Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়নি, তারিখ পেছাল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে ৩৫ বছর আগে সগিরা মোর্শেদকে গুলি করে হত্যার মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ মামলায় রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালত রায় ঘোষণার জন্য তাখির পিছিয়ে নতুন দিন ধার্য করেছেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ২৫ জানুয়ারি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক রফিকুল ইসলাম রায়ের জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন।

মামলার অভিযুক্ত আসামিরা হলেন সগিরার ভাশুর চিকিৎসক হাসান আলী চৌধুরী (৭০), তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহিন (৬৪), সায়েদাতুলের ভাই আনাছ মাহমুদ রেজওয়ান (৫৯) এবং মারুফ রেজা (৫৯) এবং মন্টু মণ্ডল ওরফে কুঞ্জ চন্দ্র মণ্ডল।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদ ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে মেয়েকে আনতে যাচ্ছিলেন। বিকেলে সিদ্ধেশ্বরী রোডে পৌঁছা মাত্র মোটরসাইকেলে আসা ছিনতাইকারীরা তার হাতের সোনার চুড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি দৌড় দিলে তাকে গুলি করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই সগিরা মোর্শেদ মারা যান।

ওই দিনই রমনা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন সগিরা মোর্শেদের স্বামী সালাম চৌধুরী। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রিকশাচালক ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত হিসেবে মন্টু ও মারুফ রেজাকে শনাক্ত করলে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মারুফ রেজা এরশাদ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের ভাগ্নে। ওই সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তার নাম বাদ দিয়েই অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।

১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি আসামি মন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দীক। সাক্ষ্য নেওয়া হয় সাতজনের। সাক্ষ্য চলাকালে মারুফ রেজার প্রসঙ্গ উঠে আসায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ১৯৯১ সালের ২৩ মে অধিকতর তদন্তের আদেশ দেয় ঢাকার জজ আদালত।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে মারুফ রেজার রিভিশন আবেদনে হাইকোর্ট ১৯৯১ সালের ২ জুলাই অধিকতর তদন্তের আদেশ ও বিচার কাজের ওপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ জারি করে। পাশাপাশি অধিকতর তদন্তের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে। পরের বছর ২৭ অগাস্ট জারি করা রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই মামলার বিচার কাজ স্থগিত থাকবে বলে আরেকটি আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

মারুফের ওই আবেদন ২০১৯ সালের জুনে খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে প্রথমে মামলার বাদী সগিরা মোর্শেদের স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করে পিবিআই। অনেক চেষ্টার পর বের করা হয় সগিরাকে বহনকারী সেদিনের যুবক রিকশাচালককে।

তার মাধ্যমে হত্যাকারীদের একজন ডা. হাসানের শ্যালক আনাছ মাহমুদ রেজওয়ানকে শনাক্তের পর ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর রামপুরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় সগিরার ভাসুর ডা. হাসান আলী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহিন ও মারুফ রেজাকে। তারাও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।


আরও খবর



মধুপুরে প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করেন জীবন কুমার চৌধুরী

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইলঃশহীদ মিনার বাঙালির জাতীয় চেতনা, ভাষা ও সংস্কৃতির চিরন্তন প্রতীক। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীতে বাংলা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের সম্মানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে নির্মিত হয়েছিল বাংলাদেশের প্রথম শহীদ মিনার। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে ১৯৬৭ সালে মধুপুর রানী ভবানী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে মধুপুরের প্রথম শহীদ মিনার তৈরি হয়েছিল মধুপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তি সর্বজন শ্রদ্ধেয় জীবন চৌধুরী সাহেবের সরাসরি তত্ত্বাবধানে। আজ তাঁর স্মৃতি বিজড়িত মধুপুরের প্রথম শহীদ মিনার তৈরির ইতিহাস নিয়ে তাঁর লেখা আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করছি।

গৌরব দীপ্ত ইতিহাস মোদের,বাংলা মোদের অহংকার।  বাঙ্গালী চেতনায় গড়েছি মোরা,বেদনার শহীদ মিনার।

১৯৬৫ সাল। আমি তখন রানী ভবানী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র। বাংলা, ইংরেজী সহ অন্যান্য বিষয় পড়ার সংগে তখন ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত ঊর্দূ পড়া আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল। ১৯৬৫ সালেই কাশ্মীর প্রশ্নে পাকিস্তান ও ভারত যুদ্ধে জড়িয়ে গেল। যুদ্ধের খবরাখবর জানার জন্য পত্রিকা পড়াই ছিল একমাত্র ভরসা।

