Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

সরিষায় সতেজ স্বপ্ন কৃষকের

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২১৩জন দেখেছেন
Image


মোঃআবুর হোসেন আকাশ

ধনবাড়ী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : পৌষের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে সারা মাঠজুড়ে হলুদ সরিষার ফুল। প্রকৃতির সাথে হলুদে মাঠ সেঁজেসে রঙিন সমারহে। ফুল থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছিরা।


এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায়। দুই ফসলি জমিতে সরিষাকে যোগ করে করা হচ্ছে তিন ফসলি জমি। লাভবান হওয়ার আশায় কৃষকরা দেখেছেন সতেজ স্বপ্ন। দিনদিন ভোজ্যতেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশি ফলনের আশায় উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা আবাদ করছেন কৃষকরা।


উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় ৪৩০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল বারি জাতের ১৪, ১৫, ১৭ এর পাশাপাশি স্থানীয় জাতের সরিষা আবাদ করেছেন কৃষকরা। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। কৃষকদের সরকারিভাবে নানা ধরনের সাহায্য, পরামর্শ এবং প্রদর্শনী প্লট দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। যাতে করে কৃষকরা সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠে।


গতকাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ সরিষা। মাঠে হলুদ রঙের সরিষা খেতে হলুদের হাতছানি। ফুলে ফুলে ভরে গেছে খেতগুলো। ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করছে মৌমাছিরা। কথা হয় উপজেলা মুশুদ্দি ইউনিয়নের কৃষক মিজানুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, এবার আমি স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে এক একর জমিতে বারি ১৪ জাতের সরিষা আবাদ করেছি। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে ভালো ফলন পাবো। অপর কৃষক মো. নিয়ামত আলী বলেন, আমন ধান ঘরে তুলেই ৬০ শতাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা অবাদ করেছি।


ফালনও ভালো। আশা করছি লাভবান হতে পারবো। কয়ড়া এলাকার কৃষক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরিষা আবাদে খরচ কম। ফলে অল্প খরচই ও কম পরিশ্রমেই সরিষা আবাদ করা যায়। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন বলেন, সরিষা অল্প সময়ের ফসল। চলতি মৌসুমে কৃষকরা আমন ধান তুলেই সরিষা আবাদ করেছেন। সরিষা উঠিয়ে কৃষকরা যথা সময়ে বোরো ধান চাষ করতে পারে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষকরা কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় সরিষা আবাদে ঝুঁকছে।


সরিষা আবাদ করলে ওই খেতে বোরো ধান চাষে সারের পরিমাণ কম লাগে। আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে গিয়ে কৃষদের পরামর্শ দিচ্ছে। কৃষকদের প্রণোদনার মাধ্যমে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

 


আরও খবর



বাকেরগঞ্জে শাশুড়িকে খুন

বরিশালের বাকেরগঞ্জে সন্তানের দুধ কিনতে টাকা না দেওয়ায় শাশুড়িকে খুন

প্রকাশিত:Friday ১৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২১৫জন দেখেছেন
Image

বরিশাল প্রতিনিধিঃ


সন্তানের দুধ কেনার জন্য গচ্ছিত দুই হাজার টাকা রাখা ছিল আলমারিতে। চাবি না দেওয়ায় পুত্রবধূ শাশুড়ির সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির শুরু করেন। এ সময় শাশুড়ি নাজনীন বেগম পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি বের করেন। পরে পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে ফেলে রেখে যান।


বৃহস্পতিবার (১২ মে) বরিশালের বাকেরগঞ্জ আমলি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে এসব কথা বলেন অভিযুক্ত পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাকেরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সত্যরঞ্জন খাসকেল। তিনি জানান, অভিযুক্তর দুগ্ধপোষ্য ছয় মাস বয়সী এক ছেলে রয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকেও মায়ের সঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছে।


হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে করেছেন বলে ধারণা করে পরিদর্শক বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আর কারও সম্পৃক্ততা না পাওয়া গেলেও স্বামীর অব্যাহত অবহেলা ও শাশুড়ির অত্যাচারে এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছেন লাবণ্য।


