Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ফল হতে পারে ৫ জুন

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১১৩জন দেখেছেন
Image

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি ও তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় নিয়োগ সুপারিশ পাওয়ার পরও যেসব পদে প্রার্থীরা যোগদান করেননি এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম (ভি রোল) পাঠাননি সেসব পদের ফল ৫ জুন প্রকাশ করা হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের জানিয়েছে আগামী ৫ জুন ফল প্রকাশের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিফিং করবেন।

কত পদে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ করা হতে পারে এমন প্রশ্নে এ কর্মকর্তা বলেন, বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে ১৫ হাজার ১৬৩টি পদ রয়েছে। আর তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় নিয়োগ সুপারিশ পাওয়ার পরও সেসব পদে প্রার্থীরা যোগদান করেনি এবং ভি রোল (পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম) পাঠায়নি এমন শূণ্য পদের সংখ্যা ৭ হাজার ৮০০ এর বেশি।

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশন পর্যায়ে ১৫ হাজার ১৬৩টি পদে শিক্ষক পদে নিয়োগ সুপারিশের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

গত ২০ জানুয়ারি তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৭৩টি পদে বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করে এনটিআরসিএ।

৩৪ হাজার ৭৩টি পদের মধ্যে এমপিও পদ রয়েছে ৩০ হাজার ৯০৪টি। আর নন-এমপিও পদ রয়েছে ৩ হাজার ১৬৯টি।

৩৪ হাজার ৭৩ শিক্ষকের মধ্যে প্রভাষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন ছয় হাজার ৫০১ জন। এছাড়া সহকারী শিক্ষক পদে ২৪ হাজার ৪১৮, সহকারী মৌলভি পদে এক হাজার ৫২৮, ইবতেদায়ি মৌলভি পদে ৩৫৫, ট্রেড ইনস্ট্রাকটর পদে ৩৮৯, ইনস্ট্রাক্টর পদে ১০০, জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ৬, প্রদর্শক পদে ১৯৪, ইবতেদায়ি কারি পদে ৯৩ ও ইবতেদায়ি শিক্ষক পদে ৪৮৯ জন নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন।


আরও খবর



সিদ্ধিরগঞ্জে ইমন হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা-আসামী ১৩

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৯৯জন দেখেছেন
Image

স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃআবু কাওছার মিঠু 


নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে যুবক ইমন হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকালে নিহতের বোন নাদিয়া আক্তার বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ ৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। 


এর আগে বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের বাঘমারা এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ওই যুবক খুন হন। অভিযুক্তরা হলেন মশিউর রহমান রাজু (২২) মোঃ রাসেদুজ্জামান রাসেল (২৭), মোঃ খলিল (১৮), স্বপন (১৯) ও ইব্রাহিম (২০)।


মামলাসূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ভাই ইমন ও শাহরিয়ার জয়কে অভিযুক্তরা আঘাত করে। তার ডাক-চিৎকার করলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। 


পরবর্তীতে এলাকার স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থল থেকে তার ভাই ও আমার ভাইয়ের বন্ধু জয়কে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করে। 


অপরদিকে শাহরিয়ার আহমেদ জয়ের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় বর্তমানে সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  


মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



শিবগঞ্জের একটি ওয়ার্ডের ভোট বাতিল, ফের গ্রহণের নির্দেশ

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের একটি ওয়ার্ডের ভোট বাতিল করেছেন আদালত। উপজেলার ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট বাতিল করে পুনরায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৭ আগস্ট) বিকেলে নির্বাচনী ট্রাইবুনালের বিচারক ও সিনিয়র সহকারী জজ সুমন কুমার কর্মকার এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বাদী, আইনজীবী ও নির্বাচন কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ নভেম্বর শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে তিনজন প্রার্থী অংশ নেন। নির্বাচনী ফলাফলে জামাল উদ্দিনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তিনি ফুটবল প্রতীকে ৮৮১ ভোট, এ কে এম শামসী কাবরেজ আলো মোরগ প্রতীকে ৭৭১ ও জালাল উদ্দীন মিছু টিউবওয়েল প্রতীকে ১১৫ ভোট পেয়েছেন বলে ঘোষণা দেন প্রিজাইডিং অফিসার। ফলাফল ঘোষণার পর তা প্রত্যাখ্যান করে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন মোরগ প্রতীকের প্রার্থী এ কে এম শামসী কাবরেজ আলো।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ভোট গ্রহণের দিন ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী জামাল উদ্দিনের লোকজন ব্যালট পেপার ছিনতাই করে ৩০০ সিল মারে। এছাড়া আমার মোরগ প্রতীকের সিল থাকা দুই শতাধিক ব্যালটের ভোট বাতিল করতে অন্য আরেকটি প্রতীকের ডাবল সিল মারে তারা। ভোটের দিন জাহাঙ্গীরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখলে রেখে এসব অনিয়ম করে জামাল উদ্দিনের লোকজন। পরে এ বিষয়ে ন্যায্য বিচার পেতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. তাসিনুর রহমান বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আদালত ভোট বাতিল করেছেন। বিজয়ী প্রার্থী চাইলে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে। আদালতের আদেশের অনুলিপি হাতে পেলেই পুনরায় ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের তফসিল ঘোষণা ও ভোটগ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



বিলাসদ্রব্য আমদানি ঠেকানো জরুরি: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর। অধ্যাপনা করছেন বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির সংকট, সংকট উত্তরণে করণীয় প্রসঙ্গ নিয়ে মুখোমুখি হন জাগো নিউজের। বলেন, সুশাসন ও জবাবদিহি না থাকার কারণেই এই সংকট। বাণিজ্য ঘাটতি দ্রুত কমিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলেও মত দেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সায়েম সাবু

জাগো নিউজ: গত কয়েক বছরে দেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান। সরকার এখন কৃচ্ছ্রসাধনের কথা বলছে। বিষয়টি কীভাবে দেখছেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: একটি রাজনৈতিক দল তার কর্মকাণ্ড নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করবেই। এটি তার রাজনৈতিক কৌশল। সরকার মেগা প্রকল্পগুলো নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাবেই। বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে যে পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েছে তার সঙ্গে কয়েকটি কারণ সম্পৃক্ত বলে মনে করি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেছে। রেমিট্যান্স কমে যাচ্ছে। আমদানি-রপ্তানির মধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

আমরা এককেন্দ্রিক রপ্তানির দিকে গিয়েছি। রপ্তানির বৈচিত্র্য নেই বললেই চলে। মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। জোগান কম। চাহিদা বেশি। দুর্নীতি চরম মাত্রায়। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট রয়েছে। নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা রয়েছে। ব্যাংকব্যবস্থা সঠিক ভূমিকা রাখতে পারেনি। বিষয়গুলো তো চেইনের মতো। একটির সঙ্গে আরেকটি জড়িত। এই অব্যবস্থাপনা তো দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। চাইলেই চট করে সংকট দূর করা সম্ভব হবে না।

সরকার তো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। যেমন- মালয়েশিয়ায় জনবল পাঠানোর কথা। কিন্তু থমকে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ আছে কি না তা এখনো দৃশ্যমান হয়নি। তবে আমি মনে করি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফরেন রিজার্ভ, মূল্যস্ফীতি, আমদানি-রপ্তানি ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

জাগো নিউজ: এই নিয়ন্ত্রণ কীভাবে সম্ভব?

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: সবার আগে আমদানি-রপ্তানির মধ্যকার ঘাটতি কমিয়ে আনতে হবে। তবে এটিও যে চট করে সম্ভব তা নয়। আমাদের তো রপ্তানি একমুখী। পোশাকশিল্পের বাইরে আর কোনো পণ্যে জোর দিতে পারিনি। আবার আমদানি কমিয়ে দিলে শিল্পের মারাত্মক ক্ষতি হবে। অনেক কাঁচামাল আমদানি করে উৎপাদন করতে হয় আমাদের।

সরকারের কঠোর নজরদারি দরকার এখন। মুদ্রাপাচার বন্ধ করতে হবে। পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনতে হবে। অনেক টাকা বাইরে পড়ে আছে। ব্যাংকগুলো এজন্য দায়ী। তাদের তাগিদ দিতে হবে। রেমিট্যান্স বাড়ানোর উপায় বের করতে হবে। তাহলে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আসতে পারে।

জাগো নিউজ: স্বাধীনতার পর প্রথম এত বেশি বাণিজ্য ঘাটতি। রপ্তানি আয়ও তো বাড়ছে। বাণিজ্য ঘাটতির এই সূচকের মধ্য দিয়ে আসলে কী প্রকাশ পাচ্ছে?

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: বাণিজ্য ঘাটতি ক্রমান্বয়ে বেড়ে যাচ্ছিল। এখন বিশ্ববাজারে পণ্যের মূল্য বহুগুণে বেড়ে গেছে। কোভিডের পর এটি দেখা দিয়েছে। আমরা তো রপ্তানি খুব বাড়াতে পারিনি। রপ্তানি আয় বাড়ছে ঠিক। কিন্তু আমদানি ব্যয়ের তুলনায় খুব কম।

জাগো নিউজ: এখন কী করণীয়?

