Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

সিলেটে দুবাই ফেরত ফ্লাইটের সিটের নিচে বিপুল স্বর্ণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৯১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি ২৪৮ ফ্লাইটের সিটের নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ জব্দ করেছে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও কাস্টমস কর্মকর্তারা।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এই চালান জব্দ করা হয়।

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে ২৪০ জন যাত্রী নিয়ে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে দুবাই থেকে আসা বিজি-২৪৮ ফাইট।

এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফ্লাইটটিতে অভিযান চালায় বিমানবন্দর কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই।

পরে যাত্রীদের বসার সিটের নিচ থেকে ১০ ইঞ্চি মাপের বড় স্কেল আকৃতির ৪টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। এ ছাড়া বাকি স্বর্ণ বিমানের ভেতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। যেগুলোর মধ্যে ১৪টি বার ও ১০টি বল আকৃতির।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রাথমিকভাবে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুজন দুবাই থেকে সিলেট হয়ে ঢাকাগামী যাত্রী ও দুজন সিলেটের।


আরও খবর



মধুপুরে পৌর বিএনপির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি) মধুপুর পৌর শাখার উদ্যোগে অসহায় হতদরিদ্র ও শীতার্ত  মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার( ৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এর দিক নির্দেশনায় এবং মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব খন্দকার মোতালিব হোসেন এর সার্বিক সহযোগিতায় এ শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

পৌরবিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আঃ ছালাম, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান রবিন, ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ ছালাম আকন্দ  সহ পৌর বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ  সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী গন উপস্থিত ছিলেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্তদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ভূগর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলনের কারণে পার্শ্ববর্তী বৈগ্রাম-কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের ঘরবাড়ী ফাটলে এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি আদায় বাস্তবায়ন কমিটি।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বৈগ্রাম-কাশিয়াডাঙ্গা ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি আদায় বাস্তবায়ন কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা লিখিত বক্তব্যে জানান, কয়লা খনির কারণে ঘরবাড়ীতে ফাটল সৃষ্টি হলে গত ২২/০১/২০২৪ তারিখে আমরা সংগঠনের পক্ষথেকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ জানাই, আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সার্ভারের মাধ্যমে পদক্ষেপ না নিলে এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বিক্ষোভ মিছিল সহ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কিন্তু খনি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। আমরা ছয় দফা চুক্তির কথা বলেছিলাম সেই ছয় দফা চুক্তি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। ছয় দফা চুক্তির মধ্যে রয়েছে কর্তৃপক্ষের সমঝোতা চুক্তি মোতাবেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার হতে চাকরি দেওয়ার কথা, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার দুইটি গ্রামের বাড়ী ঘর ফাটল কাঁপুনি ঝুঁকিপূর্ণভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছে তাদের দ্রুত পুনর্বাসন করতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ভূমিহীন প্রতিটি পরিবারকে মাইনিং সিটি অথবা উন্নত মানের বাসস্থান তৈরি করে দিতে হবে, ক্ষতিগ্রস্তদের অবশিষ্ট ক্ষতিপূরণের টাকা দিতে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের সুপ্রিয় প্রাণীর ব্যবস্থা করতে হবে এবং মসজিদ মন্দির স্কুল কলেজ ও হাসপাতাল তৈরি করে দিতে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের যাদের জমি থেকে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে তাদেরকে কয়লা উৎপাদনের বোনাস পাসেন্ট দিতে হবে।

কিন্তু গত ৩০ বছরে কয়লাখনি কর্তৃপক্ষ বৈগ্রাম সহ অন্যন্যা গ্রামগুলির অফুরন্ত যে ক্ষতি হয়েছে তার কিছুই পায় নি। খনি কর্তৃপক্ষ এই এলাকার মানুষকে বোকা বানিয়েছে। তাই আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর কাছে ন্যায় দাবী জানাচ্ছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বৈগ্রাম-কাশিয়াডাঙ্গা ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি আদায় বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ সাদেকুল ইসলাম,কোষাধ্যক্ষ সফিকুল ইসলাম, সদস্য মোঃ মেনাজুল হক সহ সংগঠনের শতাধিক সদস্য।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন যদি আমাদের দাবিসমূহ বাস্তবায়ন না হয় তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলন করতে বাধ্য হব ।


আরও খবর



হিলিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণে পুরাদমে শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৭১জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:খাদ্য শস্যর ভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরের জেলা দিনাজপুর।এই জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা হাকিমপুর হিলিতে চলতি মৌসুমে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ পুরাদমে শুরু করেছের কৃষকেরা। ফলে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার কৃষকেরা। বর্তমান সময়ে

