Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব প্রতিবছর দাখিলের নির্দেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে বলেছেন দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রতিবছর সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব দাখিলের ,দুর্নীতি দেশে সুশাসন ও উন্নয়নের অন্তরায়, যেকোনো উপায়ে দুর্নীতি-অর্থপাচার বন্ধ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

দুর্নীতিরোধে সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব আইন অনুযায়ী দাখিল ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে রিটের শুনানিতে আদালত বলেন, সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

হাইকোর্ট বলেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় দেখা যাচ্ছে অনেক সরকারি কর্মকর্তা অঢেল সম্পদের মালিক হচ্ছেন। এটা বাঞ্ছনীয় নয়।

আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী দাস। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক, দুদকের পক্ষে আইনজীবী ফজলুল হক শুনানি করেন।

এর আগে, সোমবার দুর্নীতিরোধে সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসেব আইন অনুযায়ী দাখিল ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস হাইকোর্টের কনসারন শাখায় এই রিট দায়ের করেন।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, দুদকের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ ১০ জনকে বিবাদী করা হয়।

রিটকারী আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব আইনে উল্লেখিত যথাযথ নিয়মে কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিলের পাশাপাশি ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করেছি।


আরও খবর



ভোলায় ছাত্রলীগের বাঁধা উপেক্ষা করে কোটা সংস্কারের দাবীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২১জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:সারাদেশের ন্যায় কোটা বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসাবে আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে ও ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে ভোলায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগের বাঁধা উপক্ষো করে আঞ্চলিক মহাসড়কে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থীদের মারধর করার অভিযোগও পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পরানগঞ্জ ভোলা নাজিউর রহমান কলেজের সামনে ভোলা-ইলিশা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে এ বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, কোটা সংস্কারের দাবীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর ২টায় ভোলা সরকারি কলেজের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন কোটা সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেয়। কিন্তু ভোলায় কোটা সংস্কার আন্দোলন পরিস্থিতি ঠেকাতে ২টার পূর্বেই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ও কলেজে অবস্থান নিলে কোটা সংস্কার আন্দোলন কর্মসূচি পালন করতে পারেনি আহ্বানকারীরা। তবে দুপুর ২ টার পরে কিছু ছাত্র-ছাত্রী ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিলে জেলা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বাঁধা দিলে অবস্থানকারীরা চলে যায়। পরে আন্দোলনকারীরা ভোলা সরকারি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজের সামনে কর্মসূচি পালন করতে গেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাদের ধাওয়া দেয়। পরে তারা পরানগঞ্জ ভোলা নাজিউর রহমান কলেজের সামনে ভোলা-ইলিশা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে এ বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

কোটা সংস্কার আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মোঃ আকবর হোসেন অভিযোগ করে  বলেন, দুপুর ২টায় ভোলা কলেজে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি ছিল, কিন্ত কলেজে ছাত্রলীগের অবস্থানের কারণে আমরা কর্মসূচি পালন করতে পারিনি। তবে সরকারি ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজের সামনে কর্মসূচি পালন করতে গেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আমাদেরকে ধাওয়া করে। এসময় কয়েকজন ছাত্রকে মারধর করার অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসিব মাহমুদ হিমেল জানান, কোনো কর্মসূচিতে হামলা করা বা কাউকে মারধর করা হয়নি। ভোলা কলেজে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা চলছিলো এবং একই সাথে নবীন শিক্ষার্থীদের ভর্তির কারণে কলেজের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা কলেজে অবস্থান করি। তাছাড়া এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যে কোনো যৌক্তিক আন্দোলনে সব সময় পাশে থাকে। কিন্তু আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকরা হলে তা প্রতিহত করা হবে। সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় ছাত্রলীগ সচেষ্ট রয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



দুই হাজার গ্রাহকের তিন কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা এনজিও

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:জামালপুর দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নে,ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এন্টারপ্রাইজ (আইডিই) এনজিওর লোকজন ঘর ও শিশু কার্ড দেয়ার কথা বলে দুই হাজার ভুক্তবোগীকে প্রতারনার ফাঁদে ফেলে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে  নিয়ে লাপাত্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক কষ্টে ঘরের নামে টাকা জমা দেয়া ভুক্তভোগীরা চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের মৌখিক অভিযোগ করেছেন। 

