Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম
কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন

শ্রমিক সংকটে কৃষকের ভরসা কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১২২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার কৃষকদের মধ্যে আশার আলো হয়ে এসেছে অত্যাধুনিক ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মেশিন কম্বাইন্ড হারভেস্টার।


চলতি বোরো মৌসুমে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হলেও অতিবৃষ্টি আর শ্রমিক সংকটে বিপাকে পড়েন এ অঞ্চলের কৃষকরা।


অতিরিক্ত মূল্য দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। তার ওপর পাকা ধানের জমিতে জমে আছে পানি।


অবশেষে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে এ অঞ্চলের কৃষকরা রাত-দিনে ধান কেটে ঘরে তুলছেন। এতে শ্রমিক সংকট মেটানোর পাশাপাশি ধান উৎপাদন খরচও কমে এসেছে।


জানা গেছে, প্রতিবছর ইরি ও বোরো ধান কাটার মৌসুমে রায়গঞ্জের তাড়াশ অঞ্চলে শ্রমিকের চাহিদা বেড়ে যায়। চাহিদার পাশাপাশি বেড়ে যায় পারিশ্রমিকও।


এতে বোরো ধান উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। এজন্য কৃষকের দুশ্চিন্তা লাঘবে রায়গঞ্জে আনা হয়েছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন।


মেশিনটি অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে ধান কাটা ও মাড়াই করতে পারে। শুধু রোদে শুকিয়ে ধান ঘরে তুলতে হয়।


এ মেশিন দিয়ে খুব সহজেই এখন ধান ঘরে তুলতে পারছেন কৃষকরা। প্রতি ঘণ্টায় দুই থেকে তিন বিঘা জমির ধান কাটা যাচ্ছে। এতে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ লিটার তেল খরচ হচ্ছে।


দুই বিঘা জমির ধান কাটতে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা খরচ হয়। অথচ শ্রমিক দিয়ে ধান কাটালে পাঁচ থেকে সাতজন শ্রমিক সারা দিনে এক বিঘা জমির ধান কাটতে পারেন। তাতে বিঘা প্রতি খরচ হয় তিন থেকে চার হাজার টাকা।


রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ১২টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মেশিনের দাম ৩০-৩২ লাখ টাকা। সরকার প্রতিটি মেশিনের ওপর ১৪ লাখ টাকা ভর্তুকি দিয়েছে।


মেশিনের সাহায্যে ধান কেটে ও মাড়াই করে শুধুমাত্র রোদে শুকিয়ে ঘরে তুলতে হয়। চালক অভিজ্ঞ হলে ঘণ্টায় এক একর জমির ধানও কাটা সম্ভব। কিন্তু রায়গঞ্জে এখনও অভিজ্ঞ চালক না থাকায় ঘণ্টায় দেড় থেকে দুই বিঘা জমির ধান কাটতে পারছেন কৃষকরা। এছাড়া জমিগুলো সমতল হলে আরও বেশি ধান কাটা যেত।


প্রতিবছরই বোরো ধান কাটার সময় শ্রমিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। এ কারণে সময় মতো ধান ঘরে তুলতে না পেরে বৃষ্টি ও অকাল বন্যাতে কৃষকের ধান নষ্ট হয়ে যায়। এখন কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দিয়ে স্বল্প খরচে ধান ঘরে তোলা যাচ্ছে। এছাড়া আরও পাঁচটি রিপার মেশিন আনার চেষ্টা চলছে। তবে ওই মেশিন দিয়ে ধান কাটা যাবে কিন্তু মাড়াই করতে শ্রমিক লাগবে।


আরও খবর



বেনাপোল স্থল বন্দর থেকে চারটি ওয়ান সুটার গান উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল কাস্টম হাউজ থেকে অবৈধভাবে রাখা চারটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করেছে পুলিশ।


রবিবার (৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি তালাবদ্ধ রুমে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস একটি টিম কাস্টম হাউসে আসে। 


বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর পুড়ে যাওয়া মালামালের মধ্যে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখতে পায় পুলিশ।


সংশ্লিষ্টরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউসে অ্যান্টি শাখার পাশে পুরনো একটি অফিস রুম রয়েছে। তবে সেটি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ায় অব্যবহৃত কিছু মালামাল রেখে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। 


রবিবার সন্ধ্যায় ওই রুম থেকে আগুনের ধোঁয়া দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফোন দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


 পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পায় পুড়ে যাওয়া পণ্যের মধ্যে চারটি ওয়ান শুটার গান রয়েছে। তবে কারা সেগুলো সেখানে রেখেছে তা জানা যায়নি।


এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউজ সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরা, অস্ত্রধারী আনসার ও আর্মড পুলিশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।  কারা কী উদ্দেশ্যে এ আগ্নেয়াস্ত্র সেখানে মজুত রেখেছিল তা খতিয়ে দেখা জরুরি।


আরও খবর



জানে আলম চট্টগ্রাম অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক

চট্রগ্রামে চাঁদাবাজী মামলার প্রধান আসামী জানে আলম গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নগরের বাকলিয়া-নতুন ব্রিজ এলাকায় চাঁদাবাজির ঘটনার মূল হোতা মো. জানে আলমকে (৪১) গ্রেফতার করেছে বাকলিয়া থানা পুলিশ।