আজকালের মত তখন পত্রিকা এত সহজ প্রাপ্য ছিল না। হাতে গোনা কয়েকটি পত্রিকা ঢাকা থেকে আসতো তাও আবার একদিন পর- অর্থ্যাৎ ডাকযোগে কয়েকটি ‘‘ইত্তেফাক’’ পত্রিকা মধুপুর আসতো।

মধুপুর ক্লাবের সেক্রেটারীর নামে একটি পত্রিকা নিয়মিত আসতো। আমার প্রয়াত কাকা শ্রদ্ধেয় খগেন্দ্রনাথ চৌধুরী (বৈথুল বাবু) কাবের সেক্রেটারী হওয়ার সুবাদে প্রতিদিন সকালে আমি পোষ্ট অফিসে গিয়ে দীনেশদার (ডাক পিয়ন) কাছ থেকে উৎসাহ ও আগ্রহ ভরে আগে ভাগেই পত্রিকা নিয়ে এসে পড়তাম এবং স্কুলে গিয়ে সহপাঠীদের যুদ্ধের খবরাখবর সহ অন্যান্য সংবাদ জানাতাম।

মূলত তখন থেকেই পূর্ববাংলার তথা পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালীদের প্রতি পাকিস্তানী জান্তার চরম বৈষম্য মূলক আচরণের কাহিনী জানতে শুরু করলাম। ১৯৬৬ সাল আওয়ামী লীগের ৬ দফা আন্দোলন শুরু হলো। তখনই জানতে পারলাম কিভাবে আমাদের সোনালী আঁশ পাট, চা, চামড়া ইত্যাদি রপ্তানী করে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে গিয়ে পাকিস্তানের মরুভূমিকে সুজলা সুফলা করা হতো। আমাদের সম্পদ বিক্রি করে কিভাবে বড় বড় শিল্প কারখানা পাকিস্তানে গড়ে উঠেছিল।

কৃষি ও শিক্ষাখাতসহ সকল ক্ষেত্রে আমরা পূর্ব বাংলার বাংগালীরা ছিলাম চরম উপেক্ষিত ও বৈষম্যের শিকার। এইভাবে যখন আমাদের দেশাত্বরোধ ও বাঙালী চেতনা বৃদ্ধি পাচ্ছিল ঠিক তখন লক্ষ করলাম আমাদের মাতৃভাষাকে রাষ্ট্রভাষায় স্থান করে দেয়ার আন্দোলনে যারা ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী আত্মাহুতি দিয়ে ছিলেন সেই সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার সহ আরও অনেকে যে গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন সেই দিনটিকেও আমরা শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করতে পারছিনা।

পাকিস্তানের শাসকরা বাংলা ভাষার অস্তিত্ব মুছে ফেলার নানা ষড়যন্ত্র করছিল। পাকিস্তানী ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে কিভাবে এই গৌরবময় ২১ ফেব্রুয়ারীকে স্মরণীয় ও বরণীয় করা যায় সেই চিন্তা তখন থেকেই শুরু হলো।

১৯৬৭ সাল জানুয়ারী মাস। ৯ম শ্রেণী থেকে প্রমোশন পেয়ে নিউ টেন (১০ম শ্রেণী) এর ছাত্র। স্কুলের মাঠে সহপাঠীরা মিলে ক্রিকেট খেলায় মেতে আছি। ময়মনসিংহ গামী একটি বাসের ছাদে কয়েকটি ছেলে স্লোগান দিয়া যাচ্ছে ‘‘জাগো জাগো বাঙ্গালী জাগো’’ ‘‘আইয়ুব মোনায়েম দুই ভাই, এক রশিতে ফাঁসি চাই।

রাজপথে গুলি কেন? আয়ুব শাহী জবাব চাই’’। খবর নিয়ে জানলাম, ৬ দফা আন্দোলনের সমর্থনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মিছিলে পাকিস্তানী পুলিশ বাহিনী গুলি চালিয়ে বহু হতাহত করেছে। ঢাকায় কারফিউ জারী হয়েছে। খেলা শেষে বিজ্ঞান বিভাগের কতিপয় ছাত্রদের নিয়ে মাঠে মিটিং করলাম এবং সিদ্ধান্ত নিলাম এবাবের ২১শে ফেব্রুয়ারীকে (শহীদ দিবস) ভিন্ন আংগিকে স্মরণ করে দেশ ও মাতৃভাষার প্রতি সম্মান দেখাতে হবে, শ্রদ্ধা জানাতে হবে বীর শহীদদের।

