Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে অটল ডিআইএ, সংকট জনবলের

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নানান অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। এতে রোধ হচ্ছে সরকারের মোটা অংকের টাকা অপচয়। কোনো শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পেলেই সোচ্চার হয় সংস্থাটি। কিছু বিষয়ে অটোমেশন চালু করায় অনেক সমস্যা মিটলেও এখনো রয়েছে লোকবল সংকট। জনবল বাড়ানো ও কর্মকর্তাদের সময়পোযোগী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে কাজের গতি আরও বাড়বে বলে মনে করেন সংস্থাটির পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর।

জানা যায়, জালিয়াতি করে চাকরির মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাৎ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক অনিয়ম, জমি বেহাত হওয়া চিহ্নিতকরণ, ভুয়া শিক্ষক-ছাত্র শনাক্ত, আয়-ব্যয়ের হিসাব ও অর্থ আত্মসাতের তথ্য-প্রমাণ চিহ্নিতকরণ, এক শিক্ষকের একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ আদায় চিহ্নিতকরণ, নির্ধারিত সময়ের আগে উচ্চতর স্কেল গ্রহণ বন্ধসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা ধরনের অনিময়-দুর্নীতি বন্ধে কাজ করছে ডিআইএ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডিআইএ থেকে এ পর্যন্ত ১১শ ৫৬ জন শিক্ষকের ভুয়া সনদ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব শিক্ষক অবৈধভাবে নিয়েছেন সাড়ে ৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০ শতাংশ শিক্ষকের কাছ থেকে সে অর্থ আদায় করা সম্ভব হয়েছে। কেউ কেউ সাধারণ ক্ষমায় পার পেয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ডিআইএ’র যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একমাত্র প্রতিষ্ঠান ডিআইএ। এ প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘চোখ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ডিআইএর তদন্তের মাধ্যমে সব ধরনের স্কুল-কলেজের অনিয়ম প্রকাশ পাচ্ছে।

‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যারা বিধিবর্হিভূত কাজ করছে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তথ্য-প্রমাণসহ ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করছি। এর মাধ্যমে সরকারি তহবিলের অর্থ অপচয় রোধ হচ্ছে।’

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আইন শাখার উপ-পরিচালক মোহম্মদ লিয়াকত আলী জাগো নিউজকে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী অপরাধীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হয়। সেজন্য ডিআইএ থেকে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠালে সেটি একজন অতিরিক্ত সচিবের সমন্বয়ে শুনানি করা হয়। সেখানে কেউ নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলে তাকে সাধারণ ক্ষমা করা হয়। এ পদ্ধতির ব্যত্যয় ঘটালে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারেন।

জানা যায়, সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে পাঁচ-ছয় বছর আগে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহির আওতায় আনতে পরিদর্শন কাজ ডিজিটালাইজ করা হয়। এতে তদন্ত কাজে বাড়ে গতি। তবে উদ্যোগ নিয়েও তহবিলের অভাবে জোড়া পরিদর্শন (পেয়ার ইন্সপেকশন) চালু করতে পারেনি। এটি চালু করা গেলে প্রতিবছর সব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা সম্ভব হতো।

বর্তমানে সংস্থাটির জনবলের অভাব আছে। চার দশক আগে মাত্র সাড়ে সাত হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের জন্য এ সংস্থায় যে জনবল ছিল, বর্তমানে ৪০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও সেই একই সংখ্যক জনবল আছে। এ কারণে সংস্থাটি বছরে গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করতে পারছে। ফলে একটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে আসার পর দ্বিতীয়বার যেতে সময় লেগে যাচ্ছে অন্তত ১০ বছর।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২০১২ সালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ সংস্থাটি পরিদর্শন করেছিল। ১০ বছর পর আবার সেখানে এ সংস্থার একটি টিম তদন্ত কাজ চালাচ্ছে। গত ১০ বছরে এ সংস্থার বিরুদ্ধে অবৈধ ভর্তি, জাল সনদে পদোন্নতিসহ বিস্তর অভিযোগ উঠেছে।

বিভাগভিত্তিক ভুয়া সনদ ও অর্থ আদায়ের সুপারিশ
ডিআইএর অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের মে মাস পর্যন্ত সারাদেশে মোট ১ হাজার ১৫৬ জন শিক্ষকের জাল সনদ চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতায় ঢাকা বিভাগের ২৫৬ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৪৪ জন, রাজশাহীতে ৩২৩ জন ও খুলনার রয়েছেন ১৯৪ জন।

মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের আওতায় ঢাকা বিভাগে ১১০ জন, চট্টগ্রামে ৫২ জন, রাজশাহীতে ১২০ জন, খুলনায় ৫৭ জনসহ মোট ৩৩৯ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিমাসে মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও) বাবদ গ্রহণ করা ৪০ কোটি ৬৯ লাখ ৭৬ হাজার ৩৬২ টাকা আদায় করতে সুপারিশ করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। এসব শিক্ষকের মধ্যে একাডেমিক, এনটিআরসিএ, কম্পিউটার, কৃষি, বিশেষায়িতসহ বিভিন্ন ধরনের সনদ জাল প্রমাণিত হয়েছে বলে জানা যায়।

ডিআইএ পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর জাগো নিউজকে বলেন, শুরুতে দেশের সাড়ে ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ডিআইএ প্রতিষ্ঠা হলেও বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার প্রতিষ্ঠান নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান বাড়লেও সে অনুযায়ী জনবল বাড়ানো হয়নি। অবকাঠোমো সমস্যার কারণে জরুরি ফাইল রাখারও জায়গা হচ্ছে না। এতে তদন্ত তৈরি হয়েছে কাজে ধীরগতি।

‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বহুমাত্রিক অনিয়ম রোধে আমাদের পরিদর্শকরা কীভাবে কাজ করবেন সে বিষয়ে ভালো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। অন্যান্য দেশে কীভাবে পরিদর্শন-তদন্ত করা হচ্ছে সেটি দেখা সম্ভব হলে পরিদর্শকরা আরও অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন। আমাদের কাজের গতি বাড়াতে একটি অটোমেশন সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। এটি পুরোদমে কার্যকর হলে পরিদর্শকরা কাউকে ছাড় দেওয়া বা অবহেলা করার সুযোগ পাবেন না। শিক্ষা প্রশাসনের সবাই ডিআইএর কাজ যে কোনো স্থান থেকে মনিটরিং করতে পারবেন।’

পরিচালক আরও বলেন, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ হয়। এসব শিক্ষকদের সুপারিশ করার আগে তাদের সনদ যাচাই-বাছাই করলে জাল করার সুযোগ থাকবে না। সেক্ষেত্রে ডিআইএ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও একাডেমিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবে। কাজের গতি অনেক বাড়বে। জাল সনদ চিহ্নিত কারণে কর্মকর্তাদের বেশি সময় নষ্ট হচ্ছে।


আরও খবর



যতদিন বেঁচে আছি, দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া শিশুর খোঁজ রাখবো: বর্ষা

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় মায়ের পেট ফেটে জন্ম নেওয়া শিশুকে আর্থিক সহায়তা করেছেন চিত্র নায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা। তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন, দূর থেকে হলেও ওই নবজাতকের খোঁজ নিবেন বলে জানিয়েছেন।

শনিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর যমুনা ব্লকবাস্টারে ড্রিম ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশনের শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে আয়োজিত ‘দিন দ্য ডে’র বিশেষ শো-এ সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বর্ষা বলেন, ‘আমি নিজে থেকেও অনেক সময় চেষ্টা করি সামাজিক কাজে এগিয়ে আসার জন্য। অনেক সময় নিজে থেকে অনেক সামাজিক কাজ করা হয়। কিন্তু অনেক কিছু আসলে বলা হয় না। সম্প্রতি ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় এক গর্ভবতী মায়ের পেট ফেটে বাচ্চা বের হয়ে যায়। আমি যখন নিউজটা দেখলাম, খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, ‘দেখে মনে হচ্ছিল বাচ্চাটি যেন আমারই। আমার যদি কোনোদিন মেয়ে হয় এমনি হবে। বিষয়টি দেখার পর ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসকের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করি বাচ্চাটা কেমন আছে, কোনো কিছু লাগবে কি না। তিনি জানিয়েছেন ভালো আছে এবং শিশুটির জন্য একটা ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খুলেছেন। বাচ্চাটার ভালো চিকিৎসার জন্য তখন সহায়তা করেছি।’

নিয়মিত শিশুটির খোঁজ রাখবেন জানিয়ে বর্ষা বলেন, কোনো সময় ফ্রি হলে বাচ্চাটাকে দেখতে যাবো। রাতে নিউজ দেখলাম, ওকে ঢাকার আজিমপুরে নিয়ে আসছে। আমি সেখানে যাবো, সেখানকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলব। যতদিন আমি বর্ষা বেঁচে আছি, বাচ্চাটাকে দেখাশোনা করবো, দূর থেকেও হলেও।’

এর আগে শুক্রবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ওই নবজাতকের ছাড়পত্র দিলে গাড়িযোগে ঢাকার আজিমপুর শিশু নিবাসে পাঠানো হয়।

১৬ জুন দুপুরে জাহাঙ্গীর আলম তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রত্না আক্তার, মেয়ে সানজিদা আক্তারকে নিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করাতে ময়মনসিংহের ত্রিশালে আসেন। পৌর শহরের খান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে জাহাঙ্গীর আলম, স্ত্রী রত্না এবং মেয়ে মারা যান। তবে ট্রাকচাপায় রত্নার পেট ফেটে কন্যাশিশুর জন্ম হয়।


আরও খবর



আকিজ গ্রুপে চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আকিজ গ্রুপে ‘অফিসার/সিনিয়র অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৮ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: আকিজ গ্রুপ
বিভাগের নাম: অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স

পদের নাম: অফিসার/সিনিয়র অফিসার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এম.কম (অ্যাকাউন্টিং)/সিএ
অভিজ্ঞতা: ০২ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ২৫-৩২ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৮ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



দেশে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বেশি চট্টগ্রামে

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

দেশের মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ মানুষ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। এর মধ্যে অঞ্চলভেদে সবচেয়ে বেশি সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার হয় চট্টগ্রামে।

বুধবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রথম ডিজিটাল ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবিএস প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ মানুষ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। এর মধ্যে অঞ্চলভেদে চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ মানুষ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। এ বিভাগের বিদ্যুতের সুবিধা এখনো পাননি এমন সংখ্যাও বেশি। চট্টগ্রাম বিভাগের ১ দশমিক ২৩ শতাংশ মানুষ এখনো বিদ্যুৎ সেবার সুবিধা পাননি।

বিবিএসের প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা আট কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা আট কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদন বিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।


আরও খবর



স্বামীর বাড়ি থেকে নববধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০১ August ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

মানিকগঞ্জের ঘিওরে স্বামীর বাড়ি থেকে সুমি আক্তার (২২) নামে এক নববধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার হাত বাঁধা ছিলো।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বানিয়াজুড়ি ইউনিয়নের শোলধারা গ্রামের স্বামীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুমি আক্তার একই ইউনিয়নের কাকজোর গ্রামের দিনমজুর রহম আলীর মেয়ে। মাত্র দুই মাস আগে শোলধারা গ্রামের মৃত রশিদ মোল্লার ছেলে মানিকগঞ্জ জজকোর্টের আইনজীবীর সহকারী রাসেল মোল্লা ওরফে রুপকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়।

মানিকগঞ্জের শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূরজাহান লাবনী জানান, দুপুরে এক আইনজীবী থানায় ফোন করে জানান তার এক আত্মীয়কে ছেলের বউ ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাসপাতালে ভর্তির জন্য থানায় জিডি করা লাগতে পারে। ঘটনা জানার পর ছেলের বউকে ধরতে পুলিশ সেখানে গেলে বাড়ি ফাঁকা পাওয়া যায়। এরপর ঘরের একটি রুমে সুমি আক্তারের গলাকাটা মরদেহ পাওয়া যায়।

কয়েকজন প্রতিবেশি জানান, দুপুরে রুপ তার মাকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি থেকে বের হতে দেখেছেন। ওই বাড়িতে আশপাশের লোকজনের তেমন যাতায়াত ছিল না। এ কারণে কেউ ঘটনা টের পাননি। তবে সকালে ঝগড়ার শব্দ পেয়েছেন বলে জানান কয়েকজন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূরজাহান লাবনী আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। রুপক তার মাকে নিয়ে সাভারের একটি হাসপাতালে আছেন বলে জানা গেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই রহস্য জানা যাবে।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজুদ্দিন আহমেদ বিপ্লব জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্ততি চলছে।


আরও খবর



চট্টগ্রামে চেক প্রতারণার মামলায় ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড, জরিমানা

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামে চেক প্রতারণা মামলায় মো. সিরাজউদ্দৌলা নামের ব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড ও আড়াই কোটি টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। সোমবার (১ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক জেসমিন আক্তার কলি এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সিরাজদ্দৌলা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা। তিনি মেসার্স সামিয়া এন্টাপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে জানা গেছে। বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সিরাজউদ্দৌলা যমুনা ব্যাংক, আগ্রাবাদ শাখা থেকে প্রায় তিন কোটি ৬৬ লাখ টাকা ঋণ নেন। নির্ধারিত সময়ের পরে তিনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে আড়াই কোটি টাকার একটি চেক দেন। পরে চেকটি ব্যাংক থেকে ডিজঅনার হলে ২০১৫ সালের ১৬ এপ্রিল চট্টগ্রাম মূখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার আদালত সিরাজউদ্দৌলাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ আড়াই কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। আসামিকে গ্রেফতারের পরপরই এ রায় কার্যকর হবে বলে জানান অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান।


আরও খবর