Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: আজও ডিএনএ সংগ্রহ করছে সিআইডি

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৭৮জন দেখেছেন
Image

সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মরদেহ শনাক্তে তৃতীয় দিনের মতো ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছে সিআইডির বিশেষজ্ঞ দল। বুধবার (৮ জুন) সকাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সামনে স্থাপিত বুথে অপেক্ষা করছেন তারা।

তবে বেলা ১১টায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নমুনা দেওয়ার জন্য কেউ আসেননি।

সিআইডি চট্টগ্রামের ফরেনসিক ল্যাবের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঞ্চলের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার (৮ জুন) পর্যন্ত দুই দিনে ২৩ পরিবারের ৪০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। রাত ১০টার পর আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়ে। রাত ১২টার পর থেকে মৃতের খবর আসতে থাকে। সময় যত গড়াতে থাকে, মৃতের সংখ্যাও তত বাড়তে থাকে।

সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। ঘটনার পর এ নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন প্রতিষ্ঠান চার রকম তথ্য দেয়। রোববার (৫ জুন) রাতে দেওয়া তথ্য পরদিন সকালে সংশোধন করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

রোববার বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াস চৌধুরী জানান, মৃতের সংখ্যা ৪৯ জন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান জানান, মৃতের সংখ্যা ৪৬ জন। এরও পরে, রাত ৯টায় জেলা প্রশাসনের নোটিশ বোর্ডেও জানানো হয় মৃতের সংখ্যা ৪৬।

কিন্তু সোমবার (৬ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান জানান, মৃতের সংখ্যা ৪১ জন।

তবে এর আগেই সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন নোটিশ বোর্ড সংশোধন করে মৃতের সংখ্যা ৪১ জন বলে জানায়।

এদিকে এ দুর্ঘটনায় মঙ্গলবার আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩ জনে। এছাড়া চমেকে আজ দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪৪ জনে।


আরও খবর



পদ্মা সেতু পারাপারে সবাইকে টোল দিতে হবে

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতু পারাপারে সবাইকে টোল দিতে হবে। রোববার (২৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সব নাগরিককে পদ্মা সেতু পারাপারের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে টোল প্রদান করতে হবে। সর্বসাধারণকে টোল প্রদান করে সেতু পার হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

এছাড়া, পদ্মা সেতুর উপর সব ধরনের যানবাহন থামানো, হেঁটে চলাচল করা ও ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং আইনগতভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ। এই নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য সর্বসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

শনিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে সেতু দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর জাজিরার অভিমুখে রওনা করে। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বাংলাবাজার ঘাটের জনসভাস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন।

এরপর রোববার ভোর থেকে সর্বসাধারণের জন্য চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর প্রথম দিনেই বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল থামিয়ে মোবাইল ক্যামেরায় সেলফি তোলার হিড়িক পড়েছে। অনেকে টোল দিতেও গড়িমসি করছেন বলে জানা গেছে।


আরও খবর



গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে মাঠে থাকবে এলডিপি

প্রকাশিত:Friday ১০ June ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

আমরা গণতন্ত্রের সংগ্রামে ছিলাম। কিন্তু আজ আমাদের দেশে গণতন্ত্র নেই। আমরা এক দুঃশাসনের ভেতরে আছি। এই স্বৈরাচারী সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো।

শুক্রবার (১০ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) নেতারা।

সভায় এলডিপির মহাসচিব সাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, বর্তমান সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাব থেকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ফিরিয়ে আনতে আমরা আন্দোলন করছি। আমরা জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গে রাজপথে আন্দোলনে আছি। বিএনপিকে আহ্বান করবো, তারা যেন তাদের ঘরের শত্রুকে চিনতে পারে। আমরা বিএনপির যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে থাকবো।

LDP-(2).jpg

দলটির সহ-সভাপতি আব্দুল গনি বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা রাজপথে আন্দোলন করছি। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে মানুষ না খেয়ে থাকছে। পদ্মা সেতু, উড়ালসেতু এসব করে কোনোদিন মানুষের উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। আপনারা ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী ভাবছেন। জনগণ আপনাদের দুঃশাসন থেকে মুক্তি চায়।

এ সময় এলডিপির নেতা আব্দুল করিম আব্বাসী বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আমরাও অনেকটা দায়ী। খালেদা জিয়ার নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়েও দলের ভেতরে কিছু মানুষ বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আজকে দেশে এই যে দুর্নীতি, অরাজকতা, হত্যা ও ঘুম চলছে এরকম পরিস্থিতি ব্রিটিশ আমল, পাকিস্তান আমলেও আগে কখনো দেখিনি।

সভায় আরও বক্তব্য দেন এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব আবুল বাশার, তমিজউদ্দিন টিটু, এ এস এম মহিউদ্দিন, ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী রাজুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।


আরও খবর



তরুণদের ইংরেজি শেখাতে কাজ করছেন সৈয়দ ওয়াসি

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

সৈয়দ ওয়াসি সেন্টার ফর ইনোভেটিভ ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিংয়ের (সিআইএলএল) প্রধান নির্বাহী ও প্রধান প্রশিক্ষক। তারুণ্যের এই শিক্ষক জাগো নিউজকে জানালেন তার নানা সফলতার কথা। তরুণদের জন্য দিলেন নানা পরামর্শ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বেনজির আবরার—

প্রথমেই নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন—
সৈয়দ ওয়াসি: আমি একজন ইংরেজির শিক্ষক। তবে আমার কাজ হলো পেশাদারিত্বের সাথে ইংরেজি শিক্ষাকে ব্যবহারিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। তাই নিজেকে ‘প্রফেশনাল ট্রেইনার অব ইংলিশ’ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইনোভেটিভ ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিংয়ের (সিআইএলএল) সিইও ও চিফ ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার মালিবাগে অবস্থিত।

আপনার শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতার ওপর যদি সংক্ষেপে বলেন—
সৈয়দ ওয়াসি: আমি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছি। বিষয় ছিল ‘ইংরেজি: লিঙ্গুইস্টিক্স ও টিসল (টিইএসওএল)। মাস্টার্স ডিগ্রিতে আমি সর্বোচ্চ ডিস্টিংকশন ‘সুমা কাম লডে’ অর্জন করি। পাশাপাশি আমি পিটিইতে (পিয়ারসন টেস্ট অব ইংলিশ) সর্বোচ্চ স্কোরধারী (৯০/৯০: স্পিকিং ৯০, রাইটিং ৯০, রিডিং ৯০, লিসেনিং ৯০)। আইএলটিএস পরীক্ষায় ১৩ বছর আগে ৮ প্রাপ্ত। ক্যারিয়ার শুরু হয় একটি ইংলিশ ইনস্টিটিউটে পড়ানোর মাধ্যমে। পরে বিডিজবসে কিছুদিন বিজনেস কমিউনিকেশনের ওপর ট্রেইনিং করাই। এর আগে চাকরি করতাম স্কলাস্টিকা স্কুলের ট্রেইনিং উইং-স্পীডে। সেখানে স্কলাস্টিকা স্কুলের টিচার ট্রেইনিং, তাদের বিভিন্ন কর্পোরেট ট্রেইনিং (ইংলিশ ও বিজনেস কমিউনিকেশন) এবং অন্যান্য ইংরেজি সংশ্লিষ্ট ট্রেইনিংগুলো করাতাম। এরপর আমার প্রতিষ্ঠান সিআইএলএলের (সিল) দায়িত্ব নিই। বিগত ৭ বছর এ দায়িত্ব পালন করছি।

