Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২২ এর প্রতিযোগিতায়

শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৯৮জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২২ এর প্রতিযোগিতায় বৃহত্তর ডেমরা শিক্ষা থানা (ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, মুগদা)-র শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে - সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ। 

শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ডঃ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা। শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক (কলেজ); শ্রেষ্ঠ স্কাউট গ্রুপ, শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষকও নির্বাচিত হয়েছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে।


এছাড়া আরো ১৯টি ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে শিক্ষার্থীরা। জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা-২০২২ এর ঢাকা জেলা পর্যায় প্রতিযোগিতায় সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩ জন শিক্ষার্থী ১ম স্থান অর্জন করে।


সোমবার ২৩ মে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ডঃ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লার নিজ কার্যালয়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয়।

ডঃ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যশ্যে বলেন,"বিভাগীয় পর্যায়ে তোমাদের সাফল্য কামনা করছি"।


গত (১১ মে) বুধবার  থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ প্রতিযোগিতা। এদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শুরু হয়। আর ৬ জুন জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে এ প্রতিযোগিতা শেষ হবে। ইতোমধ্যে এ প্রতিযোগিতার সূচি ও নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



‘মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বাজেটে কর্মপরিকল্পনা নেই’

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার ঘাটতি আছে বলে মত দিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা।

২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটকে ব্যবসাবান্ধব উল্লেখ করে তারা বলেছেন, প্রযুক্তি পণ্যে কর বৃদ্ধিতে ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্তরায়। এছাড়া সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে তারা মত দিয়েছেন।

রোববার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত জাতীয় বাজেট ২০২২-২৩ পরবর্তী এক আলোচনা সভায় তারা এ মত দেন।

আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) এর নির্বাহী পরিচালক
ড. আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক ও মূল্যস্ফীতির চাপে বাংলাদেশের অর্থনীতি কঠিন সময় পার করছে। ডলারের রেট বাজারের উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। এবার যে কর কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে তা ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব। তবে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে আরও বরাদ্দ বাড়ানোর সুযোগ আছে।

তিনি বলেন, বাজেটে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ আছে। একটা হচ্ছে রাজস্ব কম আহরণ, যেটা প্রতিবছরই হয়, সামনের দিনেও হবে। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিল্পনা আমরা দেখি নাই। মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা নেই। রাজস্ব বোর্ডের কোনো সংষ্কারের কথাও বলা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বাজেটের ঘাটতি দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু বর্তমানে এখানে দুটি জিনিস করা হয়েছে। বৈদেশিক উৎস থেকে আনবে সেটা ভালো কথা। কিন্তু এই টাকার পরিমাণ ১১ বিলিয়ন ডলার। দু বছর আগে তা ছিল ছয় বিলিয়ন ডলার। ঘাটতির এই বিষয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। আর অভ্যন্তরীণ সোর্স থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করার কথা বলা হয়েছে সে জায়গায় ব্যাংকিং খাত প্রস্তুত কি না? ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে যে তারল্য সংকট। তাহলে কী করে সরকার ব্যাংক থেকে নেবে?

মূল্যস্ফীতির যে লক্ষ্য সরকার ঠিক করেছে তা ঠিক আছে উল্লেখ করে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, কিন্তু তা বাস্তবায়নের জন্য সঠিক পন্থা অবলম্বন করা হয়নি। বাজেট বক্তৃতায় এমন কিছু বলা হয়নি। মুদ্রানীতি নিয়েও বলা হয়নি।

সভায় অংশ নিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সব সমাজেই বৈষম্য আছে। তবে সরকার সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ দিয়ে বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করছে। দেশ উপরের দিকে উঠছে। এটা স্বীকার করতে হবে। এটা নিয়ে কারও কোনো সন্দেহ নাই।

এছাড়া আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এরশাদ আহমেদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বক্তব্য দেন।


