Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সেচ হার ২ হাজার টাকা তারপরও কার্ডে নিতে হয় পানি ঘটে মারপিট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৩০১জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:এক বিঘা জমিতে ২ হাজার টাকা সেচ হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ধান কাটার আগেই ২ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়। হারের টাকা দেওয়ার পর জমিতে সেচ নিতে হলে কার্ড কিনে নিতে হয়। রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপ অপারেটরেরা চালিয়ে যাচ্ছেন এমন কাল্পনিক নিয়ম। অথচ গভীর নলকূপে সেচ কার্ড আসার পর হার নেয়ার কোন নিয়মই নেই বলে বিএমডিএ নিশ্চিত করেন। কিন্তু বিএমডিএর এমন নিয়ম মানতে নারাজ গভীর  নলকূপের অপারেটরেরা। বিশেষ করে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারনে গভীর নলকূপের সেচ সুবিধা  থেকে কৃষকরা চরমভাবে বঞ্চিত। ফলে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক কার্ডের মাধ্যমে সেচের ব্যবস্থার জোর দাবি কৃষকদের। নচেৎ মানববন্ধন থেকে শুরু করে আন্দোলনে যাওয়ার কথা ভাবছেন কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির আড়াদিঘি মৌজায় দুটি গভীর নলকূপের অপারেটর ক্ষমতাসীন দলের যুবলীগ নেতা শাফিউল ও হাবিবুর। তারা চলতি বোরো মৌসুমে বিঘায় ২ হাজার টাকা করে সেচ হার নির্ধারণ করেন। কিন্তু হারের পুরো টাকা আদায়ের পর কার্ডে পানি নিতে বাধ্য করছেন। যার কারনে কৃষকদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। আবার কোন কৃষক এসবের প্রতিবাদ করলে ওই গভীর নলকূপে আর চাষাবাদ করতে পারবে না। একারনে অপারেটরদের হাজারো সিন্ডিকেট মেনে চাষাবাদ করেই যাচ্ছেন। 

তানোর পৌর এলাকার চাপড়া গ্রামের কয়েকজন কৃষক জানান, গভীর নলকূপ স্থাপন হয়েছে কৃষকদের সুবিধার জন্য। কিন্তু গভীর নলকূপ সুবিধার বিপরীতে কৃষকদের কাছে এক প্রকার গলার কাটা হয়ে পড়েছে। আড়াদিঘি গ্রামের অপারেটর শাফিউল ও হাবিবুরের গভীর নলকূপে এক বিঘা  জমির হার ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পুরো টাকা আদায় হওয়ার পর এখন কার্ড কিনে সেচ নিতে হচ্ছে। চাষাবাদের জন্য সার কীটনাশক সহ শ্রমিকের বাড়তি মূল্য গুনতে হচ্ছে। আবার সেচ হার, কার্ডের মাধ্যমে পানি নেওয়া কৃষকের মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে পড়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে টানা  প্রচন্ড খরতাপ আছে। একদিন জমিতে সেচ না দিলে পানি থাকেনা। আবার সেচের জন্য অপারেটর ও ড্রেন ম্যানের কাছে দিনের পর দিন ধরনা দিয়ে মিলে না সেচ।
এদিকে উপজেলায় বোরো চাষ হয় দুভাগে। বিলের জমিতে আগাম ও মাঠের জমিতে আলু উত্তোলনের পর হয় বোরো চাষ। বিলের জমির ধান কাটা মাড়ায় ইতিপূর্বেই শেষ হয়ে গেছে। আলুর জমির ধান  কাটা শুরু হয়েছে। প্রচন্ড টানা তাপমাত্রা থাকা ও সময়মত সেচের পানি না পাওয়ার কারনে বিঘায় ৭ থেকে ৮ মন ধানের ফলন হয়েছে কম। 

কৃষি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, টানা খরতাপ ও সময়মত সেচের পানি না পাওয়ার কারনে বিঘায় ৪ থেকে ৫ মন ফলন কম হয়েছে। এই মর্মে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জেলায় এরিপোর্ট দেয়া হয়েছে। কিন্তু জেলা অফিস সেই রিপোর্ট গ্রহণ না করে গত মৌসুমে যে ফলন হয়েছে সেই রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক রিপোর্ট পুনরায় দেয়া হয়।বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত)  জামিলুর রহমান বলেন, সেচের জন্য হার নির্ধারণ করার কোন নিয়ম নেই। কার্ডের মাধ্যমে সেচের পানি নিতে হবে। অতিরিক্ত হার নিলে কৃষকরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে জমিতে সেচের পানি চাওয়ায় মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। তানোর পৌর এলাকার হরিদেবপুর গ্রামে ঘটে ঘটনাটি। এঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক হরিদেবপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে গত রবিবার অপারেটর একই গ্রামের মোজাহারকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগী কৃষক জানান গত সোমবার সকালের দিকে হরিদেবপুর গ্রামের আইয়ুব আলীর বাড়ির পার্শ্ববর্তী জমিতে সেচের পানি চাওয়ায় অপারেটর মোজাহার আমাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে। সে বিঘায় ১৬০০ টাকা হার নির্ধারণ করে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। টাকা নিলেও সঠিক ভাবে সেচ দেয়না। তবে অপারেটর মোজাহার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাকে অকাথ্য ভাষায় গালমন্দ করার কারনে তাকে উত্তম মাধ্যমে দেয়া হয়েছে । মারপিটের সাথে  সেচের কোন বিষয় নাই। আপনি নাকি ১৬০০ টাকা করে এক বিঘায় হার নির্ধারণ করে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, এখনো হার নির্ধারণ করা হয়নি। ধান কাটার পর নির্ধারন করা হবে।

থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আরও খবর



গাংনীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ঘোষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃমেহেরপুরের গাংনীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহষ্পতিবার দুপুরে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত থেকে পুষ্টি সপ্তাহের সমাপ্তি ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথী গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার সুপ্রভা রাণীর সভাপতিত্বে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুর রউফ ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসিমা খাতুন।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার আব্দুল আল মারুফ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুর রউফ, গাংনী প্রেসক্লাব সহ- সভাপতি মজনুর রহমান আকাশ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম প্রমূখ। 

অনুষ্ঠানে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, সিএইচসিপিসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রিমাল: পায়রা ও মোংলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১০৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির।

তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকেই ঘূর্ণিঝড় রিমাল সৃষ্টি হয়। পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তৌফিক নেওয়াজ কবীর বলেন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার পর সন্ধ্যা থেকেই ভোলা, পিরোজপুরসহ উপকূলীয় বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যা ৬টায় পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৬৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ৪০৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ৪০০ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৫৫ কিলোমিটার দূরে ছিল।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




ভুয়া আইডি খুলে রেলওয়ের ভুয়া ডিজি যেভাবে গ্রেপ্তার হয়

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:রেলওয়ে মহাপরিচালক (ডিজি) সরদার সাহাদাত আলীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য রেলওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু করা হয়।  পরে গ্রেপ্তারকৃত'র কাছ থেকে প্রতারণা সংক্রান্ত প্রমাণপত্র পাওয়ায় রিমান্ডে নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে।

শনিবার (১ জুন) বেলা ১২ টায় নীলফামারীর সৈয়দপুরস্থ রেলওয়ে পুলিশ ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেন রেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ মমতাজুল ইসলাম। এসময় সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম নূরুল ইসলাম, ওসি ডিবি আবু সাঈদ আখন্দ, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পলিশ পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান, এসআই হাবিব, এসআই ডিআইও নিমাদ নূর চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ মমতাজুল ইসলাম বলেন, ৮/১০ জনের একটি চক্র ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে যাত্রী সাধারণের সাথে প্রতারণা করার লক্ষ্যে ট্রেনের টিকেট বিক্রির জন্য  অনলাইনের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত ও প্রতারনা করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রেলের পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদের দিক নির্দেশনায় রেলওয়ে থানার একটি টিম নীলফামারী জেলার ডোমারের চিলাহাটি বড় জুম্মাপাড়ায় অভিযান চালায়। এসময় অপরাধি চক্রের অন্যতম মুলহোতা ওয়াজকুরুনী বা সাব্বির ওরফে ভেজাল কে গত ৩১ মে গ্রেপ্তার করা হয় । ওই সময় তাঁর কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েট ও বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ওয়াজকুরুনী বা সাব্বির ওরফে ভেজালকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে টিকিট কালোবাজারি ও প্রতারণার সাথে তার প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে। তাঁর দেওয়া তথ্য তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।  অভিযানে সহযোগিতার জন্য চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাকিব খান, পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম অ্যান্ড অপস) কণক কুমার দাস ও নীলফামারীর ডোমার থানার অফিসার ও ফোর্সদের সহযোগিতার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ মমতাজুল ইসলাম। এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



তানোরে গরু মোটাতাজা করণে নিষিদ্ধ ওষুধের রমরমা বাণিজ্যে

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে প্রতিনিধিঃরাজশাহীর তানোরে কথিত প্রাণী চিকিৎসক আশরাফুল আলমের দৌরাত্ম্য বেপরোয়া । তিনি সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগে গরু মোটাতাজা করণে নিষিদ্ধ ওষুধ (স্টেরয়েড) ব্যবস্থাপত্রে লিখছেন এবং এসব ওষুধ ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করছেন। এতে করে সাধারণ গরু পালন কারীদের পকেট হচ্ছে ফাঁকা এবং চিকিৎসকের পকেট হচ্ছে ভারী।ফলে এসব চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি সাধারণ মানুষের।

জানা গেছে, স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাণী চিকিৎসার ওপর তার  কোনো ডিগ্রী নেই। তবুও তিনি অভিজ্ঞ প্রাণী চিকিৎসক। উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লী এলাকার আনাচে-কানাচে তিনি দিয়ে যাচ্ছেন অনুমান নির্ভর প্রাণি চিকিৎসা। তিনি অনুমান নির্ভর প্রাণী চিকিৎসা দিয়ে কৃষকের পকেট কাটছেন।এমনকি গরু মোটাতাজাকরণ নিষিদ্ধ স্টেরয়েড ওষুধের যতেচ্ছ ব্যবহার করছেন ও ব্যবস্থাপত্রে নিষিদ্ধ স্টেরয়েড ওষুধ লিখছেন। অথচ রেজিস্টার্ড প্রাণী চিকিৎসক ব্যতিত ব্যবস্থাপত্রে স্টেরযেড ওষুধ লিখার কোনো সুযোগ নাই। কেউ লিখলে সেটা দন্ডনীয অপরাধ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, তার চিকিৎসায় অনেকের গরু অসুস্থ এমনকি মারাও গেছে।  কিন্ত্ত তার  বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি। তাদের অভিযোগ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের কতিপয় কর্মকর্তার নেপথ্যে মদদে আশরাফুল এসব অপকর্ম করে চলেছেন। যেকারণে একাধিকবার আশরাফুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বন্ধ হয়নি তার চিকিৎসা বাণিজ্যে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, গরু মোটা তাজা করতে স্টেরয়েড  ওষুধ সেবন করানো হলে, গরুর কিডনি ও শরীরে পানি জমে শরীর ফুলে যায়। কোনো কোনোক্ষেত্রে গরু মারাও যায়। দেখে মনে হয় গরু মোটাতাজা হয়েছে। কিন্ত্ত আসলে গরুর শরীরে ক্ষতিকারক পানি জমে শরীর ফুলে থাকে। এসব গরুর মাংস মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমনকি ছোট শিশুরা এসব মাংস খেলে অসুস্থ হয়ে মারা যেতেও পারে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে আশরাফুল আলম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি প্রাণী চিকিৎসার  প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রাণী চিকিৎসা দিতে দিতে তার অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে। তিনি যেকোনো প্রাণীর দেহ নাড়া চাড়া করলেই বলে দিতে পারবেন রোগের ধরণ। তিনি বলেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে (মোটাতাজাকরণ) ব্যবস্থাপত্রে
স্টেরয়েড ওষুধ লিখেন। এবিষয়ে 

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা, ওয়াজেদ আলী বলেন,রেজিস্টার্ড প্রাণী চিকিৎসক ব্যতিত কেউ স্টেরয়েড ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে লিখতে পারবেন না। তিনি বলেন, এবিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর



কুড়িগ্রামের রৌমারী ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড গাছপালা বন্ধ যোগাযোগের রাস্তা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম. রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ঝগড়ারচর, গবরা গ্রাম, গুটলি গ্রাম, কাউনিয়ারচর, হাজির হাটসহ কয়েকটি গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ে তান্ডবে অন্তত ২৫ টি বাড়ি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। গত ৩০ মে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে এ ঝড় বয়ে যায়। 

ঝড়ের তীব্রতায় ভেঙ্গে গেছে গাছ পালা, বৈদ্যুতিক খুটি, বন্ধ হয়েছে ঢাকা-টু রৌমারী রাস্তা। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন অন্তত ২৫ টি পরিবার। কাজ করছেন রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার ফায়ার সার্ভিস। 

এলাকাবাসী জানান, ঠিক দুপুর ১২ টার দিকে কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই তীব্র বেগে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। মুর্হুতেই ঝড়ের তীব্র গতিতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় বসতঘর। বিধ্বস্ত হয় ঘরবাড়ি, ভেঙ্গে যায় গাছপালা ও বৈদ্যুতিক ঘুটি। 

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ছক্কু মিয়া, নেহাজ উদ্দিন ও মাজম আলীসহ অনেকেই জানান, হঠাৎ করে প্রবল ঝড়ে রাস্তার গাছে বড় বড় ডাল ভেঙ্গে ঘরের উপর পড়ে ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যায়। এতে স্কুল ছাত্র আতিকুর রহমান, বাবলু, নুরেজাসহ বেশ কয়েকজন মানুষ ও গরু, ছাগল আহত হয়েছে। এতে ঘরবাড়ি ভেঙ্গে বেশ ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি), ফায়ার সার্ভিস, রৌমারী থানা অফিসার ইনচার্জ, ইউপি চেয়ারম্যানসহ অনেকেই। 

ক্ষতিগ্রস্থ ও গাছপালা ভেঙ্গে রাস্তার যোগাযোগ সাভাবিকে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিস। 

এবিষয়ে দাঁতভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, হঠাৎ করে ঝড়ের তীব্রতায় ভেঙ্গে গেছে রাস্তার বড়বড় গাছপালা, বিদুৎতের খুটি ও ঘরবাড়ি। 

উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান বলেন, মুহুর্তের মধ্যে ঝড়ের তীব্রতার গতিতে গাছ পালা, বৈদ্যুতিক খুটি, ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যাওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসদেরকে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়া স্থান গুলি পরিস্কার করার জন্য বলা হয়। ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ক্ষতির পরিবারের তালিকা করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে।


আরও খবর