Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সীতাকুণ্ডে অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ, নিহত ৫, আহত ৩০

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৪১১জন দেখেছেন

Image

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কদমরসুলপুর এলাকায় ‘সীমা অক্সিজেন অক্সিকো লিমিটেড’ নামের একটি কারখানায় বিস্ফোরণে আন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন।

আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ওই অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

হতাহতের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন সীতাকুণ্ড উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহাদৎ হোসেন।

কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বড় ধরনের বিস্ফোরণ হয়েছে। আমরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি।

অক্সিজেন প্ল্যান্টের আশপাশের বাসিন্দারা বলছেন, অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে প্ল্যান্টের পাশের অনেক ঘরবাড়ির দরজা-জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ে। আতঙ্কে ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে মানুষ। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছেন।

এর আগে গত বছরের ৫ জুন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। এতে ঘটনাস্থলের আশপাশের অন্তত চার বর্গকিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। আশপাশের বাড়িঘরের জানালার কাচ ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় বহু হতাহত হয়।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




পুঠিয়া উপজেলা নির্বাচনে ৭৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image
সাজেদুর রহমান পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে আগামী মঙ্গলবার (২১ মে) পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ ২টি থানা, ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এসব এলাকায় ৭৮টি ভোট কেন্দ্রে রয়েছে। ৭৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩টি ভোট কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ঘোষনা করেছে পুলিশ প্রশাসন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো হলো, পুঠিয়া থানার মধ্যে, পীরগাছা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বারইপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কান্দ্রা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বানেশ^র উচ্চ বিদ্যালয়, দিঘলকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাতিনাদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিড়ালদহ সৈয়দ করম আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিড়ালদহ সৈদয় করম আলী উচ্চ বিদ্যালয়, শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ফুলবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নন্দনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাধনপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজ, পচামাড়িয়া দ্বি-মখী উচ্চ বিদ্যালয়, পচামাড়িয়া ডিগ্রী কলেজ, ভরতমাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝলমলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় (পশ্চিম ভবন), ঝলমলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় (উত্তর ও পূর্ব ভবন), ধোপাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়। বেলপুকুর থানার সবগুলো ভোট কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে, মাহেন্দ্রা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভড়–য়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাজিরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আগলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিরা উচ্চ বিদ্যালয়, ক্ষুদ্রজামিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেলপুকুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেলপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়, চকধাদাশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধাদাশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধাদাশ উচ্চ বিদ্যালয় ও দোমাদি উচ্চ বিদ্যালয়। পুঠিয়া থানা সূত্রে জানাগেছে এসব গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত আইন শংঙ্খলা বাহিনীর সদসগণেরা কাজ করবেন। আগামী মঙ্গলবার (২১ মে) পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭৮টি কেন্দ্রে ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৭’শ ২৪ জন ভোটার তাদের ভোট প্রদান করবে। এর মধ্যে পুরুষ ৯১৮৮১,মহিলা ৯০১৩৪,হিজরা ৩ জন।

আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক এর জীবন যুদ্ধ চলে ভ্যানের প্যাডেলে স্বীকৃতি সনদ আজ ও মেলেনি

