Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

সার্জেন্টসহ ৩ পুলিশকে মারধর: তিন আসামি কারাগারে

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৬৩৪জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর জুরাইনে ট্রাফিক সার্জেন্টসহ তিন পুলিশ সদস্যকে মারধরের মামলায় তিন আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১২ জুন) একদিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় মামলার তদন্তকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা ইসলাম মল্লিক আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া তিন আসামি হলেন- আবুল কালাম আজাদ, তানজিল হোসাইন ও মোতালেব হোসেন।

এর আগে গত শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারাহ দিবা ছন্দা শুনানি শেষে তিন আসামিকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত বুধবার (৮ জুন) পুলিশের ওপর হামলার এ মামলায় গ্রেফতার ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামি আইনজীবী ইয়াসিন জাহান নিশান ভুইয়াকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এছাড়া অন্য পাঁচ আসামিকে সাতদিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্যামপুর থানার পরিদর্শক খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ। অন্যদিকে আসামিদের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন আসামি নিশানের জামিন মঞ্জুর করেন। অন্যদিকে পাঁচ আসামির জামিন নামঞ্জুর করে তিনদিন করে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

রিমান্ড পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন- আইনজীবী সোহাকুল ইসলাম রনি, আইনজীবী ইয়াসিন আরাফাত ভুইয়া, মো. শরিফ, মো. নাহিদ ও মো. রাসেল।

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার (৭ জুন) রাতে শ্যামপুর থানায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত সাড়ে চারশজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আহত ট্রাফিক সার্জেন্ট আলী হোসেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে জুরাইন রেলগেট সড়কের উল্টোদিক দিয়ে স্বামী ইয়াসিনের সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে আসছিলেন আইনজীবী নিশাত। এসময় সার্জেন্ট আলী হোসেন ও ট্রাফিক কনস্টেবল সিরাজ তাদের গতিরোধ করেন। নিশাত নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে সার্জেন্ট আলী হোসেনের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে ইয়াসিন মোটরসাইকেল থেকে নেমে সার্জেন্ট আলী হোসেনকে ধাক্কা দেন। এসময় আইনজীবী নিশাত চিৎকার শুরু করলে পাঠাও ও অটোচালকরা সার্জেন্ট আলী হোসেনের ওপর হামলা করেন।

খবর পেয়ে শ্যামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) উৎপল দত্ত অপুসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে এবং ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর করে। পরে আহত পুলিশ সার্জেন্ট আলী হোসেনসহ তিন পুলিশ সদস্যকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এতে আহত সার্জেন্ট আলী হোসেনের হাতে ২১টি সেলাই দিতে হয়।


আরও খবর



প্রধান শিক্ষকের দোকানে তৈরি হতো পিইসির সনদ

প্রকাশিত:Wednesday ১০ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

দিনাজপুরের হিলিতে জাল ভোটার আইডি কার্ড ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর (পিইসি) সার্টিফিকেটসহ সরকারি বিভিন্ন ভুয়া কাগজপত্র তৈরির অপরাধে মা ফটোস্ট্যাট কম্পিউটার অ্যান্ড পেপার হাউজের মালিক গোলাম মোস্তফা কামালসহ ওই দোকানের কর্মচারী আব্দুল ওহাবকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তফা হিলি পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

বুধবার (১০ আগস্ট) দুপুরে হিলি বাজারে ওই দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ কারাদণ্ডের আদেশ দেন হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুর-এ-আলম।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউএনও বলেন, হিলি বাজারের মা পেপার হাউজ দীর্ঘদিন ধরে জাল ভোটার আইডি কার্ড ও পিইসি সার্টিফিকেটসহ সরকারি বিভিন্ন ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে আসছে। এর আগেও তাকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, আজকে দোকান মালিক হিলি পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা কামাল ও তার কর্মচারীকে ওই দোকান থেকে জাল কাগজপত্রসহ আটক করি। পরে সরকারি কাগজপত্র জাল করার অপরাধে তাদের একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।


আরও খবর



সংসার চালাতে হিমশিম সামাদ বেছে নেন ছিনতাইয়ের পথ

প্রকাশিত:Monday ১৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

কাজকর্ম কিছু না করায় সংসার চালানো ছিল বেশ মুশকিল। এলাকায় দায়দেনার পরিমাণও বাড়ছিলো। ঋণগ্রস্ত আব্দুস সামাদ (৩৮) তাই কোনো উপায় না পেয়ে ছিনতাইকাজের পথ বেছে নেন। তিনি আদৌ পেশাদার ছিনতাইকারী হোন বা না হোন, তার ছুরিকাঘাতেই নিহত হলেন ব্যবসায়ী শরীফ। ঘটনা গত বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দিনগত রাত পৌনে ১টার দিকের। রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ সড়কের দুই নম্বর বাড়ির নিচে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ। ওই বুথে টাকা তুলতে গিয়েই ছিনতাইকারী সামাদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে নিহত হন স্থানীয় টাইলস ব্যবসায়ী শরীফ উল্লাহ (৪৪)।

এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়ার পর এরইমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন আব্দুস সামাদ। গত শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম আসামির হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকারমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। সে জবানবন্দি পর্যালোচনা করে জাগো নিউজ। জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করে আব্দুস সামাদ আদালতকে এ-ও বলেছেন, আর্থিক অভাব-অনটনে পড়ে তিনি ছিনতাইয়ের কাজ বেছে নেন।

নেত্রকোনার পূর্বধলার বিশকাকলী এলাকার আবদুল হামিদের ছেলে আব্দুস সামাদ। গাজীপুরের পুবাইলের বসুগাঁও গ্রামে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন ভাড়া বাসায়। তার একটি সন্তান প্রতিবন্ধী।

ঘটনার রাতে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ওই এটিএম বুথে সিকিউরিটি গার্ডের দায়িত্বে থাকা শাফিয়ার রহমান জাগো নিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে সাদা রঙের একটি প্রাইভেটকার বুথের সামনে এসে থামে। গাড়ি থেকে নেমে সঙ্গে থাকা বন্ধুদের বিদায় দিয়ে এটিএম বুথে ঢুকেন ব্যবসায়ী শরীফ। এর কিছুক্ষণ পরই রিকশা থেকে নেমে এক ব্যক্তি (সামাদ) হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসেন বুথে ঢুকতে। তিনি (সিকিউরিটি গার্ড) বাধা দিলে তাকে ধাক্কা দিয়ে সামাদ বুথের ভেতরে ঢুকে যান।

সিকিউরিটি গার্ডের বর্ণনায়, এরপর ওই ব্যক্তি শরীফের ঘাড়ে ছুরি ধরেন এবং টাকা চান। এসময় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তিও চলে। তা দেখে সিকিউরিটি গার্ড বুথের পাশে সেক্টরের সিকিউরিটিদের ডাকতে যান। তারা এসে দেখেন বুথের ভেতরে মারাত্মক জখম অবস্থায় শরীফের রক্তাক্ত দেহ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখতে পান। এসময় হত্যাকারী বুথ থেকে বের হয়ে পাশের একটি খুঁটির নিচে রক্তাক্ত ছুরি ফেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে সিকিউরিটি গার্ড ও স্থানীয় জনগণ তাকে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

তার আর্থিক অভাব অনটনের বিষয়টি কতটুকু সত্যি তা যাচাই করতে জাগো নিউজ সামাদের পরিচিত কজনের সঙ্গে কথা বলে। তাদের মধ্যে ফারহানা নামের সামাদের ঘনিষ্ঠজন এক নারী বলেন, সামাদ পেশাদার ছিনতাইকারী বা অপরাধী নন। তার দুটি সন্তান। তাদের মাঝে একজন প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধী সন্তানের চিকিৎসা খরচ, সংসারের অভাব-অনটন নিয়ে মানসিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন সামাদ।

ফারহানার কথায়, পারিবারিক ব্যয় ও ওষুধের খরচসহ নানা বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে হয়তো তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। সম্প্রতি কাজ না থাকায় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন সামাদ। সোজা কথায়, অভাবে পড়ে তিনি এ কাজে নামেন। পুলিশও তার কোনো ছিনতাইয়ের পূর্ব রেকর্ড পায়নি। ফারহানার বক্তব্যের সঙ্গে আদালতে দেওয়া সামাদের স্বীকারোক্তিরও মিল পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা আট হাজার টাকা ও একটি ছুরি জব্দ করা হয়েছে। ছিনতাইকারী কোনো টাকা নিতে পারেননি।

তিনি বলেন, গ্রেফতার ছিনতাইকারী আবদুস সামাদ ঘটনার বিষয়ে শুক্রবার (১২ আগস্ট) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানিতে হত্যার দায় স্বীকার করে আসামি আদালতের কাছে বলেছেন, আর্থিক অভার-অনটনে পড়ে ছিনতাই করতে উত্তরার এটিএম বুথে গিয়েছিলেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিহত শরীফ উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরে একটি টাইলসের দোকান পরিচালনা করতেন। ওই ব্যবসার টাকা লেনদেন করতেন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে।

মামলার বাদী নিহত শরীফের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, আমার ভাইয়ের সন্তানরা এতিম হয়ে গেলো। মানুষের জীবনের কি কোনো মূল্য নেই? কীভাবে এ দেশে আমরা ব্যবসা-বাণিজ্য করবো? জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সহযোগিতার পাশাপাশি ভাই হত্যায় জড়িত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি।


আরও খবর



এশিয়া কাপে কি থাকবেন সাইফউদ্দিন?