২০১৬ সালে যখন পিটি পরীক্ষা বাংলাদেশে চালু হয়; তখন থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পিটিই টেস্ট সেন্টারের প্রথম পিটিই ট্রেইনার ছিলাম। পিয়ারসনের (পিটিই’র মূল প্রতিষ্ঠান) অফিশিয়াল পিটিই ওয়েবসাইটে এখন পর্যন্ত একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে আমার ওপর লেখা একটি ফিচার পাবেন। তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে সৈয়দ ওয়াসি নাম সার্চ করলে আর্টিকেলটি পড়তে পারবেন। এর বাইরে এ পর্যন্ত বেশ কিছু স্বনামধন্য প্রাইভেট ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে ইংলিশ ও বিজনেস কমিউনিকেশন ট্রেইনিং করিয়েছি। এর মধ্যে ব্রিটিশ হাই কমিশন, এনসিসি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, জিআইজেড বাংলাদেশ, রেড ক্রস, আইডিএলসি, বেবিলন গ্রুপ, স্কয়ার ফার্মা, স্কয়ার টেক্সটাইলস, ডেকো ফুড, এপিক গ্রুপ উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি প্রফেশনাল ট্রান্সলেশনের কাজও করি (ইংরেজি থেকে বাংলা/বাংলা থেকে ইংরেজি)। বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম, স্কলাস্টিকা স্কুল ও এসেন্ট গ্রুপের জন্য আমার করা ট্রান্সলেশনের কাজ উল্লেখযোগ্য। দুটি জাতীয় পত্রিকায় আমার কিছু লেখা ছাপা হয়েছে।

তরুণদের ইংরেজি শেখাতে কাজ করছেন সৈয়দ ওয়াসি

উদ্যোক্তা হলেন যেভাবে—
সৈয়দ ওয়াসি: আমি যখন ইংলিশ ট্রেইনার হিসেবে চাকরি করি; তখন থেকেই আমার ইচ্ছা ছিল নিজের একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাবো। এতে নিজের মেধা পরিপূর্ণভাবে ব্যবহার করার সুযোগ ছিল। আর এমনিতেও ইংরেজি ভাষা নিয়ে কাজ করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া—এসব আমার শুধু পেশা নয়, নেশা। ২০১৩ সালে নিজের প্রতিষ্ঠান দেওয়ার স্বপ্নপূরণ হয়। তবে এটি সম্ভব হতো না, যদি না আমার বড় আপা (ভাই-বোনদের মধ্যে সবার বড়) আমাকে উৎসাহ দিতেন। তার আর্থিক সহায়তায় আমি সিল’র একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সক্ষম হই।

ইংরেজি শিক্ষার্থীদের জন্য আপনার অবদান কী?
সৈয়দ ওয়াসি: আমি বিশ্বাস করি, সিল মানে আমার প্রতিষ্ঠান। অত্যন্ত দক্ষ ও সর্বোপরি একটি সৎ ইংরেজি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমার অবদান এখনো যদিও বিশাল কোনো পরিসরে পৌঁছায়নি। তারপরও যতটুকু পারছি বাংলাদেশের ইংরেজি শিক্ষার্থীদের সঠিক দিক-নির্দেশনা দিচ্ছি। এ ভাষার ব্যবহারের ওপর দক্ষতা আনতে সাহায্য করে যাচ্ছি। এ প্রতিষ্ঠানে ফুল মেম্বারশিপ প্রোগ্রাম চালু আছে। যার মাধ্যমে ইংরেজিতে দুর্বল যে কোনো শিক্ষার্থী একদম বেসিক থেকে ধাপে ধাপে তার ইংরেজির দক্ষতা বাড়াতে সফল হবে। এ ক্ষেত্রে একেক জনের একেক সময় লাগে। তাই আমরা কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কাউকে তথাকথিত এক্সপার্ট করার আশ্বাস না দিয়ে যার যত দিন প্রয়োজন, সে হিসেবে কোর্স করিয়ে তাদের ইংরেজিতে সফল করে তুলি।

তরুণদের ইংরেজি শেখাতে কাজ করছেন সৈয়দ ওয়াসি

আমাদের এ প্রোগ্রামের অধীনে শত শত শিক্ষার্থী ইংরেজিতে দক্ষ হয়ে এখন দেশের বাইরে আছেন। কোর্সগুলোর মধ্যে বেসিক ইংলিশ (লেভেল ১) ও স্পোকেন, গ্রামার অ্যান্ড রাইটিং (লেভেল ২) ও স্পোকেন, অ্যাডভান্সড স্পিকিং (লেভেল ৩), পিটি, আইইএলটিএস, ডুয়োলিঙ্গো ইংলিশ, টোফেল, ইংলিশ টিচার ট্রেইনিং উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি দীর্ঘ ৬ বছর ধরে ইংরেজি শিক্ষার উপর সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। যেমন যে কাউকেই তার বর্তমান ভাষার দক্ষতা যাচাই না করে যে কোনো কোর্স করানো যায় না। ইংরেজি শিক্ষার ক্ষেত্রে অগ্রীম গ্যারান্টি নয়, সময় নিয়ে সঠিক জায়গা থেকে ধৈর্যের সাথে শেখাটা হচ্ছে সফলতার মূলমন্ত্র—বিষয়গুলোর ওপর সচেতনতা তৈরিতে এক প্রকার সংগ্রাম করছি। এর বাইরে ভার্চুয়াল ইংরেজি শিক্ষার ওপর অনেক বছর ধরে কাজ করছি। তা সফলভাবে পরিচালনা করছি। আমার মাস্টার্সের থিসিসের বিষয়ও ছিল ভার্চুয়াল ইংলিশ টিচিং। যা এখন থেকে ১০ বছর আগে আমি সম্পন্ন করি। তাই আমাদের প্রতিষ্ঠানে অফলাইন ও অনলাইন ক্লাস যুগপৎভাবে চলে।

তরুণ ইংরেজি শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ—
সৈয়দ ওয়াসি: তরুণ প্রজন্ম আমাদের ভবিষ্যতের কাণ্ডারি। কিন্তু তাদের অনেকেই অযথা সময় নষ্ট করছে টিকটক, আড্ডা, ফেসবুকিং করে। আবার কিছু তরুণ ইংরেজি শিক্ষার ক্ষেত্রে চেষ্টা করছে। কিন্ত তা পর্যাপ্ত নয় অথবা ভুল পদ্ধতি অবলম্বন করছে। তাদের প্রতি পরামর্শ হলো—এ যুগে যে কোনো একটি বিষয়ে দক্ষতা থাকা আবশ্যক। কিন্তু আপনি যে দক্ষতাই অর্জন করেন না কেন, ইংরেজিতে দুর্বল হলে সব ক্ষেত্রেই ভুগতে হবে। ইংরেজির ব্যাপারে তাই সচেতন হতে হবে। কোনো মিথ্যা প্রলোভন নয়, নিজের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে, ধাপে ধাপে সময় নিয়ে পরিশ্রম করলেই কেবল সফল হবেন।


আরও খবর



রাজধানীতে পিকআপের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর শ্যামপুরের পোস্তগোলা ব্রিজের ঢালে পিকআপের ধাক্কায় আহত অজ্ঞাত যুবকের (২৫) মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুন) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

শ্যামপুর থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পোস্তগোলা ব্রিজের ধারে একটি পিকআপভ্যান তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

তিনি জানান, নিহতের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘাতক পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, ক্রাইম সিনকে খবর দেওয়া হয়েছে। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় জানা যাবে। নিহতের পরনে একটি ফুল হাতা শার্ট ও জিন্স প্যান্ট ছিল।


আরও খবর



দারুণ খেলেও হেরে গেলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

র‌্যাংকিংয়ে তুর্কমেনিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে ৫৪ ধাপ এগিয়ে। শক্তিমত্তায় পিছিয়ে থাকা জামাল ভূঁইয়ার দল লড়লো সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে। শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পর গোল শোধও করে দিলো হ্যাভিয়ের ক্যাববেরার দল।

কিন্তু জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারলো না। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় ম্যাচে তুর্কমেনিস্তানের কাছে ২-১ গোলে হেরেই গেলো লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। প্রথমার্ধের খেলা ১-১ গোলে সমতা ছিল।

গোলের জন্য হাহাকার ছিল বাংলাদেশ শিবিরে। নতুন কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার অধীনে চারটি ম্যাচ খেলে কোন গোলের দেখা মিলছিল না। অবশেষে বহুল প্রতিক্ষীত সেই গোল আসলো শনিবার তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে।

শুরু থেকে বাংলাদেশকে চেপে ধরেছিল তুর্কমেনিস্তান। তার সুফলও তারা ঘরে তোলে সপ্তম মিনিটে কর্নার থেকে গোল আদায় করে। শুরুতে গোল খেয়ে ভরকে যায়নি বাংলাদেশ। বরং দ্বিগুন শক্তি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে প্রতিপক্ষের ওপর।

বল দখলে এগিয়ে থেকে জামাল ভূঁইয়ার তুর্কমেনিস্তানের সীমানায় আক্রমন করতে থাকে এবং ৫ মিনিটের মধ্যেই দুর্দান্ত এক গোল করে ম্যাচে ফিরে আসে ক্যাবরেরার শিষ্যরা।

বিশ্বনাথের লম্বা থ্রো রাকিবের ব্যাক হেডে চলে যায় দ্বিতীয় পোস্টের কোনায়। সেখান দাঁড়ানো মোহাম্মদ ইব্রাহিম দারুণ হেডে বল পাঠিয়ে দেন জালে। ক্যাবরেরার অধীনে বাংলাদেশ দল পায় প্রথম গোল।

আরো দুইবার বাংলাদেশ ভালো সুযোগ পেয়েছিল প্রথমার্ধে। কিন্তু গোল বের করতে পারেনি। বল পজিশনে এগিয়ে থেকে জামাল ভূঁইয়ারা তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে আক্রমন তৈরি করে। সাজ্জাদ হোসেন সহজ সুযোগ মিস না করলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে পারতো লাল-সবুজ জার্সিধীরা।

প্রথমার্ধের শুরুতে যেমন তুর্কমেনিস্তানকে দেখা গিয়েছিল আগ্রাসি ফুটবল খেলতে। দ্বিতীয়ার্ধেও তাই। ম্যাচটা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রন থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল তারা। বল পজিশনেও বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকে মধ্য এশিয়ার দেশটি।

৫৪ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটি শেষ পর্যন্ত এগিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশর রক্ষণভাগের দূর্বলতায়। ৭৭ মিনিটে আলতিমিরাতের ক্রস থেকে আমানভ আরসালানের প্লেসিংয়ে দ্বিতীয়বার এগিয়ে যায় তুর্কমেনিস্তান।

খেলার দুই মিনিট বাকি থাকতে ম্যাচের সেরা সুযোগটি পেয়েছিল বাংলাদেশ। জামাল ভুঁইয়ার ফ্রিকিক থেকে টুটুল হোসেন বাদশা ফাঁকায় বল পেয়েও বল বাইরে পাঠিয়েছেন।

এটি ছাড়াও বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেছে বাংলাদেশ। তবে সবচেয়ে বড় কথা, এ ম্যাচে বাংলাদেশ বুক চিতিয়ে খেলেছে।

ফুটবলে ম্যাচ হারলেও লড়াইয়ের যে বিষয়টা থাকে, সেটা এই ম্যাচে দেখিয়েছে বাংলাদেশ। যদিও এই হারে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্ব থেকে বিদায়ঘন্টা বেজে গেলো বাংলাদেশের। শেষ ম্যাচ বাংলাদেশ খেলবে ১৪ জুন মালয়েশিয়ার বিপক্ষে।

বাংলাদেশ একাদশ
আনিসুর রহমান জিকো, টুটুল হোসেন বাদশা, ইয়াসিন আরাফাত, বিশ্বনাথ ঘোষ, রিমন হোসেন (রহমত মিয়া), আতিকুর রহমান ফাহাদ (সোহেল রানা), জামাল ভূঁইয়া, বিপলু আহমেদ, ইব্রাহিম (ফয়সাল আহমেদ ফাহিম), রাকিব হোসেন (জাফর ইকবাল), সাজ্জাদ হেসেন (সুফিল)।


আরও খবর