Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

সালমানের সঙ্গে অভিনয়ে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদে গায়ক!

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

 

অবশেষে সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হয়েছে সালমান খানের বজরঙ্গি ভাইজান সিক্যুয়েলের শুটিং। আর শুটিংয়ের শুরুতেই নতুন এক চমক দিলেন ভাইজান। বজরঙ্গি ভাইজানের নতুন চমক হল বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদে গায়ক তাজিকিস্তানের বাসিন্দা আবদু রোজিক।

ক্ষুদে হলেও কাজের দিক থেকে আছে শীর্ষে। শুধু তাই নয় তার গায়কি বড় বড় গায়ককেও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে পারে। যদিও এই ক্ষুদে গায়ক ভাইরাল হয়েছে ইন্টারনেটের কল্যাণে। তবে এখন সবাই চিনে তাকে। এরইমধ্যে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন বলিউডের সেরা তারকার সঙ্গে।

সালমান খানের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আবেগে আপ্লুত আবদু। অন্যদিকে, সালমান খানও আবদুর ফ্যান হয়ে গেছেন।

টুইটার লিংক: twitter.com

এর আগে ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল সালমান খানের ‘বজরঙ্গি ভাইজান’। এই ছবিটি শুধু বক্স অফিসেই নয়, প্রশংসিত হয়েছে বিশ্বজুড়ে। এই ছবি প্রায় ৯৬৯ কোটি টাকার ব্যবসাও করেছে। তবে শুধু টাকার অঙ্ক নয়, ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ছবিটি সালমানের খুব প্রিয় ছবি। কারণ, বহুদিন পর সালমান হিরোর ইমেজ থেকে বেরিয়ে এই ছবিতে হয়ে উঠেছিলেন একজন সেরা অভিনেতা।

এস এস রাজামৌলির আর আর আর-এর প্রচারের মাধ্যেই সালমান জানিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই শুরু হবে ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ছবির সিক্যুয়েলের শুটিং। এরই মধ্যে চিত্রনাট্যও লেখা হয়ে গেছে। পরিচালক রাজা মৌলির বাবা কে ভি বিজয়েন্দ্র এই ছবির চিত্রনাট্য লিখবেন। যিনি আগের ছবিটিরও চিত্রনাট্যকার ছিলেন।

ছবির প্রচারে এসে সালমান জানিয়ে ছিলেন, ‘বজরঙ্গি ভাইজান শুধুমাত্র এদেশেই ব্যবসা করেছে ৩০০ কোটি টাকা। সিনেপ্রেমীরা খুব পছন্দ করেছিল ছবিটিকে। আমাদের বহুদিন ধরেই পরিকল্পনা ছিল এটা নিয়ে সিক্যুয়েল করার।’

তা নতুন ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ছবির গল্প কি হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তেমন কিছু বলতে চাননি ভাইজান। শুধু বলেছেন, সিক্যুয়েলেও থাকবে চমক। এই ছবিতেও দেখা যাবে সীমান্তের গল্প। তবে ছবিতে সালমান ছাড়া আর কাকে দেখা যাবে তা নিয়ে আপাতত কিছুই বলেননি তিনি।

শোনা যাচ্ছে, এই ছবি দিয়ে নতুন মুখকে বলিউডে আনতে চান সালমান।


আরও খবর



দোকানে আড্ডা দেওয়ার সময় সৌদি প্রবাসীকে গুলি করে বাইক ছিনতাই

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় দোকানে বসে আড্ডা দেওয়ার সময় রুবেল হোসেন জাহিদ (৩২) নামের এক সৌদি প্রবাসীকে গুলি ও কুপিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাশিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

রুবেল বশিকপুর গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে ও সৌদি প্রবাসী। তাকে প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

