Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

সবাইকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ২৬৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কারো যাতে ডেঙ্গু না হয় সেজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে, বলেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা হাসপাতালগুলোকে বলে রেখেছি। এখন চিকিৎসকরা ডেঙ্গু চিকিৎসা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন। স্যালাইনের যে সংকটের কথা ভাবা হয়েছে, সেটা নিয়েও আমি বৈঠক করেছি। স্যালাইনের কোনো সংকট হবে না। তবে ডেঙ্গু না হোক; সেটা আমাদের সবার প্রার্থনা। বিপর্যয় না হওয়ার জন্য কী করতে হয়; সেটা আপনারা ভালো করে জানেন।

তিনি বলেন, বাসাবাড়ি সব কিছু পরিষ্কার রাখতে হবে। অসুখ হলে তখন চিকিৎসা করতে হয়। কিন্তু কারো যাতে ডেঙ্গু না হয়; সেজন্য আমাদের কাজ করতে হবে। ঈদের ছুটিতে চিকিৎসকদের দায়িত্ব নিয়ে আমি ঢালাওভাবে বলতে চাই না। আমি কী করেছি আপনারা নিজেরাই বলবেন। আমরা কতটা মনিটরিং করতে পেরেছি তা আপনারাই দেখছেন। যতটুকু সম্ভব যথাসাধ্য চেষ্টা আমি ঈদের সময়ে করেছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মন্ত্রী হওয়ার আগেও এমন কোনো ঈদ নেই, যেদিন আমি হাসপাতালে যাইনি। এমন কোনো দুর্গাপূজা নেই যেদিন হাসপাতালে যাইনি। আগে হাসপাতালে যেতাম, তারপরে উৎসবে যেতাম। ওই চিন্তা করে এবারও সেই ধারা বজায় রেখেছি। আগে আমি একটা হাসপাতালে যেতাম, এবার অনেকগুলো হাসপাতালে গিয়েছি। আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে, দায়িত্বরত চিকিৎসক ও নার্সদের উৎসাহ দেওয়া। তারা যাতে ঠিকমতো কাজ করেন। এছাড়া সবকিছু ঠিকমতো হচ্ছে কিনা; তাও দেখতে গিয়েছি।

তিনি বলেন, আমি এবার না বলেই হাসপাতালে গিয়েছি। ঈদের আগের দিন যে কয়েকটি হাসপাতালে গিয়েছিলাম, আমি কাউকে বলেনি। সেখানে গিয়ে চিকিৎসকদের উপস্থিত দেখতে পেয়েছি। সিনিয়র ও জুনিয়র সব চিকিৎসক ছিলেন। ঈদ উদযাপন ও নববর্ষের ছুটিতে হাসপাতালের কার্যক্রম সব ভালোভাবে চলেছে।


আরও খবর



সাজেকে ড্রাম ট্রাক খাদে, নিহত বেড়ে ১০

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

রাঙামাটি প্রতিনিধি:নিহতের সংখ্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ জনে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে ড্রাম ট্রাক খাদে পড়ার ঘটনায়। বুধবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উদয়পুরের ৯০ ডিগ্রি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বাঘাইছড়ি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আব্দুল আওয়াল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, ঘটনাস্থলে ৫ জন মারা যান। হাসপাতালে আনার পর আরও ৫ জন মারা গেছেন। সর্বমোট এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। আহত অবস্থায় খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরও ৬ জন।

আহতরা হলেন- কুড়িগ্রামের রৌমারি উপজেলার আবজাল মিয়ার ছেলে মো. লালন মিয়া (১৮), ময়মনসিংহের শ্রীপুর উপজেলার আবুল হাসেমের ছেলে মো. লালন (২৭), গাজীপুরের আহির উদ্দিনের ছেলে সামিউল উদ্দিন (১৯), মো. আহির উদ্দিন (৪০), ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহিদ হাসান (২৪) ও ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মকবুল হোসেনের ছেলে মোবারক হোসেন (৩২)।

এদিকে, খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে নিহত ৫ জনের মরদেহ রয়েছে। বাকী ৫টি মরদেহ সাজেক থানায় রয়েছে। আজ সকালে তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি হাসপাতালে আনার কথা রয়েছে।

জানা যায়, তারা উদয়পুর বাঘাইছড়ি সীমান্ত সড়কের ১৭ কিলোমিটার নামক স্থানে হারিজাপাড়া সেতু নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। তাদের কাজ শেষ হওয়ার কারণে বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে কর্মস্থল থেকে ফিরছিলেন। গাড়িতে মোট ১৫ জন ছিলেন, যার মধ্যে থেকে ৫ শ্রমিক ঘটনাস্থলে মারা যায়, বাকীরা আহত হন। আহত ও নিহত শ্রমিকদের আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আরও ৫ শ্রমিক মারা যান এবং ৬ জন শ্রমিক চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিরিন আক্তার জানান, সাজেকের উদয়পুর সীমান্ত সড়কে শ্রমিকবাহী ট্রাক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। আহতদের চিকিৎসা চলছে।


