Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

সপ্তাহে ১৩ ঘণ্টা ক্লাস ২৭ ঘণ্টা গবেষণা করবেন শিক্ষকরা

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ সংক্রান্ত এক খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে সপ্তাহে (বন্ধের দুদিন বাদে) ৪০ ঘণ্টা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। এর মধ্যে সপ্তাহে ১৩ ঘণ্টা ক্লাস ও একাডেমিক কাজ এবং বাকি ২৭ ঘণ্টা যুক্ত থাকতে হবে গবেষণা ও প্রশাসনিকসহ অন্যান্য কাজে। ইউজিসির এ নীতিমালা চলতি সপ্তাহে জারি করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

ইউজিসি সূত্র বলছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক থাকা অপরিহার্য। শিক্ষকের প্রয়োজনীয় সংখ্যা নির্ধারণে ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে টিচিং লোড ক্যালকুলেশন নীতিমালা-২০২২’ প্রণয়ন করা হয়েছে। সোমবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সভায় এ সংক্রান্ত খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে।

নীতিমালা চূড়ান্তকরণ সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগমের সভাপত্বিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর, বিশ্বজিৎ চন্দ্র, আবু তাহের, অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর হাসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক, বুয়েট শিক্ষক অধ্যাপক ম. তামিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রমুখ।

ইউজিসির নীতিমালায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাপ্তাহিক মোট ৪০ কর্মঘণ্টাকে কন্টাক্ট আওয়ার ও নন-কন্টাক্ট আওয়ার এ দুভাগে ভাগ করা হয়েছে।

কন্টাক্ট আওয়ার:
শিক্ষকের সাপ্তাহিক কন্টাক্ট আওয়ার নির্ধারণ করা হবে ১৩ ঘণ্টা। এসময়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশক্রমে যথাযথ পর্ষদের অনুমোদিত কোর্সসমূহের জন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে শিক্ষাদান সংক্রান্ত কার্যক্রম যেমন- ক্লাস নেওয়া, টিউটোরিয়াল/সেশনাল/সেমিনার, ল্যাবরেটরি পরিচালনা, প্রজেক্ট/ইন্টার্নশিপ/থিসিস সুপারভিশন এবং শিক্ষার্থী কাউন্সিলিং ইত্যাদি কাজে যুক্ত থাকতে হবে।

নন-কন্টাক্ট আওয়ার:
শিক্ষকের সাপ্তাহিক নন-কন্টাক্ট আওয়ার নির্ধারণ করা হবে ২৭ ঘণ্টা। এ সময়ে কোর্স মেটিরিয়াল প্রস্তুতকরণ, গবেষণা, ল্যাবরেটরি ও অন্যান্য ডেভেলপমেন্ট কাজে অংশগ্রহণ, বই/প্রবন্ধ লিখা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, মৌখিক পরীক্ষা/থিসিস উপস্থাপনে অংশগ্রহণ, একাডেমিক/প্রশাসনিক কাজে সহায়তা করা, একাডেমিক/প্রশাসনিক সভায় অংশগ্রহণ ইত্যাদি কাজে যুক্ত থাকতে হবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ বা ইনস্টিটিউট প্রধানের সাপ্তাহিক কন্টাক্ট আওয়ার ছয় ঘণ্টা নির্ধারণ করা হবে। সাপ্তাহিক লোডের ওপর টিচিং লোড হবে। বিজোড় এবং জোড় সেমিস্টারের লোডের মধ্যে যে সেমিস্টারের লোড বেশি হবে তা লোড ক্যালকুলেশনে বিবেচনা করতে হবে। স্টুডেন্ট কাউন্সিলিংয়ের জন্য প্রতি কোর্সে শিক্ষককে সপ্তাহে এক ঘণ্টা সময় দিতে হবে।

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, নীতিমালায় শিক্ষকদের কর্মঘণ্টার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হলেও ক্লাসে ছাত্র-শিক্ষকের অনুপাত উল্লেখ করা হয়নি। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ক্লাসে ৩০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকেন। সেখানে শিক্ষক সংখ্যা বাড়ানো না হলে নীতিমালা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।

ইউজিসির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা থাকায় খসড়া নীতিমালায় ছাত্র-শিক্ষকের অনুপাত উল্লেখ করা হয়নি। সেটি করা হলে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিক পরিমাণে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয় বেড়ে যাবে।

খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, এটি বাস্তবায়নের আগে কোনো বিভাগে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা লোড ক্যালকুলেশনের ভিত্তিতে প্রাপ্ত শিক্ষক সংখ্যার চেয়ে বেশি হলে তারা অবসরে যাওয়া পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবেন। সেমিস্টার পদ্ধতির সঙ্গে বার্ষিক পদ্ধতির সামঞ্জস্য করার ভিত্তিতে বিভাগের পুরো বছরের গড় সাপ্তাহিক টিচিং লোড ধরে শিক্ষক সংখ্যা নির্ধারণ করার পর যে সংখ্যা পাওয়া যাবে তাকে শূন্য দশমিক ৬৫ দিয়ে গুণ করে শিক্ষক সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ইউজিসির অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো বিভাগ বা ইনস্টিটিউটে মোট আসনের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে থাকা শিক্ষকদের দায়িত্ব দিতে হবে শূন্য পদে নেওয়া অতিরিক্ত শিক্ষকদের। উচ্চশিক্ষার জন্য যে শিক্ষকরা বিদেশ যাবেন তাদের অব্যাহতিপত্র জমা দিয়ে যেতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান না করলে সেটি কার্যকর করা হবে।

আন্ডারগ্রাজুয়েট টিচিং কর্মঘণ্টা ক্যালকুলেশন:
ল্যাবরেটরি ক্লাসে প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক থাকবেন। তবে শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হলেও শিক্ষক সংখ্যা তিনজনের বেশি হবে না। মেডিকেল কলেজের ক্ষেত্রেও সপ্তাহে ৪০ কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করেছে ইউজিসি। বিভাগ বা ইনস্টিটিউট প্রধানের ক্ষেত্রে হবে সাপ্তাহিক ৩০ কর্মঘণ্টা। রোগী দেখার আগে, রোগী দেখার সময় এবং পরে শিক্ষার্থীদের যে লেকচার দেবেন শিক্ষকরা সেটি কর্মঘণ্টার মধ্যে গণনা করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ্র জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষকদের কর্মঘণ্টা নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করতে সভা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে যারা আছেন তাদের নিয়ে বসা হয়েছে। এটি চূড়ান্ত করতে আরও একটি সভা হবে। এরপর তা জারি হতে পারে।

তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব কোর্সে শিক্ষক নেই সেখানে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আর যেখানে শিক্ষক আছে কোর্স নেই তারা অবসরে যাওয়া পর্যন্ত চাকরিতে বহাল থাকবেন।

ঢাবি উপ-উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল জাগো নিউজকে বলেন, প্রস্তাবিত নীতিমালা বাস্তবায়ন করা গেলে তা যুগান্তকারী ঘটনা হবে। কেননা, এতে গুণগত শিক্ষা ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকের কর্মঘণ্টা যৌক্তিকতা পাবে। জুনিয়র শিক্ষকদের ওপর কাজেরও চাপ কমবে।

‘অন্যদিকে সিনিয়র শিক্ষকরা গবেষণা বিশেষত এমফিল-পিএইচডি গবেষকদের উপযুক্ত সময় দিতে পারবেন। এ উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই’- বলেন তিনি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এমপিও এবং নন-এমপিও অনার্স, মাস্টার্স ও ডিগ্রি পাস কোর্স কলেজগুলোতে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষকে সপ্তাহে দুদিন পাঠদানের নির্দেশনা থাকলেও বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানে এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে অন্তর্দন্দ্ব তৈরির অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (কারিকুলাম) সদস্য অধ্যাপক মশিউজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের পাঠদানের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। যে কারণে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগও পাওয়া যায়। এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।


আরও খবর



শফিক রিয়ানের কবিতা: সম্পর্ক

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

তোমাকে সেই প্রথম দিন থেকেই দেখে আসছি।
আনমনে, একা-একা বসে থাকতে তুমি,
কখনো-বা বেহিসেবী উদাসীনতায় হারিয়ে যেতে বেখেয়ালিভাবেই।
আমিও এক উদাস কিশোরীর চাঞ্চল্য ও লাবণ্যের সায়রে ডুবানো চোখ দেখে প্রায়শই বলে উঠতাম—
ইস! কত্তটা আকুতি দু’চোখে, কতটা মায়া!
নয়নজুড়ে লেপ্টে আছে যেন, ভালোবাসার নিগূঢ় ছায়া।

তখনো তোমার আর আমার কথা হয়নি, বসা হয়নি পাশাপাশি।
কেবলই চোখে চোখ পড়বার কালে, দু’জন লুকোচুরি খেলতাম দৃষ্টি লুকাবার বাহানায়।
সেদিন সহসাই এসে তুমি জিজ্ঞেস করলে,
‘আচ্ছা, আমাদের সম্পর্কের নাম কী?’
আমি তাজ্জব বনে যাই এমন আকস্মিক প্রশ্নে।
কিছু বলতে না গিয়েও অস্ফুটস্বরে মুখ ফসকে বেরিয়ে আসে, ‘অপ্রেম’।