রুবেলের মা জাহানারা ও বোন রিয়া আক্তার জানান, রমজানের আগে রুবেল সৌদি থেকে বাড়িতে আসে। এরপর তিনি চলাচলের জন্য ১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা দিয়ে একটি মোটরসাইকেল কিনেন। ওই মোটরসাইকেলের দিকেই সন্ত্রাসীদের নজর পড়েছে। ঘটনার সময় বাড়ির সামনে কুসুম আলীর দোকানে বসে রুবেল চা পান করছিলেন। এ সময় মুখোশধারী ৮-১০ জনের একদল সন্ত্রাসী এসে রুবেলের বাম পায়ে গুলি করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তার দুই হাতের আঙুলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম হয়। পরে সন্ত্রাসীরা তার মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা রুবেলকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সদর হাসপাতালে আহত রুবেল হোসেন জাহিদ বলেন, ‘আমার সঙ্গে কারও শত্রুতা নেই। হামলাকারীরা মুখোশধারী। তারা আমাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।’

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আরমান হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, জাহেদের বাম পায়ের উরুতে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করা হয়েছে। এতে অস্ত্রের স্পিন্টারে তার ডান পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম হয়। এছাড়া তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, আমি ঘটনাস্থলে এসেছি। অজ্ঞাতপরিচয়ে কয়েকজন রুবেলের ওপর হামলা করেছে। পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



শ্রীলঙ্কাই থাকছে এশিয়া কাপের আয়োজক, খেলা আমিরাতে

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

অনেক জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে এলো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত। এবারের এশিয়া কাপ ক্রিকেটের আয়োজক দেশ হিসেবে দায়িত্ব থাকছে শ্রীলঙ্কার কাঁধেই। তবে খেলা তাদের দেশে হবে না। শ্রীলঙ্কার আয়োজনে এশিয়া কাপের খেলাগুলো হবে আরব আমিরাতের মাঠে।

বুধবার রাতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ খবর। এসিসির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৭ আগস্ট থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এই এশিয়া কাপ।

শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক সংকটময় অবস্থা কোনোভাবেই স্বাভাবিক হচ্ছে না। উল্টো ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে দেশটির অবস্থা। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের সংকটে কঠিনভাবে ভুগছে তারা। এছাড়া নেতৃত্বের পালাবদলেও ঠিক স্থিতিশীল হতে পারছে না দেশটি।

তাই সবকিছু বিবেচনা করেই শ্রীলঙ্কাকে আয়োজক রেখে আরব আমিরাতের মাঠে এশিয়া কাপ খেলানো হবে এবার। যার ফলে পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো আমিরাতে হবে এশিয়া কাপের খেলা। এর ২০১৮ সালে ওয়ানডে ফরম্যাটের সবশেষ এশিয়া কাপও হয়েছিল আমিরাতে।


আরও খবর



একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে দিশেহারা গৌরী শীল

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

স্বামী অন্যত্র বিয়ে করে চলে গেছেন অনেক আগেই। গার্মেন্টসে চাকরি করে একমাত্র সন্তান শান্ত শীলকে পড়ালেখা করাচ্ছিলেন। স্বপ্ন ছিলো তাকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে স্বামী বঞ্চনার একটি মোক্ষম জবাব দেবেন। এবার সেই সবেধন নীলমণিও (একমাত্র সন্তান) হারিয়ে গেল মীরসরাইয়ে ট্রেন-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায়। স্বামী নেই, সন্তান নেই। এখন আর কেউ রইলো না গৌরী শীলকে দেখার!

হাটহাজারীর কে এস নজু মিয়া হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাশ করে একই উপজেলার জিয়াউর রহমান কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ছিলেন শান্ত। গত ২৯ জুলাই (শুক্রবার) বন্ধুদের সঙ্গে খৈয়া ছড়া ঝরণা দেখতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। ওই দুর্ঘটনায় ১১ জনের প্রাণহানি ঘটে। ছেলের শোকে মূহ্যমান গৌরি এখন কথা বলার শক্তিও হারিয়ে ফেলেছেন।

রোববার (৩১ জুলাই) দুপুরে হাটহাজারীর যুগীর হাট এলাকায় কথা হয় শান্ত শীলের এক ঠাকুরমার সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, শান্তর বাবা রনি শীল বেশ কয়েক বছর আগে তার মাকে ফেলে অন্যত্র বিয়ে করে চলে গেছেন। তাদের বাড়ি হাটহাজারী সরকার হাট কালী বাড়ি এলাকায়।