আরও খবর



শেয়ারবাজারে আজও বড় দরপতন

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

নতুন অর্থবছরের (২০২২-২৩) প্রস্তাবিত বাজেটের পর শেয়ারবাজারে টানা দরপতন দেখা দিয়েছে। আগের কার্যদিবসের মতো সোমবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি কমেছে সবকটি মূল্যসূচক। এর মাধ্যমে প্রস্তাবিত বাজেটের পর লেনদেন হওয়া দুই কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে দরপতন হলো।

প্রস্তাবিত বাজাটের পর শেয়ারবাজারে দরপতন দেখা দিলেও বাজেটকে শেয়ারবাজারের জন্য ইতিবাচক বলছেন শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে শেয়ারবাজারে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়াসহ আরও কয়েকটি দাবি পুনর্বিবেচনার দাবি তুলেছেন তরা।

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুন অর্থবছরের বাজেটে করপোরেট করে বড় ছাড় দেওয়া হলেও পুঁজিবাজারে বিনাপ্রশ্নে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এরপর শনিবার (১১ জুন) সংবাদ সম্মেলন করে বিনাপ্রশ্নে পুঁজিবাজারে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।

এ বিষয়ে সিএসইর চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের জন্য ১০ শতাংশ কর পরিশোধ করে পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুবিধা রহিত করা হয়েছে। এই সুবিধা আগামী বছর পর্যন্ত বহাল রাখার জন্য আমরা বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। এতে বাজার যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে, পাশাপাশি অর্থপাচারও কমবে।

প্রস্তাবিত বাজাটের পর প্রথম কার্যদিবস রোববার (১২ জুন) শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়। এ পরিস্থিতিতে সোমবার (১৩ জুন) দুপুরে বাজেট নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ডিএসই। ডিএসই কার্যালয়ে যখন সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়, ততক্ষণে সূচকের বড় পতন প্রবণতা দেখা যায়।

একদিনে করপোরেট কর হারে ছাড় দেওয়া, অন্যদিকে বিনাপ্রশ্নে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ বন্ধ করা এবং প্রস্তাবিত বাজাটের পর শেয়ারবাজারে দরপতন হওয়া নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তারেক আমিন ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন কারণে শেয়ারবাজারে দরপতন হতে পারে। প্রস্তাবিত বাজাটের পর শেয়ারবাজারে যে দরপতন হচ্ছে, তা বাজাটের জন্য এটা এখনই বালা যাবে না। যদি দুই-তিন মাস বাজার পতনের মধ্যে থাকে তখন আমরা বলতে পারবে এটা বাজেটের জন্য হচ্ছে।

করপোরেট করহার কমানোকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে ডিএসই’র চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের অধিক শেয়ার আইপিও’র মাধ্যমে হস্তান্তরিত হলে সেই তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য করহার ২২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে দেশের বৃহৎ এবং স্বনামধন্য কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী হবে। এসময় তিনি তালিকাভুক্ত এবং অতালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে করহারের ব্যবধান কমপক্ষে ১০ শতাংশ করার দাবি জানান।

ডিএসই’র প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, করপোরেট করহার কমানোর কারণে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মুনাফা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীরা ভালো লভ্যাংশ পাবেন। পাশাপাশি কোম্পানির ইপি রেশিও কমে আসতে পারে। এটা অবশ্যই শেয়ারবাজারের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সোমবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হতেই বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমতে দেখা যায়। লেনদেনের সময় গাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এ প্রবণতা। ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ৮৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৫৩টির এবং ৪২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩৯ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৩৯১ পয়েন্টে নেমে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৩১৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় ৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

সবকটি মূল্যসূচক কমলেও বাজারটিতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৯৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৬৩৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১৬১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের শেয়ার। কোম্পানিটির ৭৬ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাহিনপুকুর সিরামিকের ২৮ কোটি ১০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ২৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এসিআই ফরমুলেশন।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং, বেক্সিমকো, বিডিকম অনলাইন, স্যালভো কেমিক্যাল, কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ এবং নাহি অ্যালুমেনিয়াম।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১০১ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪৩ কোটি ৪২ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ২৯১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৯টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৯০টির এবং ৩২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।


আরও খবর



কুষ্টিয়া চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১০ জনের চাকরি

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image

কুষ্টিয়া জেলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে ০৬টি পদে ১০ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়, কুষ্টিয়া

পদের বিবরণ
jagonews24

চাকরির ধরন: স্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: কুষ্টিয়া

বয়স: ৩১ মে ২০২২২ তারিখে ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর।

যাকে সম্বোধন করে আবেদন করতে হবে: দায়রা জজ, কুষ্টিয়াকে সম্বোধন করে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের ঠিকানা: চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, কুষ্টিয়া ও চেয়ারম্যান, নিয়োগ সংক্রান্ত বাছাই কমিটি, কুষ্টিয়া।

আবেদনের শেষ সময়: ২৬ জুন ২০১৬

সূত্র: কালেরকণ্ঠ, ০৯ জুন ২০২২


আরও খবর



অপচয় করার অধিকার কারও নেই

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। স্কুলশিক্ষক বাবার নির্ধারিত বেতনের টাকায় ছয় ভাইবোনের পরিবার চলতে টানাটানি লেগেই থাকতো। ঠিক দারিদ্র্য কী, সেটা না দেখলেও; সচ্ছলতাও দেখিনি। টাকা-পয়সার টানাটানি থাকলেও সুখের কমতি ছিল না। অল্পতেই আমরা খুশি হতাম। কোনো একটা কিছু নিয়ে ভাইবোনদের মধ্য খুনসুটি, মারামারি, চুলাচুলি; চিৎকার শুনে আম্মা চলে এলে ঢালাও সবার মার খাওয়া- আহা আনন্দ ছিল উপচেপড়া।

মফস্বল ছেড়ে তিন দশক ঢাকায় সাংবাদিকতা করেও নিজের শ্রেণি বদলাতে পারিনি। হয়তো মধ্যবিত্তের ওপরের দিকে উঠেছি। পুরোপুরি সচ্ছলতা না পারলেও চেষ্টা করি একমাত্র সন্তানের যৌক্তিক চাওয়া যেন পূরণ করতে পারি। আমি কখনো অপচয় করি না, অপব্যয় করি না। তবে পছন্দের ব্যাপারে আমার একটু গোয়ার্তুমি আছে।

আমাদের ২৭ বছরের সংসারে ১৩ বছর কোনো সোফা ছিল না। যাই কিনেছি, প্রয়োজনে অপেক্ষা করেছি, কিন্তু পছন্দসই জিনিসই কিনেছি। মুক্তি ও প্রসূনকে সবসময় বলি কিছু কিনতে গেলে জিনিস দেখবে, কোয়ালিটি দেখবে, প্রাইস ট্যাগ নয়। জিনিস পছন্দ হলে দাম দেখবে, সামর্থ্য থাকলে এখন কিনবো, নইলে পরে কিনবো। আমার স্ত্রী মুক্তি হাসে আর বলে, ভাবচক্কর জমিদারের, মানিব্যাগ কেরানির।

মুক্তির নজর অবশ্য উঁচুতে। সে প্রাইস ট্যাগ না দেখে এমন জিনিস পছন্দ করে, যেটা কেনার সাধ্য আমাদের থাকে না, কখনো হবেও না। তাতে আমাদের মন খারাপ হয় না। আমরা ভালো ভালো জিনিস পছন্দ করি আর অপেক্ষা করি। আগে বাসায়, রেস্টুরেন্টে বা কোনো আমন্ত্রণে খেতে বসলে প্রসূনকে বলতাম, যতটুকু ভালো লাগে, ততটুকুই খা। জোর করে বা অরুচি করে খেতে হবে না। তবে করোনা এসে জীবন সম্পর্কে আমার ভাবনা বদলে দিয়েছে একেবারে। পছন্দ হোক আর নাই হোক, দাম যাই হোক; জিনিসটা আমাদের লাগবে কি না; সেটাই প্রথম বিবেচ্য।

আগে অনলাইনে হুটহাট জিনিস কিনে ফেলতাম, সে বদভ্যাসও ছেড়েছি। জোর করে বা অরুচি করে খাওয়ার পক্ষে আমি এখনও নই। তবে এখন প্রসূনকে বলি, যতটুকু খেতে পারবি, ততটুকুই নিবি। নষ্ট যেন না হয়। সবাই বলে, আমাকে নিয়ে বুফে রেস্টুরেন্টে যাওয়া নাকি লস। আমি ঠিক যতটুকু খেতে পারি, তকটুকুই নেই। সামর্থ্য যাই থাক, অপচয় করা বা অপব্যয় করার অধিকার আমাদের কারও নেই।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে গত ২০ জুন রাত ৮টার পর থেকে দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ রাখা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, তবে এ নিয়ে অনেকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখেছি। আগে আমার নিজের অবস্থানটা ব্যাখ্যা করে নেই- কিছু পরামর্শসহ আমি এই সিদ্ধান্তের পক্ষে।

একটি মহল আছে, সরকারের কোনো কিছুই যাদের ভালো লাগে না, তারা বলছেন, দেশ নাকি সিঙ্গাপুর হয়ে গেছে। মাথাপিছু আয় বাড়ছে। বিদ্যুতের তো নাকি কোনো অভাব নেই, তাহলে মার্কেট বন্ধ কেন? এই অবুঝ লোকদের কোনোদিনই বোঝানো যাবে না। দেশে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। চাইলে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা আছে। কিন্তু উৎপাদন করা হয় গড়ে ৯ হাজার মেগাওয়াট।

সামর্থ্য বা সক্ষমতা আছে বলেই ২৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, সারারাত শপিংমল ঝলমল করে খোলা রাখার সুযোগ নেই। ব্যক্তি হোক আর রাষ্ট্র, অপচয় করার অধিকার কারও নেই। বিদ্যুতের দাম একটু বাড়লেই আমরা প্রতিবাদ করা, হইচই করি। কিন্তু লোডশেডিংয়ের কবল থেকে উদ্ধার করে বাংলাদেশকে আলোকিত করতে সরকারকে কতটা চাপ সামলাতে হয়, কারও কোনো ধারণা আছে। গ্যাস ব্যবহার করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ পড়ে ৩ থেকে ৪ টাকা। ডিজেলচালিত বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ইউনিটপ্রতি ৩০ টাকারও বেশি।

ফার্নেস অয়েলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ ১৫-২০ টাকা। অথচ আমরা বিদ্যুৎ কিনি ৬-৭ টাকায়। রাত ৮টার মধ্যে শপিংমল বন্ধ করা গেলে প্রতিদিন দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। সারাদেশের প্রতিটি মানুষের ঘরে প্রয়োজনের সময় বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দিতে আমাদের সবাইকে অপ্রয়োজনে বিদ্যুতের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। প্রশ্নটা সামর্থ্য বা সক্ষমতার নয়, প্রশ্নটা প্রয়োজনের।

বিশ্ব অর্থনীতি যখন করোনার অভিঘাত সামলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, তখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন এবং আরও জটিল সংকট তৈরি করছে। হু হু করছে নিত্যপণ্যের দাম। তাই সবাইকে মিতব্যয়ী হতে হবে। শেখ হাসিনা মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিলে তাকে আপনি ট্রল করতে পারেন, জিনিসপত্রের দাম বাড়লে প্রতিবাদ করতে পারেন। কিন্তু তাতে কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে না।

