Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের গ্রেফতারের দাবি

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৮৫জন দেখেছেন
Image

সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মালিকসহ দায়ীদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।

রোববার (১২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এটি খুব সুস্পষ্টভাবে প্রতিয়মান যে, সরকার কর্মক্ষেত্র নিরাপদ করতে যথেষ্ট আন্তরিক নয়। বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং রাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মুনাফা আর উপরি আয়ের ধান্দায় জীবিকার তাগিদে আসা শ্রমিকদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে এতটুকু দ্বিধাবোধ করছে না। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতন পাওয়া সরকারি কর্মকর্তাদের ন্যূনতম দায়িত্ববোধ আর জবাবদিহিতা থাকলে এভাবে নির্মম মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত থাকতো না।

তারা বলেন, ১৯৯০ সালের সারাকা গার্মেন্টেসে অগ্নিকাণ্ডে ৩২ জন শ্রমিক নিহত হওয়ার মধ্যে দিয়ে কর্মক্ষেত্রে মৃত্যুর মিছিল শুরু হয়। এরপর আড়াই শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি ও দায়ীদের চিহ্নিত বা শাস্তি দেওয়া হয়নি।

বক্তারা আরও বলেন, অনুমোদন ছাড়া কেমিক্যাল সংরক্ষণ ও তথ্য গোপনকারী সেই মালিককে এখনো গ্রেফতার করা হয়নি। আটজন কর্মচারীর নামে মামলা করা হয়েছে। নিয়মিত পরিদর্শন করে কর্মক্ষেত্রকে নিরাপদ করা যাদের দায়িত্ব ছিল, তাদের দিয়েই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দায়ীদের তদন্ত কমিটি কাদের দায় চিহ্নিত করবেন? প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও অনিয়ম অব্যাহত রাখার জন্যই তদন্ত নামে পুরোনো খেলা শুরু হয়েছে।

এসময় তারা নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে আইএলও কনভেনশন ১২১ অনুসারে আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের বিনামূল্যে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান।

স্কপ যুগ্ম সমন্বয়ক চৌধুরী আশিকুল আলমের সভাপতিত্বে ও আহসান হাবিব বুলবুলের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- আনোয়ার হোসেন, সাইফুজ্জামান বাদশা, কামরুল আহসান, শামীম আরা, মাহবুবুল আলম, বাদল খান, শাকীল আক্তার চৌধুরী, নুরুল আমিন, আব্দুল ওয়াহেদ প্রমুখ।


আরও খবর



উখিয়ায় আবাসিক হোটেল থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

কক্সবাজারের উখিয়ার আবাসিক হোটেল থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকালে উখিয়া উপজেলা পরিষদ গেট সংলগ্ন জলিল প্লাজার আরাফাত হোটেলের চতুর্থ তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কালো বোরকা ও সাদা শার্ট পরিহিত তরুণীর মরদেহ ওড়না পেচানো অবস্থায় ঝুলন্ত ছিলো।

হোটেলের রেজিস্ট্রারে বিবরণী মতে, সোমবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় ৩০০ টাকার ভাড়া নেন নুসরাজাহান লিজা (২৩) নামের এক তরুণী। যেখানে ঠিকানা লেখা ছিল- হ্নীলা, টেকনাফ ও পেশা চাকরি উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও বিবরণীতে পিতার নাম জিসান মিয়া ও মাতা রোজিনা এবং একটি ফোন নাম্বার দেওয়া আছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, মধ্যরাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। ভেতর থেকে রুম বন্ধ ছিলো। সকালে সিআইডির প্রাথমিক তদন্ত শেষে মরদেহ থানায় নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তরুণী একাই কক্ষটি ভাড়া নিয়েছিলেন। রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ ফোন নাম্বারটি বন্ধ এবং তার কোনো স্বজনের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



এইচএসসি পাসে চাকরি দিচ্ছে সিটি গ্রুপ

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ০৩ August ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

বহুজাতিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপে ‘সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: সিটি গ্রুপ
বিভাগের নাম: রূপসী ফুডস লিমিটেড: কনফেকশনারি ইউনিট

পদের নাম: সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি
অভিজ্ঞতা: ০২-০৪ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১০ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার কত সৈন্য নিহত, কার কথা বিশ্বাসযোগ্য?