জানা যায়, উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের নিমাইমারী গ্রামে সাজেদুল ইসলামের বাড়িতে দুটি রুম সাত মাস আগে ভাড়া নেয় এবং ঘরের দেয়ালে এনজিওর সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এতে ফিল্ড অফিসার রেজাউল করিম রেজা, একাউন্টস অফিসার সাজু আহমেদ, ম্যানেজার রনি আহমেদ ও অডিট ম্যানেজার হিসেবে কামরুজ্জামান বন্ধন অফিসটি পরিচালনা করতেন। পরে ইউনিয়নের মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন গ্রাম থেকে ১৩ জন কর্মী নিয়োগ দিয়ে সদস্য সংগ্রহ করেন। ঘর ও শিশু কার্ড দেয়ার প্রলোভনে প্রত্যেক সদস্যের কাছে থ্রি কোয়ার্টার ঘরের জন্য ৪৫/৫০ হাজার টাকা ও শিশু কার্ডের নামে ৭৭৫ টাকা করে নেয়া হয়। এতে চর আমখাওয়া ও ডাংধরা ইউনিয়ন এর বিভিন্ন গ্রামের সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন লাপাত্তা ভুয়া এনজিওটি। এতে দিশেহারা ভুক্তভোগীরা। 

ভুক্তভোগী মালা খাতুন  বলেন, আমি ভিক্ষা করে খাই। ঋণ, ধারদেনা করে সেই অফিসের কর্মী পারভীন এর কথা শুনে অনেক কষ্ট করে ৪৫ হাজার টাকা দিয়েছি। আমি অফিসে গিয়ে দেখি ঘরের দরজা তালা বদ্ধ। পরে লোক মুখে শুনি পালাইয়া গেছে। এখন আমি কি করবো, আমার সব শেষ। আমি কি ভাবে ঋণ ধারদেনা পরিশোধ করবো। 

অন্য ভুক্তভোগী আলামিন বলেন, অলিখিত পরিচালনা দায়িত্বে স্থানীয় মেম্বার বখতিয়ার (বক্তো) এর কথা শুনে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি পনেরো হাত ঘরের জন্য। আমায় শুধু খুটি দিছে, পরে শুনি এনজিও পালাইয়া গেছে। তবে এই অফিসের প্রায় সব কাজ অলিখিতভাবে পরিচালনা করতো মেম্বার বখতিয়ার (বক্তো)। 

ওই অফিসে কর্মরত আসমাউল হুসনা নামে এক কর্মী বলেন, বিভিন্ন গ্রাম থেকে আমাদের ১৩ জন কর্মীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সাত হাজার থেকে আট হাজার টাকার মধ্যেই আমাদের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছিল। আমাদের মূল কাজ ছিল, গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষকে ঘর ও শিশু ভাতার কার্ডের  নাম দেওয়ার কথা  বলে টাকা নিয়ে অফিসে জমা দেওয়া। বিশ হাত ঘরের জন্য অফিস নির্ধারিত  ৪৫/৫০ হাজার টাকা ও শিশু ভাতার জন্য ৭৭৫ টাকা করে অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। হুসনা আরো বলেন, অফিসের নির্ধারিত টাকার চেয়েও অনেক কর্মীরা মানুষের কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়েছে।

এ বিষয়ে মেম্বার বখতিয়ারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার দুই মেয়ে ওই অফিসের কর্মী হিসেবে কাজ করতো। ডাংধরা  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ও চর আমখাওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জিয়া, এই অফিসের একটি কাগজে সহি করে দিয়েছে। যেটা আমরা দেখে বিষয়টিকে আরো সত্যি ভেবে মানুষের কাছ থেকে টাকা এনে অফিসে জমা দিয়েছি । তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যানরা যেহেতু বিষয়টি জানে তাই কোন সমস্যা হবে না এটাই ভেবেছি আমরা।

এই বিষয়ে ডাংধরা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমান বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে আমার কাছে কিছু মানুষ অভিযোগ করেন। ঘর দেওয়ার নামে ৪৫/৫০ হাজার টাকা নিচ্ছে। আমি এনজিও পরিচালকদের ডেকেছিলাম। তাদের কাজ সঠিক আছে কিনা জানার জন্য। পরে আমি ও চর আমখাওয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জিয়া মিলে তাদের কাছে জানতে পারি হতদরিদ্রদেরকে ২০ হাত করে ঘর দেবে। দরিদ্রদেরকে দিয়ে উপকারের জন্য তাদের কাগজে সহি করে দেই। পরে শুনতে পাই ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এনজিও পালিয়ে গিয়েছে।

এ ব্যাপারে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান প্রিন্স বলেন, এই এনজিও টাকা নিয়ে লাপাত্তার বিষয়ে আমার কাছে অভিযোগ এসেছে। ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হয়েছে তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত  ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



ডোমারে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে নির্মাণ করছে ছালে-আল জামে মসজিদ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমারে পূর্ব চিকনমাটি নয়া পল্টনপাড়া ছালে-আল জামে মসজিদের দ্বিতল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করেছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার সকাল থেকে শুরু করে বিকাল পর্যন্ত এলাকার জামাত বাসী নিজ উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ কাজের সহায়তা করেন।