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:লুঙ্গি পেঁচিয়ে পরে শক্ত হাতে অস্ত্র ধরে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম সেদিন তো ফুলপ্যান্ট  পরনে ছিল না এখন কেন জাতীয় মুক্তি যোদ্ধা কাউন্সিলে প্রবেশ করতে এসে ফুলপ্যান্ট ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না?  মুক্তিযোদ্ধা সাময়িক সনদ পত্র প্রাপ্তীর জন্য জামুকায় গিয়ে এমন বিড়ম্বনার শিকার মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক । দিনাজপুর জেলার  পার্বতীপুর উপজেলার খাগড়াবন্দ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক এর জীবিকা নির্বাহ হয় ভ্যানের চাকায়। ২০১৩ সালের ২২ নভেম্বর অনলাইনে মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে গেজেট ভুক্তির জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি যার ডিজিআই নং১০২৮৭৩( উএষ১০২৮৭৩) এবং পার্বতীপুর উপজেলার ক্রমিক নম্বর ০৩।  মুক্তি যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সাময়িক মুক্তি যোদ্ধা সনদ প্রাপ্তীর আবেদন করেছেন যার আবেদন ডকেট নং ৪৮৯২ তারিখ ০৮/১১/১৪ইং।  মুক্তি যোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত তালিকা পার্বতীপুর ক্রমিক নম্বর ৫৫ । এতো দালিলিক প্রমাণাদী আগলে রেখে ও মুক্তি যোদ্ধার তালিকায় তার নাম গেজেট ভুক্ত হয় নাই । তথাপি অপ্রতিরোধ্য প্রত্যাশায় ভ্যানের চাকায় জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেকের। জানা গেছে পার্বতীপুর উপজেলার ১০ নং হরিরামপুর ইউনিয়নের খাগড়াবন্দ গ্রামের মৃত্যু নাজিম উদ্দীনের পুত্র আব্দুল মালেক ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মাতৃভূমি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান কে পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার দের কবল থেকে দেশকে স্বাধীন করার জন্য ভারতের ৭ নং সেক্টরের উত্তর অঞ্চল হামজাপুর ( পথিরাম)ইয়থ ক্যাম্পে ১ লা জুন ১৯৭১ যোগদান করেন এবং উক্ত ক্যাম্পে  একমাস প্রশিক্ষন গ্রহন শেষে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আমবাড়ী ফুলবাড়ি ভবানীপুর আনন্দ বাজার বদরগনজ যুদ্ধে অংশ নেন। তার এফ এফ নং ১১৭১। তার প্রকৃত সহযোদ্ধা মোঃ কায়ছার আলী গেজেট নং ৬৩৯ লালমুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৭২ (০১৭২১২১৫৮৪০) মোঃ আজিজুল হক গেজেট নং ৫৮৭ লাল মুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৪৪ (০১৭৮৫৩৭৬১৪৭) মোঃ আঃ লতিফ গেজেট নং ৬২৮ লাল মুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৩৯ (০১৭৮৩৩৭৬৪৪৬) মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে গেজেট ভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন।  মুক্তি যুদ্ধ কালীন সময়ে তিনি ৭ নং সেক্টরে থ্রি নাট. থ্রিজি ৩০৩ রাইফেল পরিচালনা করেন। যুদ্ধ কালীন সময়ে তার অধিনায়ক ছিলেন এম এ জি ওসমানী এবং কমান্ডার কাজী নুরুজ্জামান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র সমর্পন করেছিলেন তিনি। এলাকার মুক্তি যোদ্ধা মরহুম মোতালেব মন্ডল এবং সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দীন ও তার সহযোগী ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র জমা দেওয়ার পরের দিন দিনাজপুর মিলিশিয়া ক্যাম্পে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি হয় এবং ২৫ শে জানুয়ারী ১৯৭২ তিনি ন্যাশনাল মিলিটারি ট্রেনিং একাডেমি রাজশাহী সদর রাজশাহী এর কমান্ডেন্ট ডিএস ডিললোন (ক্যাপ্টঃ)তাকে ছাড়পত্র প্রদান করেন। মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক মাসিক ৫০ টাক সহায়তা অনুদানে তথ্য দাতা হিসাবে বামনহাট ইয়ুথ রিসিভসন ক্যাম্প কুচবিহারে ০৩ /০৫/৭১ ইং হতে ২৬/৫/১৯৭১ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন মর্মে কাস্টমস অফিসার ইনচার্জ ইয়ুথ রিসিপশন ক্যাম্প বামনহাট কোচবিহার দিনহাটা কর্তৃক স্বাক্ষরিত অর্ডার শিটে উল্লেখ আছে। মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র জমা দেওয়ার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজশাহী সদর মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন থাকায় হাসপাতাল থেকে ফিরে দেখেন তার নাম বাদ গেছে। পরবর্তী সময়ে অনলাইনে আবেদন করেছেন তিনি দৃঢ় আশাবাদী মুক্তি যোদ্ধা তালিকায় তার নাম অবশ্যই গেজেট ভুক্ত হবে। স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন।


আরও খবর



চা শ্রমিকরা আর ভাসমান থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৪৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:চা শ্রমিকরা আর ভাসমান থাকবে না। তাদের যা প্রয়োজন সবই করবে সরকার,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চা দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চা শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কাজ করেছিলেন। চা শিল্পের গবেষণার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। চা শ্রমিকরা ভাসমান অবস্থায় আছে। তাদের আর ভাসমান থাকতে হবে না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আলাদা ফান্ড আছে, সেখান থেকে তাদের জন্য ফান্ড দেওয়া হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, পঞ্চগড়ে আঙ্গিনায়ও চা হচ্ছে, তারা তরকারিও ফলায়, চায়ের গাছও লাগায়। চা আমাদের অর্থকরী ফসল হচ্ছে। যেটা দেশের মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিতে সহায়তা করছে। চায়ের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮টি ক্যাটেগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার পেয়েছে ৮টি কোম্পানি ও ব্যক্তি।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




রূপগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় প্রসুতির মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃনারায়ণগঞ্জে রূপগঞ্জে ভুলতা জেনারেল নামে এক বেসরকারী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় লুবনা আক্তার(২৭) নামে এক প্রসুতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এসময় ক্ষিপ্ত হয়ে নিহতের স্বজনরা হাসপাতাল ভাংচুর করে। ভয়ে লাশ রেখে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসকসহ সকল কর্মকর্তা- কর্মচারীরা পালিয়ে যায়। 

নিহত লুবনা আক্তার আড়াইহাজার থানাধীন গিরদা এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী তপন মিয়া স্ত্রী।

নিহতের স্বজনরা জানান, ব্যবসায়ী তপন তার স্ত্রী লুবনাকে সন্তান প্রসবের জন্য ভুলতা জেনারেল হাসপাতালে গাইনী চিকিৎসক ডাঃ সোনিয়া রহমানের পরামর্শে সোমবার বিকালে হাসপাতালে ভর্তি করান। রাত ৮ টার সময় অপারেশনের সময় দিলেও রাত ১১ টার সময় লুবনাকে অপারেশর থিয়েটারে নিয়ে যায় ডাঃ সোনিয়া রহমান।   চেতনানাশক এনেসথেশিয়া ইনজেকশন পুশ করার পর তার আর জ্ঞান ফিরেনি। ২ ঘন্টা পর পরিবারের কাউকে কিছু না বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অপারেশন থিয়েটার থেকে  লু্বনাকে তড়িগড়ি করে পার্শ্ববর্তি একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষনা দেন।


তখন সেই হাসপাতালে লাশ রেখেই পলায়ন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে লাশ নিয়ে নিহতের স্বজন ভুলতা জেনারেল হাসপাতালে আসলে হাসপাতালে কাউকে পাওয়া যায়নি। সবাই  পালিয়ে গেছে। এসময় ক্ষিপ্ত হয়ে নিহতের স্বজনা উত্তেজিত হয়ে হাসপাতালে ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এব্যাপারে কথা বলার জন্য হাসপাতালে কাউকে পাওয়া যায়নি।

ভুলতা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ জিল্লুর রহমান বলেন,  অপারেশনের সময় এক প্রসুতির মৃত্যুর খবরে হাসপাতালে ভাংচুরের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এঘটনা এখনো কোন লিখি

 -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



রাজশাহীতে আমের ফলন কম, দাম চড়া

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

আব্দুস সবুর তানোর থেকে প্রতিনিধি:রাজশাহী বিভাগের আম উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে পরিচিত রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ। তিনটি জেলাতেই আমের বড় হাট রয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীতে আমের সবচেয়ে বড় হাট বসে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরে।

সোমবার দুপুরে হাটে বিক্রির জন্য হিমসাগর আম নিয়ে এসেছেন চারঘাট উপজেলার মো. মজনু। প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬০০ টাকায়। তিনটি হিমসাগর আমেই এক কেজি হয়ে যাচ্ছে। মো. মজনু জানান, আজ তিনি চারটি গাছ থেকে আম পেড়েছেন। ১৮ ক্যারেটও হয়নি। অথচ গত বছর একটি গাছ থেকেই ৩৭-৩৮ ক্যারেট আম পেয়েছিলেন। গত বছর তিনি ১ হাজার ৪০০ টাকা দরেও হিমসাগর বিক্রি করেছেন। এবার ভালো আম সাড়ে তিন হাজারের নিচে নেই। সামনে পাঁচ হাজার টাকা মণে গিয়ে ঠেকতে পারে।

রাজশাহীতে এবার আমের ফলন কম। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে আমের মুকুল আসতে দেরি হয়েছে। মুকুলও কম হয়েছে। আবার মার্চে বৃষ্টির কারণে মুকুল নষ্ট হয়েছে। পরে দীর্ঘ খরা গেছে। খরায় আম ঝরে পড়েছে। তবে এবার শিলাবৃষ্টি ও ঝড় না হওয়ায় যতটুকু আম ছিল, তা আছে। সব মিলিয়ে আমের ফলন গত মৌসুমের চেয়ে এবার কম।রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ অনুযায়ী, ১৫ মে থেকে সব ধরনের গুটি আম, ২৫ মে থেকে গোপালভোগ বা রানিপছন্দ; ৩০ মে থেকে লক্ষ্মণভোগ বা লখনা এবং হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাতি; ১০ জুন থেকে ল্যাংড়া ও ব্যানানা আম; ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি, ৫ জুলাই থেকে বারি-৪ আম, ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা, ১৫ জুলাই থেকে গৌড়মতি ও ২০ আগস্ট থেকে ইলামতি আম নামানো যাবে। এ ছাড়া কাটিমন ও বারি-১১ আম সারা বছর সংগ্রহ করা যাবে।

কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির ছাঐড় বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতান আহম্মেদের আমের বাগান রয়েছে স্কুলের সামনেই। তিনি জানান বিগত মৌসুমে যে পরিমান আম পেয়েছি এবার তার অর্ধেকও নেই। টানা তাপপ্রবাহ ও কাংখিত বৃষ্টির পানি না পাওয়ার কারনে গাছে আম বলতে নেই। দুএকটি গাছে আম রয়েছে তাও সামান্য। 

ফলন কম হওয়ায় এবার আমের বাজার চড়া। 

সোমবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বানেশ্বর হাটে অবস্থান করে দেখা গেছে, গোপালভোগ মান ভেদে ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাতি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬০০ টাকা মণে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছর গোপালভোগ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা মণ। এবার গোপালভোগের বাজার শুরু হয়েছিল ২ হাজার ৪০০ টাকা থেকে। এই আম কমে আসায় ধীরে ধীরে দাম বাড়ছে। অন্যদিকে হিমসাগর গত বছর সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬০০ টাকা মণে উঠেছিল। গত বছর হাজারের নিচে থাকা লখনা আম বিক্রি হচ্ছে দেড় হাজার টাকা মণে। ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, মৌসুম শুরু না হলেও বাজারে ল্যাংড়া আমও দেখা গেছে। সেগুলোর দু-একটি পাকাও ছিল।বানেশ্বর হাটে চারঘাটের বায়া লক্ষ্মীপুর গ্রামের আমচাষি মো. আজাদ ভ্যানে করে আম নিয়ে এসেছেন। লক্ষ্মণভোগ বা লখনা তিনি গত শনিবার বিক্রি করেছেন ১ হাজার ৫৮০ টাকা দরে। আজ তিনি লখনার সঙ্গে হিমসাগরও নিয়ে এসেছেন। তিনি  বলেন, তিনি ছয় বিঘা জমিতে আমের চাষ করেছেন। এবার চার ভাগের তিন ভাগ আম নেই। তাই লখনা আমও দেড় হাজারে বিক্রি হচ্ছে। অন্য আমের দাম আরও বাড়বে।

বাগান থেকে আম নামিয়ে সড়কের ধারেই বিক্রি করছেন কেউ কেউ।

বানেশ্বর বাজার থেকে দুই ক্যারেটে ৫০ কেজি হিমসাগর আম কিনে ঢাকায় পাঠাতে দেখা গেল স্থানীয় ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামকে। তিনি বলেন, চার আত্মীয়ের বাড়িতে আম পাঠাচ্ছেন। গতবার অনেক বেশি আম পাঠাতে পেরেছেন। এবার দাম বেশি, তাই কম পাঠাচ্ছেন।

এবার সব আম হাটেও আসছে না। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের ধারেও চড়া দামে আম বিক্রি হচ্ছে। পুঠিয়ার ভাংড়া এলাকায় মো. মনিরুল ইসলাম রাস্তার ধারেই বিক্রি করছিলেন আম। তিনি ৩ হাজার ৬০০-৩ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে হিমসাগর বিক্রি করছিলেন। তিনি  বলেন, রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকাগামী অনেক যাত্রী আম কিনে নিয়ে যান। এগুলো রাস্তার নিচে বাগান থেকেই পাড়া হয়েছে। তিনি বলেন, এবার আমের দাম চড়া, তাই ক্রেতাও কিছুটা কম।বানেশ্বর হাটের ইজারাদার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাটে এবার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। আমের বাজার জমেই উঠছে না। আর গাছে আমই নেই, বাজার কীভাবে জমবে।

রাজশাহীতে এবার ১৯ হাজার ৬০২ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। গত বছর ১৯ হাজার ৫৭৮ হেক্টর জমিতে আমবাগান ছিল। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে জেলায় এবার মোট ২ লাখ ৬০ হাজার ৩১৫ মেট্রিক টন আমের উৎপাদন হবে।

এ ব্যাপারে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মোছা. উম্মে ছালমা  বলেন, এবার আমের মুকুল কম ছিল। মুকুলও দেরিতে এসেছে। এ কারণে আমের ফলন কিছুটা কম। তবে কৃষক ভালো দাম পাচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে কি না বলা যাচ্ছে না। মৌসুম কেবল শুরু হল। দেখা যাক।


আরও খবর