Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

শীত এলেই বাড়ে কোষ্ঠকাঠিন্য, যা করবেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৭০জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক ;শীতে নানা উৎসবে খাওয়া-দাওয়া লেগেই থাকে। এ কারণে গ্যাস, বদহজমের সমস্যাও বাড়ে। আবার বেশিক্ষণ গরম পোশাক পরে থাকায় পেট গরমের মতো সমস্যাও দেখা দেয়। অনেকেই এ সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট, কোমরে ব্যথা শুরু হয়, ব্যথা হয় মলদ্বারেও। পেট ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না। সারা বছর যারা সুস্থ থাকেন, তাদেরও শীতকালে এক বার হলেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে কোলন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সুস্থ থাকতে এই শীতে খাওয়া-দাওয়া নিয়ে সবারই সচেতন থাকা জরুরি। শীতকালীন কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকতে কী করবেন-

ভুসি: ভুসিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এটি প্রাকৃতিক রেচক হিসেবে কাজ করে এবং ওজনও কমাতে সাহায্য করে। এক গ্লাস পানিতে ২ থেকে ৩ চা চামচ ভুসি, কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য সবচেয়ে ভালো ঘরোয়া প্রতিকার।

ত্রিফলা: ত্রিফলা কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসায় দারুণ কার্যকর। রোজ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক চামচ ত্রিফলা চূর্ণ এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। তার পরে সেটি খেয়ে ফেলুন। এতে সকালে পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে।

কালো কিশমিশ : কালো কিশমিশে অদ্রবণীয় ফাইবার থাকে। এই উপাদান অন্ত্রকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ঘুমানোর আগে চার থেকে পাঁচটি ভেজানো কালো কিশমিশ খান। পরদিন সকালেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভালো ফল পাবেন।

জোয়ান : কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে জোয়ান খেতে পারেন। জোয়ান শরীরে গ্যাস্ট্রিক জুস উৎপাদনকে সাহায্য করে, যা হজম প্রক্রিয়ায় উন্নতি ঘটায়। আধা চা চামচ জোয়ান গরম পানিতে ভিজিয়ে পান করুন।

ক্যাস্টর অয়েল: ক্যাস্টর অয়েল কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে রিসিনোলিক অ্যাসিড, যা শরীর থেকে বর্জ্য নির্মূল করতে সহায়তা করে। ঘুমানোর আগে এক টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে কার্যকরী হতে পারে। তবে, গর্ভাবস্থায় এটি না খাওয়াই ভালো।

নারকেল তেল : গবেষণা অনুসারে, নারকেল তেলে থাকা মিডিয়াম-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড মল নরম করতে সাহায্য করে। এ কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে রোজ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক টেবিল চামচ নারকেল তেল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।


আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




শরীয়তপুর পালং উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত আজিজুল হকের অবস্থা আশঙ্কাজনক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৫৬জন দেখেছেন

Image

কামাল হোসেন খানঃশরীয়তপুর জেলার পালং উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে (টেটাবিদ্ধ) হয়ে আহত একজনের অবস্থা গুরুতর। আহত ওই ব্যক্তির নাম আজিজুল হক মৃধা। সে শরীয়তপুর জেলার পালং উপজেলার মৃধাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। 

গত মঙ্গলবার ২৬ জুন ওই এলাকার দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই ঘটনাটি ঘটে।

ভুক্তভোগী আজিজুল হক জানান, প্রতিপক্ষের ছোড়া টেটার আঘাতে আমার শরীরের পেছনের বিশেষ অঙ্গে বিদ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হই, পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে আমাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।

এই ঘটনায় আরো অনেক লোক জখম হয়েছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পঙ্গু হাসপাতালেও বেশ কয়েকজন চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত আরো ১৫-২০ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলেও জানায় একটি সূত্র।

এই ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।


আরও খবর



যামিনীপাড়া জোন ২৩ বিজিবির উদ্যােগে অসহায় পাহাড়ি-বাঙালিদের বিভিন্ন অনুদান প্রদান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পার্বত্য এলাকায় স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে যামিনীপাড়া জোন (২৩ বিজিবি) সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার  (১১ জুলাই)  যামিনীপাড়া জোন (২৩ বিজিবি) এর জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল আলমগীর কবির, পিএসসি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের আওতায় আর্থিক ও বিভিন্ন রকমের নির্মাণ সামগ্রী অনুদান প্রদান করেন।

মানবিক সহায়তার মধ্যে  জোনের আওতাধীন দুস্থ ও অসহায় (১) জাপান শ্রী ত্রিপুরা,  (২) সরলীকা ত্রিপুরা, (৩)  শমি বালা ত্রিপুরা, (৪) জোস্না আক্তার,  (৫) খোদেজা আক্তার, এই ৫জনকে পুরাতন ও ভাঙ্গা ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জোন থেকে ১৪.৫০ বান ঢেউটিন অনুদান দেয়া হয়। এছাড়া ডাকবাংলা লুম্বিনী বৌদ্ধ বিহারে ০১টি সিলিং ফ্যান, ইউনিসেফ পাড়াকেন্দ্র (বড়পাড়া) স্কুলে ০১টি সিলিং ফ্যান অনুদান প্রদান, ০৭ জন দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিকে নগদ আর্থিক অনুদান প্রদান, বিশ্বরাম কারবারীপাড়া থেকে বড়পাড়া তৈলাফাং ছড়া পাড়াপাড়ের জন্য সাঁকো মেরামতের নিমিত্তে আর্থিক অনুদান প্রদান এবং যামিনীপাড়া বর্ডার গার্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্টাফদের বেতন বাবদ ৫০,০০০/- টাকা অনুদান দেয়া হয়। হোসনেয়ারা বেগম, স্বামী-বেলাল হোসেন এর বাড়ীতে বিদ্যুৎ না থাকায় ০১ টি সৌর বিদ্যুতের ব্যাটারি অনুদান প্রদানসহ আমিন সরদারপাড়া জামে মসজিদের ইমাম থাকার ২০ ফুট একটি টিন সেড ঘর নিমার্ণের জন্য আর্থিক অনুদান এবং ছালেহা খাতুন, এর মেয়ের বিবাহের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। এছাড়াও প্রতি মাসের ন্যায় এ মাসেও আওতাধীন এলাকার ০৫ টি মাদ্রাসায় ৩৫০ কেজি চাল এবং ৫০ কেজি চিনি বিতরণ করেন। মোট ২,০১,৩৫০/- টাকার অনুদান প্রদান করেন এবং সর্বমোট সুবিধা ভোগীর সংখ্যা ১৯৪৫ জন (পাহাড়ি-১৪৭২ এবং বাঙালি-৪৭৩ জন)।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত : আহত ১

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা; নওগাঁ:নওগাঁয় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সেনা সদস্য নয়ন (২৮) ও জিহাদ (৩০) নামে দুই মোটরসাইকেল আরোহী যুবক মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো একজন আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত ব্যক্তিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁর নিয়ামতপুরে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংর্ঘষে নয়ন নামের এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত নয়ন ভাবিচা ইউনিয়নের গোরাই গ্রামের লালচাঁন মিয়ার ছেলে।

সোমবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলার ছাতড়া ধর্মপুর মোড় এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

সেনা সদস্য নয়ন ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন। সকালে ছাতড়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ি ফেরার পথে গাবতলী এলাকার দিক থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগামী মাইক্রোবাসটি গাবতলী-ছাতড়া সড়কের ধর্মপুর মোড় এলাকায় পৌঁছে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পাকা সড়কের ওপর পড়ে ঘটনাস্থলেই নয়ন নিহত হন।

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) কওছার রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, 'খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

অপর ঘটনায় স্থানীয়রা জানায়, সোমবার (২৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নওগাঁর মহাদেবপুরে নওগাঁ-মহাদেবপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার বসনা ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। নিহত যুবকের নাম জিহাদ হোসেন, তাঁর পিতার নাম আবদুস সামাদ। তাঁদের বাড়ি জেলার মহাদেবপুর উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের রোদইল গ্রামে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  রুহুল আমিন দুর্ঘটনার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 


আরও খবর



মিরসরাই ট্রাজেডিতে নিহতদের স্মরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:মিরসরাই ট্র্যাজেডির ১৩তম বর্ষে নানা আয়োজনে অশ্রুসিক্ত নয়নে স্মরণ করা হলো ৪৫ জন নিহতদের। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) নিহতদের স্মরণে সকাল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও পেশাজীবী সংগঠন দুর্ঘটনাস্থলে নিহতদের স্মরণে অবস্থিত ‘অন্তিম’ এবং আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থিত ‘আবেগ’ এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর দুপুর ১২টায় আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে নিহতদের স্বরণে স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আবুল হোসেন বাবুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহীনুল কাদের চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উম্মে কুলসুম কলি, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মর্জিনা আক্তার, মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফায়েল উল্লা চৌধুরী নাজমুল, মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাসুদ করিম রানা, মায়ানী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নুরের ছাপা নয়নসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নিহতদের স্বজন ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, মিরসরাই ট্রাজেডি মিরসরাই তথা পুরো দেশের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ইতিহাস। একই এলাকার এতগুলো কোমলমতি শিক্ষার্থী একসাথে মৃত্যু সত্যিই হৃদয়বিদারক।

নিহত স্বজনদের উদ্দেশে বলেন, আর্থিকভাবে অসচ্ছল কেউ থাকলে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার ঘোষণা দেন। এছাড়া আলোচনা সভায় বিভিন্ন বক্তাদের আলোচনায় উঠে আসা দাবি মিরসরাই ট্রাজেডি দিবস পালন শুধুমাত্র আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ে সীমবদ্ধ না রেখে পুরো উপজেলাব্যাপী প্রতিটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেন উদযাপন হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। অনুষ্ঠানের শেষান্তে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১১ জুলাই বড়তাকিয়া-আবুতোরাব সড়কে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা নিহত হয় এক অভিভাবক ও ফুটবলপ্রেমীসহ ৪৫ শিক্ষার্থীর। ওই দিন মিরসরাই স্টেডিয়াম থেকে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা শেষে একটি ট্রাকে করে আবুতোরাবে ফেরার পথে মায়ানী ইউনিয়নের পশ্চিম সৈদালীতে একটি ডোবায় শিক্ষার্থীদের বহনকারী মিনি ট্রাকটি উল্টে যায়। এতে একে একে নিহত হয় ৪৩ জন স্কুলশিক্ষার্থী ও দুইজন অভিবাবক। সেদিনের সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়ায় সহপাঠী ও স্বজনদের। মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের স্মরণীয় করে রাখতে আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবেশমুখে স্থাপন করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ ‘আবেগ’ আর দুর্ঘটনাস্থলে নির্মাণ করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ ‘অন্তিম’।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



বর ও কনের বাড়ীতে শোকের মাতম

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:ব্রীজ ভেঙ্গে বিয়ের কনের পক্ষের ৯ জন মারা যাওয়ায় বর ডাঃ সোহাগ ও কনে হুমায়রার বাড়ীতে শোকের মাতম বইছে। বরের বাড়ীতে সুনসান নিরবতা। কনের বাড়ীতে কান্নার রোল বইছে। 

জানাগেছে, আমতলী উপজেলা কাউনিয়া ই্ব্রাহিম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মাসুম বিল্লাহ মনিরের মেয়ে হুমায়রা আক্তারের সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমতলী পৌর শহরের খোন্তাকাটা এলাকার বাসিন্দা সেলিম মাহমুদের ছেলে ডাঃ সোহাগের বিয়ে হয়। গত শুক্রবার ওই কনেকে বরের বাড়ী তুলে আনেন। শনিবার মেয়ের পক্ষের লোকজন বরের বাড়ীতে মাইক্রো এবং অটো গাড়ীতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে হলদিয়া ব্রীজ পাড় হওয়ার সময় ব্রীজের মাঝের অংশ ভেঙ্গে যায়। এতে মাইক্রোবাস ও অটো গাড়ী নদীতে পড়ে যায়। অটোতে থাকা যাত্রীরা সকলে সাতরে কিনারে উঠতে পারলেও মাইক্রোবাসের যাত্রীরা নদীতে তলিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা ওই মাইক্রোতে থাকা লোকজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী নাশির উদ্দিন। ততক্ষণে মাইক্রোবাসে থাকা কনে পক্ষের ৯ যাত্রী নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন রুবিয়া (৪৫), রাইতি (২২), ফাতেমা (৫৫), জাকিয়া (৩৫), রুকাইয়াত ইসলাম (৪), তাহিয়া মেহজাবিন আজাদ (৭), তাসফিয়া (১৪), ঋধি (৪) ও শাহনাজ আক্তার রুবি বেগম (৩৫)। এদের মধ্যে রুকাইয়াত ইসলাম ও জাকিয়ার বাড়ী উপজেলার দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামে। অপর নিহত ৭ জনের বাড়ী মাদারিপুর জেলার শিবচর উপজেলার কোকরার চর গ্রামের বাসিন্দা। এরা কনে হুমায়রার মামা বাড়ীর আত্মীয়স্বজন। এমন ঘটনায় বর ডাঃ সোহাগ ও কনের হুমায়রার বাড়ীতে শোকের মাতম বইছে। শনিবার সন্ধ্যায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে বর ডাঃ সোহাগের বাড়ীতে সুনসান নিরবতা। ডেক্সিভরা খাবার রয়েছে। মানুষজন নেই। কনের বাড়ীতে বইছে কান্নার মাতম। 

বরের বাবা কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেলিম মাহমুদ বলেন, এমন ঘটনার আমি হতভম্ব। কনে পক্ষের লোকজনের জন্য সকল আয়োজন ছিল কিন্তু একটি ফোনে সকল কিছু ভেস্তে চলে গেল। 

কনের বাবা মাসুম বিল্লাহ মনির বলেন, আমার কিছুই বলার নেই। আমি শ্বশুর বাড়ীর মানুষকে কি জবাব দেব? আল্লায় কেন আমার উপরে এতো বড় বিপদ দিল? 


আরও খবর