Logo
আজঃ Monday ২৭ June ২০২২
শিরোনাম
ছাদ কিংবা ব্যালকনিতে টবে ঢেঁড়শ চাষ করবেন যেভাবে

সহজে ঢেঁড়শ চাষের উপায় !

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৯০জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image



ডেস্ক এডিটর : 

শহরে বসবাস করেও অনেকে বিভিন্ন সবজি চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ইচ্ছে করলেই ছাদে কিংবা ব্যালকনিতে অল্প পরিসরে নানান রকমের সবজি চাষ করতে পারেন। চাইলে আপনি সহজ উপায়ে টবে ঢেঁড়শ চাষ করতে পারেন।শহরের বাসা-বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় বড় বড় টবে, মাটির চাঁড়িতে, ড্রামে কিংবা একমুখ খোলা কাঠের বাক্সে সার, মাটি ভরে অনায়াসেই ঢেঁড়শ চাষ করা যায়।

 

ঢেঁড়শ আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় সবজি। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে, তাছাড়া ভিটামিন -এসহ অন্যান্য উপাদানও রয়েছে। আমাদের দেশে যে কোনো সময় ঢেঁড়শ চাষ করা যায়।

গাছের বৃদ্ধি এবং ঢেঁড়শের ভালো ফলনের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর, হালকা এবং ঝুরঝুরে হতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে টবের মাটিতে যেন ফেটে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। টবের মাটি ঝুরঝুরা রাখতে হলে সমপরিমাণে দো-আঁশ মাটি ও জৈব সার একসাথে ভালোভাবে মেশাতে হবে।

 

এঁটেল মাটিতে জৈব সারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। সাধারণভাবে প্রতি টবের মাটিতে চা চামচের চার চামচ টিএসপি সার ও ৫ থেকে ৬ দিন আগে ভেজানো ১১৬ গ্রাম পরিমাণ সরিষার খৈল মেশানো যেতে পারে।

 

ঢেঁড়শের অনেক জাত রয়েছে। এর মধ্যে পুশা শাওনী, কাবুলি ডোয়ার্ফ, লক্ষ্ণৌ ডোয়ার্ফ, লং গ্রিন, লং হোয়াইট, পেন্টা গ্রনি-এসব বিদেশি জাত বেশ জনপ্রিয়।

গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত অর্থাৎ বছরের যে কোনো সময়ই ঢেঁড়শ গাছ লাগানো যায়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শীতের শেষভাগ থেকে বৈশাখ পর্যন্ত ঢেঁড়শ লাগানো যায়। এরপরও লাগানো যায় তবে নাবী ফসলে মোজাইক রোগ হয় বলে ফলন ভালো হয় না।

 

ঢেঁড়শের চারা রোপণকালীন সময় আঘাত সহ্য করতে পারে না বলে সরাসরি মূল টবে বুনতে হবে। ঢেঁড়শের জন্য মাঝারী ধরণের টব হলেই চলবে। প্রতি টবে ২ থেকে ৩টি বীজ বুনে দিতে হয়।চারা গজানোর পর একটি সবল চারা রেখে বাকিগুলো ফেলে দিতে হয়। খোসা শক্ত বলে ঢেঁড়শের বীজ দেরিতে গজায়। তাই বোনার আগে ২৮ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।ঢেঁড়শ গাছ পানি সহ্য করতে পারে না। গাছের গোড়ায় দাঁড়ানো পানি তাড়াতাড়ি সরিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেকটি টবে পানি যাতে না বেধে থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে।

 

গাছ ১০ থেকে ১২ সে.মি. বড় হলে টবের কিনার ঘেঁষে ১ চা চামচ ইউরিয়া ও ১ চা চামচ মিউরেট অব পটাশ মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

 

শুঁয়া পোকা কচি কাণ্ড ছিদ্র করে গাছের ক্ষতি করে। ভাইরাস (মোজাইক) রোগ ঢেঁড়শে প্রায়ই দেখা যায়। এ রোগে পাতা হলদে হয়ে কুঁচকে যায়। রোগাক্রান্ত গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে দিতে হয়। শুঁয়া পোকার আক্রমণ থেকে ঢেঁড়শ গাছকে বাঁচাতে হলে প্রতি লিটার পানিতে ১ মি. লি. ডায়াজিনন-৮০, নুভাক্রণ-৪০, একালাক্স-২৫ এর যে কোনোটি অথবা ১ লিটার পানিতে ১ মিলি লিটার সিমবুশ-১০ মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

 

বীজ বপনের দুই মাস পরেই ফল পাওয়া যায়। কচি অবস্থায় ঢেঁড়শ তুলতে হয়। দেরি হলে ফল শক্ত হয়ে যায় ও সেটা খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে যায়। ঘন ঘন ঢেঁড়শ তুললে গাছে বেশি পরিমাণে ঢেঁড়শ আসে। গাছের ঠিক মতো যত্ন নিলে এক একটি ঢেঁড়শ গাছ থেকে অনেকদিন ফসল পাওয়া যায়।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর



লোয়ার অর্ডারে চড়ে পাকিস্তানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি

প্রকাশিত:Friday ১০ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

ইমাম-উল-হক আর বাবর আজম মিলে পাকিস্তানকে ভালো একটা জায়গায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ ধসের মুখে পড়ে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে লোয়ার অর্ডারের দৃঢ়তায় ৮ উইকেটে ২৭৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছে আনপ্রেডিক্টেবল দলটি।

মুলতানে দিবারাত্রির সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেয় পাকিস্তান। ফাখর জামান (১৭) অল্প রানে ফিরে গেলেও পরে ইমাম আর বাবর ১২৮ বলে ১২০ রানের জুটি গড়েন।

৭২ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৭২ রান করা ইমাম রানআউট হয়ে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর বাবরও আউট হন সত্তরের ঘরে (৯৩ বলে ৫ চার আর ১ ছক্কায় ৭৭)। হঠাৎ বড় ধাক্কা খায় পাকিস্তান। ২০ রানে হারিয়ে বসে ৪টি উইকেট।

২ উইকেটে ১৮৭ থেকে ৬ উইকেটে ২০৭ রানে পরিণত হয় স্বাগতিকরা। লড়াকু পুঁজি পাওয়াও কঠিন হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে লোয়ার অর্ডারের দারুণ ব্যাটিং।

শাদাব খান (২৩ বলে ২২), খুশদিল শাহ (৩১ বলে ২২), মোহাম্মদ ওয়াসিম (১৩ বলে অপরাজিত ১৭) আর শাহিন শাহ আফ্রিদি (৬ বলে ১৫) দলকে ২৭৫ পর্যন্ত নিয়ে যান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের আকিল হোসেন ৩টি, অ্যান্ডারসন ফিলিপ আর আলজেরি জোসেফ নেন দুটি করে উইকেট।


আরও খবর



অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন বিপ্লব কুমার সরকার

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ১০১জন দেখেছেন
Image

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। তিনি বিসিএস ২১তম পুলিশ ব্যাচের কর্মকর্তা।

বিপ্লব কুমার সরকারসহ অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন আরও ৭৩ জন কর্মকর্তা

বৃহস্পতিবার (২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ শাখা-১ থেকে এ বিষয়ে তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপন তিনটিতে সই করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস।

গত ১৫ নভেম্বর ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে বিপ্লব কুমার সরকারকে ফের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি পদে পদায়ন করা হয়। ২০১৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত এ পদেই দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

বিপ্লব কুমার সরকার ২০১৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে দীর্ঘসময় ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি পদে দায়িত্ব পালন করেন। কিশোরগঞ্জের এ সন্তান তখন রেকর্ডসংখ্যক ২৩ বার ডিএমপির শ্রেষ্ঠ উপ-কমিশনার (ডিসি) হিসেবে পুরস্কৃত হন। ২০১৪ সালে তিনি প্রথম পিপিএম পদক পান। এরপর ২০১৬ সালে বিপিএম পদক অর্জন করেন।

২০১৯ সালের ১৩ জুন তাকে রংপুর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) পদে বদলি করা হয়। গত ১৮ অক্টোবর ডিএমপির ডিসি পদেই বিপ্লব কুমারকে রংপুর থেকে ফিরিয়ে আনা হয়।


আরও খবর



আম নিয়ে যাত্রা শুরু করলো ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ২৩ June ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

তিন হাজার কেজি আম নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। সোমবার (১৩ জুন) বিকেল ৪টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলস্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি।

এ উপলক্ষে রহনপুর রেলস্টেশনে ট্রেনটিতে আমের ঝুড়ি উঠিয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রেলওয়ের পাকশী অঞ্চলের প্রধান পরিবহন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ বছর প্রথম রহনপুর থেকে তিন হাজার কেজি আম নিয়ে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনটি যাত্রা শুরু করলো।

jagonews24

রেলওয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলস্টেশন পোঁছাবে। সেখান থেকে আম নিয়ে রাজশাহী হয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে। রাত ২টার দিকে ঢাকায় গিয়ে পৌঁছাবে ট্রেন।

তিনি আরও বলেন, এই ট্রেন যতদিন আম থাকবে ততদিন চলবে। এ ট্রেনে আম ছাড়াও শাক-সবজি, দেশীয় ফলমূলসহ পার্সেল হিসেবে অন্যান্য মালামাল পরিবহন করা যাবে।

jagonews24

এসময় স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা খাতুনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, বিকেল ৫টা ১৭ মিনিটে জাগো নিউজকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী মাস্টার মো. ওবায়দুল্লাহ জানিয়েছেন, ১৫ মিনিটের মধ্যে এই রেলওয়ে স্টেশনে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনটি পৌঁছাবে। এর পরে ২২৪ ক্যারেট আম নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশে যাত্রা করবে।