 অভিযানিক দল যখন লাবণ্যকে গ্রেফতারে যায়, তখন তিনি জায়নামাজে বসা ছিলেন। তিনি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন। আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।


আদালতের বরাত দিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নিহত শাশুড়ি নাজনীন বেগমের স্বামী হানিফ হাওলাদার গত বছরের শেষ দিকে মারা যান। তার আগে থেকেই লাবণ্যর বাবা খলিল হাওলাদারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল তার শাশুড়ির। 



আবার লাবণ্যর স্বামী উজ্জল হাওলাদার ঢাকায় একটি চশমার দোকানে কারিগর হিসেবে কাজ করেন। তিনিও সেখানে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দুটি বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে উজ্জল বাড়িতে আসেন। তখন এসব বিষয় নিয়ে কথা উঠলে ৮ মে লাবণ্যকে বাড়ি থেকে বের করে দেন স্বামী ও শাশুড়ি। ১০ মে আবার ঢাকায় চলে যান উজ্জল।


এরপর প্রতিদিন উজ্জলকে ফোন করতেন লাবণ্য। শাশুড়ির কাছেও জানাতেন তার ছয় মাস বয়সী সন্তান মুজাহিদুল ইসলামের দুধ কেনার টাকা নেই। কিন্তু স্বামী ও শাশুড়ি এতে কোনো গুরুত্ব দেননি।



 বুধবার (১১ মে) সন্ধ্যায় শাশুড়ির কাছে আসেন লাবণ্য। আলমারির চাবি চান। শাশুড়িকে জানান, আলমারিতে দুই হাজার টাকা আছে তা নিয়ে ছেলের জন্য দুধ কিনবেন। কিন্তু শাশুড়ি চাবি দিতে রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে শাশুড়ি পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি নেন। সেই ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে চলে যান লাবণ্য।


শাশুড়ির গলায় দুটি ও বুকে তিনটি ছুরির কোপ ছিল। ছুরির আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় বলে মনে করেন এই পুলিশ পরিদর্শক।


তবে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনা অনুসন্ধানে মনে হয়েছে হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত। কারণ, অভিযুক্ত নারী যখন শাশুড়ির কাছে আসেন, তখন তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আসেননি। এমনকি সঙ্গে মোবাইলও আনেননি। সঙ্গে ছুরি নিয়ে এসেছিলেন। বোরকা পরে এসে শাশুড়িকে কুপিয়ে বাসায় গিয়ে সন্তানকে দুধ খাইয়ে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়তে বসেন। লাবণ্য ভারতীয় সিরিয়াল সিআইডি দেখে হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং সে অনুসারে হত্যাকাণ্ড ঘটান।


প্রসঙ্গত, বুধবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামে রক্তাক্ত নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে উজ্জল বাদী হয়ে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন|


আরও খবর



দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি

কৌতুক অভিনেতা টাঙ্গাইলের আহসান আলী ভাদাইমা আর নেই

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের কৌতুক অভিনেতা ‘ভাদাইমাখ্যাত’ আহসান আলী (৫০) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। রোববার (২২ মে) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 


আহসান আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন। 


মারা যাওয়ার সময় আহসান আলী দুই স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের দাইন্যা রামপাল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। 


কৌতুক এ অভিনেতার শ্যালক জজ আলী জানান, ‘দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন আহসান আলী। এছাড়া তার লিভারেও পানি জমা ছিল। রোববার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে থেকে পরে আহসান আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা যান আহসান আলী।


ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, লাশ হাসপাতালে আছে। বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে।


মরহুমের পারিবার সূত্র জানা গেছে, আহসান আলী এক সময়ে কৃষি কাজ করে সংসার চালাতেন। প্রায় দুই বছর আগে তিনি কৌতুক অভিনয় শুরু করেন। ২০ বছর আগে ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ‘ভাদাইমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।’



আরও খবর



সার্ভেয়ার কে আটক করে সাদা স্টাম্প ও চেক বইয়ে স্বাক্ষর নিয়েছে সন্ত্রাসীরা

শরীয়তপুর ডিসি অফিসে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্প ও চেকের পাতায় স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৯জন দেখেছেন
Image

সোহরাওয়ার্দীঃ

শরীয়তপুর জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়ে এল.এ শাখার পাশের একটি রুমে জোড় করে ধরে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেনের কাছ থেকে  ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের ব্ল্যাঙ্ক পেজে এবং চেকের পাতায় স্বাক্ষর করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত ৯ মে ২০২২ সোমবার শরীয়তপুরের কিছু দালাল চক্র ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে মামলা ও সাধারন ডায়রী করেছেন। দালল চক্রের সদস্য সন্ত্রাসী শাকিল মুন্সী,মোঃ বাহাদুর,মোঃ আতিক,মোঃ খলিল,খোকন বাঙ্গী,তাইজুল,দাদন ঢালী,মোঃ হারুন সহ ১৫/২০ জনের নাম সাধারন ডায়েরীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানাগেছে সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন গত ১২ জুলাই ২০২১ সালে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখায় সার্ভেয়ার হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি জানান,"আমার যোগদানের কিছু দিনের মধ্যেই দেখতে পাই দালাল চক্রটি সহকর্মী বাদলের কাছে বিভিন্ন প্রকল্পে সরকারের অধিগ্রহনকৃত জমির অবকাঠামো বিল/ক্ষতিপুরনেরটাকা উত্তোলনের জন্য তদবীর করতে যাওয়া আসা করছে,সার্ভেয়ার বাদল ঐসব দালালদের সাথে হাত মিলিয়ে কমিশন নেয়ার বিনিময়ে চুক্তি করে নিয়ম বহিঃর্ভুতভাবে বিল দেয়া শুরুকরে।

তার এসব অপকর্মের সাথে আমি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছিলাম না,বাদলের এহেন অপকর্মের কারনে সরকারী টাকা গচ্চা দিয়ে দালালদের মোটা অংকের টাকা পাইয়ে দিতে সাহায্য করে এবং এল.এ শাখার কতিপয় কর্মকর্তা/কর্মচারীরা কমিশন বাবদ কোটি কোটি টাকা নিজেদের পকেটস্থ করে।

আমাকে এই অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত করতে সার্ভেয়ার বাদল,কানুনগো এবং এডিসি মিলে বিলে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে।আমি তাদের অন্যায় প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় তারা আমাকে চাকরীচ্যুত করা সহ নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অনিয়ম ও দুর্নীতিগ্রস্ত ফাইলগুলোতে স্বাক্ষর করতেবাধ্য করে।আমিহলফ করেবলতে পারি চাকুরী জীবনেকোনদিন আমি কাউকে ঘুষ দেইনি এবং নিজেও কোন দিন ঘুষ নেইনি।সব সময় অনিয়ম দুর্নীতি এড়িয়ে চলেছি।

তারা আমাকে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে গত ২৮ এপ্রিল ২০২২ তারিখে গাজীপুর জেলায় বদলী করায়।গত ৮ মে শরীয়তপুর জেলার এ.ডি.সি রাজস্ব আসমাউল হুসনা লিজা মোবাইলে ফোন করে আমাকে একটিবিলের বিষয়ে জরুরী কথা আছে বলে তার সাথে দেখা করতে বলেন।আমি সরল বিশ্বাসে পরদিন ৯ মে সোমবার তার সাথে দেখা করতে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাই।

তার সাথে দেখা করেরুম থেকে বেড় হওয়া মাত্র সন্ত্রাসীরা আমাকে ধরে জোড়পুর্বক এল.এ শাখার একটি রুমে আটক করে মারধোর করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ননজুডিশিয়াল স্ট্যম্পের ব্ল্যাঙ্ক পেইজে এবং চেক বইয়ের পাতায় স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।এসময় সন্ত্রাসীদের সাথে সার্ভেয়ার বাদল উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে আমি সেখান থেকে বেড়িয়ে এসে আইনজীবিদের সাথে শলা-পরামর্শ করে বিষয়টি আইনেরআশ্রয় নিতে সন্ত্রাসী ওপ্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় সাধারন ডায়রী করেছি।পরবর্তীতে এ বিষয়ে আমি আদালতে মামলা করার প্রস্ততি গ্রহন করি।"


ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেনকে ৮ মে তারিখে অবমুক্ত করে জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান পত্রে স্বাক্ষর করলেও বর্ণিত আসমাউল হুসনা লিজা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে উক্ত অবমুক্তির কাগজ গায়েব করে ৯ মে তার নিজস্ব দালালদের দ্বারা সৃষ্ট চেক ও স্ট্যাম্পের বিষয়ে উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসানকে ভুল বুঝিয়ে ১০ মে পত্র লিখে, যে পত্রের বর্ণনার সাথে বাস্তবতা এবং সরকারী চাকুরী বিধি-বিধানের কোন সম্পর্ক নেই। কেবলমাত্র অধিনস্থ একজন কর্মচারীর কে দিয়ে এ.ডি.সি তার অসৎ উদ্দ্যেশ্য চরিতার্থ করতেনা পেরে এমন কাজ করেছেন।ম্যাজিকের মতো ৮ মের অবমুক্তির কাগজ ১০ মে হয়ে যায়।তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টির সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করেছেন ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন।

উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত সার্ভেয়ার বাদলের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলে ও সে ফোন রিসিভ করেনি।


আরও খবর



যে কোনো শর্তে জামিন চান

বিচারিক আদালতে হাজী সেলিমের আত্মসমর্পণের আবেদন

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়েরকৃত মামলায় বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের আবেদন করে যে কোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেছেন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিম।রোববার (২২ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে এ আবেদন করেন হাজী সেলিমের আইনজীবী।


রোববার দুপুর ২টার দিকে আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত হবেন হাজী সেলিম। এরপর এ আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া কারাগারে উন্নত চিকিৎসা ও প্রথম শ্রেণির ডিভিশন চেয়ে আরও দুইটি আবেদন করা হয়েছে।


আবেদনে হাজী সেলিমের আইনজীবী শ্রী প্রাণ নাথ উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে ওপেন হার্ট সার্জারির সময় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন যাবত বাক-শক্তিহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজী সেলিম। তিনি দেশ ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলে থাকলে চিকিৎসার অভাবে ও বাক-শক্তিহীনের কারণে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ কারণে যে কোনো শর্তে তার জামিন আবেদন করছি। জামিন পেলে তিনি পলাতক হবেন না। তাই আপিল শর্তে আত্মসমর্পণ পূর্বক তার জামিন আবেদন করছি।


গত ২৫ এপ্রিল দুপুর ৩টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে হাইকোর্ট থেকে মামলার নথি এসে পৌঁছায়। এদিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে রায়ের নথি পাঠানো হয়।


দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান বলেন, আইন অনুযায়ী আজ থেকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আর হাইকোর্টের রায়ের ফলে তার সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা নেই।


এর আগে হাজী সেলিমকে বিচারিক (নিম্ন) আদালতে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট।


২০২১ সালের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশ পায় রায়।


এছাড়া জরিমানার টাকা অনাদায়ে হাজী সেলিমকে আদালত আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আত্মসমর্পণ না করলে জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। এছাড়া জব্দ করা হাজী সেলিমের সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে বলা হয়।


জরুরি অবস্থার সময় ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এরপর ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল হাজী সেলিমকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।



আরও খবর



সড়ক দুর্ঘটনায় পাঠাও চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রাজধানী ঢাকার কারওয়ানবাজার এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় হাফিজুর রহমান (২৬) নামে এক পাঠাও চালকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১১ মে) রাতে ওই এলাকার সোনারগাঁও ক্রসিংয়ের সামনে ঘটনাটি ঘটে।


বৃহস্পতিবার (১২ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করে পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে। কোন গাড়ির সঙ্গে পাঠাও চালকের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


নিহতের গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের মোল্লার হাট উপজেলায়।


তেজগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সালেকীন মিত্তাল তৌফিক জানান, বুধবার রাতের দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।



পাঠাও চালক হফিজুর কারওয়ানবাজারের সোনারগাঁও মোড়ের ব্র্যাক-এশিয়ার সামনে দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় কোনো একটি বাহন সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে চাপা পড়েন হাফিজুর


তার সঙ্গে থাকা আরোহীও গুরুতর আহত হন। তার পা ভেঙে গেছে। ঘাতক বাহনটিকে চিহ্নিত করা যায়নি।


আরও খবর