রোববার (২২ মে) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান বাকলিয়া থানার ওসি রাশেদুল হক।


তিনি জানান, বাকলিয়া-নতুন ব্রিজ এলাকার ত্রাস, চাঁদাবাজদের নেতৃত্বদানকারী এবং ভাসমান ভ্যানগাড়ি ও হকারদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কারী এই জানে আলম। চাঁদা না পেয়ে এক ফল বিক্রেতার ওপর হামলা-ভাংচুর মামলার আসামি সে।


চন্দনাইশের পশ্চিম কেশুয়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোরত আলীর বাড়ির মৃত গুরা মিয়ার ছেলে জানে আলম চট্টগ্রাম অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছে।


পুলিশ জানায়, গত ১৬ মে জানে আলমের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ দলের সদস্যরা নতুন ব্রিজ এলাকায় ভ্যান গাড়িতে ফল বিক্রেতা মো. বাদশার (২০)  কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় জানে আলম তার সহযোগী আরাফাত,  মো. আলী ও জাবেদুল ইসলামকে নিয়ে ১৭ মে রাত ৯টার দিকে নতুন ব্রিজ সংলগ্ন নবাব খাঁ কলোনির সুমনের দোকানের সামনে বাদশার পথরোধ করে।


 এসময় তাকে মারধর করে এবং ভ্যানগাড়ি ভাংচুর করে। পরে থানায় মামলা হলে অভিযান চালিয়ে অন্য আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হলেও মূল হোতা জানে আলম পালিয়েছিল।


রোববার (২২ মে) দুপুরে আসামি জানে আলমকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি রাশেদুল হক।


আরও খবর



সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ৮৮ বারের মতো পিছিয়েছে

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৩৩জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ৮৮ বারের মতো পিছিয়েছে। পরবর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।


মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তদন্ত সংস্থা র‍্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এদিন ধার্য করেন। শেরেবাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক জালাল উদ্দিন  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।


প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।


দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।



আরও খবর



সার্ভেয়ার কে আটক করে সাদা স্টাম্প ও চেক বইয়ে স্বাক্ষর নিয়েছে সন্ত্রাসীরা

শরীয়তপুর ডিসি অফিসে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্প ও চেকের পাতায় স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৯জন দেখেছেন
Image

সোহরাওয়ার্দীঃ

শরীয়তপুর জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়ে এল.এ শাখার পাশের একটি রুমে জোড় করে ধরে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেনের কাছ থেকে  ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের ব্ল্যাঙ্ক পেজে এবং চেকের পাতায় স্বাক্ষর করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত ৯ মে ২০২২ সোমবার শরীয়তপুরের কিছু দালাল চক্র ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে মামলা ও সাধারন ডায়রী করেছেন। দালল চক্রের সদস্য সন্ত্রাসী শাকিল মুন্সী,মোঃ বাহাদুর,মোঃ আতিক,মোঃ খলিল,খোকন বাঙ্গী,তাইজুল,দাদন ঢালী,মোঃ হারুন সহ ১৫/২০ জনের নাম সাধারন ডায়েরীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানাগেছে সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন গত ১২ জুলাই ২০২১ সালে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখায় সার্ভেয়ার হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি জানান,"আমার যোগদানের কিছু দিনের মধ্যেই দেখতে পাই দালাল চক্রটি সহকর্মী বাদলের কাছে বিভিন্ন প্রকল্পে সরকারের অধিগ্রহনকৃত জমির অবকাঠামো বিল/ক্ষতিপুরনেরটাকা উত্তোলনের জন্য তদবীর করতে যাওয়া আসা করছে,সার্ভেয়ার বাদল ঐসব দালালদের সাথে হাত মিলিয়ে কমিশন নেয়ার বিনিময়ে চুক্তি করে নিয়ম বহিঃর্ভুতভাবে বিল দেয়া শুরুকরে।

তার এসব অপকর্মের সাথে আমি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছিলাম না,বাদলের এহেন অপকর্মের কারনে সরকারী টাকা গচ্চা দিয়ে দালালদের মোটা অংকের টাকা পাইয়ে দিতে সাহায্য করে এবং এল.এ শাখার কতিপয় কর্মকর্তা/কর্মচারীরা কমিশন বাবদ কোটি কোটি টাকা নিজেদের পকেটস্থ করে।

আমাকে এই অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত করতে সার্ভেয়ার বাদল,কানুনগো এবং এডিসি মিলে বিলে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে।আমি তাদের অন্যায় প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় তারা আমাকে চাকরীচ্যুত করা সহ নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অনিয়ম ও দুর্নীতিগ্রস্ত ফাইলগুলোতে স্বাক্ষর করতেবাধ্য করে।আমিহলফ করেবলতে পারি চাকুরী জীবনেকোনদিন আমি কাউকে ঘুষ দেইনি এবং নিজেও কোন দিন ঘুষ নেইনি।সব সময় অনিয়ম দুর্নীতি এড়িয়ে চলেছি।