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া আমদানি না করাই ভালো। বিলাসদ্রব্য আমদানি ঠেকানো জরুরি। অন্যদিকে শুধু তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভর না করে রপ্তানির ক্ষেত্র আরও বাড়ানো দরকার। পাট, চামড়া, চায়ে জোর দিতে পারতাম। ইলেকট্রিক্যাল পণ্য রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব। হস্তশিল্প, তাঁতশিল্প, হোম টেক্সটাইল রয়েছে। প্রয়োজনে এসবে প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এসবে কেন প্রণোদনা দেওয়া হয় না আমার বুঝে আসে না। এতে মানুষের কর্সংস্থান হবে। রপ্তানি আয় বাড়বে।

আসলে আমদানি প্রক্রিয়ায় কোনো অসঙ্গতি আছে কি না, তা আগে খুঁজে বের করতে হবে। আমদানির নামে টাকা পাচার হয়ে আসছে আগে থেকেই। এখন কী অবস্থায় আছে তা জানা জরুরি।

আর টাকার যে অবমূল্যায়ন হচ্ছে, তা কিছুটা মানতেই হবে। বিশ্ববাজার অস্থির। আপনি কিছুটা রোধ করতে পারবেন। কিন্তু একেবারে আগের জায়গায় ফিরে যেতে পারবেন না।

জাগো নিউজ: জ্বালানির সংকট তীব্র হচ্ছে। বিদ্যুতের উন্নয়নও হলো।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পলিসি ঠিক ছিল না। আমাদের কোন পদ্ধতিতে বিদুৎ উৎপাদনে যাওয়া দরকার ছিল, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়নি। সরকার একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে আজকের সংকট তৈরি করেছে। গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো যায়নি। নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান করা যায়নি। কয়লা নিয়ে পরিকল্পনা নেই। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়েও তেমন উদ্যোগ নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে আরও গ্যাস আছে। মিয়ানমার, ভারত সমুদ্র থেকে গ্যাস তুলছে। আমরা কেন পারছি না?

আবার আমাদের নিজেদেরও সমস্যা আছে। আমরা তো বাইরের কোম্পানিকে বরদাস্ত করতেও চাই না।

জাগো নিউজ: বাইরের কোম্পানি তো আসলে জাতীয় স্বার্থবিরোধী।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: আপনি সক্ষমতা অর্জন করতে পারছেন না। করছেন না। বিদেশি কোম্পানির ওপর নির্ভর করতেই হবে। না করলে ভালো। কিন্তু উপায় তো বের করতে হবে। পারছেন না কেন?

অনুসন্ধান চালাতে প্রযুক্তি লাগে। হাজার কোটি টাকার দরকার পড়ে। চাইলেই আপনি ব্যয় করতে পারছেন না।

আমাদের সমস্যা হচ্ছে রাজনৈতিক। বিদেশি কোম্পানিগুলোকে যেভাবে হ্যান্ডেল করার কথা, তা পারিনি। এটি আমাদের দুর্বলতা। এর দায় তো বিদেশিদের দিয়ে লাভ হবে না। পছন্দের কোম্পানি নিয়েও অনেক রাজনীতি হয় এখানে। ষড়যন্ত্র হয়।

জাগো নিউজ: অনেকেই দেশের অর্থনীতিতে শ্রীলঙ্কার সিনড্রম দেখছেন। সরকারবিরোধীরাও সমালোচনা করতে গিয়ে এমন বলছে। আপনি কী বলবেন?

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার পথে আমি বিশ্বাস করছি না। সংকট নিরসনে শ্রীলঙ্কা ঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেয়নি। সেখানে চরম মাত্রায় দুর্নীতি হয়েছে। অর্থপাচার হয়েছে। বিশেষ একটি গোষ্ঠী পলিসি নিয়েছে, সুবিধা নিয়েছে।

জাগো নিউজ: আর বাংলাদেশে?

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: কিছু কিছু সিনড্রম আছে বটে। কিন্তু আমাদের এখানে এগিয়ে যাওয়ার গল্পও আছে। তারা ট্যুরিজমের ওপর জোর দিয়েছিল। করোনায় ধস নেমেছে। শ্রীলঙ্কার হোটেলগুলোয় বোমা হামলা আরেকটি কারণ, যা আজকের পরিস্থিতি তৈরিতে সহায়তা করেছে। গার্মেন্টস সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জাগো নিউজ: পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া যেতে পারে?

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। সবার আগে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থপাচার রোধ করতে হবে। জবাবদিহি বাড়াতে হবে। এসবের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার। আসল কথা হচ্ছে, জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। জনগণ ভুগছে। ভুক্তভোগীর কথা না শুনলে আপনি সমাধান করবেন কীভাবে?


আরও খবর



শরীয়তপুরে তিন ছাত্রকে বলাৎকারচেষ্টা, মুয়াজ্জিন গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার সিরাজ উদ্দিন কওমি মাদরাসার তিন ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মসজিদের মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক ছাত্রের বাবা শনিবার (৬ আগস্ট) রাতে গোসাইরহাট থানায় মামলা করলে মুয়াজ্জিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার মো. রবিউল ইসলাম (২৫) বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার মরিচবুনিয়া গ্রামের তৈয়ব আলী ব্যাপারীর ছেলে। তিনি গোসাইরহাট উপজেলার দাসেরজঙ্গল বাজার বড় মসজিদের মুয়াজ্জিন। রোববার তাকে শরীয়তপুর আদালত পাঠিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গোসাইরহাটের সিরাজ উদ্দিন কওমি মাদরাসার পাশে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকতেন মুয়াজ্জিন রবিউল। একই যায়গায় থেকে পড়াশোনা করতো ওই তিন শিশু। গত ১০ জুলাই রাত ৩টার দিকে শিশুদের পোশাক খুলে বলাৎকারের চেষ্টা করেন রবিউল। পরেরদিন সকালে বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায় শিশুরা। পরে গোসাইরহাট থানায় মামলা করা হয়।

ভুক্তভোগীর এক বাবা বলেন, আমার শিশু ছেলেসহ আরও দুইজন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ওই মুয়াজ্জিনের কাছে কোনো শিক্ষার্থীই নিরাপদ নয়। আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম সিকদার বলেন, আসামি রবিউলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও যৌন নিপীড়ন অপরাধ আইনে মামলা করা হয়েছে। আজ দুপুরে রবিউলকে আদলতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



‘কালো তাজমহলের’ দেখা পাবেন যেখানে

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

ভারতের আগ্রার তাজমহলে সৌন্দর্য বিশ্বাসীকে মুগ্ধ করে। এর কাঠামোগত সৌন্দর্য দেখে দূর থেকেই পর্যটকরা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। ভারতের সর্বাধিক দর্শনীয় এক স্থান হলো তাজমহল।

এটি বিশ্বের সাতটি আশ্চর্যের মধ্যে একটি। তাজমহটি পারস্য, ইসলামিক ও ভারতীয় স্থাপত্যের একটি নিখুঁত সংমিশ্রণ।

তবে আপনি কি জানেন, ভারতে আরও একটি তাজমহল আছে। যেটি ‘কালো তাজমহল’ নামে পরিচিত। ভারতের বুরহানপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরেই এই তাজমহলের অবস্থান।

সেখানে আছে শাহ নওয়াজ খানের সমাধি। স্থানীয়দের কাছে স্থাপনাটি ‘কালো তাজমহল’ নামেই পরিচিত। এটি ১৬২২-১৬২৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে নির্মিত হয় বলে জানা গেছে।

নথি অনুসারে, শাহ নওয়াজ খান ছিলেন আবদুল রহিম খানখানার জ্যেষ্ঠ পুত্র। যাকে তার সাহসিকতার কারণে মুঘল সেনাবাহিনীর সেনাপতি করা হয়েছিল।

তিনি ৪৪ বছর বয়সে মারা যান। পরে তাকে বুরহানপুরের উতাওয়ালি নদীর তীরে সমাহিত করা হয়। নথি অনুযায়ী, সেখানে শাহনওয়াজ খানের স্ত্রীর সমাধিও আছে।

এই সুন্দর স্মৃতিস্তম্ভটি তাজের আকৃতিতে নির্মিত, যদিও এর আকার অনেক ছোট। যেহেতু এটি স্থানীয়ভাবে পাওয়া কালো রঙের পাথর দিয়ে নির্মিত হয়েছিল, তাই কাঠামোটির নামকরণ করা হয়েছিল কালো তাজ।

এটি একটি বড় গম্বুজ-সদৃশ কাঠামো। এর চারপাশে আছে বাগান। এটি আকারে বর্গাকার। এর খিলানযুক্ত বারান্দাসহ চার কোণে ষড়ভুজ মিনার আছে।

দেওয়ালের ভেতরে দিকে সুন্দর চিত্রকর্ম আঁকা আছে। সমাধির নীচে অবস্থিত শাহ নওয়াজ খানের প্রকৃত কবর। সেখানে যাওয়ার জন্য একটি ছোট সিঁড়ি আছে।

বুধবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিনে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে কালো তাজমহল।


আরও খবর