জানাযায়, ডোমার সদর ইউনিয়নের সোনারায় সড়কে অবস্থিত পূর্ব চিকনমাটি নয়া পল্টনপাড়া ছালে-আল জামে মসজিদটি ২০১২ সালে টিন সেট দিয়ে নির্মাণ করা হয়। সেখানে পৌরসভা, হরিণচড়া এবং সদর ইউনিয়নের মধ্যস্থল হওয়ায় অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকে। জরার্জিন্ন ওজুখানা এবং টিনদিয়ে ঘেরা মসজিদে মুসুল্লিদের নামাজ আাদায় করতে অনেক কষ্ট করতে হয়। বিশেষ করে শুক্রবার জুম্মার দিনে পর্যপ্ত জায়গা না হওয়ায় গাদগাদি করে বারান্দায় নামাজ আদায় করেন মুসুল্লিরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তির সহযোগিতায় পাশের্^ জমি ক্রয় করে মসজিদের নামে ওয়াক্ফ করে দেয়। চলতি বছরে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে টাকা পয়সা দান করে দ্বিতল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে। এর জন্য জামাত বাসী নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে সামর্থ্য মতে ধিরে ধিরে কাজ করে যাচ্ছে। উক্ত মসজিদের সভাপতি আবু তালেব জানান, পৌরসভা, হরিণচড়া এবং সদর ইউনিয়নের মধ্যস্থল হওয়ায় সরকারী বে-সরকারী অনুদান থেকে তারা বঞ্চিত। আল্লাহর ঘড় মসজিদটি নির্মাণে দেশে বিদেশের স্ব-হৃদয়বান ও দানবীর ব্যক্তিদের কাছে- ০১৭৬৫-৯০৯-৪৬৩ বিকাশ অথবা নগদ নম্বরে সহযোগিতা বা যোগাযোগের অনুরোধ করেন তিনি।


আরও খবর



গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫৩জন দেখেছেন

Image
মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার দুইটি হাসপাতালে রাসের ভাইপারসহ বিভিন্ন ধরনের সাপের কামড়েরর চিকিৎসা ও অ্যান্টিভেনম রাখার দাবি জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি গোদাগাড়ী। বুধবার(১৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ডাক যোগে চিঠিটি পোষ্ট করেন।
 
অ্যাড. মোঃ সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস সভাপতি নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি গোদাগাড়ী স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্ল্যেখ করেন যে,রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গোদাগাড়ী, (প্রেমতুলী) রাজশাহীতে রাসেল ভাইপার সাপে কাটা রোগীদের জীবন বাঁচার জন্য এ্যান্টিভেনাম সরবরাহের আবেদন।
 
উপজেলার পদ্মা নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকাসহ অত্র উপজেলার আশেপাশের বিভিন্ন ধান ক্ষেতে অধিক মাত্রায় রাসেল ভাইপার সাপের দেখা পাওয়া যাচ্ছে। এই সাপ ধান ক্ষেতে কাজ করা অনেক কৃষককে ছোবল দেওয়ার কারণে অনেক কৃষক মারা যাচ্ছে।সাপের মৃত্যু ছোবল থেকে অত্র এলাকার মানুষ জনকে বাঁচাতে অতি জরুরী ভিত্তিতে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলাধীন গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গোদাগাড়ী, (প্রেমতুলী) রাজশাহীতে রাসেল ভাইপার সাপের দংশনের অ্যান্টিভেনম সরবরাহ করা একান্ত আবশ্যক।বিধায় প্রার্থনা এই যে, অত্র এলাকার মানুষ জনকে রাসেল ভাইপার সাপের মৃত্যু ছোবল থেকে বাঁচাতে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গোদাগাড়ী, (প্রেমতুলী)রাসেল ভাইপার সাপের অ্যান্টিভেনম সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান।সেই সাথে অনুলিপি দেয়া হয়েছে রাজশাহী জেলা প্রশাসক,সিভিল সার্জন অফিসকে।

আরও খবর



হিন্দিতে মুক্তি পেলো সুমন ফারুকের ‘সুলতানপুর’!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৭৮জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিবেদক:গতবছরের ২ জুন দেশীয় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল সৈকত নাসির পরিচালিত পলিটিক্যাল থ্রিলার সিনেমা ‘সুলতানপুর’। দুই দেশের সীমান্তবর্তী একটি এলাকার রোমাঞ্চকর গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এর পরতে পরতে আছে উত্তেজনা। সীমান্ত মানেই বহু সংস্কৃতির মেলবন্ধন। বিচিত্র বাণিজ্যের মেঘ ওড়ে এই অঞ্চলের আকাশে-বাতাসে। সীমান্ত এলাকার চোরাচালান, বাটপারি, ক্ষমতার বড়াই, মাদক পাচারসহ এমন আরও অনেক বিষয় সামনে রেখেসিনেমাটি নির্মাণ করেেেছন বাংলা সিনেমার আলোচিত নির্মাতা সৈকত নাসির। এই নির্মাতা রহস্য, রোমাঞ্চ আর এক অচেনা জগতের কৌতূহলী ঘ্রাণ ছড়িয়েছে সিনেমাটির মাধ্যমে।