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

গতিতে পেস বোলিং করতে পারেন, লোয়ার অর্ডারে পারেন হার্ডহিটিং ব্যাটিংও। পরিপূর্ণ অলরাউন্ডার যাকে বলে! সীমিত ওভারের ক্রিকেটে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন অটোচয়েজই থাকার কথা। কিন্তু চোটপ্রবণতা তাকে বারবার ছিটকে দিয়েছে জাতীয় দল থেকে।

দেশের জার্সিতে সবশেষ মাঠে নেমেছেন প্রায় ১০ মাস আগে। চোটের সঙ্গে সংগ্রাম করে আবারও মাঠে ফেরার অপেক্ষায় সাইফউদ্দিন। আসন্ন এশিয়া কাপে দলের হয়ে অবদান রাখতে চান তিনি।

এখন শরীরের কী অবস্থা? সোমবার মিরপুরে সংবাদ মাধ্যমকে সাইফউদ্দিন বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ ভালো। কিছু দিন আগে ভারতের দিল্লি থেকে চিকিৎসা নিয়ে এসেছি। এরপর প্রথম ১ সপ্তাহ বেড রেস্ট ছিল। ১ সপ্তাহ পর ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করেছি। ২ দিন হলো স্কিলের কাজ শুরু করেছি। আজ ফিজিও বায়েজিদ ভাই আমার বোলিং দেখেছেন। সব মিলিয়ে পজিটিভ।’

চলতি মাসের শেষ দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এশিয়া কাপ। টুর্নামেন্ট নিয়ে কী ভাবছেন? সাইফউদ্দিন বলেন, ‘আসলে আমি জানি না কিছু। আমাকে মেডিকেল টিম দেখে বলেছে প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলতে। খেলি, দেখি... এশিয়া কাপে থাকব কি থাকব না এটা নির্বাচক ও সংশ্লিষ্টরা দেখবেন। মাঠে খেলতে পারব এতেই খুশি।’

আপনি কি মনে করছেন? খেলতে পারবেন? সাইফউদ্দিনের জবাব, ‘প্রত্যেক খেলোয়াড়েরই লক্ষ্য থাকে এশিয়া কাপ খেলা। আমি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়েও এশিয়া কাপ খেলিনি। দুটি আইসিসি ইভেন্ট খেললেও এশিয়া কাপে খেলা হয়নি। এটা নিয়ে বাড়তি একটা রোমাঞ্চ কাজ করে। যদি সুযোগ পাই অবশ্যই আনন্দিত হব।’

গত মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাওয়ার সুযোগ ছিল সাইফউদ্দিনের। কিন্তু ফিট মনে না করায় নিজে থেকেই সরে যান এই অলরাউন্ডার, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে (না খেলার) কলটা ছিল ব্যক্তিগত। মেডিকেল টিম আমার ওপর ছেড়ে দিয়েছিল। আমি শতভাগ দিতে পারছিলাম না বলে মেডিকেল টিমকে জানাই। এরপর ওরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন ভালো বোধ করছি। গত এক মাস অনেক কাজ করেছি। খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’

বোলিং করতে গিয়ে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা, জানতে চাইলে সাইফউদ্দিন বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, প্রথম থেকেই আজ ফুল রানআপে বল করেছি। ইনটেনসিটি হয়তো শতভাগ ছিল না। দিনকে দিন আস্তে আস্তে বাড়াব। যেহেতু আমার শরীর, আমি তো বুঝতে পারছি অবস্থা। আগের চেয়ে ভালো বোধ করছি বলেই আত্মবিশ্বাসী আমি।’


আরও খবর



সন্দ্বীপে গৃহবধূ খুন, স্বামী গ্রেফতার

প্রকাশিত:Thursday ১১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ১৬ August ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে গৃহবধূ রাশেদা বেগম (২১) হত্যা মামলায় স্বামী জিহাদকে (২৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে তাকে গাছুয়া ফেরিঘাট এলাকার কেওড়া বাগান থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১০ আগস্ট) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রহমতপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জসিম উদ্দিনের বাড়িতে খুন হন রাশেদা বেগম। এ ঘটনায় রাশেদার বোন পারভীন আকতার বাদী হয়ে সন্দ্বীপ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পারভীন আকতার জানান, বিয়ের পর থেকেই রাশেদাকে নির্যাতন করতেন স্বামী জিহাদ। স্বামীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে রাশেদা বাবার বাড়িতে থাকা শুরু করেন। গত আড়াই বছর ধরে তারা আলাদা বসবাস করে আসছিলেন।

বিভিন্ন সময় জিহাদ রাশেদাকে নিজের বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করেন। এজন্য বেশ কয়েকবার সালিশ-বৈঠক হয়। কিন্তু জিহাদ তার পক্ষে কোনো অভিভাবক উপস্থিত করতে না পারায় রাশেদাকে তার কাছে তুলে দেওয়া হয়নি।

পারভীন আকতার আরও বলেন, অন্যদিনের মতো বুধবার রাতেও ছেলেকে নিয়ে ঘুমাতে যায় আমার বোন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওর চিৎকার শুনে ঘরের কাছে গিয়ে দেখি, দরজা দিয়ে রক্ত গড়িয়ে আসছে। দ্রুত ঘরের দরজা খুলে আমার বোনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি।

‘তাড়াতাড়ি করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাশেদার মৃত্যু হয়। মারা যাওয়ার আগ মুহূর্তে ও আমাদের জানায়, জিহাদ ওকে ছুরি দিয়ে জবাই করতে চেয়েছিলেন। ওর ঘরে আমরা একটা ছুরি, কিছু টাকা ও জিহাদের একজোড়া জুতা পেয়েছি।’

রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ওমর শরীফ বলেন, বুধবার রাতের যে কোনো সময়ে রাশেদার স্বামী জিহাদ গোপনে শ্বশুর বাড়িতে আসেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি রাশেদার ঘাড়, গলা ও গালের ডানপাশে ছুরি দিয়ে তিনটি আঘাত করে পালিয়ে যান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, সন্দ্বীপ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসীম উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, গৃহবধূ রাশেদা হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিহাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ আগস্ট) তাকে আদালতে হাজির করানো হবে।


আরও খবর



জমির অভাবে খেলার মাঠ তৈরি সম্ভব হচ্ছে না: মেয়র তাপস

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

রাজধানীতে খেলার মাঠ বানানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অন্তরায় জমি না পাওয়া। এজন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ ও পার্ক তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কথা জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ডিএসসিসির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসাবো বালুর মাঠে ‘বাসাবো সবুজ বলয়ে’র নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন তিনি।

এসময় মেয়র বলেন, প্রতি ওয়ার্ডেই ন্যূনতম একটি খেলার মাঠ-উদ্যান প্রতিষ্ঠা আমাদের মূল লক্ষ্য। কিন্তু এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অন্তরায় জমির অভাব।

তবে তিনি জানান, এসব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে খেলার মাঠ ও উদ্যান তৈরির কাজ অব্যাহত রাখা হবে।

সবুজ বলয়ের বিষয়ে শেখ তাপস বলেন, আমরা এই বলয়কে কেন্দ্র করে ফিফার মানদণ্ড অনুযায়ী ফুটবল খেলা ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের আলাদা ব্যবস্থা রেখেছি। তেমনি এখানে দর্শকদের জন্য বসার জায়গা রয়েছে। ক্রিকেটের জন্য যেন নেট প্র্যাকটিস করতে পারে সে ব্যবস্থাও আমরা এখানে রেখেছি। এছাড়া এখানে এসে শিশুরা যেন খেলতে পারে ও অন্য খেলার সঙ্গে তাদের যেন সংঘর্ষ না হয়, সেই ব্যবস্থাও আলাদাভাবে রেখেছি।

jagonews24

‘বাসাবো সবুজ বলয়’ প্রতিষ্ঠায় নানা বাধা এসেছে উল্লেখ করে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, আজ যে মাঠে আমরা সবুজ বলয়ের উদ্বোধন করলাম, সেই জমিটি দখলের জন্য অনেকেই চেষ্টা করছে। কিন্তু এই এলাকার সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী ও আমাদের কাউন্সিলরসহ সবার দৃঢ়তায় জমিটা রক্ষা করতে পেরেছি। এই সমস্যাটা কিন্তু প্রত্যেকটা ওয়ার্ডেই রয়েছে।

তিনি বলেন, শহরে একটি ওয়ার্ড আছে, ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড। এখানে খেলাধুলা করার জন্য এক চিলতে জমিও নেই। আমরা সেখানে একটি জমি চিহ্নিত করেছি, ইনশাআল্লাহ সেই জমিটা আমরা দখলমুক্ত করবো। সেখানে অবৈধভাবে ট্রাকস্ট্যান্ড করে রাখা হয়েছে। তা দখলমুক্ত করে আমরা সেখানেও খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করছি।

ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০০০ সালে আমরা এখানে একটি সবুজ বলয় করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তখন থেকে প্রকল্প নিয়ে কাজ করছি। রাজনৈতিক পট পরিবর্তন এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে আইনি জটিলতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত সত্যের জয় হলো। সেই জয়ে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন আমাদের মেয়র। তিনি এই প্রকল্প গ্রহণ করেছেন এবং এই প্রকল্পে অর্থায়নের ব্যবস্থা করেছেন।


আরও খবর