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

১৮১৬ সাল থেকে গড়পরতা প্রতিটি যুদ্ধে দৈনিক প্রায় ৫০ জন সৈন্যের মৃত্যু হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ তার চেয়েও অনেক বেশি প্রাণঘাতী। সিআইএ’র পরিচালক বিল বার্নস, এমআইসিক্স-এর প্রধান রিচার্ড মুর এবং এস্তোনিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান মিক মারান বলেছেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার রুশ সৈন্য মারা গেছে, অর্থাৎ গড়ে দৈনিক মৃত্যু ১০০ জনেরও বেশি।

ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের সাম্প্রতিক হতাহতের সংখ্যাও প্রায় একই, মাঝে মধ্যে হয়তো আরও খারাপ। শিকাগো ইউনিভার্সিটির পল পোস্ট বলেন, আমার ধারণা, এই যুদ্ধে প্রাণহানির সংখ্যা বিশ্বযুদ্ধগুলোর বাইরে ইউরোপের বৃহৎ যুদ্ধগুলোর রেকর্ড অতিক্রম করবে, অনেকটা ১৮৭০-৭১ সালের ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধের মতো। কথা হলো, এই যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা কীভাবে অনুমান করা হয়?

সামরিক হতাহতদের প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়: লড়াইয়ে নিহত (কেআইএ) এবং লড়াইয়ে আহত (ডব্লিউআইএ), যাদের মধ্যে কেউ কেউ পরে মারা যায়। বন্দি বা যুদ্ধবন্দি এবং নিখোঁজদের আলাদাভাবে গণনা করা হয়।

jagonews24

কিছু অনুমানে ইউক্রেনে হতাহত রুশদের সংখ্যা বলতে কেবল সেনাবাহিনীর সদস্যদের বোঝানো হয়েছে। তবে যুদ্ধের ময়দানে রুশদের পক্ষে আরও রয়েছে রোজভার্দিয়া (ন্যাশনাল গার্ড), এফএসবি (কেজিবি’র প্রধান উত্তরসূরী) এবং অন্যান্য অ-সেনা যোদ্ধা, যেমন- বিমানবাহিনী। এছাড়া ইউক্রেনের লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক এলাকার রুশপন্থি অনেক বাসিন্দাও মস্কোর হয়ে লড়ছে। এদের পাশাপাশি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার ‘ভাড়াটে খুনিরা’ কঠিন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজারের মতো রুশ যোদ্ধা নিহত হয়েছে। গত ২৯ জুন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেছেন, নিহত রুশদের সংখ্যা ২৫ হাজার। সত্যটা হলো, সিআইএ’র বিল বার্নস তাদের অনুমানের নিম্নসীমা উল্লেখ করেছিলেন, আর বেন ওয়ালেস করেছেন উচ্চসীমার।

আবার ইউক্রেন বলছে, ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুদ্ধে নিহত রুশদের সংখ্যা ৩৮ হাজার ৫০০। অবশ্য প্রতিপক্ষের হতাহতের সম্ভাব্য সংখ্যা সর্বোচ্চ দেখানোর সুস্পষ্ট কারণ রয়েছে তাদের। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ওলেক্সি রেজনিকভ দাবি করেছে, কেবল সেভেরোদোনেৎস্ক ও লিসিচানস্কের যুদ্ধেই মারা গেছে ১১ হাজার রুশ।

jagonews24

পরিসংখ্যানের এই বিস্তার ফারাকে এটি স্পষ্ট যে, অন্য দেশের হতাহতের সংখ্যা নির্ধারণে অনিবার্যভাবেই আন্দাজের ভিত্তি জড়িত। এক পশ্চিমা কর্মকর্তা বলেন, এটি কোনো সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞান নয়। হতাহতদের বিস্তারিত সাধারণত একটি গোপনীয় তথ্য, তবে বিশ্লেষকরা এটি জানার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন। এর একটি হলো- গোয়েন্দা সূত্র ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের অনুমান জেনে নেওয়া। যেমন- রুশ সরকারের অভ্যন্তরে এজেন্ট নিয়োগ অথবা রুশ ইউনিটগুলোর আলাপচারিতায় আড়িপাতা। তবে এভাবে প্রাপ্ত তথ্যও ভুল হতে পারে। পশ্চিমা কর্মকর্তারা মনে করেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজেই যুদ্ধ পরিস্থিতির সঠিক চিত্র প্রকাশ করছেন না।

