Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সারাদেশে ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৩১২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪১৭ জন।

সোমবার (৬ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলাম সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৯৪ জন ডেঙ্গুরোগী। এর মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪১৭ এবং ঢাকার বাইরের এক হাজার ৩৭৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ৬ হাজার ৬৬৬২ জন ডেঙ্গুরোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৬ জন, ঢাকার বাইরের ৩ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট দুই লাখ ৮১ হাজার ৬৯৮ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক লাখ এক হাজার ৫৬৭ জন, আর ঢাকার বাইরের এক লাখ ৮১ হাজার ১৩১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৮২৭ জন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ২৮১ জন মারা যান। ওই বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। ২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গু সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।


আরও খবর



সুনামগঞ্জে নৌকা ডুবি: নারীসহ ৩ জন নিখোঁজ, ৪ জন উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ:সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢলের স্রোতের কবলে পড়ে নদীতে ডুবির মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় নারীসহ ৩জন নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে শিশুসহ ৪জন যাত্রীকে।

নিখোঁজরা হলো- জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর ইউনিয়নের নৈনগাঁও-আজমপুর গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মানুষিক প্রতিবন্ধী জোসনা বেগম (৩৫), গুলো বিবি (৭৫) ও নৌকার মাঝি জমির আলী (৪০)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- আজ মঙ্গলবার (২রা জুলাই) সকাল ১০টার দিকে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা নারী ও শিশুসহ ৭জন যাত্রী পাশের আজমপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে ছোট ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে সুরমা নদী পারাপারের সময় পাহাড়ি ঢলের স্রোতের কবলে পড়ে।

ওই সময় নৌকাটি ডুবে পানিতে ভেসে যায়। আর এই ঘটনাটি তাৎক্ষনিক ভাবে চারদিকে জানাজানি হয়ে পড়ে। পড়ে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে নদীতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে ৪জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু বাকি ৩জনকে খোঁজে পাওয়া যায়নি। এঘটনার পর থেকে নিখোঁজদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দোয়ারাবাজার থানার ওসি বদরুল হাসান জানান- সন্ধ্যায় পর্যন্ত অনেক খোঁজাখুজি করেও নৌকার মাঝিসহ নিখোঁজ ৩জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দুই দিনেই দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৪০৭ মেট্রিকটন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। যেখানে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গাড়ি কাঁচা মরিচ আমদানি হতো। তা এখন বাড়িয়ে ১৮ থেকে ২২ ট্রাক পর্যন্ত কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে। বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা।

গতকাল সোমবার (১৫ জুলাই ) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারতীয় ১৮ টি ট্রাকে ১৯১ মেট্রিকটন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। সরকার আমদানির অনুমতি দেওয়ার পর রোববার (১৪ জুলাই) ভারতীয় ২২ টি ট্রাকে ২১৬ মেট্রিকটন অর্থাৎ রেকর্ড পরিমাণ কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে ওই দিন।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুলাই ) হিলি স্থলবন্দর ও কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা যায়,বন্দরে পাইকারী বাজারে মানভেদে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর সেই কাঁচা মরিচ খুচরা পর্যায়ে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি দোকানে আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ সাজিয়ে রেখেছেন। তবে খুচরা বাজারে দেশীয় কাঁচা মরিচ চোখে পড়ার মত নেই।

হিলি বাজারের খুচরা কাঁচা মরিচ বিক্রেতা শেখ বিপ্লব জানান,টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে মোকামগুলোতে দেশীয় কাঁচা মরিচ পাওয়ায় যাচ্ছেনা। তাই আমরা আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ বিক্রি করছি। আর দেশীয় কাঁচা মরিচ বাজারে পাওয়ায় যাচ্ছেনা। বাজারে দেশীয় কাঁচা মরিচ নেই বললেই চলে।