যুদ্ধ প্রলম্বিত হলে, সামনে আরও খারাপ দিন আসবে। তাই শেখ হাসিনাকে ট্রল করে বাঁচা যাবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকলে শেখ হাসিনার সাধ্যি নেই সেটা টেনে ধরবেন। বাঁচতে হলে সবাইকে সংযমী হতে হবে, মিতব্যয়ী হতে হবে। শুধু বিদ্যুৎ নয়, মিতব্যয়িতা লাগবে সবক্ষেত্রে- খাওয়া-দাওয়া, কেনাকাটা সবক্ষেত্রেই।

রাত ৮টার মধ্যে শপিং মল, দোকানপাট বন্ধ হলে শুধু বিদ্যুৎই সাশ্রয় হবে না, কেনাকাটায়ও খরচ কম হবে। যানজট কম হবে। তাতে জ্বালানি তেলের সাশ্রয় হবে, পরিবেশও ভালো থাকবে।

শুরুতেই মিশ্র প্রতিক্রিয়ার কথা বলেছি। স্বাভাবিকভাবেই ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তে নাখোশ। তারা চাইবেন, যত বেশি খোলা, তত বিক্রি, তত লাভ। এটা ঠিক করোনার কারণে মাঝে দুই বছর ব্যবসায়ীদের খুব খারাপ গেছে। পকেটের পয়সায় শূন্য আয়ের দোকানের ভাড়া দিতে হয়েছে। তাই এখন যে কোনো নিয়ন্ত্রণই তাদের কাছে গলার ফাঁস মনে হবে। তবে শপিংমল, দোকানপাট বন্ধ রাখার এই জরুরি সিদ্ধান্ত বছরজুড়ে জারির জন্য আমার দুটি পরামর্শ আছে।

দুই ঈদের আগে ১৫ দিন করে, পূজা ও নববর্ষের আগে ১০ দিন করে শপিংমল বাড়তি সময় খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হোক। তাতেই ব্যবসায়ীরা পুষিয়ে নিতে পারবেন। আর রাত ৮টার বদলে ৯টার সময় বন্ধ করা হোক। কারণ অফিস থেকে ফিরে জ্যাম ঠেলে শপিংমলে পৌঁছতে পৌঁছতেই বন্ধের সময় হয়ে যায়। এই দুটি প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। জীবনের সবক্ষেত্রেই অপচয় বন্ধ করতে হবে। মিতব্যয়িতাকে অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। তাহলে জীবন হবে আনন্দময়।
২৬ জুন, ২০২২

লেখক: বার্তাপ্রধান, এটিএন নিউজ।


আরও খবর



ওয়েলকাম বাসচাপায় কনস্টেবল নিহত: চালক ও মালিক গ্রেফতার

প্রকাশিত:Friday ১০ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ১২৭জন দেখেছেন
Image

রাজধানীতে ওয়েলকাম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী পুলিশ কনস্টেবল কোরবান আলী (৩৫) নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাসচালক ও বাস মালিককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শুক্রবার (১০ জুন) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর ও ঢাকার সাভারে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার বাসচালকের নাম মো. জাকির হোসেন ও মালিক মো. আলম।

রাতে র‍্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত সোমবার (৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত রাজধানীর বাংলামোটরে ওয়েলকাম পরিবহনের বাসচাপায় পুলিশ কনস্টেবল কোরবান আলীর নির্মম মৃত্যু হয়। ঘটনার পরই বাসচালক পালিয়ে যায়। পরে ছায়া তদন্তে নামে র‍্যাব। শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর ও ঢাকার সাভারে অভিযান চালিয়ে বাসচালক জাকির হোসেন ও মালিক মো. আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শনিবার (১১ জুন) সকালে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

নিহত কনস্টেবলের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার রামগতি চর সিকান্দার এলাকায়। তিনি সাভারে স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে থাকতেন। রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমিউনিকেশন্সে কর্মরত ছিলেন তিনি।


আরও খবর