আরও খবর



জিয়া পরিবারকে ভয় পায় আওয়ামী লীগ: খন্দকার মোশাররফ

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

জিয়া পরিবারকে আওয়ামী লীগ ভয় পায় বলেই নতুন প্রজন্মকে মিথ্যা ইতিহাস শেখাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, জিয়াউর রহমানকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়। দেশের সার্বিক উন্নয়নে তার অবদান রয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতারা যখন দেশ থেকে পালিয়েছিলেন তখন কারও নির্দেশ ছাড়াই তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান ‘উই রিভোল্ট‘ বলে বিদ্রোহ করেন। তিনি তার অধিনায়ক জেনারেল জানজুয়াকে গ্রেফতার ও হত্যার মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা করে নিজে যুদ্ধ করেন। অথচ নতুন প্রজন্মকে মিথ্যা ইতিহাস শেখাচ্ছে আওয়ামী লীগ।

তিনি আরও বলেন, জিয়া তার শাসনামলে বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করে ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেন। ইনশাআল্লাহ এটা কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না। তিনি সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা বিষয়টির পরিবর্তন করেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সংবিধানে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি বাতিল করে মুক্তবাজার তথা অংশগ্রহণমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেছেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থার কথা তুলে ধরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আজকে কৃষি, রেমিট্যান্স ও পোশাক শিল্পের ওপর বাংলাদেশের অর্থনীতি দাড়িয়ে আছে। এগুলো প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে।

জিয়াউর রহমান খাল খনন করে কৃষির উন্নয়নে অসংখ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন ড. খন্দকার মোশাররফ।

তিনি বলেন, বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রা অর্জনের পথ তৈরি করে গেছেন জিয়াউর রহমান। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিক রপ্তানি শুরু করেন। মুসলিম বিশ্বে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত ও সুপরিচিত নেতা। তিনি ছিলেন আল কুদস কমিটির সদস্য। সুতরাং প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে কোথা থেকে বাদ দেবেন?

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, আজকে যারা ক্ষমতায় তারা ফ্যাসিস্ট। তারা প্রাইমারি স্কুলের বই থেকে জিয়াউর রহমান সম্পর্কে সঠিক ইতিহাস সরিয়ে দিছে। স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে তার নাম রাখা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংযোজন করেছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেটা বাতিল করেছে। খালেদা জিয়ার শাসনামলে বাংলাদেশের পরিচিতি ছিল ইমার্জিং টাইগার। সেজন্যই তারা জিয়া পরিবারকে ভয় পায়।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক ডা. মেহেদী হাসানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. শহীদুল আলম, ড্যাবের সহ-সভাপতি ডা. এমএ সেলিমসহ প্রমুখ।


আরও খবর



পথশিশুদের জন্ম নিবন্ধনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

সরকার সবার জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করেছে। কিন্তু দেশের সুবিধাবঞ্চিত বৃহৎ জনগোষ্ঠী এখনো জন্ম নিবন্ধনের বাইরে। নানা জটিলতার কারণে পথশিশুসহ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্মসনদ পাওয়ার সুযোগ হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের সুযোগ আছে বললেও বাস্তবে এমন কোনো ব্যবস্থা নেই।

তাই দেশের দুই লাখ পথশিশুকে জন্ম নিবন্ধনের আওতায় আনার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

স্পোর্টস ফর হোপ অ্যান্ড ইনডিপেনডেন্ট সংগঠনের পক্ষে গত সপ্তাহে ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল এ রিট আবেদন দায়ের করেন। রিটে নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, জন্ম নিবন্ধন অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন করা হয় বলে রোববার (১২ জুন) গণমাধ্যমকে জানান রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।

রিটের বিষয়ে আইনজীবী জানান, বাস্তবতা হলো, শিশুর পিতা-মাতার পরিচয় ও ঠিকানা না থাকা, শিশুর ধর্ম নির্ধারণ করতে না পারা, নিবন্ধন নিয়ে শিশুর অজ্ঞতা ও ফি দিতে না পারায় তাদের নিবন্ধন করা হয়ে ওঠে না। আবার নিবন্ধন ফরমে নাম, পিতা-মাতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানার জন্য পৃথক ক্রম থাকলেও পথশিশুদের তথ্যসংবলিত কোনো ক্রম রাখা হয়নি। যারা পথশিশু তাদের অনেকের পরিচয় ও বাসস্থান নেই।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪-এর ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০১৮ সালের জন্ম/মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পিতৃপরিচয়হীন, এতিম শিশুর জন্ম নিবন্ধন করা যাবে। তথ্যের ঘাটতির কারণে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক জন্ম বা মৃত্যুর নিবন্ধন প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন না।

ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল জানান, বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে দুই লাখের বেশি পথশিশু রয়েছে। এসব শিশুদের জন্ম নিবন্ধন সনদ নেই। জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকার কারণে পথশিশুরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারে না। জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকার কারণে শিশুরা অনেক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ কারণে রিট দায়ের করেছি।


আরও খবর