Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

শীতে শরীরে শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যে খাবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৩৬২জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতকালে ঠাণ্ডা জ্বর, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীরের ভালো যত্ন নেওয়া জরুরি। এটি বছরের এমন একটা সময়, যখন সুস্থ থাকতে শরীরের অবশ্যই বিশেষভাবে যত্ন নেওয়া উচিত। অন্যথায় নানা রোগ শরীরকে সহজেই কাবু করে ফেলতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়েটে সেসব খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, যা শরীরে শক্তি জোগানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে সংক্রমণকে সহজেই পরাস্ত করতে পারে। এমন একটি খাবার হলো- ছোলা। আমাদের দেশে এটি সহজলভ্য খাবার।

রমজানে ঘরে ঘরে ইফতারে ছোলা খাওয়া হয়। বছরের অন্য সময়টাতে ছোলার চাহিদা রমজানের মতো প্রবল নয়। কিন্তু ছোলা আমাদের শরীরে এমনকিছু চমকপ্রদ উপকার করে,যা বিবেচনায় এটা শীতকালেও নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে। এখানে ছোলার ছয়টি স্বাস্থ্য উপকারিতা উল্লেখ করা হলো -

* হার্টের সুরক্ষা দেয়

শীতকালকে হার্ট অ্যাটাকের মাস বলা হয়। হার্টকে সুরক্ষিত রাখতে শীতকালে নিয়মিত ছোলা খেতে পারেন। প্রোটিন ও ফাইবার ছাড়াও ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে, যেমন- ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও সেলেনিয়াম। গবেষণায় দেখা গেছে, পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়াম  হৃদস্পন্দনের স্বাভাবিকতা বজায় রাখে। সেলেনিয়াম প্রদাহ কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।

* রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কোনো কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পর কেমন গতিতে রক্ত শর্করা বাড়ে তা নির্দেশ করে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর হলো- ছোলার জিআই কম, যার স্কোর হলো ২৮। স্কোর ৫৫ বা এর কমকে লো জিআই ফুডস বলা হয়। এসব খাবার থেকে ধীরে ধীরে শর্করা নিঃসরিত হয়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন রক্ত শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডায়াবেটিক ডায়েটে ছোলা রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

* ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

ছোলার কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর ক্ষমতা আছে। ছোলা খেলে শরীর বিউটাইরেট নামক শট চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে, যা শরীর থেকে অসুস্থ ও মুমূর্ষু কোষ অপসারণে সাহায্য করে। এর ফলে ক্যানসার প্রতিরোধ হয়। এই খাবারে লাইকোপিন, বায়োচেনিন ও স্যাপোনিনও রয়েছে। এসব ডায়েটারি বায়োঅ্যাক্টিভ কম্পাউন্ডও ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

* পেশী মেরামত করে

পেশী মেরামত, হরমোন কার্যক্রম ও আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রোটিন প্রয়োজন হয়। যদি কেউ শরীরে প্রোটিন সরবরাহ বাড়াতে চান, তাহলে তিনি অনায়াসে খাদ্যতালিকায় ছোলা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এক আউন্স (২৮.৩৫ গ্রাম) ছোলা থেকে ৩ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এ ছাড়া ছোলার প্রোটিনের মান বেশি, কারণ এতে মিথিওনিন ব্যাতীত প্রায় সকল এসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে।

* রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে

আয়রনের অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে, যার ফলে দুর্বলতা ও ক্লান্তিতে ভুগতে হয়। নিয়মিত ছোলা খেলে রক্তশূন্যতা এড়ানো সম্ভব হবে। ১০০ গ্রাম ছোলাতে ৬.২ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে। এ ছাড়া ছোলার ভিটামিন সি আয়রন শোষণে সহায়তা করে। কিছু মাছ ও মাংসে প্রচুর আয়রন থাকে, কিন্তু যারা এসব খাবার কম খান তাদের বেশি করে ছোলার মতো আয়রন সমৃদ্ধ উদ্ভিজ্জ খাবার খাওয়া উচিত।

* দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে

ছোলাতে কেবল উচ্চমানের প্রোটিন নয়, প্রচুর পরিমাণে ফাইবারও আছে। প্রতি আউন্স ছোলাতে ২ গ্রাম ফাইবার পাবেন। প্রোটিন ও ফাইবারের সমন্বয় পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখে। উভয় পুষ্টি ধীর হজমে সহায়তার জন্য একত্রে কাজ করে, যার ফলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা অনুভূত হয় না।


আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




হোমনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, কেন্দ্র দখলের চেষ্টা পুুলিং এজেন্টসহ ২ জনের জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৫৭জন দেখেছেন

Image

শাজু, হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:কুমিল্লার হোমনায় চতুর্থ পর্যায়ে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন কেন্দ্রে অধিপত্য বিস্তার ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেছে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকেরা। বেলা দুইটার দিকে উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের পূর্ব কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্বরত একজন পুলিং এজেন্ট ও তার বাবাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়। জরিমানপ্রাপ্তরা হলেন পুলিং এজেন্ট মো. আনোয়ার হোসেন; তাকে পনেরো হাজার টাকা জরিমানা করে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং তার বাবা মো. ধনু মিয়াকেও দশ হাজার টাকা জরিমান করা হয়। 

জানা যায়, ওই কেন্দ্রের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালা প্রতীকের পুলিং এজেন্ট মো. আনোয়ার হোসেন বারবার বাইরে যেতে চাইলে ওই কক্ষের পুলিং অফিসার তাকে বারণ করেন। এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে তার সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু করেন। এক পর্যায়ে কেন্দ্রের বাইরে থেকে তার বাবা ধনু মিয়া লোকজন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করে জবর দখলের চেষ্টা চালায়। এতে পুলিং অফিসার মোরশিদা বেগম হাতে আঘাত পান। এমতাবস্থায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আনোয়ার হোসেন ও তার পিতা ধনু মিয়াকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পুলিং এজেন্ট আনোয়ার হোসেনকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ১৫ হাজার টাকা এবং তার বাবা ধনু মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এসময় ভোটাররা হুড়োহুড়ি করে দিকবিদিক চলে গেলে কিছুক্ষণের জন্য ভোটগ্রহণ থেমে যায়। 

এ ব্যাপারে প্রিজাইডিং অফিসার মো. মহসিন বলেন, তালা প্রতীকে পুলিং এজেন্ট আনোয়ার হোসেন ও তার পিতা ধনু মিয়া কেন্দ্রে ভোট দখলের চেষ্টা চালালে ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দেওয়া হয়। তাদের ভ্রাম্যামাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমান করা হয়েছে।

নির্বাহী ম্যােিজস্ট্রে মো. আশিকুর রহমান বলেন, কেন্দ্র দখলের চেষ্টা চালানোয় নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী পুলিং এজেন্ট আনোয়ার হোসেনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি এবং পনেরো হাজার টাকা এবং তার বাবা ধনু মিয়াকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অপরদিকে উপজেলার মাথাভাঙা ইউনিয়নের জগন্নাথকান্দি কেন্দ্রে চেয়ারম্যান পদের আনারস ও মোটর সাইকেল প্রতীকের সমর্থকদের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থীর ছোট ভাই নাজিরুল হক ভূঁইয়া ও আনারস প্রতীকের সমর্থক সাজনু আহত হন। এ ঘটনায় নাজিরুল হকের ছোট ভাই জসিম উদ্দিন লিটন বাদি হয়ে সাজনু ও কাউছারসহ ৯ জনের নামে হোমনা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

 হোমনায় উপজেলায় ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ২৪৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৯৪ হাজার ২৭৪ জন এবং মহিলা ৮৫ হাজার ৬৯ ভোট। মোট ৬১টি কেন্দে ৪১৯ টি স্থায় কক্ষ ও ৬১ টি অস্থায়ী ভোট  কক্ষে ভাটগ্রহণ চলে।


আরও খবর



২৩ তম চাইল্ড পার্লামেন্টের প্রস্তুতিমূলক অধিবেশন শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধি ঃন্যাশনাল চিলড্রেন'স টাস্কফোর্স এনসিটিএফ এর ২৩ তম চাইল্ড পার্লামেন্টের প্রস্তুতিমূলক অধিবেশন শুরু হয়েছে।“সকল শিশুই মূল্যবান, করবে দেশের উন্নয়ন”এই প্রতিপাদকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সকালে (২৩ মে) ঢাকা মোহাম্মদপুরের আদাবর ইএসডিও ভবন কনফারেন্স রুমে এই প্রস্তুতিমূলক অধিবেশন শুরু হয়।প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায়, ওয়াই মুভস প্রকল্পের আওতায়, ইয়েস বাংলাদেশ ২৩ তম চাইল্ড পার্লামেন্টের আয়োজন করছে। 

বাংলাদেশে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় চাইল্ড পার্লামেন্ট একটি জাতীয় পর্যায়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ২০০৩ সাল থেকে কাজ করে আসছে। ন্যাশনাল চিলড্রেন'স টাস্কফোর্স এনসিটিএফ এর এ্যডভোকেসি উইং চাইল্ড পার্লামেন্ট এ পর্যন্ত মোট ২২ টি অধিবেশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। আগামী ২৫ শে মে শনিবার সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত হবে চাইল্ড পার্লামেন্টের ২৩ তম অধিবেশন। এবারের অধিবেশনে  বাংলাদেশের চল্লিশটি জেলা ও ১৬ টি বিশেষ অঞ্চলের ৬৫ জন চাইল্ড পার্লামেন্ট সদস্য উপস্থিত থাকবেন সেই চাইল্ড পার্লামেন্টে। 