শুধু ছাত্র সমাজ নয় আপামর সাধারণ মানুষদের কেউ এই দিনটির তাৎপর্য্য বোঝাতে হবে এবং তাদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাই স্কুল চত্বরে অতি অবশ্যই একটি শহীদ মিনার গড়তে হবে- যেখানে এসে মানুষ শ্রদ্ধাভরে শহীদদের স্মরণ করতে পারবে।

সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাকরাইদ কৃষি ফার্ম (বর্তমান বিএডিসি ফার্ম) থেকে ইট সংগ্রহ করে আনা হল, নির্মাণ সামগ্রী সংগ্রহ করা হলো। স্কুল গৃহের মাধবী লতা ফুল গাছের পাশের স্থানটি শহীদ মিনার তৈরীর জন্য নির্বাচন করা হলো।

কিন্তু মিনারের ডিজাইন বা স্থাপত্য কৌশল আমাদের কারও জানা ছিল না। তৎকালীন সময়ে থানা পর্যায়ে কোন হাইস্কুলে তখনও শহীদ মিনার গড়ে উঠে নাই, তাই ডিজাইন সংগ্রহ করতে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হইল।

আমাদের সহপাঠী আঃ হালিম (বর্তমানে শহীদ স্মৃতি স্কুলের বিজ্ঞানের শিক্ষক) জানালেন তার মামা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন, তাই আঃ হালিমের সংগে আরও কয়েকজনকে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে শহীদ মিনারের মডেল আঁকিয়ে আনিয়ে সেই আদলে তৈরি করা হলো মধুপুর রানী ভবানী উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনারটি।

১৯৬৭ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী ভোর বেলায় প্রভাত ফেরী শেষে নব নির্মিত শহীদ মিনারে নগ্নপদে পুষ্প অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো হলো। তখন থেকে আজ অবধি ভাষা আন্দোলনের শহীদ স্মরণে আমজনতা এখানেই সমবেত হয়ে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করে।

আমার জানামতে তৎসময়ে ময়মনসিংহ জেলার, টাংগাইল মহকুমার মধুপুর থানার রানী ভবানী স্কুলে নির্মিত শহীদ মিনারটিই স্কুল লেভেলে নির্মিত প্রথম শহীদ মিনার।

স্বৈরাচার আইয়ুব-মোনায়েম খার শাসন আমলে স্কুল ছাত্রদের দ্বারা শহীদ মিনার নির্মাণ এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে ভাষা দিবস পালনকে তখনকার স্থানীয় প্রশাসন ভাল ভাবে দেখেননি। প্রশাসন থেকে প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি হলে রানী ভবানী স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাবু মহেন্দ্র লাল বর্ম্মন অত্যন্ত সাহসের সাথে বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়ে কৌশলী ভূমিকা অবলম্বন করে তৎকালীন সার্কেল অফিসার জনাব আবু তাহের সরকার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব আলম সাহেবকে বুঝিয়ে বিষয়টি মোকাবেলা করেছিলেন।

অর্ধ শতাব্দীর পুরানো শহীদ মিনারটির বর্তমান অবস্থা দেখলে অনেক কষ্ট হয়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ডিএমপির ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিরপুরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুলিশের উদ্যোগে চকলেট বিতরণ

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার : ডিএমপির ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার ১৬৭৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১১ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে চকলেট এবং শুভেচ্ছা কার্ড (রেসপন্স কার্ড) বিতরণ করছে ডিএমপি।    ডিএমপির মিরপুর জোনের অতিরিক্ত উপ- পুলিশ কমিশনার মাসুক মিয়া পিপিএম পুরো ডিএমপির ন্যায় মিরপুর ইসলামি আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতরণ করেন। 
এই সময়ে বিদ্যায়লটির প্রধান শিক্ষক মো: হাবিবুর রহমানসহ সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

এই সময়ে এডিসি মাসুক মিয়া বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ জনগনের বন্ধু। এই জন্য প্রতিটি শিশু যাতে করে নিরাপদে স্কুলে যেতে পারে। রাস্তা-ঘাটে কোন ধরনের ইভটিজিং বা যৌন হয়রানির শিকার হলে যাতে করে পুলিশে তথ্য দিয়ে সহায়তা করে এই জন্য মিরপুর জোনের পুলিশ সবসময়ই সচেষ্ট আছে।
শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের দুরত্ব  কমাতে এবং সহায়তা বৃদ্ধি করাই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য। 

প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান মিরপুর বিভাগের  পুলিশকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, পুলিশের এই কার্যক্রমে তিনি সন্তুষ্ট। এর মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থী এবং পুলিশের দুরত্ব কমে যাবে। পুলিশ কে উনার প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীরা সবসময়ই সহায়তা করবেন বলে জানান।

আরও খবর



রূপগঞ্জে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জের  রূপগঞ্জে  জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার  মুড়াপাড়া সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান মাহমুদ রাসেল।

সভায় বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক এমপি, রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত  চেয়ারম্যান সৈয়দা ফেরদৌসী আলম নীলা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাসুদ রানা, সরকারি  মুড়াপাড়া কলেজর অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান, ভাইস প্রন্সিপাল আল-আমিন,  নারায়ণগঞ্জ জেলা ও রূপগঞ্জ উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য সীমা রাণী পাল শীলা, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ জাহেদ আলী, মাঝিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জালালসহ আরো অনেকে। 

পরে বিজয়ী প্রতিযোগিদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক এমপি।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image
সাব্বির খান, ইবি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী 'অন্যরকম এক আনন্দের দিন' কর্মসূচি উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (০৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকে পথশিশুদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাম ফর রোড চাইল্ড (সিআরসি)-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানটি সংগঠনের সভাপতি মোঃ শাহীদ কাউসারের সভাপতিত্বে সাইফুল ইসলাম ও মুহাইমিনুল  ইসলাম এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সিআরসির সাবেক সভাপতি ইমদাম হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি আফসানা আক্তার মহুয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আকাশও উম্মে সালমা বৃষ্টি, সাবেক সভাপতি রনি সাহা, তারুণ্যের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম ও বর্তমান সভাপতি মারুফ হোসেন, ইবি রোভার স্কাউটসের ইউনিট কাউন্সিলর মুসা হাসেমী, সিআরসির স্কুল পরিচালক মোঃ মশিউর রহমান প্রমুখ। 

সিআরসির স্কুল পরিচালক মোঃ মশিউর রহমান বলেন, 'সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য কাম ফর রোড চাইল্ড কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এইভাবেই শিশুদের জন্য সিআরসির কাজ করে এগিয়ে যাবে।' 

ইবি রোভার স্কাউটসের ইউনিট কাউন্সিলর মুসা হাসেমী বলেন, 'ক্যাম্পাসের প্রতিটি সংগঠন আত্ম উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু সিআরসি সমাজ উন্নয়নের জন্য কাজ করে। সিআরসি আশা করছি সারাদেশের সুবিধা  বঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষা বিস্তারে বড় ভূমিকা রাখবে। 

সিআরসির সাবেক সভাপতি ইমদাম হোসেন 'সংগঠনে আসতে হবে আত্ম প্রশান্তির জন্য। কোন পদ বা সার্টিফিকেটের জন্য সংগঠনে থাকা উচিত না। আশা রাখছি সিআরসি ভবিষ্যতে সমাজ বিনির্মানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।'

এ বিষয়ে সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি মোঃ শাহীদ কাউসার বলেন,  'সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করে চলেছি। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।'

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ডোমারে মাদারল্যান্ড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমারে মাদারল্যান্ড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং মতিনা-সোলায়মান ট্রাস্টের সহযোগিতায় অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলার সেনারায় দৃষ্টি নন্দন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হলরুমে নিউজ ব্যাংক-তিনবাংলা প্রধান কবি-সম্পাদক সালেম সুলেরী’র সভাপতিত্বে বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন করেন সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফিরোজ চৌধুরী।

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. এনকে আলম চৌধুরী। এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে কন্ঠশিল্পী সহিদুল সরকার, প্রধান শিক্ষক নূরল ইসলাম বিএসসি, ভাষা সৈনিকপুত্র গোলাম ফারুক, কবি আনোয়ারুল হক, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, নারী সংগঠক লাভলী বেগম বকুল, ছাত্র নেতা নাজিমুদ্দিন প্রামানিক লায়ন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি কবি-সম্পাদক সালেম সুলেরী বলেন, শৈত্যপ্রবাহে বেহাল দশা উত্তরবঙ্গের মানুষ।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ চলছে। বে-সরকারী খাতে ঢাকার “মাদারল্যান্ড ফাউন্ডেশন” হয়েছে বিশেষ স্পন্সার। মতিনা-সোলায়মান ট্রাস্ট ও দিয়েছে দুই শতাধিক কম্বল।

এলাকার অসহায় মানুষকে সহায়তা প্রদানের জন্য “মাদারল্যান্ড ফাউন্ডেশন” এর চেয়ারম্যান সৈয়দ রানা মুস্তাফীসহ ফাউন্ডেশনের সকল কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি। একই দিনে ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ঠাকুরগাঁও, তেতুলিয়া, ডোমার ও দেবীগঞ্জে ৩শতাধীক কম্বল বিতরণ করা হয়।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