বিদ্যুৎ, সার, কীটনাশক, ডিজেলসহ সবকিছুই দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার ইরি বোরো চাষে অতিরিক্ত খরচের দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কৃষকদের কপালে। মাঘের হিমেল বাতাস,কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর ঘনকুয়াশাকে উপক্ষো করে জমি তৈরি ও বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ করেছেন পুরুষ শ্রমিকদের পাশাপাশি ব্যস্ত সময় পার করছে আদিবাসী নারী শ্রমিকরাও। আবহাওয়া ভালো থাকলে বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পেলে অতিরিক্ত খরচ পুষিয়ে নিতে পারবে বলে আশা করছেন কৃষকেরা। হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে,চলতি মৌসুমে ইরি বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৫’শত ৭৪ হেক্টর জমিতে। শুরু থেকে কৃষি অফিস থেকে সরকারি প্রণোদনাসহ সবধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।

আজ বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) হাকিমপুর উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, ইরি বোরো ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। জমিতে বাড়তি সার হিসেবে বিঘা প্রতি ৬-৭ ভ্যান গোবর সার ছিটিয়ে দিচ্ছে। এরপর গভীর নলকূপ থেকে পানি দিয়ে জমি ভিজিয়ে নিয়ে পাওয়ার টিলার দিয়ে কেউবা মেসি (ট্রাক্টর) দিয়ে চাষ করছেন। এতে বিঘা প্রতি ২০ কেজি ডেপ, ১২ কেজি পটাস, ৫ কেজি জিপসার মিশিয়ে দ্বিতীয় বার চাষ করে চারা রোপণের জমি তৈরি করে জমিতে চারা রোপণ করছেন। ইতোমধ্যে এ উপজেলায় ১৫-২০ শতাংশ জমিতে চারা রোপণ শেষ হয়েছে।

উপজেলার সাদুরিয়া গ্রামের গভীর নলকূপ এর মালিক মফিজুল ইসলাম জানান,প্রতি বছর আমার এই গভীর নলকূপ দিয়ে মাঠে প্রায় ২০০-২৫০ বিঘা জমিতে পানি সেচ দিয়ে থাকি। এবারে ও ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ এর সংযোগ পেয়েছি এবং জমিতে পানি সেচ দিতে শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত আমার গভীর নলকূপ এর আওতায় প্রায় ৬০-৭০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করেছে কৃষকেরা। প্রতি ১০০ শতক (এক একর) জমির জন্য নেওয়া হচ্ছে ৩৬০০ (তিন হাজার ছয় শত টাকা। গত বছর নেওয়া হয়েছে তিন হাজার দুই শত টাকা। বিদুৎ এর খরচ বেশি তাছাড়া সবকিছুর দাম বেশি কি আর করা। উপজেলার জাংগই গ্রামের কৃষক জাহিদুল ইসলাম বলেন,আমি ১০ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করে থাকি। কয়েক দিনের মধ্যে আমার সম্পূর্ণ জমিতে চারা রোপণ শেষ হবে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার খরচের হিসাব বেশি গুনতে হচ্ছে। পানি সেচের খরচ, জমি চাষ করা,সার, কীটনাশক ও শ্রমিকসহ সবকিছুর দাম বেশি। তাই দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি।

উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনা হিসেবে উফশী জাতের ধানের বীজ ও সার পেয়ে খুব উপকার হয়েছে। তবে এবার আবহাওয়া ভালো থাকলে গতবারের মতো এবার ও ইরিবোরো ধানের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। গত বছর ফসলের দাম ভালো পেয়েছি। আশা করছি এবারও ভালো দাম পাবো তাহলে খরচ পুষিয়ে নিতে পারবো বলে আশা করছি।উপজেলার চকচকা গ্রামের কৃষক জাকারিয়া বলেন, হারা ছোট-খাটো কৃষক মানুষ, হামার (আমার) বেশি আবাদি জমি নাই, মিচ্চে এ্যানা ৫-৬ বিঘা জমি চাষ করি।মানুষোক (মানুষ) নিয়ে কাম করে নেই না, নিজেই সব করি। বছরে ইরি আর আমন ধান লাগাই তাতে আল্লাহ দিলে ভালোই আবাদ হয়, ভালোই চলে।

উপজেলার জালালপুর বর্গাচাষি আলিম বলেন, আমরা গরীব মানুষ নিজের আবাদি জমি নাই বললেই চলে। অন্যের জমি চানা (বর্গা) নেই ইরি আবাদের জন্য, এক বিঘা জমি (৩৩ শতক) দশ হাজার টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে। বাজারে ইউরিয়া সার আগে ৮৫০-৯০০, পটাশ ৮০০, ডেপ ১০০০ টাকা ছিলো। বর্তমানে ইউরিয়া ১৩৫০, পটাশ ১১৫০, ডেপ ১০৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। জমি সেচের বাড়তি খরচ, সারের দাম, শ্রমিকদের মজুরি বেশি,সবকিছু মিলে কি হবে আল্লাহ ভালো জানে! তবে আশা করছি আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ধানের দাম ভালো পেলে খরচ পুষিয়ে নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ! উপজেলার খাট্রাউচনা মাঠের জমি রোপন করা শ্রমিক শাহাদৎ হোসেন বলেন,আমরা কয়েকজন মিলে একটা দল তৈরি করেছি। দীর্ঘদিন থেকে ইরিবোরো ও আমন ধানের চারা রোপণ করে থাকি। এবার ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ প্রতি বিঘা (৩৩ শতক) ১৩০০ টাকা করে নিচ্ছি। প্রতিদিন ৭ থকে ৮ বিঘা জমিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ করতেছি।

উপজেলার আরেক নারী শ্রমিক স্বপনা কুজুর বলেন, আমরা প্রতিদিন হাজিরা হিসেবে ইরি বোরো রোপণ করতেছি। প্রতিদিন হাজিরা হিসেবে ৫০০ টাকা পাই। হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ইরি বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫’শ ৭৪ হেক্টর জমি।ইতোমধ্যে চারা রোপণ শুরু হয়েছে। আশা করছি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ইরি বোরো চাষ হবে। ইতিমধ্যে উপজেলায় ১৫-২০ শতাংশ জমিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ করা শেষ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলার প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ইরি বোরো হাইব্রিড ধানের বীজ (২০০০) জন মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আর উফশি জাতের প্রণোদনা হিসেবে (২০০০) জনের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করেছি। ইরি বোরো চাষে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সবধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও মাঠ কর্মীরা। আবহাওয়া অনূকুলে থাকলে আশা করছি এবারও কাঙ্খিত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কৃষকেরা। এবারও ধানের দাম ভালো পেলে অতিরিক্ত খরচ পুষিয়ে নিতে পারবে বলেও আশা করছেন এই কৃষি কর্মকর্তা ।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরাইলে শীতার্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি শিউলী আজাদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

রুবেল মিয়া:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার  সরাইল উপজেলায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করছেন মহিলা সাংসদ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলী আজাদ।সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকালে এমপি শিউলী আজাদ সরাইল কুট্টাপাড়া নিজ গ্রামের বাড়ি প্রাঙ্গণে জনপ্রতিনিধি সহ অসহায় মানুষের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে কম্বল বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন।

তারই অংশ হিসেবে সরাইল উপজেলায় কম্বল বিতরণ করা হয়৷ এ সময় উপস্থিত ছিলেন সরাইল উপজেলার সদর ইউপির সাবেক (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান ও ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছাদেক মিয়া, যুবলীগ নেতা কাইছার খান,  সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. রুবেল মিয়া, সরাইল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো৷ জয়নাল আবেদীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।এমপি শিউলী আজাদ বলেন, শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে কম্বল বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন। তারই অংশ হিসেবে সরাইল উপজেলায় কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কালিয়াকৈরে ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শককে পেটালেন হোটেল কর্মচারীরা, গ্রেপ্তার-৬

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক খাবার হোটেলের মালিকের ছেলে ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের এক পরিদর্শককে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সফিপুর বাজার এলাকায়। এ ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই হোটেলের ৬ কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।আহত ওই পুলিশের নাম মোঃ মেহেদী হাসান (৪২)। তিনি গাজীপুর জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক হিসাবে কর্মরত আছেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মেহেদী হাসান কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর বাজার এলাকায় একটি বাড়িতে সপরিবারে ভাড়া থাকেন। শুক্রবার তার বাড়িতে কেউ না থাকায় তিনি দায়িত্ব পালন শেষে রাত ১০টার দিকে ইমা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে রাতের খাবার খেতে যান। ওই সময় তিনি সিভিল পোশাকে থাকায় হোটেল মালিকের ছেলে বা কর্মচারীরা কেউ জানতো না তিনি পুলিশ কর্মকর্তা। রাতের খাবারের জন্য তাকে রুটি, ডাল ও হালিম পরিবেশন করা হয়। ডাল ও হালিম থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সেই খাবার তিনি ফেরত দেন। ওই খাবার ফেরত দিলেও হোটেলের ক্যাশে থাকা হোটেল মালিকের ছেলে অলিউল্লাহ ওরফে শান্ত তার কাছে বিল দাবি করে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে অলিউল্লাহ কাচের গ্লাসের কিছু অংশ ভেঙ্গে তার মুখে আঘাত করে। এ সময় হোটেলে থাকা অন্য কর্মচারীরাও ওই পুলিশ কর্মকর্তার উপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সফিপুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সএ ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে হোটেল মালিকের মেয়ের জামাইসাইফুল্লাহ সুমন, মমিনুল ইসলাম, শাফায়েত হোসেন, আব্দুল রাজ্জাক, জাহিদ হোসেন ও রাকিবকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় আহত ওই পুলিশ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে ঘটনার মূল হোতা অলিউল্লাহ পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

আহত ট্রাফিক পরিদর্শক মেহেদী হাসান বলেন, ক্যাশে থাকা ছেলেকে আমি জিজ্ঞেস করেছি নষ্ট থাকায় আমি হালিম ও ডাল খাইনি তারপরও কেন বিল ধরেছেন? তখন সে আমার সঙ্গে উত্তেজিত হয়ে উঠে। একপর্যায়ে গ্লাস ভেঙ্গে আমার মুখে আঘাত করে।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, এ ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্য বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঘটার মুল হোতা হোটেল মালিকের ছেলেকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