প্রতিটি জেলার শিশুরা নিজ জেলার সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরবেন চাইল্ড পার্লামেন্ট অধিবেশনে। ২৩ তম চাইল্ড পার্লামেন্ট অধিবেশনে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন এনসিটিএফ এর চাইল্ড পার্লামেন্ট স্পিকার প্রপা মজুমদার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশর জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মোঃ শামসুল হক টুকু এমপি। এরই প্রস্তুতি হিসেবে ন্যাশনাল চিলড্রেন'স টাস্কফোর্স এনসিটিএফ এর ২৩ তম চাইল্ড পার্লামেন্টের প্রস্তুতিমূলক অধিবেশন শুরু হয়েছে।প্রস্তুতিমূলক অধিবেশনে গ্রুপ ওয়ার্ক এর মাধ্যমে শিশুরা সারা দেশের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো একত্রিত করে।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ওয়াই মুডস প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার নিলুফা নার্গীস পূর্বাশা,ক্যাপাসিটি বিল্ডিং স্পেশালিস্ট সৈয়দা হোসনে কাদেরী মালা,এস আর এইচ আর স্পেশালিস্ট হারজিনা জহুরা, ইয়েস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা হক নিশি, ওয়াই মুভস প্রজেক্ট এর ইয়েস বাংলাদেশ এর প্রজেক্ট অফিসার মোছাঃ আনিকা বুশরা,ন্যাশনাল চিলড্রেন'স টাস্কফোর্স এনসিটিএফ এর চাইল্ড পার্লামেন্ট স্পিকার প্রপা মজুমদার, ডেপুটি স্পিকার ডিকে দিব্বা মনি, কোর কমিটির সদস্য ও এনসিটিএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জয়িতা দত্ত কথা, সাধারণ সম্পাদক ফাহিম জামান,প্যানের ডেপুটি স্পিকার মাইশা আহমেদ,প্যানের স্পিকার আরিয়ান আহমেদ বিজয়,সুমি আক্তার প্রমূখ।

আরও খবর



মাগুরার মহম্মদপুরে জোড়া খুনের পলাতক দুই আসামী গ্রেফতার

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার মহম্মদপুরের পানিঘাটা গ্রামে জোড়া ঘুনের দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত ১৫ জুন তাদের ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী  থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।  মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার পানিঘাটা মধ্যপাড়া ঢোক চান্দেরমাঠে পূর্ববিরোধের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ৩০ ডিসেম্বর রাত ৯ টার সময় আসামীরা দুই সহদর  সবুজমোল্লা (৩০) ও  হৃদয় মোল্লা (১৭) উভয় পিতা মো: মন্জু মোল্লা সাং- পানিঘাটা মধ্যপাড়া, থানা- মোহাম্মদপুর, জেলা-মাগুরা দ্বয়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করে। প্রাথমিক তদন্তে জানাযায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে আসামীরা পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক  সবুজমোল্লা (৩০) ও  হৃদয়মোল্লা (১৭) কে ডাব খাওয়ার কথা বলে ৩০ ডিসেম্বর  রাত্র আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় ঢোকচান্দের মাঠে নিয়েযায়। ভিকটিমদ্বয় তাদের কাংখিত স্থানে পৌছালে আসামীরা অতর্কিতভাবে   আক্রমণ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাইকরে হত্যা করে। 

মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় মাগুরার পুলিশ সুপার  মো: মশিউদ্দেৌলা রেজা, পিপিএম (বার) পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। আসামীরা গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করলেও পুলিশ সুপার মহোদয়ের সুনির্দষ্ট নির্দেশনা মোতাবেক জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, মাগুরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মামলার অন্যতম দুইজন পলাতক আসামী  আব্বাস (৩৫),পিতা-মৃত জয়দার মোল্যা,  রজব আলী (৩০), পিতা-নুরুল হক উভয়ের গ্রাম-পানিঘাটা, থানা-মহম্মদপুর, জেলা-মাগুরাদের গত ১৫ জুন রাত ২ টায় ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে। উল্লেখ্য যে, ইতোপূর্বে এই মামলার এজাহার নামীয় ৪ জন আসামী গ্রেপ্তার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে আসামী আশিক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে। সহযোগী অন্যন্য পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানায় পুলিশ।

আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল কবে আঘাত হানবে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১০৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঘূর্ণিঝড় রেমাল ধেয়ে আসছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি শনিবার (২৫ মে) ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে এবং এটি পরদিন ২৬ মে (রোববার) সন্ধ্যায় ‘রেমাল’ নাম নিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি)।

আঘাত হানার সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার থাকবে বলে জানায় সংস্থাটি। ভারতের আবহাওয়া দপ্তর থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার কথা বলা হলেও আবহাওয়া বিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট করে বলা হচ্ছে এটি ভারতের ওড়িশা অথবা বাংলাদেশের উপকূলের ওপর দিয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানা শুরু করতে পারে রোববার (২৬ মে) বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট থেকে ২৭ মে রাত ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে।

জানা গেছে, ‘রেমাল’ একটি আরবি শব্দ। যার বাংলা অর্থ বালু। নামটি দিয়েছে ওমান। বঙ্গোপসাগরে যেসব ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হবে সেগুলোর নাম আগে থেকেই ঠিক করা থাকে।

২০২০ সালে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়। সেখান থেকেই এবারের ঘূর্ণিঝড়টির নাম নেওয়া হবে। যখন এই ঘোষণা আসবে তখনই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এ নিম্নচাপটিকে ‍ঘূর্ণিঝড় রেমাল হিসেবে অভিহিত করা হবে।


আরও খবর



মেহেরপুরে কাঁঠাল গাছ ছেয়ে আছে ঝুলন্ত কাঁঠালে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃজাতীয় ফল কাঁঠাল। ফলের রাজা হিসেবেও সবার কাছে সমাদৃত। এটি শুধুমাত্র একটি মৌসুমী ফলই নয়- পুষ্টিগুণে ভরপুর ও অর্থকরী ফসল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। মেহেরপুরের সর্বত্র এখন কাঁঠাল গাছগুলিতে ঝুলন্ত কাঁঠালে ছেঁয়ে আছে। কোন কোন এলাকায় আগাম জাতের কাঁঠালগুলি পাঁকতে শুরু করেছে। পাঁকা কাঁঠালের মিষ্টি গন্ধে কীট পতঙ্গরা ভিড় করছে গাছে গাছে। আর সেই আনন্দে বাগান মালিকরা গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত। তবে কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাত করণের কোন সুবিধা না থাকায় এ এলাকার মানুষেরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে,  কাঁঠাল গাছগুলো ফলে ফলে ভরে গেছে। প্রতিটি গাছে ১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত ফল ধরেছে। বছর দশেক আগেও আম কাঠালের বাগান ছিল।  এখন শুধু আমের বাগান রয়েছে। এখানকার অধিকাংশ কাঁঠাল গাছ বাগানভিত্তিক না। বাড়ির আঙ্গিনায়, রাস্তার দুই ধারে, স্কুল-কলেজ চত্বরে প্রচুর কাঁঠাল গাছের দেখা মেলে। অভাবের কারণে অনেকে কাঁঠালের গাছ বিক্রি দিচ্ছে। আসবাবপত্র প্রস্তকারী ও ব্যবসায়ী এসব নামমাত্র মূল্যে কিনে ফায়দা লুটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কাঁঠাল ব্যবসায়ীরা জানান, হাট-বাজারগুলোতে পাঁকা কাঁঠাল উঠতে শুরু করেছে। অনেকেই আছেন প্রতি বছরই প্রায় এক থেকে দেড় লক্ষাধিক টাকার কাঁঠাল বিক্রি করেন। দুই থেকে তিন মাস কাঁঠালের ভরা মৌসুম। এ সময় পাইকার ও শ্রমিক শ্রেণির লোকদের বাড়তি আয়ের সুযোগ হয়। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাঁঠালের ফলনও ভালো হয়েছে। গত বছরে কাঁঠাল কম ধরেছিল তাই দাম একটু বেশি ছিল। এবারও অনুকুল আবহাওয়ার কারণে ফলন বেশি হয়েছে। তাই অনেক কম দামে কাঁঠাল পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়িরা। 

এলাকার অনেকেই মন্তব্য করেছেন, অন্যান্য ফল ও গাছ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যত তৎপরতা লক্ষ করা যায়, কাঁঠাল নিয়ে তার সিঁকি ভাগও হয় না। অথচ কাঠাল একটি অর্থকরী ফসল ও জাতীয় ফল। কোন পৃষ্ঠপোশকতা না থাকায় ও অবাধে কাঠাল গাছ নিধন হওয়ায় এখন কোন বাগান পাওয়া যায় না। বাড়ির আঙ্গিনাতে বা রাস্তার ধারে অনেকেই গাছ লাগান। সরকার একটু নজর দিলেই অনেকেই কাঠাল বাগানে উদ্বুদ্ধ হতো।

উপজেলা কৃষি অফিসার ইমরান হোসেন জানান, কৃষিপণ্য কাঁঠাল মুলত একটি মৌসুমী সুস্বাদু ফল। কাঁঠালের বিচি তরকারীতেও সমান জনপ্রিয়। এলাকায় কোন কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাত করার বাবস্থা না থাকায় কৃষকরা তাদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাত ব্যবস্থ›া গড়ে তুললে এ উপজেলার মানুষ অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে।


আরও খবর