ি বিভিন্ন মালামাল। সীমান্ত চোরাকারবারীদের গডফাদার ও সোর্সদের নেতৃত্বে বিভিন্ন মালামাল পাচাঁর করতে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে মৃত্যুসহ নানান অপ্রীতিকর ঘটনা।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- আজ বৃহস্পতিবার (৩০শে মে) ভোররাত থেকে জেলার তাহিরপুর উপজেলার চারাগাঁও সীমান্তে সোর্স পরিচয়ধারী রফ মিয়া,আইনাল মিয়া,রিপন মিয়া,সাইফুল মিয়া,লেংড়া জামাল,বাবুল মিয়া, আনোয়ার হোসেন বাবলু,সোহেল মিয়াগং, অন্যদিকে বালিয়াঘাট সীমান্তে ইয়াবা কালাম,হোসেন আলী,জিয়াউর রহমান জিয়া,মনির মিয়া,রতন মহলদার ও কামরুল মিয়াগং, টেকেরঘাট সীমান্তে সোর্স আক্কল আলী,মহিবুর মিয়া, মিলন মিয়া,সাইদুল মিয়া,কামাল মিয়াগং, চাঁনপুর সীমান্তে সোর্স জামাল মিয়া, নজরুল মিয়াগং ও লাউড়গড় সীমান্তে সোর্স বায়েজিদ মিয়া, জসিম মিয়াগং ভারত থেকে অবৈধ ভাবে কয়লা,চুনাপাথর,গরু,ঘোড়া,চিনি,পেয়াজ,বল্ডার পাথর,নাসির উদ্দিন বিড়ি,মদ,গাঁজা ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মালামাল পাচাঁর শুরু করে। এই খবর পেয়ে সকাল ৬টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার রফিক অভিযান চালিয়ে গডফাদার তোতলা আজাদ, তার সোর্স ইয়াবা কালাম, রতন মহলদার ও জিয়াউর রহমান জিয়ার ২টি লড়ি বোঝাই ৩০মেঃটন চোরাই কয়লা জব্দ করেন। কিন্তু চাঁনপুর সীমান্ত থেকে সোর্স জামাল মিয়া ও নজরুল মিয়াগং মোটর সাইকেল দিয়ে ওপেন কয়লা পাচাঁর করাসহ টেকেরঘাট সীমান্তে সোর্স আক্কাল আলী, তার ছেলে রুবেল, শ্যালক মহিবুর মিয়া ও মিলন মিয়াগং চুনাপাথর ও কয়লা পাচাঁর করে বড়ছড়া শুল্কস্টেশনের কাঠের ব্রিজ সংলগ্ন শাহ পরানের খোলা জায়গায় ওপের মজুত করলে নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। এছাড়াও চারাগাঁও সীমান্তে সোর্স রফ মিয়া,আইনাল মিয়া,বাবুল মিয়া ও আনোয়ার হোসেন বাবলুগং বিপুল পরিমান কয়লা পাচাঁর করে বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে অবস্থিত একাধিক ডিপু ও বসতবাড়িতে মজুত করাসহ লাউড়গড় সীমান্ত দিয়ে সোর্স বায়েজিদ ও জসিম মিয়াগং পাথর,কয়লা,গরু ও বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য পাচাঁর করলেও কেউ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। জানা গেছে-গত ৫ বছরে চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করে গডফাদার তোতলা আজাদ প্রায় ১৫কোটি, সোর্স আক্কল আলী ৩কোটি,সোর্স রতন মহলদার ২কোটি,কামরুল মিয়া  ১কোটি,ইয়াবা কালাম মিয়া ২কোটি,জিয়াউর রহমান জিয়া ৩কোটি,সোর্স বাবুল মিয়া দেড় কোটি, সোর্স রফ মিয়া ৫কোটি ও আইনাল মিয়া ৭কোটি টাকার মালিক হয়েছে। তারা এক সময় না খেয়ে থাকলেও বর্তমানে একাধিক বিলাস বহুল গাড়ি ও বাড়ি ক্রয় করাসহ সুনামগঞ্জ ও সিলেটে ক্রয় করেছে ফ্লাট বাসা।

এব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ মেম্মার কফিল উদ্দিন বলেন- চাঁনপুর সীমান্ত দিয়ে ওপেন চোরাচালান হচ্ছে কিন্তু বিজিবি কোন পদক্ষেপ নেয়না। সুনামগঞ্জ জেলার সিনিয়র সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া বলেন- রাষ্ঠ্রীয় স্বার্থে চোরালানের বিষয়ে চাঁনপুর ক্যাম্পের মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার কল করার পর কেউ ফোন রিসিভ না করে আমার মোবাইল নাম্বার ব্লক করে দেয় তারা। এছাড়া টেকেরঘাট ও চারাগাঁও সীমান্ত চোরাচালানের বিষয়ে বিজিবি ক্যাম্পে বারবার জানানোর পরও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়না।  

এব্যাপারে উপজেলার চারাগাঁও বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার শফিকুল মোবাইলে বলেন- সীমান্ত এলাকা অনেক বড় সেই অনুযায়ী আমাদের লোক কম। বালিয়াঘাট ক্যাম্প কমান্ডার রফিক বলেন- আমার সীমান্ত এলাকা দিয়ে কয়লা পাচাঁর হচ্ছে জানতে পেরে অভিযান চালিয়ে ২লড়ি বোঝাই অবৈধ কয়লা জব্দ করে টেকেরঘাট কোম্পানীতে হস্তান্তর করেছি। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



সৈয়দপুর রানার্স এর লোগো ও জার্সি উন্মোচন

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image
সৈয়দপুর,( নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর সৈয়দপুর রানার্স এর লোগো ও জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় সৈয়দপুরের পার্শ্ববর্তী দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বেলাইচন্ডী ইউনিয়নের সোনাপুকুর এলাকায় সৈয়দপুর রানার্স এর নিজস্ব কার্যালয়ে ওই লোগো ও জার্সি উন্মোচন করা হয়।এতে সম্মানিত অতিথি (গেস্ট অন অনার) হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এম আর আলম ঝন্টু, দৈনিক মানবজমিনের সৈয়দপুর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ করিম মিস্টার, দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার সৈয়দপুর উপজেলা প্রতিনিধি

তোফাজ্জল হোসেন লুতু এবং দৈনিক আজকের পত্রিকার সৈয়দপুর উপজেলা প্রতিনিধি রেজা মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর রানার্স এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. কামরুল হাসান সোহেল।অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন সৈয়দপুর রানার্স এর সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, সদস্য মো. মুজাহিদ হোসেন, সাদেকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম খান, মো. জাহাঙ্গীর আরিফ প্রমুখ।

পরে অতিথিরা  জার্সি ও ম্যারাথনের লোগো উন্মোচন করেন। শেষে সৈয়দপুর রানার্স এর  সকল সদস্যদের হাতে জার্সি তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথিরা রানার্স সদস্যদের হাতে জার্সি তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সৈয়দপুর রানার্স এর অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ডা. কামরুল হাসান সোহেল বলেন, স্বাস্থ্য সুস্থ ও সবল রাখতে হাঁটা কিংবা দৌঁড়ের কোন বিকল্প নেই। তাই আমরা নিজেদের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিনিয়ত দৌঁড়াচ্ছি। সেই সঙ্গে অন্যদেরও দৌঁড়ে উদ্ধুদ্ধ তথা আগ্রহী করতে আমাদের এ প্রয়াস।

তিনি আরো বরেন, সৈয়দপুর রানার্স সংগঠনটি চলতি বছরের আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো সৈয়দপুরে এক বিশাল মিনি ম্যারাথন দৌঁড়ের আয়োজন করতে যাচ্ছে। এতে  দেশ ও বিদেশের প্রায় সাড়ে ৫শ’ থেকে ছয় শত দৌঁড়বিদ অংশ নেবেন। তাই এখন থেকেই ওই মিনি ম্যারাথন দৌঁড়ের সার্বিক প্রস্তুতি চলছে। আশা করি অনুষ্ঠিতব্য মিনি ম্যারাথন দৌঁড় আয়োজনটি আমরা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারবো। আর এ জন্য তিনি প্রশাসন,জনপ্রতিনিধি ও মিডিয়াসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

আরও খবর



টেকেরঘাট সীমান্তে ২হাজার টন চুনাপাথর পাচাঁরের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:চোরাচালানের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাট সীমান্তে সরকারের রজস্ব ফাঁকি প্রায় ২হাজার মেঃটন চুনাপাথর পাচাঁরের খবর পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- গতকাল রবিবার (২রা জুন)  রাত সাড়ে ১১টা থেকে প্রতিদিনের মতো টেকেরঘাট সীমান্তের বরুঙ্গাছড়া ও রজনীলাইন এলাকা দিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী আক্কল আলী, কামাল মিয়া, রুবেল মিয়া, মহিবুর মিয়া, সাইদুল মিয়া ও তোতলা আজাদগং ১৫০টি ঠেলাগাড়ি দিয়ে ভারত থেকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবাধে চুনাপাথর পাচাঁর শুরু করে।

আজ সোমবার (৩রা জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত চোরাকারবারীরা প্রায় ২হাজার মেঃটন চুনাপাথর পাচাঁর করে টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন জয়বাংলা বাজারের কাঠের ব্রিজের পাশে অবস্থিত হেকিম, এমরান ও শাহ পরানের জায়গায় মজুত করেছে। কিন্তু পাচাঁরকৃত এসব অবৈধ চুনাপাথর জব্দ করাসহ চোরাকারবারীদেরকে গ্রেফতারের জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। অথচ এই ক্যাম্পে নায়েক সুবেদার সাইদুর দায়িত্ব পালন কালে বন্ধ ছিল চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য।

জানা গেছে- পাচাঁরকৃত প্রতি ঠেলাগাড়ি চুনারপাথর (দেড় টন) থেকে বিজিবি নাম ভাংগিয়ে ১৫০টাকা, সাংবাদিক ও থানার নামে ২শ টাকাসহ মোট ৫শ টাকা ও প্রতিবস্তা চোরাই কয়লা (৫০ কেজি) থেকে বিজিবির নামে ৫০টাকা, সাংবাদিক ও থানার নাম ভাংগিয়ে প্রতি টনে ২হাজার টাকা করে চাঁদা উত্তোলন করে গডফাদার তোতলা আজাদ, তার সোর্স আক্কল আলী, কামাল মিয়া ও চাঁনপুরের জামাল মিয়া। চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করে গত ৫বছরে গডফাদার তোতলা আজাদ ১৫ কোটি ও সোর্স আক্কল আলী ৩ কোটি টাকার মালিক হয়ে। তাদের অবৈধ অর্থ ও অর্জিত সম্পদ উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের সহযোগীতা জরুরী প্রয়োজন। 

এব্যাপারে বড়ছড়া কয়লা ও চুনাপাথর আমদানী কারক সমিতির আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খায়ের বলেন- ভারত থেকে অবৈধ ভাবে কয়লা ও চুনাপাথর পাচাঁর হওয়ার কারণে আমরা বৈধ ব্যবসায়ীরা বিরাট ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছি। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়না। উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী নবী হেসেন বলেন- সোর্স আক্কল আলী ও তার গডফাদার প্রতিদিন অবৈধ ভাবে চুনাপাথর ও কয়লা পাচাঁরের পর লাখলাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন করলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়না। সুনামগঞ্জের সিনিয়র সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া বলেন- রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ চুনাপাথর ও কয়লা পাচাঁরের খবর পাওয়ার সাথে সাথে সীমান্তের টেকেরঘাট (০১৭৬৯-৬১৩১২৮) ও চাঁনপুর (০১৭৬৯-৬১৩১২৯) বিজিবি ক্যাম্পের সরকারী মোবাইল নাম্বারে কল করে বারবার জানানোর পরও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়না।     

এব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা কোম্পানী কমান্ডার দীলিপ বলেন- আমাদের অনেক কাজ আছে, এসব দেখা ও শুনার । ওই ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার জাফর বলেন- সীমান্ত দিয়ে যখন কয়লাসহ বিভিন্ন মালামাল পাচাঁর করা হয় জানাবেন, তখন আমি পদক্ষেপ নেব। তাহিরপুর থানার ওসি নাজিম উদ্দিন বলেন- সীমান্ত চোরাচালান বন্ধের দায়িত্ব বিজিবির। আপনি এব্যাপারে তাদের সাথে কথা বলেন, থানা-পুলিশে কোন সোর্স নাই। আমাদের নামে কেউ চাঁদা উত্তোলন করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



নওগাঁ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি জহুরুল তদন্ত ওসি হলেন লুৎফর রহমান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য নওগাঁ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম। ও নওগাঁ জেলার শ্রেষ্ঠ (তদন্ত) ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন একই থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান। 

জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় এই ঘোষণা প্রদান করা হয়। 

সভাশেষে জেলার পুলিশ লাইনে শ্রেষ্ঠ ওসি ও শ্রেষ্ঠ তদন্ত ওসি‘র হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক। 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান, ফৌজিয়া হাবিব খান, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রমুখ। এমন শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করায় জেলার পুলিশ প্রধানসহ জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন ওসি সেলিম রেজা ও ওসি (তদন্ত) লুৎফর রহমান।  

এ সময় পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক বলেন, যেকোনো পুরস্কারই একজন মানুষকে শ্রেষ্ঠ কর্মদক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পাথেয় হিসেবে কাজ করে। তাই পুলিশি সেবাকে প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে সম্পন্ন করার নিমিত্তে কাজের শ্রেষ্ঠত্ব হিসেবে প্রতি মাসে আমরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জেলা পুলিশে কর্মরত সদস্যদের অনুপ্রেরণা প্রদান হিসেবে এই সম্মাননা প্রদান করে আসছি। আমি আশাবাদী এমন পুরস্কার পুলিশ সদস্যদের মাঝে নিপুণভাবে নিজেদের দায়িত্ব সম্পাদন করার ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। আগামীতেও জেলা পুলিশের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে বলে তিনি জানান।


আরও খবর