হিলি স্থলবন্দরের ব্যাবসায়ীরা জানান, দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের তীব্র সংকট দেখা দেয়ায় আমদানির পরিমাণ বাড়িয়েছি। তা-না হলে গত বছরের মতো দাম গিয়ে উঠবে ৭শ’ টাকায়। তাদের দাবি ভারত অভ্যন্তরের বিভিন্ন প্রদেশে বন্যা দেখা দিয়েছে। ফলে ক্ষেতে পানি জমে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রপ্তানি মূল্য বাড়িয়েছেন দেশটির রপ্তানিকারকরা।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা জানান, অতি বৃষ্টি আর বন্যার কারণে দেশে কাঁচা মরিচের উৎপাদন নেই বললেই চলে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা বন্দরে ভিড় জমাচ্ছেন। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় অনেক পাইকার ফেরত যায়। তাই আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি আরো জানান,বাংলাদেশের মতো ভারত অভ্যন্তরের বিভিন্ন প্রদেশের বন্যা দেখা দেয়ায় সেখানে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে সেদেশের রপ্তানিকারকরা রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছেন।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাব জানান,আগে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গাড়ি করে কাঁচা মরিচ আমদানি হলেও গেলো রোববার ২২ টি ভারতীয় ট্রাকে ২১৬ মেট্রিকটন ও সোমবার ১৮ টি ভারতীয় ট্রাকে ১৯১ মেট্রিকটন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



মান্দায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা ;নওগাঁ:নওগাঁর মান্দায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আবদুল গফুর (৪৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুলাইর)দুপুর আড়াইটার সময় উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউপি'র টিটিহারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আবদুল গফুর টিটিহারি গ্রামের মৃত নছের উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

নিহতের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, নিহত আবদুল গফুর তার নিজ বাড়িতে বৈদ্যুতিক কাজ করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক সক লেগে মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  মোজাম্মেল হক কাজী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত আবদুল গফুর তার নিজ বাড়িতে বৈদ্যুতিক লাইনের কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানবশত বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিটে তার মৃত্যু হয়েছে। কোন অভিযোগ না থাকাই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



মিরসরাইয়ে লোকালয়ে অজগর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:মিরসরাইয়ে লোকালয় থেকে অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩০ জুন) রাত ৯ টার দিকে উপজেলার ৮নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের প‚ব দুর্গাপুর গ্রাম থেকে অজগরটি উদ্ধার করা হয়। ওই রাতেই মহামায়া ইকোপার্কে অজগরটি অবমুক্ত করেন বনবিভাগ। প‚র্ব দুর্গাপুর এলাকার একটি বাড়ির আঙ্গিনায় জালি তারের সাথে আটকে যায় অজগরটি। স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে বন বিভাগের মিরসরাই রেঞ্জের কর্মকর্তাদের খবর দিলে রাত ৯ টার দিকে তারা সাপটি উদ্ধার করে।


বন বিভাগের মিরসরাই রেঞ্জের রেঞ্জার শাহান শাহ নওশাদ জানান, আমরা খবর পেয়ে দ্রæত ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। এরপর অক্ষত অবস্থায় অজগরটি উদ্ধার করে নিয়ে আসি। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশনানুযায়ী এই নির্বিষ অজগরটি রাতেই মহামায়া ইকোপার্কের বনে অবমুক্ত করা হয়।
তিনি আরো বলেন, কোথাও সাপ দেখলে না মেরে বন বিভাগকে খবর দেওয়ার অনুরোধ করছি।


আরও খবর



পারশায় আম চাষীদের প্রাণের দাবী হিমাগার

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

ডিএম রাশেদ পোরশা (নওগাঁ):নওগাঁর পোরশায় আম সংরক্ষণের জন্য হিমাগারের প্রয়োজন। এটি এখন আম চাষীদের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। পোরশা উপজেলায় কোন ফসলের জন্য এখনো কোন প্রকার হিমাগার স্থাপন হয়নি। পূর্বেও এখানে হিমাগার ছিলনা। হিমাগারের অভাবে সংরক্ষণ করে রাখা যায়না এ অঞ্চলের সুস্বাদু ফল আম। মৌসুমে গাছের আম একসাথে পেকে যাওয়ায় দাম পাননা চাষীরা। বাজারে আমের দর কম থাকলে পাকা আম নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় আম চাষীদের। তখন বাধ্য হয়ে উৎপাদিত আমগুলো কম দামে বিক্রি করে লোকসানের মুখে পড়তে হয় আম চাষীদের। এ এলাকায় আম সংরক্ষনের জন্য হিমাগার না থাকায় হতাশায় ভুগছেন চাষীরা।

নওগাঁ জেলার পোরশা ও সাপাহার উপজেলাকে এখন আমের দ্বিতীয় রাজধানী বলা হয়। এখানকার আম দেশের বিভিন্ন এলাকার চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা হচ্ছে। এ দুই উপজেলায় এখন আমের বাম্পার ফলন হচ্ছে। এ এলাকার আম অনেক সুমিষ্ট তবুও মাঝে মধ্যেই আম চাষীরা আমের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আম সংরক্ষনের জন্য হিমাগার থাকলে চাষীরা বাজারে আমের দর কম থাকলে হিমাগারে রাখতে পারবেন। তাছাড়া চাষীরা হিমাগারে আম রেখে প্রয়োজনমত বিক্রি করতে পারবেন।

আম চাষীরা বলছেন, বাজারে আমের পর্যাপ্ত চাহিদার পূর্বেই এখানকার গাছের আম পাকতে শুরু করে। তাই গাছে আম পাকা দেখা দিলে আর ঐ আম গাছে বেশিদিন ধরে রাখা যায় না। পাকা আম গাছ থেকে অতি সহযেই ঝরে পড়ে। গাছের পাকা আম বিভিন্ন পাখি-পোকায় খেয়ে ফেলে। তাছাড়া পাকা আম নেমেও বেশিদিন ধরে রাখা যায় না। তাই বাজারে আমের চাহিদা থাক আর না থাক, দাম ভাল থাক আর না থাক, খুব দ্রুতই গাছের পাকা আম নামিয়ে বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হন আম চাষীরা। আর হিমাগার থাকলে ঐ আমগুলো সংরক্ষন করে রেখে পরে বাজারে আমের চাহিদামত বিক্রি করা সম্ভব হয়।

পোরশা উপজেলার আমচাষী হাবিবুর রহমান জানান, গাছের আম একবার পাকা দেখা দিলে আর ঐ গাছের আম ধরে রাখা সম্ভব নয়। এমনিভাবে যে জাতের আম একবার পাকা দেখা দেয় ঐ জাতের সমস্ত বাগানের আম প্রায় একসাথেই পেকে যায়। আর তখনই বাজারে আমের আমদানী বেশি হয়। আর আমদানী বেশি হলে বাজারে আমের দর কমে যায়। হিমাগার থাকলে পাকা আম সংরক্ষন করে বাজারের চাহিদামত বিক্রি করা যায়। এতে চাষীরা লাভবান হবেন বলে তিনি জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, এ বছর শুধুমাত্র পোরশা উপজেলায় আম চাষ হচ্ছে ১০হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে। এ উপজেলায় ব্যাপক আম চাষ হচ্ছে। প্রতি বছর এখানে আমের চাষ বেড়েই চলেছে। গাছের আম দ্রুত পেকে যাওয়ায় বেশিদিন ধরে রাখতে পারছেন না এখানকার আম চাষীরা। যে কারনে আশানুরূপ দাম পায়না আম চাষীরা। তাই এ উপজেলায় হিমাগার স্থাপন করা হলে, গাছে না হোক, হিমাগারে আম সংরক্ষন করে সময়মত ভাল দামে চাষীরা আম বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন বলে তিনি মনে করেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর