Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
সিলেটে বন্যা কবলিত মানুষের খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

সিলেটের বন্যা কবলিত এলাকা গুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট

প্রকাশিত:Friday ২০ May ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৪২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

 বন্যায় সিলেট নগরীর অর্ধেকাংশ নিমজ্জিত পানিবন্দি হয়ে আছেন লাখ লাখ মানুষ। এতে কোথাও খাদ্য সংকট, কোথাও সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।

বেশিরভাগ বন্যা কবলিত মানুষ মানবেতর দিন পার করছেন।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-২’র অধীস্থ নগরের উপশহরের বিভিন্ন ব্লক, তেররতন, সুবহানীঘাট, যতরপুর, মেন্দিবাগ, চালিবন্দর, মাছিমপুর, ছড়ারপাড় এলাকা তলিয়ে আছে। উপশহরে অবস্থিত বিদ্যুতের সাব স্টেশনও গত ৫ দিন ধরে পানির নিচে তলিয়ে গেছে তাই অন্ধকারে নিমজ্জিত এখানকার লোকজন।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-৩’র অধীনস্থ দক্ষিণ সুরমা এলাকাও বন্যা কবলিত।

পানিতে তলিয়ে থাকায় এলাকাগুলোয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত। তাই স্থানীয় লোকজন সুপেয় পানির সঙ্কটে পড়েছেন।

নগরের মেন্দিবাগ এলাকায় অবস্থিত সিটি করপোরেশনের পানি বিশুদ্ধকরণ (ওয়াটার ট্রিটমেন্ট) প্লান্টও তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি আরও চারটি পাম্পও তলিয়ে যাওয়ায় পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে এসব এলাকার জনগণও সুপেয় পানি পাচ্ছেন না।

সিলেটের অন্তত ১০টি উপজেলার শতাধিক গ্রাম বন্ধ্যা কবলিত। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব এলাকার প্রান্তিক পর্যায়ের লোকজন।

নিত্যদিনের উপার্জনের সংসার চালানো লোকগুলো বন্যায় আটকে পড়ায় তাদের আয়-রোজগারে প্রভাব পড়েছে। তাছাড়া আশ্রয় কেন্দ্রে রান্নার ব্যবস্থা নেই। শুকনো খাবারের পাশাপাশি তাদের রান্না করা খাবারও বেশি প্রয়োজন।

ভোগান্তিতে পড়েছে নগরের শাহজালাল উপশহর, শেখঘাট, কলাপাড়া, সোনাপাড়া, মেন্দিবাগ, মাছিমপুর, ছড়ার পার, চালিবন্দর কানিশাইল, মণিপুরি রাজবাড়ী, তালতলা, জামতলাসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

সরেজমিন দেখা গেছে, সিলেটে বন্যা কবলিত উপজেলাগুলোর প্রান্তিক পর্যায়ের লোকজনের কাছে সেসব সেবা পৌঁছাচ্ছে না। ফলে খাদ্যের পাশাপাশি সুপেয় পানির সংকটে রয়েছেন বন্যা কবলিত গ্রামীণ জনপদের লোকজন।


আরও খবর



প্রথম ৮ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৮২ লাখ ১৯ হাজার টাকা টোল আদায়

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতুতে প্রথম ৮ ঘণ্টায় ৮২ লাখ ১৯ হাজার ৫০ টাকার টোল আদায় করা হয়েছে। এসময় গাড়ি চলাচল করেছে ১৫ হাজার ২০০টি।

রোববার (২৬ জুন) বিকেলে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল হোসেন জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।

রোববার সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় পদ্মা সেতু। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকায় আসতে দীর্ঘদিন যে অসহনীয় দুর্ভোগ ও কষ্ট ছিল আজ থেকেই তা দূর হয়েছে।

শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্ত দিয়ে উত্তাল পদ্মা নদী পার হতে যেখানে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতো এখন সেই নদী পার হতে সময় লাগছে মাত্র কয়েক মিনিট। এতে অনেকেই বাইক ও প্রাইভেটকার নিয়ে পার হচ্ছেন স্বপ্নের পদ্মা সেতু। সেই সঙ্গে ট্রাক, বাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানচলাচল করছে সেতু দিয়ে।


আরও খবর



পেট্রল-ব্যাটারি দুটোতেই চলবে যে গাড়ি

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

টয়োটা নতুন এক গাড়ি আনার ঘোষণা দিয়েছে সম্প্রতি। টয়োটা হাইরাইডার নামের গাড়িটি টয়োটা ও সুজুকির যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে। আনুষ্ঠানিক লঞ্চ হতে পারে অগাস্টে। গাড়িটি পেট্রল ও ব্যাটারি দুই মাধ্যমেই চলবে। এমনকি ব্যাটারি বাইরে থেকে চার্জ করতে হবে না চলতে চলতে তা নিজে থেকেই শক্তি সঞ্চয় করবে।

টয়োটা হাইরাইডারে থাকছে ১.৫ লিটার শক্তিশালী সেলফ চার্জিং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন। গাড়িটি পেট্রলের পাশাপাশি চলবে ইলেকট্রিক মোটর ও ব্যাটারিতে। পিওর পেট্রল, হাইব্রিড, এবং পিওর ইভি (শুধু ইলেকট্রিকে) ড্রাইভ মোডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ভাবে গাড়ির চালিকা শক্তির উৎস পরিবর্তন করা যাবে।

আবার এই গাড়ির কমদামী বেস ভ্যারিয়েন্টে মাইল্ড হাইব্রিড প্রযুক্তি থাকবে। ট্রান্সমিশন অপশনে ম্যানুয়াল এবং অটোমেটিক ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে গাড়িটি। গাড়িটিতে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা, ভেন্টিলেটেড ফ্রন্ট সিট, হেড আপ ডিসপ্লে, ইলেকট্রিক সানরুফ, বড় ফ্লোটিং টাচস্ক্রিনসহ নানা আকর্ষণীয় ফিচার থাকবে।

হাইরাইডার-এর হাত ধরে তীব্র প্রতিযোগিতা চলা কম্প্যাক্ট এসইউভির বাজারে প্রবেশ করছে টয়োটা। এখনো গাড়িটির দাম সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানায়নি সংস্থাটি। তবে ধারণা করা হচ্ছে টয়োটা হাইরাইডারের দাম ১০ লাখ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আরও খবর



অর্থ পাচার: জিকে শামীমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে তিন পুলিশের সাক্ষ্য

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

অর্থ পাচার মামলায় এসএম গোলাম কিবরিয়া (জিকে) শামীমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সাক্ষীরা হলেন- সিআইডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, সহকারী উপ-পরিদর্শক আব্দুল মমিন, জাহাঙ্গীর আলম ও জনৈক দিদারুল আলম।

রোববার (২৬ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত -১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে এ দিন ধার্য করেন। এ মামলায় মোট ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

এদিন কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৯ জুন দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, জামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

২০২০ সালের ৪ আগস্ট সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াড আবু সাঈদ ৮ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এ মামলায় মোট ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়। এরপর একই বছরের ১০ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর র‍্যাব-১ এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গুলশান থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।  

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র‍্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে।


আরও খবর



নারী ক্ষুদ্র ঋণ পেলেও খরচ করেন পুরুষ: গবেষণা

প্রকাশিত:Friday ১০ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
Image

আর্থিক সচ্ছলতা, গতিশীলতা এবং পারিবারিক সিদ্ধান্তে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হয় নারীদের। দেশে ৯০ শতাংশের বেশি ক্ষুদ্রঋণ পান নারীরা। এ সংখ্যা প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এর মাধ্যমে অনেক নারী সফল উদ্যোক্তা হয়েছেন। তবে অনেক ক্ষেত্রেই নারীর পাওয়া ঋণের টাকা পুরুষরাই খরচ করে থাকেন।

এর পেছনে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো, প্রথা ও রীতিনীতির প্রভাব রয়েছে। ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিষয়টি তদারকি বা সমাধানের জন্য তেমন আগ্রহী নয়। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর আহমেদ সোহেল এবং অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই গবেষক ড. সারা নাইনার ও ড. সামান্থি জে. গুনাওয়ার্দানা যৌথভাবে গবেষণাটি করেছেন। এতে মূলত খুলনার ডুমুরিয়া এলাকায় জরিপ ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে নারীরা ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে নিজে ব্যবহার করতে পারছেন কি না তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন।

গবেষণায় নারীদের ক্ষুদ্রঋণ দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য পূরণ না হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট উঠে এসেছে। গবেষকরা বলছেন, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ কাঠামোয় যদি নারীদের কাজের প্রাপ্য স্বীকৃতি না দেওয়া হয় এবং ঐতিহ্যগতভাবে নারীদের একক দায়িত্বের পরিবর্তন না ঘটে, তবে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কারণ, বিষয়গুলো নারীদের আর্থিক ও অন্যান্য ক্ষমতায়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাই নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিতে সাংস্কৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এসব মনোভাবকে পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

গবেষকদের দাবি, ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিষয়টি সমাধান না করে বরং নারীর ক্ষমতায়নের প্রমাণ হিসাবে হাই লোন রিকভারি (উচ্চ ঋণ পুনরুদ্ধার) হারের ওপর জোর দিচ্ছে। এটি নিশ্চিত করার জন্য শ্রমের লিঙ্গভিত্তিক বিভাজন, চলাফেরার সীমাবদ্ধতা এবং সম্মান ও লজ্জার ধারণাগুলোর মধ্যে স্পষ্টভাবে নারীদের কাঠামোগত দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েছে। তারা নারীর ক্ষমতায়নের মিথ্যা আখ্যা দিয়ে তাদের মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

এ বিষয়ে খুবির সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর আহমেদ সোহেল বলেন, আমি মনে করি ক্ষুদ্র ঋণের প্রয়োজনীয়তা আছে। কিন্তু এর উদ্দেশ্য তখনই সফল হবে, যখন ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো পুরুষতান্ত্রিক সমাজ কাঠামোকে অনুধাবন করে নারীদের অবস্থান ও দুর্বলতাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্পগুলো পরিচালনা করবে।


আরও খবর



ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিকেলে ৩টার দিকে রাজেন্দ্রপুর রেল স্টেশন মাস্টার মো. খায়রুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঢাকাগামী ভাওয়াল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত  হয়। এতে ঢাকার সঙ্গে ময়মনসিংহ অঞ্চলের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

ট্রেন লাইনচ্যুতের ঘটনায় ঢাকাগামী কমিউটার শ্রীপুর স্টেশনে ও ময়মনসিংহগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ভাওয়াল গাজীপুর স্টেশনে আটকা পড়ে। পরে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুপুর ২টার দিকে লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধারের চলাচল স্বাভাবিক হয়।


আরও খবর