Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

শনাক্ত ১৬ হাজারের বেশি, মৃত্যু ১৮

প্রকাশিত:Tuesday ২৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২৩৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে শনাক্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৩৩ জন, যা গত বছরের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ৪০ শতাংশ। গত বছরের জুলাইয়ে একদিনে ১৬ হাজার ২৩০ জন শনাক্ত হয়েছিলেন।

করোনায় এ পর্যন্ত দেশে ২৮ হাজার ২৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে; শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৭ জনে।

আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গতকাল সোমবার আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জনের মৃত্যু এবং ১৪ হাজার ৮২৮ জন  শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। শনাক্তের হার ছিল ৩২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

আজকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৯৫ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫৮ হাজার ৯৫৪ জন।

২৪ ঘণ্টায় ৪৯ হাজার ৬৯৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৪৯ হাজার ৪৯২টি। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের ৩২ হার দশমিক ৪০ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে আট, চট্টগ্রামে ছয়জন এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


আরও খবর



সম্রাটের কারামুক্তিতে আর কোন বাধা-ই রইল না

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০৬জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সম্রাটের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।


বুধবার (১১ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন।




এদিন দুদকের মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। সম্রাটের আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। এছাড়া সম্রাটের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী জামিনের বিরোধীতা করেন। 


আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তিন শর্তে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় ৯ জুন পর্যন্ত সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেন। শর্তসমূহ হলো-আদালতের অনুমতি ব্যতীত দেশ ত্যাগ করতে পারবে না সম্রাট,পার্সপোর্ট জমা দিতে হবে এবং স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার প্রতিবেদন আগামী ধার্য তারিখে জমা দিতে হবে।


সম্রাটের আইনজীবী আফরোজা শাহনাজ পারভীন হিরা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সম্রাটের বিরুদ্ধে করা চার মামলার মধ্যে ইতোমধ্যে তিন মামলার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। 


এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া ছয় মাসের সাজা অনেক আগেই শেষ হয়েছে।অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় আজ জামিন পেয়েছেন সম্রাট। তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় মুক্তিতে বাধা নেই।


আরও খবর



ফেরিতে জুয়ার আসর বসানোর দায়ে চার জুয়ারী আটক

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৩জন দেখেছেন
Image

এ আর হনিফঃ

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে চলাচলরত ফেরিগুলোতে জুয়ারীদের উপদ্রব বেড়েছে।



 এসব জুয়াড়িরা ফেরিতে জুয়া খেলার আয়োজন করে নিঃস্ব করছে যাত্রী ও চালকদের। 


শুক্রবার (২০ মে) দিবাগত রাতে দৌলতদিয়ার ৫নং ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া রো রো ফেরি কেরামত আলী মাঝ নদীতে পৌঁছালে যাত্রী বেশে থাকা নৌ-পুলিশ চার জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে।


তারা হলেন- গোয়ালন্দ উপজেলার উত্তর দৌলতদিয়া সিদ্দিক কাজীপাড়া এলাকার মৃত মোবারক মোল্লার ছেলে বরকত মোল্লা (৪২), উত্তর দৌলতদিয়া ঢল্লাপাড়া এলাকার মৃত নবু খাঁর ছেলে নুরু খাঁ (৫৩), বাহিরচর দৌলতদিয়া শাহাদৎ মেম্বারপাড়া এলাকার অকেল মোল্লার ছেলে উসমান মোল্লা (৫৪) ও একই গ্রামের মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে সাগর হোসেন (৩৭)।


গ্রেফতার জুয়াড়িদের দেওয়া ভাষ্যমতে একই গ্রামের মৃত মোহন সিকদারের ছেলে রেজাউল সিকদারও (৩০) ফেরিটিতে ছিলেন। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যান।


 এ সময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে তাস, কুপি বাতি, জুয়া খেলার একটি বোর্ড ও নগদ টাকা জব্দ করে। তাদেরকে আজ দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুল হক খান।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে নেশা ও জুয়ার সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে উসমান মোল্লা ফেরিতে জুয়া খেলার সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। কারাগার থেকে গত বৃহস্পতিবার বের হয়ে আবার ফেরিতে জুয়া খেলা শুরু করেন।


ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় রাতে ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি মাঝ নদীতে পৌঁছলে ইঞ্জিন চালিত নৌকা থেকে তারা ফেরিতে উঠে পড়ে। 


ফেরির এক কোনায় কুপি বাতি জ্বালিয়ে প্রথমে নিজেরা ৪-৫ জন বসে তাস নিয়ে খেলা শুরু করে। এ সময় যাত্রী বা গাড়ি চালক খেলায় আগ্রহ দেখালে সংঘবদ্ধ সদস্যরা টাকা পয়সা, মূল্যবান জিনিসপত্র কেড়ে নেয়। কেউ এগিয়ে গেলে ধারালো ছুরি বা চাকু দিয়ে আঘাত করে দ্রুত নৌকা নিয়ে সটকে পড়ে।


দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, ‘শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে দৌলতদিয়ার ৫নং ঘাট থেকে ছাড়া কেরামত আলী রো রো ফেরিতে জুয়াড়ি চক্রের সদস্যরা উঠছে সংবাদ পেয়ে যাত্রী বেশে কয়েকজন পুলিশ আগে থেকে অবস্থান নেয়। ফেরিটি কিছু দূর যেতেই কুপি বাতি জালিয়ে জুয়া খেলা শুরু করলে হাতেনাতে চার জনকে আটক করি।’


তিনি আরও বলেন, ‘এরা নেশার সঙ্গে জড়িত থাকায় টাকা জোগাড় করতে এ ধরনের কাজে জড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি ফেরিতে পুলিশ দেওয়া সম্ভব হয় না। যে ফেরিতে পুলিশ থাকে না নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ফেরিতেই জুয়ার আসর বসায়। এ ছাড়া যে ফেরিতে তারা জুয়ার আসর বসায়, সেই ফেরিতে থাকা ডিম বিক্রেতা, ঝাল মুড়ি বিক্রেতাসহ বিভিন্ন হকাররা জুয়াড়িদের গোপনে খবর আদান প্রদান করে। বিনিময়ে জুয়াড়িরা হকারদের কিছু টাকা দেয়।’



আরও খবর



১৭৪ রানে অপরাজিত

ডাবল সেঞ্চুরি মিস হলো মুশফিকের

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

স্পোর্টস রিপোর্টারঃ

মুশফিকুর রহিম একাই লড়াই করছিলেন। ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ডাবল সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু এগার নম্বর ব্যাটার এবাদত হোসেনকে স্ট্রাইক দেবেন না বলে ডাবলস নিতে গিয়েই বাধলো বিপত্তি।


ননস্ট্রাইকে রানআউট হয়ে গেলেন এবাদত। মুশফিকের ডাবলের স্বপ্ন পূরণ হলো না, ১৭৪ রানে অপরাজিতই থেকে গেলেন। ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩৬৫ রানে।


আরও খবর



বাকেরগঞ্জে শাশুড়িকে খুন

বরিশালের বাকেরগঞ্জে সন্তানের দুধ কিনতে টাকা না দেওয়ায় শাশুড়িকে খুন

প্রকাশিত:Friday ১৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২১৪জন দেখেছেন
Image

বরিশাল প্রতিনিধিঃ


সন্তানের দুধ কেনার জন্য গচ্ছিত দুই হাজার টাকা রাখা ছিল আলমারিতে। চাবি না দেওয়ায় পুত্রবধূ শাশুড়ির সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির শুরু করেন। এ সময় শাশুড়ি নাজনীন বেগম পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি বের করেন। পরে পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে ফেলে রেখে যান।


বৃহস্পতিবার (১২ মে) বরিশালের বাকেরগঞ্জ আমলি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে এসব কথা বলেন অভিযুক্ত পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাকেরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সত্যরঞ্জন খাসকেল। তিনি জানান, অভিযুক্তর দুগ্ধপোষ্য ছয় মাস বয়সী এক ছেলে রয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকেও মায়ের সঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছে।


হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে করেছেন বলে ধারণা করে পরিদর্শক বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আর কারও সম্পৃক্ততা না পাওয়া গেলেও স্বামীর অব্যাহত অবহেলা ও শাশুড়ির অত্যাচারে এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছেন লাবণ্য।


 অভিযানিক দল যখন লাবণ্যকে গ্রেফতারে যায়, তখন তিনি জায়নামাজে বসা ছিলেন। তিনি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন। আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।


আদালতের বরাত দিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নিহত শাশুড়ি নাজনীন বেগমের স্বামী হানিফ হাওলাদার গত বছরের শেষ দিকে মারা যান। তার আগে থেকেই লাবণ্যর বাবা খলিল হাওলাদারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল তার শাশুড়ির। 



আবার লাবণ্যর স্বামী উজ্জল হাওলাদার ঢাকায় একটি চশমার দোকানে কারিগর হিসেবে কাজ করেন। তিনিও সেখানে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দুটি বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে উজ্জল বাড়িতে আসেন। তখন এসব বিষয় নিয়ে কথা উঠলে ৮ মে লাবণ্যকে বাড়ি থেকে বের করে দেন স্বামী ও শাশুড়ি। ১০ মে আবার ঢাকায় চলে যান উজ্জল।


এরপর প্রতিদিন উজ্জলকে ফোন করতেন লাবণ্য। শাশুড়ির কাছেও জানাতেন তার ছয় মাস বয়সী সন্তান মুজাহিদুল ইসলামের দুধ কেনার টাকা নেই। কিন্তু স্বামী ও শাশুড়ি এতে কোনো গুরুত্ব দেননি।



 বুধবার (১১ মে) সন্ধ্যায় শাশুড়ির কাছে আসেন লাবণ্য। আলমারির চাবি চান। শাশুড়িকে জানান, আলমারিতে দুই হাজার টাকা আছে তা নিয়ে ছেলের জন্য দুধ কিনবেন। কিন্তু শাশুড়ি চাবি দিতে রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে শাশুড়ি পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি নেন। সেই ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে চলে যান লাবণ্য।


শাশুড়ির গলায় দুটি ও বুকে তিনটি ছুরির কোপ ছিল। ছুরির আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় বলে মনে করেন এই পুলিশ পরিদর্শক।


তবে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনা অনুসন্ধানে মনে হয়েছে হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত। কারণ, অভিযুক্ত নারী যখন শাশুড়ির কাছে আসেন, তখন তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আসেননি। এমনকি সঙ্গে মোবাইলও আনেননি। সঙ্গে ছুরি নিয়ে এসেছিলেন। বোরকা পরে এসে শাশুড়িকে কুপিয়ে বাসায় গিয়ে সন্তানকে দুধ খাইয়ে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়তে বসেন। লাবণ্য ভারতীয় সিরিয়াল সিআইডি দেখে হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং সে অনুসারে হত্যাকাণ্ড ঘটান।


প্রসঙ্গত, বুধবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামে রক্তাক্ত নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে উজ্জল বাদী হয়ে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন|


আরও খবর



মুগদা থানার ওসি ও সাভারের এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:Monday ১৬ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রাজধানীর মুগদা থানার পরিদর্শক (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর ও সাভারের বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামসহ নয়জনের নামে ধর্ষণ ও মানবপাচারের অভিযোগে মামলা করেছেন এক নারী।  


সোমবার (১৬ মে) বিকেলে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী।


গত মাসে ঢাকার মানবপাচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেছেন তিনি, যা সম্প্রতি জানাজানি হয়েছে।


ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ঢাকার মুগদা থানার ৪৬/বি-১ উত্তর মানিকনগরের বাসায় গত ২৯ মার্চ দুপুরে তাকে ধর্ষণ করা হয়।


পরে থানায় ঘুরে অভিযোগ নথিভূক্ত করতে ব্যর্থ হয়ে ১০ এপ্রিল আদালতে পিটিশন মামলা রুজু করেন।  


ভুক্তভোগী নারীর আইনজীবী জাকির হোসেন হাওলাদার  বলেন, মানবপাচার ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।


সিআইডিকে তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন আদালত।


ভুক্তভোগী নারী  বলেন, বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুগদা এলাকায় একটি বাসায় মদের আসর বসান।


আঙ্গুরী নামের এক নারীর মাধ্যমে তাকে ওই বাসায় ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক মদ্যপান করানো হয়। পরে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে সাইফুল চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে সেই এলাকার থানায় ঘোরাঘুরি করলেও মামলা নেইনি পুলিশ।


তার অভিযোগ, বিবাদীরা মানব পাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত এবং কালো টাকা উপার্জনকারী, নারী লোভী ও পতিতা ব্যবসায়ী।


মামলার আসামিরা হলেন- বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, জাভেদ হোসেন পাপন, মোখলেছ, আনিসুর রহমান রতন, জসিম, কবির হোসেন মিরাজ, আলাউদ্দিন, আনোয়ারা বেগম আঙ্গুরি ও মুগদা থানার পরিদর্শক (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর। মামলায় ১৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।


জানা গেছে, মামলা আমলে না নেওয়ায় থানার ওসিকে বিবাদি করা হয়েছে। সাক্ষী করা হয়েছে মুগদা জোনের এসি ও থানার এসআইকে। আদালতের নির্দেশ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে ক্রাইম ইনভেস্টিকেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাদির বক্তব্য নিয়েছেন। আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।



আরও খবর