আরেকটি উপায় হলো, যুদ্ধের ময়দানে মুখোমুখি হওয়া ইউক্রেনীয়দের তথ্য। তবে দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করা হলে, অর্থাৎ দৃষ্টিসীমার বাইরে যুদ্ধ হলে এ ধরনের তথ্য পাওয়া কঠিন।

তৃতীয় কৌশল হলো, ধ্বংস হওয়া সরঞ্জাম দেখে হতাহতের সংখ্যা ধারণা করা। এক্ষেত্রে বিধ্বস্ত একটি যুদ্ধযানে কতজন আরোহী ছিলেন, সেটি দেখে হতাহতের সংখ্যা অনুমান করা যায়। যেমন- একটি ট্যাংকে সাধারণত তিনজন আরোহী থাকে। সেটি ধ্বংস হলে তিন সৈন্য মারা গেছে ধরা যায়। এভাবে একটি ইউনিটে কত সৈন্য ছিল এবং কতজন মারা গেছে, তা স্যাটেলাইট অথবা সোশ্যাল মিডিয়ার ছবি দেখে অনুমান করা হয়। তবে উপরোক্ত যে কৌশলেই হিসাব করা হোক না কেন, এতে ভুল হওয়ার আশঙ্কা যে অনেক বেশি, তা স্পষ্ট।

jagonews24

যুদ্ধে আহত কতজন হলেন, তা বের করা আরও কঠিন। তবে এটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কতজন নিহত হলেন তার ওপর নয়, একটি বাহিনীর কার্যকারিতা নির্ভর করে কতজন লড়াইয়ে অক্ষম হয়ে পড়লেন তার ওপর। মাঠপর্যায়ে হাসপাতালগুলোর পরিস্থিতি, রক্তের মজুতসহ অন্যান্য মেডিকেল কার্যকলাপ থেকে এর কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।

সাধারণত সৈন্যরা নিহতের সংখ্যার একটি অনুমানযোগ্য অনুপাতে আহতও হন বলে ধরে নেন বিশ্লেষকরা। ডুপুই ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আহত ও নিহত সৈন্যের অনুপাত ছিল প্রতি তিনজনে একজন। তবে বিংশ শতাব্দীতে দৃশ্যপট কিছুটা বদলে যায়।

মিনেসোটা ইউনিভার্সিটির তানিশা ফজলের গবেষণা দেখা যায়, বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে আহত-নিহতের অনুপাতে পার্থক্য বেড়েছে। কারণ এখনকার সৈন্যরা অনেক বেশি স্বাস্থ্যবান, তারা যুদ্ধে পৌঁছানোর পরে তুলনামূলক আরও ভালো সুরক্ষা সরঞ্জাম পান, আহত হলে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয় এবং সামগ্রিকভাবে তারা উন্নত চিকিৎসাসেবা উপভোগ করেন।

তানিশার মতে, ১৮৬০ সালের যে যুদ্ধে ১ হাজার ২০০ সৈন্য প্রাণ হারিয়েছিলেন, সেটি ১৯৮০ সালের দিকে হলে প্রাণহানি ৮০০ জন হতো বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু যারা আগে মারা যেতেন, তাদের অনেকেই আহত হিসেবে দেখা যেতে পারে।

২০০৩ থেকে ২০১১ সালের ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সুসজ্জিত সেনাবাহিনীতে আহত-নিহতের অনুপাত ছিল প্রায় নয়জনে একজন, আফগানিস্তান যুদ্ধে তা প্রতি ১০ জনে একজন।

jagonews24

কোনো সৈন্য আহত হওয়ার প্রথম ৬০ মিনিটের মধ্যে উপযুক্ত চিকিৎসা পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়কে বলা হয় ‘গোল্ডেন আওয়ার’। ‘গোল্ডেন আওয়ার’-এ আরও সার্জিক্যাল টিম মোতায়েন এবং দ্রুততর মেডিক্যাল এভাক্যুয়েশন বা মেডিভ্যাক অনেকের প্রাণ বাঁচাতে পারে। আংশিকভাবে এর কারণে আধুনিক যুদ্ধে আহত-নিহতের অনুপাত এখন সর্বোচ্চ।

