Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সোনারগাঁও প্রেস ক্লাব থেকে মাজহারুল স্থায়ী বহিষ্কার

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৬৮জন দেখেছেন

Image
সোনারগাঁও সংবাদদাতা: নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় আদালতে দণ্ডিত হওয়ায় এবং সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে অনৈতিক ও শৃংখলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে  আনন্দ টিভির সোনারগাঁও উপজেলা প্রতিনিধি মাজহারুল ইসলামকে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জনৈক মাসুদুর রহমান নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন আনন্দ টিভির সোনারগাঁও উপজেলা‌ প্রতিনিধি মাজহারুল ইসলাম তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে প্রলোভন দেখিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে যায় এবং অর্থ আত্মসাত করে। পরবর্তীতে এর বিচার চাইতে গেলেও তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। ঘটনায় মাসুদ প্রেস ক্লাবে অভিযোগ করার পাশাপাশি ২০২২ সালে আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চলতি বছরের মার্চ মাসে মাজহারুলকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।পাশাপাশি ২০২৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তার দ্বিতীয় স্ত্রী রওশন আরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং প্রতারণার আরেকটি অভিযোগ করেন মাজহারুলের বিরুদ্ধে।‌ ঐ ঘটনায় প্রেস ক্লাবের তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পায় তদন্ত কমিটি। এছাড়াও বিভিন্ন সময় সাংবাদিকতার প্রভাব খাঁটিয়ে এবং সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্নস্থান থেকে টাকা নেওয়াসহ শৃংখলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রেস ক্লাবের ৩০ মে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তার সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়।  

সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের ফেসবুক পেইজে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রেস ক্লাবের গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ৩, ধারা ৪ এর ঙ অনুযায়ী সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এম সালাহ উদ্দিন বলেন, তার বিরুদ্ধে প্রেস ক্লাবের শৃঙ্খলা বহির্ভূত অভিযোগ পাওয়ায় এবং আদালতের দণ্ড থাকায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে‌। সোনারগাঁও প্রেসক্লাব একটি ঐতিহ্যবাহী আদর্শ সাংবাদিক সংগঠন।  গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এটি পরিচালিত হয়ে থাকে।  সাংবাদিকতা তথা সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সুনাম ক্ষুন্ন হয় এমন কাউকেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

আরও খবর



দেশ বিক্রির জন্য কোন চুক্তি করিনি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেই আমরা দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো করেছি।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগ চুক্তির সমালোচনা হবে কেন? এ চুক্তির ফলে আমি দেশটাকে কীভাবে বিক্রি করে দিলাম?

প্রধানমন্ত্রী বলেন শেখ হাসিনা দেশ বিক্রির জন্য কোনো চুক্তি করে না।

আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন ভারতকে রেল যোগাযোগ সুবিধা দিলে ক্ষতি কোথায় আমরা কি দরজা বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব

একজন সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সম্পাদিত রেল যোগাযোগ চুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন রেখে বলেন এ চুক্তির ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। কেউ কেউ এ চুক্তিকে ভারতের কাছে দেশ বিক্রির চুক্তি হিসেবেও উল্লেখ করছেন। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?’ এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকের কাছে জানতে চান আমি কীভাবে দেশটা বিক্রি করলাম কিছু বিক্রি করলে তো দাঁড়িপাল্লায় মেপে বিক্রি করতে হয়। আমি কীভাবে বিক্রি করলাম

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন ভারতে রেল যোগাযোগ সুবিধা দিলে সমস্যা কোথায়? আমি তো কোনো সমস্যা দেখছি না। এ চুক্তির মাধ্যমে যদি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি হয় এবং জনগণের কল্যাণ হয়, তাহলে আমি এ চুক্তি কেন করব না।

শেখ হাসিনা রেল যোগাযোগ চুক্তির বিষয়ে সমালোচনার জবাবে বলেন আওয়ামী লীগ দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে। ভারত সম্পূর্ণ বিনা স্বার্থে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এখন অনেক গভীর। কাজেই ভারতের কাছে আমি দেশ বিক্রি করে দেব কিংবা ভারত আমাদের দেশ দখল করে ফেলবে, এগুলো গুজব ছাড়া আর কিছু নয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন ভারতে আমার এ সফর ছিল দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এ সফরের ফলে আমাদের দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও উচ্চতায় পৌঁছবে।


আরও খবর



যশোরে কোটা বিরোধী আন্দোলনে হামলায় ২০ আহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরে কোটা বিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতাকর্মীদের হামলায়  ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের কালেক্টরেট চত্বরে এ হামলা চালায়। সকালে শহরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার দাবিতে মুক্তিযোদ্ধারা সমাবেশ করে।

এরপর তারা জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। তাদের সাথে ছিলো মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতাকর্মীরা। ডিসি অফিস থেকে নেমে আসার সময় সেখানে উপস্থিত হয় কোটা বিরোধ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এসময় মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হামলা চালায়। তাদের মারপিটে আন্দোলনরত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



বাইডেন পাঁচ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছেন

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৭৩জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন কমপক্ষে ১০ বছর ধরে যারা তাদের মধ্য থেকে ৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আসন্ন প্রেসিডেনশিয়াল নির্বাচনের আগে বাইডেন প্রশাসনের এমন নীতিকে বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে চিহ্নিত করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