বাবা না থাকায় তারা বালু ছড়া তুফানি রোড এলাকার ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। জিয়াউর রহমান কলেজে পড়ার সুবাদে যুগীর হাট এলাকায় তার বন্ধুবান্ধব বেশি ছিলো। একমাত্র সন্তান মারা যাওয়ায় গৌরি এখন অসহায় হয়ে পড়েছেন, জানালেন ওই ঠাকুরমা।

শান্ত শীলের খালাতো ভাই নয়ন শীল বলেন, আমার আন্টি (খালা) গার্মেন্টসে চাকরি করে। শান্ত আমার বন্ধু ও ছোট ভাই। সে বেড়াতে যেতে চাইলে আমি প্রথমে তাকে বারণ করি। পরে যখন বলেছে, স্যারদের সঙ্গে বেড়াতে যাচ্ছে, তখন আর বারণ করিনি। এর মধ্যেই দুর্ঘটনাটি ঘটে গেলো।

কে এস নজু মিয়া হাই স্কুলের শিক্ষক সাধন চন্দ্র নাথ বলেন, শান্ত খুব ভদ্র ছেলে ছিলো। ২০২০ সালে আমাদের স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে। আমরা জানতাম তার বাবার অবর্তমানে মা-ই তার পড়ালেখার খরচ মেটাতেন। এখন তার মায়ের স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে গেছে।

গত শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুরে মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া এলাকায় মহানগর প্রভাতী ট্রেন ও পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষের ঘটনায় ১১ জন নিহত হন। এরই মধ্যে তাদের মরদেহগুলো পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে খৈয়াছড়া রেলক্রসিং এলাকার গেটকিপার সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহারের আদালত সাদ্দাম হোসেনকে কারাগারে পাঠান। এছাড়াও তাকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করে রেল কর্তৃপক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় গেটম্যান সাদ্দাম ওই লেভেল ক্রসিংয়ে ছিলেন না। তিনি জুমার নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন।

এদিকে, কমিটি গঠনের পরই ঘটনার মূল সত্যতা খুঁজে বের করতে তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে বলে জাগো নিউজকে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান মো. আনছার আলী।


আরও খবর



ফেসবুক গ্রুপের নোটিফিকেশন বন্ধের উপায়

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই আছে এর ব্যবহারকারী। শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগই নয়। আয়ের অনেক বড় সুযোগ আছে এই সাইটে।

বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হন। অনেকে অসংখ্য প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় অনেক গ্রুপে যুক্ত হন। তবে সেগুলোর নোটিফিকেশন খুবই বিরক্তিকর। বিশেষ করে ফোনে জরুরি কাজের সময় যদি এসব নোটিফিকেশন আসতে থাকে। তবে আপনি চাইলেই গ্রুপের নোটিফিকেশন আসা বন্ধ করতে পারেন খুব সহজেই।

গ্রুপ থেকে বের না হয়েও নোটিফিকেশন আসা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা যায়। এক্ষেত্রে গ্রুপের কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নোটিফিকেশনও বন্ধ রাখতে পারবেন আবার পুরো গ্রুপের নোটিফিকেশন আসা বন্ধ রাখতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কাজটি কীভাবে করবেন-