প্রশ্ন হলো, এটি রাশিয়ার জন্য কতটা প্রযোজ্য। ইরাক-আফগানিস্তানে মার্কিন সৈন্যরা মেডিভ্যাকের জন্য প্রচুর হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছিল। কিন্তু ইউক্রেনের মতো জায়গায়, যেখানে হেলিকপ্টার গুলি করে ভূপাতিত করা হয়, সেখানে এই সুবিধা নেওয়া কঠিন। এই যুদ্ধে রাশিয়ার জায়গায় যুক্তরাষ্ট্র থাকলেও একই সমস্যার মুখে পড়তো। পশ্চিমা পরিসংখ্যান থেকেই এটি স্পষ্ট।

বার্নস ও মারান দাবি করেছেন, রাশিয়ার নিহতের তুলনায় আহতের সংখ্যা তিনগুণ বেশি। এটি ইউক্রেনের তথ্যের সঙ্গেও মোটামুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাদের একটি নথিতে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত রাশিয়ার প্রথম ট্যাংক বহরের ক্ষয়ক্ষতি তুলে ধরা হয়েছে। এতে রুশ সৈন্যদের আহত-নিহতের অনুপাত বলা হয়েছে ৩.৪:১, আর নিখোঁজদের নিহত ধরে নিলে এই অনুপাত দাঁড়ায় ৪:১।

jagonews24

এই হিসাবগুলো হয়তো অবাস্তব মনে হতে পারে। মার্কিন ও এস্তোনিয়ান গোয়েন্দাদের দেওয়া ৩:১ অনুপাত ইঙ্গিত দেয়, রাশিয়ার ৬০ হাজার যোদ্ধাকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যদিও গত ফেব্রুয়ারি বা মার্চে আহত কিছু সৈন্য এতদিনে হয়তো সুস্থ হয়ে উঠবে।

বিপরীতে বেন ওয়ালেসের হিসাব সঠিক হলে এর অর্থ দাঁড়াবে, যুদ্ধের কোনো এক পর্যায়ে এক লাখ রুশ যোদ্ধাকে সরিয়ে রাখা হয়েছে। অনুপাতটি ৪:১ ধরলে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১ লাখ ২৫ হাজারে, যা যুদ্ধ শুরুর সময় রাশিয়ার আক্রমণকারী স্থলশক্তির সমান।

থিংক-ট্যাংক সিএনএ’র মাইকেল কফম্যান বলেন, এই গুণক প্রভাবের অর্থ হলো, রুশদের উচ্চহারে হতাহত হওয়ার অনুমান কম বিশ্বাসযোগ্য। যদি সামগ্রিক হতাহতের সংখ্যা মার্কিন ও ব্রিটিশ পরিসংখ্যানের চেয়ে নাটকীয়ভাবে বেশি হতো, তাহলে রুশ বাহিনী অনেক আগেই আরও গভীর সমস্যায় পড়ে যেতো।

(দ্য ইকোনমিস্ট থেকে ভাবানুবাদ করেছেন খান আরাফাত আলী)


আরও খবর



কাল থেকে ১১০ টাকায় সয়াবিন তেল বিক্রি করবে টিসিবি

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

আগস্ট মাসে দেশব্যাপী এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সোমবার ।

রোববার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে টিসিবি।

সংস্থাটি জানায়, নিম্ন আয়ের এক কোটি উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য (তেল, চিনি, ডাল ও পেঁয়াজ) পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে টিসিবি কর্তৃক ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে আগস্ট মাসের বিক্রয় কার্যক্রম আগামী ১ আগস্ট থেকে শুরু হবে ।

এই বিক্রয় কার্যক্রম ডিলারের দোকান/নির্ধারিত স্থায়ী স্থাপনা থেকে সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালনা করা হবে।

একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ এক কেজি চিনি ও দুই কেজি করে তেল, মসুর ডাল এবং পেঁয়াজ কিনতে পারবেন। এ বিক্রয় কার্যক্রম শুধু মহানগরীগুলোতে এবং আঞ্চলিক কার্যালয় সংশ্লিষ্ট জেলাসমূহে পরিচালনা করা হবে।

ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, তেল ১১০ টাকা, ডাল ৬৫ টাকা ও পেঁয়াজ ২০ টাকা দরে বিক্রি হবে।


আরও খবর



ইশরাকের নামাজ পড়ার সময় ও নিয়ম

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

নফল নামাজ ইশরাক। নফল এ নামাজ নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে পড়তেন এবং অন্যদেরকেও পড়তে বলতেন। ইশরাকের নামাজের ফজিলত ও মর্যাদা অন্য নফল নামাজের তুলনায় বেশি। কিন্তু ইশরাকের নামাজ পড়ার সময় কখন এবং তা পড়ার নিয়মই বা কী?

ইশরাক নামাজ পড়ার সময় হচ্ছে, সূর্য উদিত হওয়ার পর থেকে এক বর্শা পরিমাণ উদিত মধ্যাকাশে আসার আগ পর্যন্ত এই সময়ের মধ্যে আদায় করলে ইশরাকের নামাজ আদায় হয়ে যাবে। তবে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূর্য উদিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই নামাজ আদায় করতেন না। তিনি এক বর্শা পরিমাণ সূর্য ওঠার অপেক্ষা করতেন।

নবিজি যখন ইশরাক পড়তেন

একদল ইসলামিক স্কলার বলেছেন, বর্শা মানে দেড় মিটারের মতো, আবার কেউ কেউ বলেছেন, এক মিটারের মতো। এটি সময়ের সঙ্গে পরিমাপ করলে দাঁড়ায়, সূর্য উদিত হওয়ার ১০ থেকে ১২ মিনিট পর শুরু হয়। ইশরাক নামাজ পড়া প্রসঙ্গে হাদিসের একাধিক বর্ণনা রয়েছে। তাহলো-

১. হজরত আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজর নামাজ জামাতে আদায় করার পর সূর্য উঠার আগ পর্যন্ত ওখানে বসে বসেই আল্লাহর জিকির করে। তারপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করে। তার জন্য পূর্ণাঙ্গ হজ ও ওমরার সমান সাওয়াব রয়েছে।’ (তিরমিজি, মিশকাত)

২. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে ফজরের নামাজ পড়লো। এরপর সূর্য উঠা পর্যন্ত সেখানে বসে আল্লাহর জিকির করলো; অতপর দাঁড়িয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়লো; সে একটি হজ ও ওমরাহ করার সওয়াব নিয়ে ফিরে গেল।’ (তাবারানি, আত-তারগিব)

৩. অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘সূর্য উঠার আগে আল্লাহর জিকির, তাকবির, তাহমিদ ও তাহলিল পাঠ করা আমার কাছে ইসমাঈল বংশের দুইজন গোলাম আজাদ করার চেয়েও অধিক প্রিয়।’ (মুসনাদে আহামদ)

হাদিসের দিকনির্দেশনা অনুসারে ফজর নামাজ পড়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে সূর্য উঠার পর এ নামাজ আদায় করতে হয়। এ ক্ষেত্রে ইসলামিক স্কলারদের কেউ কেউ বলেছেন সূর্য উঠার ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর; আবার কেউ কেউ বলেছেন ২০ থেকে ২৫ মিনিট পর এ নামাজ পড়তে হয়। আর সূর্য এক বর্শা পরিমাণ (দেড় মিটারের মতো) মধ্যাকাশের দিকে উঠা পর্যন্ত এ নামাজের ওয়াক্ত থাকে।

ইশরাক নামাজের নিয়ম

ইশরাক অন্যান্য নামাজের মতোই দুই রাকাত করে আদায় করতে হয়। ইশরাকের নামাজের জন্য সুস্পষ্ট আলাদা কোনো নিয়ম ও নিয়ত নেই। শুধু ‘আল্লাহু আকবার’ বলে শুরু করা। আর দুই দুই রাকাত করে ৪ রাকাত নামাজ পড়া।

ইশরাকের নামাজের সুনির্দিষ্ট রাকাত সংখ্যারও উল্লেখ না থাকলেও কেউ কেউ দুই রাকাত থেকে শুরু করে আট রাকাত পর্যন্ত পড়ে থাকেন। আবার ইসলামিক স্কলারদের কেউ কেউ বলেছেন, ইশরাকের নামাজ দুই রাকাত করে ১২ রাকাত পর্যন্ত পড়া যায়।

তবে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই দুই রাকাত করে ৪ রাকাত ইশরাক পড়তেন। এটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমল দ্বারা প্রমাণিত।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, ফজরের নামাজের পর সূর্য উঠার ১৫ থেকে ২৫ মিনিট পর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে দুই দুই রাকাত করে ৪ রাকাত নামাজ আদায় করা। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের অনুসরণ করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নির্ধারিত সময়ে সুন্নাত নিয়মে নিয়মিত ইশরাক নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর