Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

শক্তিশালী শ্রম আইন বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: পিটার হাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য শক্তিশালী শ্রম আইন প্রণয়ন ও এর বাস্তায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীতে বাংলাদেশ তুলা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

পিটার হাস বলেন, শক্তিশালী শ্রম আইন প্রণয়ন ও এর বাস্তবায়ন আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং বাংলাদেশে পরিচালিত মার্কিন প্রতিষ্ঠাগুলোর একটি স্থিতিশীল ও অনুমানযোগ্য পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সম্প্রতি সময়ে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য নূন্যতম মজুরি পর্যালোচনায় পরিষ্কার হয়েছে যে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় একটি বস্তুনিষ্ঠ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রমাণভিত্তিক জাতীয় মজুরি নীতি বাংলাদেশে প্রয়োজন।

পিটার হাস আরও বলেন, বাংলাদেশে গার্মেন্টসখাত ও এর বাইরের খাতগুলোতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠায় বেসরকারিখাতসহ অন্যান্য খাত সংশ্লিষ্ট সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমমান উন্নয়নের মাধ্যমে একটি টেকসই ও সবার জন্য সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আমাদের একটি লক্ষ্য।

রাষ্ট্রদূত বলেন, শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন, অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বৈশ্বিকভাবে শ্রম মান উন্নয়নে গত ১৬ নভেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন মার্কিন নতুন বৈশ্বিক শ্রম কৌশল ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন ও দরকষাকষির উন্নয়ন ও সুরক্ষায় বিভিন্ন দেশের সরকার, শ্রম সংস্থা, ট্রেড ইউনিয়ন, নাগরিক সমাজ এবং বেসরকারিখাতের সঙ্গে যোগাযোগ গভীর করার সুযোগ বাড়িয়েছে।


আরও খবর



কলারোয়ায় ফিরে চেয়ারম্যান প্রাথীর নাম ঘোষণা দিলেন এসএম আলতাফ হোসেন লাল্টু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image

কলারোয়া)সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:কলারোয়ায় ফিরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রাথীর নাম ঘোষণা দিলেন অস্ট্রোলিয়া প্রবাসী কলারোয়ার কৃতি সন্তান এসএম আলতাফ হোসেন লাল্টু। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে অস্ট্রোলিয়ায় ছিলেন। এবার কলারোয়া উপজেলাবাসীর আহবানে অস্ট্রোলিয়া ছেড়ে তিনি সোমবার (১৩ফেব্রæয়ারী) বিকেলে একেবারেই তার জন্মভ‚মি কলারোয়ায় ফিরেছেন। এদিকে কলারোয়ায় ফেরার সংবাদ পেয়ে হাজার হাজার ভক্ত জনতা গাড়ি বহর নিয়ে কলারোয়ার খোরদো বাজারে ভিড় জমায়। সেখানে দেয়াড়া ইউনিয়নবাসী এসএম আলতাফ হোসেন লাল্টুকে পেয়ে ফুল ছিটিয়ে ও ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন। এর পরে খোরদো হাইস্কুল মাঠে দেয়া হয় এক গণসংবর্ধনা। সেখানে এক বক্তব্যে অস্ট্রোলিয়া প্রবাসী কলারোয়ার কৃতি সন্তান এসএম আলতাফ হোসেন লাল্টু আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীর নাম ঘোষনা করেন। এসময় হাজার হাজার জনতা হাত উঠিয়ে সমর্থন দেন। এর পরে জননেতা এসএম আলতাফ হোসেন লাল্টু খোরদো বাজার থেকে যুগিখালী বাজার হয়ে সরসকাটি টু জয়নগর, জালালাবাদ হয়ে কলারোয়ায় আসেন। এর পরে কলারোয়ার শহীদ মিনারে সামনে এক পথসভায় যোগ দেন তিনি। সেখানে হাজার হাজার জনতা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন-এসএম আলতাফ হোসেনের ছোট ভাই কেড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আফজাল হোসেন হাবিল, দেয়াড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমান মফে, কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলাম,  চন্দনপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, গয়ড়া কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘের উপদেষ্ঠা এড. শেখ কামাল রেজা, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আনোয়ার ময়না, কলারোয়া পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, চন্দনপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মতিয়ার রহমান, প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘের উপদেষ্ঠা ব্যবসায়ী এনায়েত খান টুন্টু, যুবলীগনেতা হাসান, মাস্টার শাহিনুর রহমান, ইউপি সদস্য কাউছার আলী, ইউপি সদস্য আ: জলিল, আওয়ামীলীগনেতা বাচ্চু, প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘের উপদেষ্ঠা ডা: আমানুল্লাহ আমান, যুবলীগনেতা মেহেদী রুবেল, কলারোয়া প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘের সভাপতি আফজাল ফুয়াদ অভি, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন  প্রমুখ।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে জবাবদিহিতায় আনার ব্যাপারে সাংবাদিকদের দাবির সঙ্গে একমত তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার স্টাফ রিপোর্টার:সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে একটি নীতি ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার জন্য সাংবাদিকদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। এ বিষয়ে সাংবাদিক ও অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে কথা বলে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, যেহেতু সাংবাদিকরা ইউটিউব ও ফেসবুকসহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে একটি নীতি ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন, আমি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এই দাবির সঙ্গে একমত এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তা পূরণ করার চেষ্টা করব।

আজ বুধবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে মোহাম্মদ আলী আরাফাত এ সময় বলেন, সাংবাদিকদের যোগ্যতা ও গুণগত মান নির্ধারণে একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য আরেকটি প্রস্তাব সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন থেকে পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার গত ১৫ বছরে গণমাধ্যমের বিস্তৃতির জন্য উদারপন্থা দেখিয়েছে। . . আমরা গণমাধ্যমকে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতে দিই।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা (পেশাদার সাংবাদিক) গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনতে সাংবাদিকদের যোগ্যতা নির্ধারণে নীতিমালা চান। আমরা আপনাদের সঙ্গে কথা বলে তা প্রণয়ন করবো।

বিদ্যমান আইন উপেক্ষা করে সম্প্রচার বা ইন্টারনেট সেবা প্রদানের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণমাধ্যমে হঠাৎ ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে সাংবাদিকদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা সর্বজনীন মানবাধিকার সনদের লঙ্ঘন। আমি দাপ্তরিক নির্দেশনা জারি করবো যাতে কোনও প্রতিষ্ঠান স্বল্প নোটিশে তার সাংবাদিকদের বরখাস্ত করতে না পারে। কাউকে ছাঁটাই করার নোটিশ কমপক্ষে তিন মাস আগে পরিবেশন করতে হবে।

একইভাবে, সাংবাদিকরা যদি পদত্যাগ করতে চান, তাদেরও একটি নির্দিষ্ট সময়ের আগে, যেমন দুই-তিন মাস আগে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

সাংবাদিকদের দাবি পূরণে এসময় তাদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজেসি চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক রাজা, সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মানস ঘোষ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা প্রমুখ।

আরও খবর



সৈয়দপুরে ফসলি জমির উর্বর মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:- নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমির উর্বর মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়।এতে কৃষি নির্ভর জমি গুলো পুকুর কিংবা ডোবায় পরিনত হয়ে চাষাবাদে ব্যাঘাত ঘটছে। স্হানীয় প্রশাসনে এ বিষয়ে  অভিযোগ দিয়ে ও প্রতিকার মিলছেনা বলে একাধিক কৃষকের অভিযোগ। 

অভিযোগে প্রকাশ,সৈয়দপুর উপজেলাটি ৫ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা নিয়ে  গঠিত। ব্যবসা ও কৃষি খাতে এ উপজেলাটি দেশ জুড়ে পরিচিতি পেলেও বর্তমানে চাষাবাদে ধস নেমেছে শুরু মাত্র ফসলি জমির উর্বর মাটি ইটভাটায় যাওয়ার কারনে।

ভুক্তভুগীরা বলছেন,কামারপুকুর ইউনিয়নের তোফায়েলের মোড় এলাকার জয়নুল নামের এক ব্যাক্তি সরল শান্ত কৃষকদের লোভ দেখিয়ে কম দামে জমির উর্বর মাটি ক্রয় করে সেই মাটি চড়া দামে বিক্রি করছেন ইটভাটায়।একসময়ের লেবার শ্রেনীর এই মানুষ টি ফসলি জমির মাটি বিক্রি করে বর্তমানে ১০ ট্রাকটারের মালিক।এলাকা বাসী তার মাটি বিক্রির অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনকে দেয়ার কথা বললেও কোন কর্নপাতই করেন না তিনি। ফসলি জমির মাটি খেকো জয়নুলের বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ না নিলে এ উপজেলায় তিন ফসলি জমিতে চাষাবাদ অর্ধেকে নেমে আসবে বলে জানান তারা। অন্য দিকে একই ইউনিয়নের সোহাগ নামের অপর এক ব্যাক্তি প্রায় প্রতিদিনই ১০/১২ টি ট্রাকটার লাগিয়ে কৃষকের জমির মাটি নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটায়। কামার পুকুর ইউনিয়ন এর মাটি খেকো জয়নুল ও সোহাগের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্হা না নিলে সৈয়দপুর উপজেলায় তিন ফসলি জমিতে ফলন অর্ধেকে নেমে আসবে বলে শতাধিক কৃষক মতামত ব্যাক্ত করেন।

গত ৩০ জানুয়ারি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে মাটি খেকো জয়নুল ও সোহাগ।অথচ গত ২/৩ বছর আগেও ওইসব জমিতে ফলন ফলেছে বছরে তিন ফসল। গোলা ভর্তি করা ধান,আর আগাম৷ সবজি চাষাবাদ করে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। 

জানা যায়, মাটি খেকো জয়নুল ও সোহাগের মাথায় হাত রয়েছে অবৈধ ক'জন ইটভাটা মালিকের।যার ফলে অসহায় অনেক কৃষকদের একপ্রকার হুমকির মধ্যে কমদামে ফসলি জমির মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ইটভাটায়। জয়নুল ও সোহাগ সহ ইটভাটার মালিকরা অর্থ ও বিত্তশালী হওয়ায় প্রতিবাদ করতে কেউ সাহস পাচ্ছেন না। 

জানতে চাইলে জয়নুল ও সোহাগ জানান, কামার পুকুর ইউনিয়ন এর অনেকেই মাটির ব্যবসা করেন।অন্যরা মাটি বিক্রি করলে দোষ হয়না কিন্তু আমরা বিক্রি করলে দোষ কিসের। একই ইউনিয়নের টোকাই সেলিম নামের এক যুবক উপজেলা প্রশাসনের সাথে থেকে প্রায় সব ইউনিয়নের মাটি নিয়ে আবাসন প্রকল্পো ভরাটের নামে অনত্র মাটি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকার মালিক হলেও তার বিরুদ্ধে কেউই কোন অভিযোগ করেন না।

এবিষয়ে কামার পুকুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন,উপজেলা প্রশাসন কঠোর হলেই ফসলি জমির মাটি কেটে কেউই বিক্রি করতে পারবেন না।উপজেলা প্রশাসনের কঠোরতা নেই বলেই তি ফসলি জমির উর্বর মাটি চলে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। ফলে আবাদ কমে এসেছে অর্ধেকে।
এ বিষয়ে উপজেলার সহকারী কমিশনার( ভুমি) আমিনুল ইসলাম বলেন কৃষকরা অভিযোগ দিলে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্হা নেয়া হবে।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় বসছেন ২৫ হাজার ৩৩ জন প্রার্থী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৬১জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা; নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের  লিখিত পরীক্ষা আগামীকাল শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ১১টা পর্যন্ত। এ বছর জেলার ৩৩ টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ২৫ হাজার ৩৩ জন প্রার্থী। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রার্থীদের প্রবেশপত্রে উল্লেখিত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার সদর উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী তিন উপজেলার মোট ৩৩ টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ-র মধ্যে সদর উপজেলায় ২২ টি কেন্দ্র ও আসন সংখ্যা হলো, বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ৭০০ জন, বোয়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৫০ জন, চক এনায়েত উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬০০ জন, চাকলা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৫০ জন, হযরত খাদিজা (রহ:) মহিলা ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে ৫০০ জন, হাট নওগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭০০ জন, জনকল্যাণ মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫৩৩ জন, কীর্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮০০ জন, নামাজগড় গাউসুল আযম কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে ৭০০ জন, নওগাঁ আস্তানমোল্লা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬০০ জন, নওগাঁ সেন্টাল গালর্স স্কুল কেন্দ্রে ৬০০ জন, নওগাঁ সরকারি বিএমসি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ৯৫০ জন, নওগাঁ সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ১৯৫০ জন, নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮০০ জন, নওগাঁ কৃষ্ণধন (কেডি) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭০০ জন, নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ৬০০ জন, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ৬০০ জন, নওগাঁ জিলা স্কুল কেন্দ্রে ৬৫০ জন, পাহাড়পুর জিএম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮৫০ জন, সীমান্ত পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৫০ জন, বলিহার ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ৮০০ জন।

মান্দা উপজেলার পাঁচটি কেন্দ্র ও আসন সংখ্যা হলো, মান্দা থানা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ  কেন্দ্রে ১১০০ জন, শহীদ কামরুজ্জামান টেক্সস্টাইল কেন্দ্রে ৫০০ জন, মান্দা মমিন শাহানা সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ৫০০ জন, মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮০০ জন, মান্দা এসসি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ৭০০ জন।

মহাদেবপুর উপজেলার চারটি কেন্দ্র ও আসন সংখ্যা হলো, জাহাঙ্গীরপুর সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৭০০ জন, জাহাঙ্গীরপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭০০ জন, জাহাঙ্গীরপুর সরকারি মহিলা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ৮০০ জন, সর্ব মঙ্গলা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮০০ জন।বদলগাছী উপজেলার দুটি কেন্দ্র ও আসন সংখ্যা হলো, বদলগাছী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৯০০ জন ও বালুভরা আরবি উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ১১০০ জন চাকরিপ্রার্থী। 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সকল প্রস্তুতি সম্পর্ণ করা হয়েছে। 


আরও খবর



ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক পরিচালকের দায়িত্ব নিলেন সায়মা ওয়াজেদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রীকন্যা সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে যোগদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভারতের দিল্লি অফিসে তিনি যোগদান করেন।

সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি এবং বিশ্বে দ্বিতীয় নারী হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ সম্মানজনক পদে যোগ দিয়েছেন। কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ রকম মর্যাদাপূর্ণ পদে যোগদান উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।

এর আগে, গত বছরের ১ নভেম্বর সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আরডি নির্বাচনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক ১০টি দেশের মধ্যে ৮-২ ভোটের বিপুল ব্যবধানে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নির্বাচিত হন।

তারই ধারাবাহিকতায় তিনি বৃহস্পতিবার ভারতের দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।


আরও খবর