যতই সময় গড়াচ্ছে, ততই ঘনিয়ে আসছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। কিছুদিন আগেও হান্টার বাইডেনের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মামলায় সরগরম ছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। এবার নতুন অভিবাসন নীতি ঘোষণা করে আলোচনায় এলেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৮ ‍জুন) হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কমপক্ষে ১০ বছর ধরে যারা দেশটি বসবাস করছেন এমন ৫ লাখ দম্পতিকে কাজের অনুমতি দেবে প্রশাসন। এই পদক্ষেপ তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে যারা কোনো মার্কিন নাগরিককে বৈধভাবে বিয়ে করেছেন। ‘প্যারোল ইন প্লে’ নামে এ পদক্ষেপটি অভিবাসীদের জন্য গ্রীন কার্ড ও নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ আরো সহজ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা স্নাতক সম্পন্ন করেছেন, তাদেরও আনা হবে এ নীতির আওতায়। বৈধ হতে খুব দ্রুতই প্রার্থীরা আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বেশ কয়েক বছর ধরেই অনথিভুক্ত অভিবাসীদের অগ্রাধিকার দেয়ার ব্যাপারে প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন অভিবাসন আইনজীবীরা।

নতুন নীতির বিষয়ে তারা বলেছেন, এটি বাইডেন প্রশাসনের একটি বুদ্ধিদীপ্ত রাজনৈতিক পদক্ষেপ। আসন্ন নির্বাচনে নেভাডা ও অ্যারিজোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোতে লাতিন ভোটারদের সমর্থন পেতে মরিয়া বাইডেন। এর অংশ হিসেবেই তিনি এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



বাংলাদেশ থেকে ট্যাক্সি ও মোটরসাইকেল চালক নেবে দুবাই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশ থেকে চলতি বছর ১৩০০ ট্যাক্সি ও মোটরসাইকেল চালক নেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরমধ্যে ১ হাজার মোটরসাইকেল এবং ৩০০ ট্যাক্সি চালক। এছাড়া আগামী বছর থেকে নেওয়া হবে ২ হাজার করে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দুবাই ট্যাক্সি করপোরেশনের পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকের পর এ তথ্য জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বছর ১ হাজার ৩০০নেবে। এরমধ্যে এক হাজার মোটর সাইকেল চালক রয়েছে, প্রতি মাসে ২০০ করে এ পাঁচ মাসে। আর ৩০০ হলো ট্যাক্সি চালক যাবে। কমপক্ষে প্রতি বছর ২ হাজার করে মোটর সাইকেল ও ট্যাক্সি চালক যাবে। এ সংখ্যাটা আরও বাড়বে।

এসময় আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলি আল হামুদি জানান, আমি এখানে দুবাইয়ের ট্যাক্সি কোম্পানিকে নিয়ে এসেছি। দুবাইয়ে বাংলাদেশি ট্যাক্সি চালকের চাহিদা রয়েছে। সম্প্রতি এ দুই সেক্টরে বাংলাদেশ থেকে ৫০০ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় শ’খানেক লোক নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে।

তিনি আরও জানান, এ বছর প্রায় ১ হাজার ট্যাক্সি ও মোটর সাইকেল চালক নিয়োগ করা হবে। এ সংখ্যাটা সামনে বাড়বে। পরবর্তী বছরগুলোতে এই সংখ্যাটি ২ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। গত বছর দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে ২ হাজার ১০০ কর্মীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। আমরা অন্যান্য সেক্টরে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিচ্ছি-নিরাপত্তা কর্মী, আতিথেয়তার জন্য কর্মী নিচ্ছি।

ট্যাক্সি ও মোটর সাইকেল চালকদের বেতন জানতে চাইলে আল হামুদি বলেন, এই কর্মীরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রম আইন অনুযায়ী বেতন পাবেন। বাজারের চাহিদা এবং সরবরাহের উপর নির্ভর করবে কতদিন এ দুই খাতে কর্মী যাবে।

বৈঠকে দুবাই ট্যাক্সি কর্পোরেশনের পরিচালক নাসের মোহাম্মদ মুদাইফাসহ একটি প্রতিনিধিদল উপস্থি ছিলেন।


আরও খবর



ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা (ভারতীয় ব্যবসায়ীরা) বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ করেন।প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেন, ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আমরা আপনাদের স্বাগত জানাই।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলতেন ‘প্রতিবেশী সবার আগে’ এবং তিনি বাংলাদেশের সব প্রতিবেশী দেশকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য অগ্রাধিকার দেন।বাংলাদেশ ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের জানান, তারা এটা ব্যবহার করতে পারেন এবং সেখানে বিনিয়োগ করতে পারেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া সিইওরাও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে চান।সালমান বলেন, বাংলাদেশে যারা ব্যবসা করছেন তারা তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী।সিআইআই পক্ষের সিইওরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, তারা এফবিসিসিআই-এর সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে কাজ করতে চান।

এক্ষেত্রে তারা বিশেষ করে কৃষি, আইটি ও লজিস্টিক সেক্টরে যৌথভাবে কাজ করার উপায় খুঁজে বের করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।তারা ভারতের বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে আইটি খাতে তাদের সাফল্য তুলে ধরেন এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে বাংলাদেশে সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে চান।বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা নিজ দেশে বিরাজমান সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ,

এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম, নিটল নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমদ, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরীসহ কয়েকজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী।


আরও খবর