সিনেমাটিতে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করে দেশীয় দর্শকদের বাহবা কুড়িয়েছেন বাংলা সিনেমার নবাগত অভিনেতা সুমন ফারুক। সিনেমাটিতে সুমন ফারুকের বিপরীতে দেখা গেছে অধরা খানকে। শুধু সুমন ফারুক আর অধরাই নন, সিনেমাটিতে আরও এক ঝাঁক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে দেখা গেছে অভিনয় করতে। এই তালিকায় আছেন আশীষ খন্দকার, সাঞ্জু জন, রাশেদ মামুন অপু, মৌমিতা মৌ, শাহিন মৃধারা।

দেশে মুক্তির এক বছর পর ‘সুলতানপুর’ নিয়ে আরও এক সুখবর দিলেন সৈকত নাসির। নির্মাতা জানিয়েছেন, ‘সুলতানপুর’ দেশে মুক্তির পর থেকেই ভারতের বেশ কয়েকটি বড় প্রযোজনা সংস্থা থেকে হিন্দি ভাষায় মুক্তির লক্ষে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। অবশেষে ভারতের স্বনামধন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘আল্ট্রার’র সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। এরইমধ্যে হিন্দি ভাষায় ‘সুলতানপুর’ ডাবিং করে ‘আল্ট্রার’য়স্ক্রিনিংও করা হয়েছে।’

এই নির্মাতা আরও জানিয়েছেন, ‘শুধু হিন্দি ভাষায়ই নয়, অচিরেই সুমন ফারুকদের ‘সুলতানপুর’ মুক্তি পাবে চায়নিজ ভাষায়ও। ইতোমধ্যেই চায়নার নামকরা একটি কোম্পানির সঙ্গে চূড়ান্ত আলাপও সম্পন্ন হয়েছে।’ সব কিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই সুখবরটি দিতে পারবেন এই নির্মাতা। 

শুধু কি ‘সুলতানপুর’? না, এই নির্মিত আরও বেশ কয়েকটি সিনেমা এরইমধ্যে হিন্দি ভাষায় ডাবিং শেষে স্ক্রিনিং হয়েছে ভারতের নামজাদা কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। সেই তথ্যও গণমাধ্যমে অকপটেই স্বীকার করেছেন সৈকত।জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই তার নির্মিত আদর আজাদ ও শবনম বুবলী অভিনয় ‘তালাশ’ সিনেমাটিও হিন্দি ভাষায় স্ক্রীনিং হয়েছে। নির্মাতার আরও বেশ কয়েকটি সিনেমা রয়েছে স্ক্রিনিংয়ের অপেক্ষায়।

এদিকে ক্যারিয়ারে মাত্র চারটি সিনেমায় অভিনয় করে বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ঢালিউডের সম্ভবনাময় অভিনেতা সুমন ফারুক। ক্যারিয়ারের শুরুতেই নিজের সিনেমা হিন্দি ভাষায় মুক্তি উপলক্ষে এই অভিনেতা জানিয়েছেন, ‘দেশীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির পাশাপাশি এটি তাঁর জন্যও বেশ আনন্দের খবর। এই অভিনেতার বিশ্বাস দেশীয় দর্শকদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের দর্শকরাও বেশ ভালো ভাবেই গ্রহণ করবেন‘সুলতানপুর’। সুমন ফারুক মনে করেন অসাধারণ একটি গল্পের সিনেমা এটি। কোনো দর্শক যদি সিনেমাটি দেখতে বসেন তাহলে তাকে শেষ অবদি ধরে রাখবে রোমাঞ্চে ভরপুর এই গল্পটি।’

সুমন ফারুক জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে যে চারটি সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন এর মধ্যে ইতোমধ্যেই তিনটি সিনেমা দর্শক উপভোগ করেছেন। তিনটি সিনেমাতেই অভিনেতাকে প্রসংশায় ভাসিয়েছেন দর্শকরা। তাঁর আরও একটি সিনেমা রয়েছে মুক্তির মিছিলে। ‘ফেরশতে’ নামের এই সিনেমাটিও মুক্তির আগেই দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বেশ কয়েটি চলচ্চিত্র উৎসবে দর্শক মাতিয়েছেন। বাহবা কুড়িয়েছেন বাঘা বাঘা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। ইরান-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত‘ফেরেশতে’তে সুমন ফারুকের বিপরীতে অভিনয় করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অবিনেত্রী জয়া আহসান।

হিন্দিতে ‘সুলতানপুর’ উপভোগ করা যাবে চিনের লিঙ্কে: https://www.youtube.com/watch?v=7_cJGpxX56w



আরও খবর