আরও খবর



কালিয়াকৈরে বেপরোয়া মাটিবাহী ট্রাকের ধাক্কা,অল্পের জন্য রক্ষা ঘুমন্ত দোকানদার

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৫১জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বেপরোয়া গতির মাটিবাহী ট্রাকের ধাক্কায় একটি চা দোকান, বেশ কয়েকটি গাছ ও একটি বৈদ্যুতিক খুটি ভেঙ্গে পড়েছে। রোববার ভোরে উপজেলার কুটামনি বড় পুকুরপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ঘুমন্ত চা দোকানের মালিক। এছাড়াও গুরুতর আহত হয়েছেন ওই ট্রাকের চালক।

এলাকাবাসী, ভুক্তভোগী পরিবার ও পল্লীবিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাটি খেকোরা। দিনে-রাতে সমান তালে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে তাদের মাটিবাহী অবৈধ ড্রামট্রাক গুলো। ভেঙ্গেচুরে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কোটি কোটি টাকার নির্মিত সড়কগুলো। প্রায়  প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এর ধারাবাহিকতায় রোববার ভোর পৌণে ৪টার দিকে বেপরোয়া গতির একটি ড্রাম ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো-ট ১৫৭৩৪৫) ধাক্কায় উপজেলার কুটামনি বড় পুকুরপাড় এলাকায় নুর ইসলামের চা-দোকানের কিছু অংশ ভেঙ্গে যায়। এসময় ওই ট্রাকের ধাক্কায় ভেঙ্গে যায় ইউপি প্রদত্ত পাশের সফিপুর- পাইকপাড়া সড়কের সড়ক বাতির সৌর শোলার, লাইটসহ কিছু গাছপালা। এরপর ওই ট্রাকটি সরাসরি সজোরে ধাক্কা দেয় পল্লী বিদ্যুতের ৩৩কেভি ভোল্টেজের লাইনের একটি বৈদ্যুতিক খুটিও।বিকট শব্দে ঘুম থেকে আতকে জেগে উঠেন ঘুমন্ত চা-দোকানদার নুর ইসলাম। কিন্তু গুরুতর আহত হন ওই ট্রাকের চালক আবুল হোসেন।

ততক্ষণে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে গেলে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক থেকে বেড়িয়ে দৌড়ে একজন পালিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক ভাবে তার নাম-ঠিকানা জানা যায়নি। এলাকাবাসী ওই চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। খবর পেয়ে তার স্বজনরা ও মাটি খেকোরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ দুর্ঘটনার পর ওই সড়কে যান চলাচলে বিঘœ ঘটে। পরে খবর পেয়ে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ বৈদ্যুতিক খুটি পরিবর্তন করে। অল্পের জন্য রক্ষা পাওয়া দোকানদার নুর ইসলাম জানান, পুরো দোকানের ওপর ট্রাক উঠে গেলে ঘুমন্ত অবস্থায় আমি মারা যেতাম। কিন্তু গাছপালা, দোকান ভেঙ্গে প্রায় ২০হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও দোকানের পাশের সৌরশক্তি, সড়ক বাতি ও বৈদ্যুতিক খুটি ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এসব বিষয়ে জানতে একাধিক মাটি ব্যবসায়ীকে ফোন দিলে তারা রিসিভ করেননি। তবে ওই ট্রাকের মালিক রবিন সরকার জানান, আমি তো ট্রাক চালাই না, মাটি ব্যবসায়ীরা ট্রাক চালায়। এসব ড্রাম ট্রাক আঞ্চলিক সড়কে চলাচলে নিয়মকানুনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারা দেশে ড্রাম ট্রাক চলে। তবে ওই দুর্ঘটনার বিষয়ে মাটি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি।

ফুলবাড়িয়া সাব জোনাল অফিসের ইনচার্জ (এজিএম) হোসেন মোহাম্মদ রায়হান জানান, আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ খুটি পরিবর্তন করা হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক সংশ্লিষ্টদের খবর দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ খুটি ও মেরামত বাবদ পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে টাকা পরিশোধ না করলে এ ঘটনায় মামলা করা হবে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার আহম্মেদ জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



ভারতের লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফায় ভোট দিলেন মোদি-অমিত শাহ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:ভারতের লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ আজ মঙ্গলবার (৭ মে) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় শুরু হয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার সকাল সকালই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন। আহমেদাবাদের এক স্কুলে ভোট দেন তারা। খবর এনডিটিভির।

এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, নগরীর রানীপ এলাকার নিশান উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন মোদি। এদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছান তিনি। সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন। পরে তারা দুইজন বুথের দিকে চলে যান।

এসময় প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য রাস্তার দুপাশে ভিড় জমান বহু মানুষ। তাকে দেখামাত্রই উল্লাস করে উঠেন। ‘মোদি মোদি’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে চারপাশ। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পথে তিনি একজন সমর্থককে অটোগ্রাফও দেন।

ভোট দেয়ার পর মোদি বলেন, "আজ তৃতীয় দফার ভোট। আমাদের দেশে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সেই চেতনা থেকে দেশবাসীকে ভোট দিতে হবে। এখনো চারদফার ভোট বাকি"।