এমন অপ্রত্যাশী এক উত্তর পেয়ে তুমি ফের বলেছিলে,
‘অপ্রেম আবার কেমন সম্পর্ক? হেয়ালি করছেন?’
আমি দু’চোখের পাতা বন্ধ করে নিজের মধ্যে একটা জ্ঞানী জ্ঞানী ভাব এনে বললাম,
‘সম্পর্কটা তো ঠিক এখানেই জনাবা। আমরা তো এখনো ‘আপনি’ থেকে ‘তুমি’তেই যেতে পারলাম না।
এ সম্পর্কের নাম, ‘অপ্রেম’ না হয়ে ‘প্রেম’ হয় কীভাবে বলুন?’

তুমি আবারো সামনে ঝুকে পড়া চুলগুলো পেছনের দিকে সরিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলে,
‘আপনি থেকে ই-কার সরিয়ে নিলে কী হয় বলুন তো?’
আমি বলেছিলাম, ‘আপন হয়।’
আমার উত্তর পেয়েই তুমি মুচকি হেসে বললে,
‘এবার বলুন, আপনি থেকে তুমিতে যাওয়াটা কি খুবই গুরুত্বপূর্ণ?’
আমি কোনো উত্তর না দিয়েই গণিত খাতাটা বেঞ্চের কোণে সরিয়ে রাফ কাটতে থাকলাম।
তা দেখে হয়তো তুমি মনে মনে বলেছিলে,
‘মনের কোণেও যদি অমন হিসেব-নিকেশ করা যেত!’

তোমার অকাট্য যুক্তি শুনেও নিজেকে পণ্ডিত প্রমাণ করতে সেদিন বলেছিলাম,
‘আপনার জন্য আমার ভেতর কখনো ঝড় ওঠেনি।
বুকের ভেতরটা দুমড়ে-মুড়ড়ে ওঠেনি কখনোই।
কিংবা স্বপ্নে কখনো আপনার সাথে দেখা হয়নি আমার।
পাশাপাশি পথ চলতে চলতে কখনো বলিনি, ‘ভালোবাসি’।
এক কাটা চামচে আমাদের কখনো খাওয়া হয়নি।
রাস্তার পাশের ফুচকার দোকানটায় টক মেশানো ফুচকা মুখে পুড়বার সময় বলিনি,
‘ঝাল লাগেনি তো?’
আমার অযত্নে গড়া শীর্ণ মুখাবয়ব দেখে আপনিও বলেননি,
‘এই যে তোমার এত বেখেয়ালিপনা, শরীর খারাপ হলে কে দায় নেবে বলো?’
আমাদের সামান্য দৃষ্টি বিনিময়ের পর্বটাকে আর যা-ই হোক, প্রেম বলতে পারি না।
ওটা মূলত অপ্রেমই হবে।’

আমার ভাবলেশহীন কথাবার্তা শুনে হয়তো অনেকটা ভগ্নহৃদয় নিয়েই
সেদিন আমার সামনে থেকে তুমি ফিরে গিয়েছিলে।
সেদিনের পর থেকে তোমার সাথে আমার আর কথা হয়নি,
কেবল ওই দু’দণ্ডের দৃষ্টি বিনিময় হতো কখনো কখনো।
তারপর হুট করে একদিন সেই যে নিখোঁজ হলে—
আর কোনো দিন তোমার খোঁজ পেলাম না।
অথচ এখন রোজ তোমার নামে আমার বুকে ঝড় ওঠে,
বুকের ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে ওঠে প্রায়শই।
কদাচিত স্বপ্নেও মেলে দেখা।
প্রতিনিয়ত পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে বলতে ইচ্ছে করে, ‘ভালোবাসি’।

কিন্তু সব আজ কেমন যেন কল্পনা হয়ে যাচ্ছে—
দেখো, আজ আমি তোমাকে আপনি বলেও ডাকছি না।
ভালোবাসার গণ্ডি পেরিয়ে তোমার আর আমার সম্পর্কের নাম দিয়েছি প্রেম।
কী আশ্চর্য, এসবের কিছুই তুমি জানছো না।
কিংবা হয়তো শুনতে পাও কখনো কখনো—
যখন আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করতে করতে বলি, ‘ভালোবাসি’।

আজ আমাদের প্রেম হয়েছে,
কিন্তু তোমার-আমার দূরত্বটা বেড়ে গেছে অনেক।
আজ তুমি এতটাই দূরে চলে গেলে যে,
পুনরায় না জন্মালে আর ফিরে আসা যায় না।


আরও খবর



দেশের প্রথম ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত জেলা হচ্ছে পঞ্চগড়

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষে দেশের প্রথম ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত জেলা হতে যাচ্ছে পঞ্চগড়। আগামী ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পঞ্চগড়কে শতভাগ ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলা ঘোষণা করবেন। জেলার চার হাজার ৮৫০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার আশ্রয় পাবেন প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ উদ্যোগে।

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের দুই শতক জমির মালিকানার সঙ্গে প্রতিটি একক গৃহে রয়েছে দুটি করে শোয়ার ঘর, একটি রান্নাঘর, একটি শৌচাগারসহ একটি বারান্দা। প্রতি গৃহে বিদ্যুৎ সংযোগসহ সুপেয় পানির জন্য বসানো হয়েছে নলকূপ।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগের মধ্যে অন্যতম হলো দেশকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত করা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম থেকে তৃতীয় পর্যায়ের জেলার ৫ উপজেলায় চার হাজার ৮৫০টি একক গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় এক হাজার ৪৯৬টি, বোদা উপজেলায় ৪২৩টি, দেবীগঞ্জ উপজেলায় এক হাজার ৮০৩টি, তেঁতুলিয়া উপজেলায় ৭২৭টি এবং আটোয়ারী উপজেলায় ৪০১টি। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মাণ করা দুই হাজার ৪১৬টি একক গৃহ জমির কবুলিয়াতসহ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়।

দেশের প্রথম ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত জেলা হচ্ছে পঞ্চগড়

তৃতীয় পর্যায়ে ১৭৬ স্থানে দুই হাজার ৪৩৪টি একক গৃহের মধ্যে এক হাজার ২১টি এরই মধ্যে প্রদান করা হয়েছে। বাকি এক হাজার ৪১৩টি একক গৃহ ২১ জুলাই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার সরেজমিন বিভিন্ন এলাকার আশ্রয়ন প্রকল্প ঘুরে দেখা গেছে, পঞ্চগড় উপজেলা সদরের পঞ্চগড় ইউনিয়নের মাহানপাড়া আশ্রায়ন প্রকল্প এলাকায় যেন উৎসবের আমেজ চলছে। এই আশ্রয়নে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পঞ্চগড় জেলাকে দেশের প্রথম শতভাগ ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করবেন। এজন্য মাহানপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকা বিশেষভাবে সাজানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের সার্বক্ষণিক এবং আন্তরিক তদারকিতে মাহানপাড়া আশ্রয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক আশ্রয়ন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক দেশকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত করার বিশেষ এই উদ্যোগ গ্রহণের পর থেকেই জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম পঞ্চগড় জেলাকে দেশের মধ্যে প্রথম ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলা করার জন্য মাঠে নামেন। তিনি পুলিশ সুপার মোহম্মদ ইউসুফ আলী, জেলা পরিষদ প্রশাসক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আমিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলার উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন বিভিন্ন আশ্রয়নের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেছেন।

এছাড়া বিভিন্ন সময় পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ও রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এবং পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজাহারুল হক প্রধানকে নিয়েও বিভিন্ন আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখানো হয়। তাদের হাত দিয়ে আশ্রয়হীন মানুষদের হাতে জমি রেজিস্ট্রি, কবুলিয়াতের কাগজপত্রসহ ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আর্থিক অনটনসহ নানা কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর এসব মানুষের নিজস্ব কোনো আশ্রয় ছিল না। এদের কেউ সরকারি জমিতে, সড়ক মহাসড়কের পাশে ফুটপাতে, কেউ অন্যের মালিকানার জমিতে ঝুপড়ি ঘর তুলে, কেউ আবার নিরুপায় হয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছেন বছরের পর বছর।

দেশের প্রথম ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত জেলা হচ্ছে পঞ্চগড়

এদের মধ্যে রয়েছেন আদিবাসী মানুষজন, পাথর ও মাটিকাটা শ্রমিক, দিনমজুর চা ও কৃষি শ্রমিক পরিবার। ২১ জুলাই ভিডিও কনফারেন্সে পঞ্চগড় প্রান্তে রেলপথ মন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরুল ইসলাম সুজন এমপি, পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান ছাড়াও প্রশাসনের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিকাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের মাহানপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পে আশ্রয় পাওয়া ভূমিহীন দুদু মিয়া (৬৫), জহুর আলী (৬০) লোকমান আলী (৫৫) বলেন, আমরা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি কোনো দিন নিজের জমিতে বিল্ডিং ঘরে ঘুমাতে পারব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দেওয়ার ভাষা আমাদের নেই।

দেশের প্রথম ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত জেলা হচ্ছে পঞ্চগড়

ধাক্কামার ইউনিয়নের রাজারপাড় ডাংগার আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর পাওয়া নুরুল ইসলামের স্ত্রী হাজেরা বেগম বলেন, আমরা সরকারি জায়গায় কোনোমতে বসবাস করতাম। আমাদের নিজেদের কোনো জমি বা বাড়ি ছিল না। আমরা আশ্রয়হীন ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী আমাদের আশ্রয় দিয়েছেন, পাকা বাড়ি করে দিয়েছেন। এমন প্রধানমন্ত্রীই আমরা চাই।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার গড়ীনাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন দিপু বলেন, আমরা এলাকায় মাইকিং করেছি। বিভিন্নভাবে প্রচারও করেছি। এপর ২৬টি ভূমিহীন এবং গৃহহীন পরিবার পেয়েছি। তাদের প্রত্যেককে জমিসহ পাকা বাড়িঘর করে দেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য খেলার মাঠ করা হয়েছে। আমাদের ইউনিয়নে আশ্রয়হীন এসব পরিবারের সঙ্গে অন্যরাও বেশ খুশি হয়েছেন।

সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, আমরা জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সমন্বয়ে জেলার ৪৩ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আবেদন করতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছি। আবেদনকৃত প্রত্যেক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে এই আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিটি ঘরের উন্নয়ন যাতে মানসম্মত হয় এ নিয়েও আমাদের আন্তরিক তদারকি ছিল।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কোনো মানুষ ভূমিহীন, গৃহহীন, আশ্রয়হীন থাকবে না। মুজিববর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন দীপ্ত ঘোষণায় সারাদেশে ভূমিহীন, গৃহহীনদের একক গৃহ নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ২১ জুলাই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পঞ্চগড় জেলাকে দেশের প্রথম শতভাগ ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলা ঘোষণা করবেন বলে আশা করি।


আরও খবর



সিনিয়র এক্সিকিউটিভ নেবে নাদিয়া ফার্নিচার

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেডে ‘সিনিয়র এক্সিকিউটিভ’ পদে ০২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৯ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেড
বিভাগের নাম: এক্সপোর্ট

পদের নাম: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: ০২ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিবিএ/এমবিএ (মার্কেটিং/ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস)
অভিজ্ঞতা: ০৩-০৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৮-৩৫ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৯ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



বেতারের মহাপরিচালকের মৃত্যুতে ইনফরমেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক আহম্মদ কামরুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক আহম্মদ কামরুজ্জামানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামাল আহমেদ। এসময় শোক-সন্তপ্ত পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তিনি।

অ্যাসোসিয়েশনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. আশিকুর রহমান জাগো নিউজকে জানান, আহম্মদ কামরুজ্জামান শনিবার সকালে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। এর আগে তিনি ক্যানসার রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪ জুলাই উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন।


আরও খবর



ফেনসিডিল বহনকারী প্রাইভেটকারে জনতার আগুন

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Thursday ২৮ July ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

ফেনসিডিল পরিবহনের সময় একটি প্রাইভেটকারে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাত ৯টার দিকে কাকিনা-রংপুর সড়কের গঙ্গাচড়া উপজেলার এসকেএস বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে প্রাইভেট কারটি ভস্মীভূত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, লালমনিরহাটের সীমান্ত এলাকা থেকে ফেনসিডিল নিয়ে রংপুরের দিকে যাওয়ার সময় আনুর বাজার এলাকায় পুলিশের মুখে পড়ে একটি প্রাইভেটকার।

পরে সেখান থেকে পালিয়ে পুনরায় কাকিনা বাজারের দিকে যাওয়ার সময় এসকেএস বাজার এলাকায় অপর একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে মাদক বহনকারী গাড়িটির। এ সময় ওই গাড়ি থেকে ফেনসিডিল বেরিয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সত্যেন্দ্র নাথ রায় জানান, কাকিনা বাজারের দিকে দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় এসকেএস বাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কোম্পানির প্রাইভেটকারের সঙ্গে আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়িটির ধাক্কা লাগে।

এ সময় স্থানীয় লোকজন ওই গাড়িটিতে ফেনসিডিল ছিল বলে দাবি করে সেটাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে গাড়িটি পুড়ে যায়। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। গাড়িটির মালিক ও ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করেছে।


আরও খবর