তারা আমাকে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে গত ২৮ এপ্রিল ২০২২ তারিখে গাজীপুর জেলায় বদলী করায়।গত ৮ মে শরীয়তপুর জেলার এ.ডি.সি রাজস্ব আসমাউল হুসনা লিজা মোবাইলে ফোন করে আমাকে একটিবিলের বিষয়ে জরুরী কথা আছে বলে তার সাথে দেখা করতে বলেন।আমি সরল বিশ্বাসে পরদিন ৯ মে সোমবার তার সাথে দেখা করতে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাই।

তার সাথে দেখা করেরুম থেকে বেড় হওয়া মাত্র সন্ত্রাসীরা আমাকে ধরে জোড়পুর্বক এল.এ শাখার একটি রুমে আটক করে মারধোর করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ননজুডিশিয়াল স্ট্যম্পের ব্ল্যাঙ্ক পেইজে এবং চেক বইয়ের পাতায় স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।এসময় সন্ত্রাসীদের সাথে সার্ভেয়ার বাদল উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে আমি সেখান থেকে বেড়িয়ে এসে আইনজীবিদের সাথে শলা-পরামর্শ করে বিষয়টি আইনেরআশ্রয় নিতে সন্ত্রাসী ওপ্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় সাধারন ডায়রী করেছি।পরবর্তীতে এ বিষয়ে আমি আদালতে মামলা করার প্রস্ততি গ্রহন করি।"


ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেনকে ৮ মে তারিখে অবমুক্ত করে জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান পত্রে স্বাক্ষর করলেও বর্ণিত আসমাউল হুসনা লিজা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে উক্ত অবমুক্তির কাগজ গায়েব করে ৯ মে তার নিজস্ব দালালদের দ্বারা সৃষ্ট চেক ও স্ট্যাম্পের বিষয়ে উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসানকে ভুল বুঝিয়ে ১০ মে পত্র লিখে, যে পত্রের বর্ণনার সাথে বাস্তবতা এবং সরকারী চাকুরী বিধি-বিধানের কোন সম্পর্ক নেই। কেবলমাত্র অধিনস্থ একজন কর্মচারীর কে দিয়ে এ.ডি.সি তার অসৎ উদ্দ্যেশ্য চরিতার্থ করতেনা পেরে এমন কাজ করেছেন।ম্যাজিকের মতো ৮ মের অবমুক্তির কাগজ ১০ মে হয়ে যায়।তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টির সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করেছেন ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন।

উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত সার্ভেয়ার বাদলের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলে ও সে ফোন রিসিভ করেনি।


আরও খবর



আজ থেকে শুরু হচ্ছে ইলিশ ধরা

প্রকাশিত:Friday ২৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৬৯জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

টানা দুই মাস পর শনিবার (৩০ এপিল) রাত ১২টার পর থেকে শুরু হচ্ছে ইলিশ ধরা। বর্তমানে জেলেরা নদীতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


ঘাটের পাড়ে জাল এবং নৌকা ঠিক করায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।শনিবার রাত থেকে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়বেন বেকার জেলেরা।এতোদিন যেসব আড়তে ছিল সুনশান নিরবতা সেইসব আড়ত জেলে, মৎস্যজীবী ও আড়তদারদের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে উঠবে। 


মাছ ধরে বিগত দিনের ধার-দেনা শোধ করে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে আশাবাদী জেলেরা।ভোলা সদরের ইলিশা, তুলাতলী, ভোলার খাল, নাছির মাঝিসহ বিভিন্ন ঘাট ঘুরে দেখা গেছে, ইলিশ ধরার জন্য জেলেরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শনিবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরা শুরু, তাই ঘাটে ঘাটে দেখা যাচ্ছে প্রস্তুতি। 


কেউ জাল বুনছেন কেউ নৌকায় রং দিচ্ছেন কেউবা ট্রলার-নৌকা মেরামত করছেন। নতুন উদ্যামে ফের নদীতে নামার প্রস্তুতি উপকূলের জেলেদের।  দুই মাস বেকার সময় পার করার পর ইলিশ ধরার উৎসবে মেতে উঠবেন এমন স্বপ্ন তাদের চোখ-মুখে। মেঘনা-তেঁতুলিয়া আহরিত সেই মাছ বিক্রি করে সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে আশাবাদী তারা।


জেলে রহিম, বশির ও মহিউদ্দিন জানান, এতোদিন মাছ ধরা বন্ধ ছিল, তাই নদীতে যাইনি। এখন মাছ ধরা শুরু হচ্ছে। আমরা নদীতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ভোলার খাল ঘাটে নৌকার ইঞ্জিন মেরামত করছিলেন। তারা জানালেন, মাছ ধরা শুরু হবে তাই ইঞ্জিন ঠিক করছি। কেউ আবার জাল প্রস্তুত করছেন।  মাছ ধরা বন্ধ থাকায় এতোদিন আড়তে ছিল সুনশান নিরবতা, সেইসব আড়তে জেলে, মৎস্যজীবী ও আড়তদারদের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে উঠবে।


আরও খবর