তিনি আরও বলেন, "আমি গুজরাটের ভোটার। এটাই একমাত্র জায়গা যেখানে আমি নিয়মিত ভোট দিই। অমিত ভাই এখান থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন"।

আজকের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি প্রার্থী। যাদের মধ্যে ১২০ জন নারী।

তৃতীয় দফার নির্বাচনে গুজরাটের ২৬টি, কর্নাটকের ১৪টি, মহারাষ্ট্রের ১১টি, উত্তর প্রদেশের ১০টি, মধ্যপ্রদেশের আটটি, ছত্তিশগড়ে সাতটি, বিহারের পাঁচটি, আসামের চারটি, পশ্চিমবঙ্গের চারটি, গোয়ার দুইটি, দাদরা অ্যান্ড নগর হাভেলি এবং দমম অ্যান্ড দিউরের দুইটি আসনে ভোটগ্রহণ হবে।

আজকের ভোটের হেভিওয়েট প্রার্থীরা হলেন- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী।


আরও খবর



ডোনাল্ড লুর সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, জানালেন পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঢাকা সফররত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লুর সঙ্গে বৈঠকে জলবায়ু, টেকসই উন্নয়ন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে কথা হয়েছে, রাজনীতি নিয়ে কোনো কথা হয়নি,বলেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিভাবে সম্পর্ক আরও গতিশীল ও উন্নত করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) সকালে সচিবালয়ে ডোনাল্ড লুর সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, জলবায়ু ফান্ড নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর কাজ থেকে ফান্ডিং ও সাপোর্ট পাওয়ার বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করার নানা বিষয়সহ বিদ্যমান প্রযুক্তিগত সহায়তা সেবা পাবার বিষয়ে আমরা আমেরিকার সমর্থন চেয়েছি। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ডেটা সহায়তাও চেয়েছি। আমরা জলবায়ু বিষয় নিয়ে কিভাবে কাজ করছি সে সংক্রান্ত কাজের তথ্যগুলো উপস্থাপন করেছি। আগামী দিনে গ্রিন প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জন্য একযোগে কাজ করার বিষয়ে সহায়তা চেয়েছি।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের অব্যাহত সমর্থন করার ওপর জোর দিয়েছি। জলবায়ু সহায়তার বিষয়ে আমরা কোনো অংকের কথা বলিনি, আমরা সবখাতে আমাদের চাহিদা ও অগ্রাধিকারগুলো জানিয়েছি। গ্রিন প্রকল্পে যৌথভাবে কাজের কথা বলেছি।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়নসহ কোনো চুক্তি আজ হয়নি। তবে, নানা বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছানোর কাজ চলছে, যাতে করে আমরা যৌথভাবে কাজ করতে পারি। বন্যা, বনধ্বংস, লস অ্যান্ড ড্যামেজ নানা বিষয়ে আমেরিকা প্রযুক্তিগত, স্যাটেলাইটগত ডেটা সহায়তা করবে সে বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন ডোনাল্ড লু। আমরা বলেছি প্লাস্টিক দূষণ এখন দেশে মারাত্মক পর্যায়ে আছে, সেটা কমাতে কিভাবে যৌথভাবে কাজ করব সে বিষয়ে জোর দিয়েছি।

বৈঠক শেষে ডোনাল্ড ল্যু সাংবাদিকদের বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে এবং পরিবেশ রক্ষার বিভিন্ন খাতে এক হয়ে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র।


আরও খবর



লোডশেডিং শূন্যে নেমে এসেছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কিছু পাওয়ার প্লান্ট বন্ধ থাকায় গত মাসে দেশের কিছু কিছু অঞ্চলে লোডশেডিং হলেও বর্তমানে তা শূন্যে নেমে এসেছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

সোমবার (৬ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি করেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের কিছু কিছু অঞ্চলে আমাদের কিছুটা লোডশেডিং করতে হয়েছে। বিশেষ করে, গ্রামাঞ্চলের অনেক জায়গায়। গত একমাস ধরে এটা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।

নসরুল হামিদ বলেন, বন্ধ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো আমরা ধীরে ধীরে চালু করছি। তেল ও আর্থিক স্বল্পতা ছিল। যারা তেল আনার কথা, যেসব প্রাইভেট বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তারা আনতে পারছিলেন না। যে কারণে প্রথমদিকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের মতো লোডশেডিং ছিল। তবে সেটা কমে এসেছে। পরে ৫০০ থেকে শূন্যে নেমে এসেছে।

তিনি বলেন, আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় আমরা আছি। আজ দেখবেন জিরো লোডশেডিং। ধীরে ধীরে কমে আসছে।

একদিকে উৎপাদনের রেকর্ড, অন্যদিকে লোডশেডিং- এটা কেন, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উৎপাদনের রেকর্ড সঙ্গে সর্বোচ্চ চাহিদাও আছে। কাজেই এখানে একটা পার্থক্য আছে। এবার বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। সেটার জন্য আমরা কেউ প্রস্তুত ছিলাম না।


আরও খবর