Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
চট্টগ্রামবাসী না চাইলে সিআরবিতে হাসপাতাল নয়: রেলমন্ত্রী

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প চাপিয়ে দেওয়া হবে না : রেলমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ০১ November ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১৮৩জন দেখেছেন
Image


 

চট্টগ্রামের মানুষ না চাইলে সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প চাপিয়ে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। সোমবার দুপুরে রেল ভবনে নাগরিক সমাজ-চট্টগ্রাম এর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এ কথা বলেন তিনি।

 

রেলমন্ত্রী বলেন, হাসপাতাল করতে হলে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) থেকে নকশা অনুমোদন দিতে হবে। সিডিএ যদি নকশা না দেয় সেখানে হাসপাতাল হবে কী করে? আর অন্যান্য সংস্থার অনুমোদনে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও সেখানে কোনো কিছু করা সম্ভব না। সবচেয়ে বড় কথা, চট্টগ্রামবাসী না চাইলে সেখানে হাসপাতাল প্রকল্প হবে না।

 

সিআরবিতে হাসপাতাল প্রকল্প রেল মন্ত্রণালয় গ্রহণ করেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পিপিপি অথরিটির প্রকল্প। বিনিয়োগও বেসরকারি। সুতরাং রেল মন্ত্রণালয়ের এখানে করার কিছুই নেই। নাগরিক সমাজের দেওয়া যাবতীয় তথ্য উপাত্ত আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবো, তিনিই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। তবে আমার অভিমত হচ্ছে, আইন ও চট্টগ্রামবাসীর সেন্টিমেন্টের বাইরে যাওয়া ঠিক হবে না। আমরা যা কিছু করছি জনগণের কল্যাণে।

 

মতবিনিময়ের সময় মন্ত্রীর কাছে প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন নাগরিক সমাজ- চট্টগ্রাম’র সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল।

 

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



নাসিরনগর সরকারি কলেজ শাখার ছাত্রদলের কমিটি গঠন।

প্রকাশিত:Friday ০৭ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৪৩জন দেখেছেন
Image


মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর সরকারী কলেজ শাখার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।


গত ৫ জানুয়ারী ২০২২ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া  জেলা ছাত্র দল সভাপতি শেখ মোঃ হাফিজ উল্লাহ হাফিজ ও সাধারন সম্পাদক রুবেল চৌধুরী ফুজায়েল স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি অনুমোদন লাভ করে।


উক্ত কমিটিতে ইয়াছিন মাহমুদ কে  আহবায়ক ও খায়রুল বাশার রনি কে সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছে।


আরও খবর



দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক" দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে উন্নয়ন, প্রযুক্তি জ্ঞান বৃদ্ধি এবং বিশ্ব দরবারে যেন তারা মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেইভাবে আওয়ামী লীগ সরকার পদক্ষেপ নেয় এবং বাস্তবায়ন শুরু করে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাতগুলো উন্মুক্ত করে দেই। সরকার জনগণের সেবক; সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবস্থিত সামরিক জাদুঘর উদ্বোধনের পর তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরটি উদ্বোধন করে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,‘এটি সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং আমাদের তিন বাহিনী সম্পর্কে আমাদের তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে। সম্যক জ্ঞান পাবে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের মধ্যে একটি প্রেরণা আসবে। তারা তৃপ্ত হবেন।’

সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পেছনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন,‘স্বাধীনতার পরে তিনি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী গঠন করেন। তাদের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলেন। সাড়ে তিন বছর সময়ের মধ্যে রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য তিনি কাজ করেছেন। যুদ্ধ ক্ষতবিক্ষত দেশকে তিনি শূন্য থেকে দাঁড়িয়ে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাম পর্যায়ে উন্নয়ন ও তারা যাতে আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারেন তার জন্য বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেটা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। একই সঙ্গে আমার মা ও ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনজন হারিয়েছিলাম এটা সত্য কিন্তু বাংলাদেশ কী হারিয়েছিল? একের পর এক ক্যু হয়েছে। শত শত সেনা অফিসারকে জীবন দিতে হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো তাদের খোঁজও পায়নি। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের ওপর চলে অত্যাচার নির্যাতন। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ যে আদর্শ নিয়ে স্বাধীন হয়েছিল তার থেকে বিচ্যুত হয়। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থেমে যায় যা কখনো হওয়ার কথা নয়।’

বারবার নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমরা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার কারণে কেবল দেশের উন্নয়ন নয় বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। ইশতিহারের ঘোষণা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।’

জাদুঘরের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে ইতিহাস রয়েছে-স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সেই সঙ্গে আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক সশস্ত্র বাহিনী-দেশের মানুষ যেন সে সম্পর্কে জানতে পারে, উপলব্ধি করতে পারে, আমাদের সামরিক বাহিনী অর্থাৎ সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী কী কাজ করে, কিভাবে চলে বা অতীতে তারা কী করেছে সে বিষয়ে মানুষকে জানানো একান্তভাবে দরকার। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা, একই সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে-সে সম্পর্কে জানা দরকার।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকে যে সামরিক জাদুঘরটি আমরা দেখছি-এটি প্রথমে নির্মিত হয়েছিল খুব ক্ষুদ্র পরিসরে। বিজয় সরণির পাশের জায়গাটিতে এটি প্রস্তুত করা হয়। আমার খুব আকাঙ্খা ছিল-এটিকে খুব আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার। তারই পাশে আরেকটি জায়গায় আমি প্রথমবার যখন সরকারে আসি, প্লানেটোরিয়াম করে ফেলি।’

তিনি বলেন, ‘যে কোনো কাজ আমি প্রথমবার যখন করতে গেছি, প্রতিটি ব্যাপারেই কিন্তু পরবর্তী সরকার এসে আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। প্লানেটোরিয়াম যখন আমি করলাম এর জন্য আমার বিরুদ্ধে দুটো মামলা দেওয়া হয়েছিল। কেন দেওয়া হয়-আমি ঠিক জানি না। আমরা যখন প্লানেটোরিয়াম করেছি, তখনই সমস্ত ইউটিলিটি যেন সামরিক জাদুঘর এবং প্লানেটোরিয়াম-উভয়েই শেয়ার করতে পারে সে ব্যবস্থাও নিয়েছিলাম। আর সেই সঙ্গে সরকার প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সময় বিদেশে যখন আমরা যাই বা কোনো সরকার প্রধান যখন আমাদের দেশে বেড়াতে আসে তখন যে উপহার দেয়-সেগুলো সংরক্ষণ করা এবং দৃষ্টিনন্দনভাবে রাখা ও মানুষের সামনে তুলে ধরার ব্যবস্থাও করি। আমাদের যে তোষাখানা জাদুঘর আছে বঙ্গভবনে, সেখানে স্টোর রুমের মতো জিনিসপত্রগুলো রাখা। কিন্তু সেগুলো মানুষের সামনে প্রদর্শন করবার ব্যবস্থা আমি নিয়েছি। এজন্য এই জায়গায় আমরা তোষাখানা জাদুঘরও নির্মাণ করি। এবং এটা সামরিক বাহিনীর হাতেই দিয়েছিলাম, একটা কমিটিও আমরা করে দেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই সঙ্গে সামরিক জাদুঘরটাকেও অত্যন্ত আধুনিক করে গড়ে তোলা এবং এটা যেন দৃষ্টিনন্দন হয়-সারা বিশ্বের যত সামরিক জাদুঘর হয়েছে, তারমধ্যে যেন শ্রেষ্ঠ জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় সেটাই আমার আকঙ্খা ছিল। আমি এই জাদুঘরটি এখনো সরেজমিনে দেখিনি, প্রাথমিক পর্যায়ে যখন কাজ শুরু হয় তখন কিছুটা দেখেছি, যখন যতটুকু ডেভেলপ হয়েছে আমি ছবিতে দেখেছি, এবং যখন যেটা নির্দেশনা দেওয়ার আমি দিয়েছি, কিন্তু যতটুকু এখন দেখলাম—আমি মনে করি, এটা হবে সর্বশ্রেষ্ঠ, সুন্দর, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি সামরিক জাদুঘর। কাজেই সেভাবে এটি তৈরি হোক সেটাই আমি চাই।’

তিনি বলেন, ‘জাদুঘর শুধু প্রদর্শনীর জন্য না, এটা দেখে আমাদের তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশপ্রেমে জাগ্রত হয়ে তারা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যোগদান করতে আগ্রহী হবে, এগিয়ে আসবে।’


আরও খবর



আইভীর জন্য মাঠে আ.লীগ ‘ভিন্ন কৌশলে’ তৈমূর

প্রকাশিত:Friday ০৭ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৩৭জন দেখেছেন
Image

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন সাতজন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী এবং স্বতন্ত্র তৈমূর আলম খন্দকারের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে- বলছেন স্থানীয়রা। মাঠেও এ দুই প্রার্থীকে সমানতালে প্রচারে দেখা যাচ্ছে। এ দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে নিয়ে সিটিতে চলছে এখন আলাপ-আলোচনা। আগামীতে কে হচ্ছেন এই সিটির মেয়র, তারই অপেক্ষায় রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের প্রায় সোয়া পাঁচ লাখ ভোটার।

নৌকার প্রার্থী ডা. আইভীকে জেতাতে মাঠে নেমেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। তারা বিভিন্ন সময় নারায়ণগঞ্জে এসে সভাসমাবেশও করছেন। তাদের নির্দেশনায় নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ কাজ করছেন। অন্যদিকে স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী তৈমূর আলমের প্রচার চলছে ভিন্ন কৌশলে। তার পাশে নেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। উপরন্তু একের পর এক দলীয় পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে তাকে। নির্বাচনী প্রচারে দেখা যাচ্ছে না নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির শীর্ষ কোনো নেতাকেও। রাজনীতি পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যেহেতু বিএনপি বলছে- এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে তারা কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না। তাই ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তৈমূর আলমকে সুযোগ করে দিয়েছেন তারা।

ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর পক্ষে সবচেয়ে বড় সমাবেশটি হয়েছিল ২৪ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের শেখ রাসেল পার্কে। বিজয় সমাবেশের ব্যানারে ওই সমাবেশটি হলেও অনেকেই বলছেন- এটি আইভীর নির্বাচনী সমাবেশ। বিশাল ওই জনসমাবেশে ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। তবে ছিলেন না নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান। এর পর নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বেশ কয়েকটি সভা করেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এ ছাড়া যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দও নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন সময় আইভীর নির্বাচন ঘিরে সমাবেশ করেছে। সর্বশেষ কর্মী-সমাবেশ হয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জে গত বুধবার।

এদিকে তৈমূরকে একের পর এক দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত ২৬ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ৩ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সবশেষ গত বুধবার জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যপদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ফোরামের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সদস্য আব্দুল্লাহ আল মাহবুব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কেন একের পর এক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে, তা জানতে গতকাল তৈমূর আলমকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

গতকাল সিদ্ধিরগঞ্জ এবং বন্দরে প্রচার চালান আইভী ও তৈমূর। আইভী প্রচার চালান সিদ্ধিরগঞ্জের ১০নং ওয়ার্ডে এবং বন্দরের ২৫নং ওয়ার্ডে। অন্য তৈমূর সিদ্ধিরগঞ্জের ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডে প্রচার চালান। ডা. আইভী তার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য সুযোগ চান। পক্ষান্তরে তৈমূর আলম বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানান।


আরও খবর



ড. ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব

প্রকাশিত:Monday ২৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ ইউনূসের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়ে তার সব ধরনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

গত বৃহস্পতিবার ড. ইউনূসের সব ধরনের ব্যাংক ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনের তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে বিএফআইইউ। চি‌ঠিতে গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক এই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) কোনো লেনদেনের রেকর্ড থাকলে তা আগামীকাল মঙ্গলবারের মধ্যে বিএফআইইউকে পাঠাতে বলা হয়েছে।

তবে কী কারণে ড. ইউনূসের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়েছে, তা জানানো হয়নি।

বিএফআইইউ সূত্রে জানা যায়, তদন্তের প্রয়োজনে বিভিন্ন সংস্থা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়। ড. ইউনূসের ক্ষেত্রে তেমন কোনো সংস্থা এ ধরনের কোনো তথ্য চায়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নিজস্ব প্রয়োজনে এই তথ্য চেয়েছে।

এর আগে, ২০১৬ সালে একবার ড. ইউনূস ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই ব্যাংকটিতে এমডির দায়িত্ব পালন করে আসছেন ড. ইউনূস। ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পান তিনি। তবে অবসরের বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে ২০১১ সালে সরকার তাকে এমডি পদ থেকে সরিয়ে দেয়। সরকারের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে গেলে হেরে যান ড. ইউনূস।


আরও খবর



সরিষায় সতেজ স্বপ্ন কৃষকের

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১০৯জন দেখেছেন
Image


মোঃআবুর হোসেন আকাশ

ধনবাড়ী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : পৌষের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে সারা মাঠজুড়ে হলুদ সরিষার ফুল। প্রকৃতির সাথে হলুদে মাঠ সেঁজেসে রঙিন সমারহে। ফুল থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছিরা।


এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায়। দুই ফসলি জমিতে সরিষাকে যোগ করে করা হচ্ছে তিন ফসলি জমি। লাভবান হওয়ার আশায় কৃষকরা দেখেছেন সতেজ স্বপ্ন। দিনদিন ভোজ্যতেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশি ফলনের আশায় উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা আবাদ করছেন কৃষকরা।


উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় ৪৩০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল বারি জাতের ১৪, ১৫, ১৭ এর পাশাপাশি স্থানীয় জাতের সরিষা আবাদ করেছেন কৃষকরা। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। কৃষকদের সরকারিভাবে নানা ধরনের সাহায্য, পরামর্শ এবং প্রদর্শনী প্লট দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। যাতে করে কৃষকরা সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠে।


গতকাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ সরিষা। মাঠে হলুদ রঙের সরিষা খেতে হলুদের হাতছানি। ফুলে ফুলে ভরে গেছে খেতগুলো। ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করছে মৌমাছিরা। কথা হয় উপজেলা মুশুদ্দি ইউনিয়নের কৃষক মিজানুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, এবার আমি স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে এক একর জমিতে বারি ১৪ জাতের সরিষা আবাদ করেছি। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে ভালো ফলন পাবো। অপর কৃষক মো. নিয়ামত আলী বলেন, আমন ধান ঘরে তুলেই ৬০ শতাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা অবাদ করেছি।


ফালনও ভালো। আশা করছি লাভবান হতে পারবো। কয়ড়া এলাকার কৃষক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরিষা আবাদে খরচ কম। ফলে অল্প খরচই ও কম পরিশ্রমেই সরিষা আবাদ করা যায়। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন বলেন, সরিষা অল্প সময়ের ফসল। চলতি মৌসুমে কৃষকরা আমন ধান তুলেই সরিষা আবাদ করেছেন। সরিষা উঠিয়ে কৃষকরা যথা সময়ে বোরো ধান চাষ করতে পারে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষকরা কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় সরিষা আবাদে ঝুঁকছে।


সরিষা আবাদ করলে ওই খেতে বোরো ধান চাষে সারের পরিমাণ কম লাগে। আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে গিয়ে কৃষদের পরামর্শ দিচ্ছে। কৃষকদের প্রণোদনার মাধ্যমে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

 


আরও খবর