স্মার্টফোন এবং ডেস্কটপ দুই জায়গা থেকেই কাজটি করা যায়। স্মার্টফোন থেকে কাজটি করতে-
>> প্রথমে আপনার স্মার্টফোন থেকে ফেসবুক অ্যাপ ওপেন করুন।
>> ডান পাশের কোনায় থাকা তিন লাইন আইকন ক্লিক করুন।
>> এবার অল শর্টকাটস বিভাগের নিচে থাকা গ্রুপস অপশন বেছে নিন।
>> ওপরের ডান পাশে থাকা সেটিংস আইকনে ক্লিক করলে গ্রুপ সেটিংস অপশন পাবেন।
>> সেখান থেকে নোটিফিকেশনস সেটিংসে ক্লিক করলে যেসব ফেসবুক গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত আছেন সেই তালিকা পাবেন।
>> যে গ্রুপের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে চান, সেটির হাইলাইটের উপর ক্লিক করলেই অল পোস্ট, হাইলাইট, ফ্রেন্ডস পোস্ট, এবং অফ এই চারটি অপশন পাবেন।
>> নির্দিষ্ট গ্রুপের সব নোটিফিকেশন আসা বন্ধ করতে হলে অফ নির্বাচন করতে হবে। হাইলাইট নির্বাচন করলে গ্রুপে বিনিময় করা আলোচিত বা গুরুত্বপূর্ণ পোস্টের নোটিফিকেশন দেখা যাবে। শুধু বন্ধুদের পোস্টের নোটিফিকেশন পেতে হলে ফ্রেন্ডস পোস্ট অপশন নির্বাচন করতে হবে।

ডেস্কটপ থেকে কাজটি করতে চাইলে-
>> যে কোনো ব্রাউজার থেকে ফেসবুক ওপেন করুন।
>> বাম দিকের নিচে গ্রপ অপশন পাবেন, সেটিতে ক্লিক করুন।
>> গ্রুপের সেটিংস অপশনে গিয়ে কাস্টমাইজ নোটিফিকেশন সিলেক্ট করুন।
>> যে গ্রুপের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে চান, সেটির হাইলাইটের উপর ক্লিক করলেই অল পোস্ট, হাইলাইট, ফ্রেন্ডস পোস্ট, এবং অফ এই চারটি অপশন পাবেন।
>> নির্দিষ্ট গ্রুপের সব নোটিফিকেশন আসা বন্ধ করতে হলে অফ নির্বাচন করতে হবে। হাইলাইট নির্বাচন করলে গ্রুপে বিনিময় করা আলোচিত বা গুরুত্বপূর্ণ পোস্টের নোটিফিকেশন দেখা যাবে। শুধু বন্ধুদের পোস্টের নোটিফিকেশন পেতে হলে ফ্রেন্ডস পোস্ট অপশন নির্বাচন করতে হবে।

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার


আরও খবর



শিক্ষার মানোন্নয়নে চাই মানসম্মত শিক্ষক

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা এখনো শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়াতে পারেনি। তবে অনেকটা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তা আজও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থার সাথে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শহর থেকে গ্রামের শিক্ষার্থীরা অনেকটা পিছিয়ে পড়ছে। দেশে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা যেমন বেড়েছে তেমনি শিক্ষিত মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে। কিন্তু মেধাবী ও যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষের সংখ্যা কতটা বেড়েছে এটি বলা বেশ দুষ্কর।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যার সাথে পাল্লা দিয়ে ছাত্রসংখ্যা বহুগুণে বৃদ্ধি পেলেও শিক্ষার গুণগত মানের ব্যাপক অবনতি হয়েছে। এদিকে নতুন করে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের মোট ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার আগে কর্মরত শিক্ষকদের যোগ্যতা ও মেধা কীভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে বা আদৌ করা হয়েছে কি না সেটাও ভেবে দেখার বিষয়। তাছাড়া দেশে এতো অধিক সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না সেটাও আজ বড় প্রশ্ন। এসব প্রতিষ্ঠান মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে কতটা ভূমিকা রাখছে তা সময়ই বলে দেবে।

স্বাধীন বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় হ-য-ব-র-ল অবস্থার কারণে অনেক মেধাহীন, ক্ষেত্রবিশেষে অযোগ্য ব্যক্তি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। বলতে দ্বিধা নেই একজন শিক্ষক যোগদান করার পর থেকে ৩০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত তিনি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা প্রদান করেন। একজন মেধাহীন শিক্ষক কোনোভাবেই একটি মেধাবী জনগোষ্ঠী তৈরি করতে পারে না।

অন্যদিকে সরকারি পলিসির কারণে বহু বেসরকারি স্কুল-কলেজ জাতীয়করণ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে এমন শিক্ষকও ছিলেন যারা ক্লাসরুমে মানসম্মত শিক্ষাপ্রদানে অক্ষম। অনেকের আবার মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের ন্যূনতম যোগ্যতা ও মেধা আছে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। মূলত তাদের অনেকেই প্রতিযোগিতামূলক কোনো পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হননি। তাদের অনেকেই নিয়োগ পেয়েছিলেন ম্যানেজিং কমিটির অনুকম্পায়। এক্ষেত্রে অনৈতিক অর্থ লেনদেনের বিস্তর অভিযোগও সমাজে রয়েছে।

শিক্ষার গুণগত মানের নিম্নমুখীধারা দেশবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা কিছুদিন আগেও গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির ওপর ন্যস্ত ছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্য বা তাদের মনোনীত আত্মীয়স্বজনরাই ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক বিবেচনায় মনোনীত এমন ব্যক্তি শিক্ষার উন্নয়নে যতটা না আগ্রহী তার চেয়ে হাজারগুণ বেশি আগ্রহী ছিলেন অনিয়ম, দুর্নীতি ও সীমাহীন স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার প্রতি।

গত দুই দশকে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগের নামে অনেক ক্ষেত্রে মেধাহীন ও অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। বিভাগের প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীর মেধাকে অবজ্ঞা করে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দলীয় বিবেচনায় এমন ব্যক্তিকেও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে, যাদের শিক্ষক হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতাই ছিল না।

সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটাপ্রথা বাতিলের দাবিতে দেশে ব্যাপক আন্দোলন হয়েছে। আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজপথে রক্ত ঝরেছে, মিছিল মিটিং হয়েছে, সভা সমাবেশ হয়েছে। কোটাবিরোধী আন্দোলন দেশে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। একপর্যায়ে সরকার কোটাপ্রথা বাতিল করেছিল। কিন্তু বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটাপ্রথা এখনও চালু রয়েছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে বিদ্যমান নোরী কোটার কারণে অনেক মেধাবী এবং যোগ্যতাসম্পন্ন পুরুষ ব্যক্তি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন না, তুলনামূলকভাবে কম মেধাবী ও কম যোগ্যতাসম্পন্ন নারী প্রার্থী কোটার সুবিধা গ্রহণ করে সহজেই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হচ্ছেন।

এতে করে শিক্ষাক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে অচিরেই কোটাপ্রথা বাতিল করা জরুরি। লিঙ্গবৈষম্য নয় বরং যোগ্য লোক মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ হোক সেটাই প্রত্যাশিত। অন্যথায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেধাহীন শিক্ষকে ভরে যাবে। শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় আমূল পরিবর্তন আনা জরুরি। এখনও অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষসহ কিছু কিছু নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে ন্যস্ত রয়েছে।

নিয়োগে স্বচ্ছতা আনায়ন, দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধ এবং যোগ্য প্রতিষ্ঠান প্রধান/ শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির সব নিয়োগ প্রদান সংক্রান্ত বিদ্যমান ক্ষমতা রহিতকরে পিএসসি’র আদলে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ কমিশন গঠন করে সব নিয়োগের দায়িত্ব তাদের ওপর ন্যস্ত করা গেলে তা শিক্ষাক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে।

মনে রাখতে হবে যে, একমাত্র যোগ্য শিক্ষকই পারে মেধাসম্পন্ন একটি জাতি গঠন করতে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটার নয় বরং যোগ্য ও মেধাসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগই পারে শিক্ষার ক্রমাবনতি রোধ করতে। শিক্ষক নিয়োগে নারী কোটাসহ সব প্রকার কোটা প্রথা বাতিল করে সম্পূর্ণ মেধারভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ করা না হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভবপর হবে না।

কিছুদিন আগ পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের সর্বময় ক্ষমতা গভর্নিং বডি/ ম্যানেজিং কমিটির ওপর ন্যস্ত ছিল। নিয়োগ প্রদানে তারাই ছিল সর্বেসর্বা। অথচ গভর্নিং বডি/ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং সদস্য হওয়ার জন্য ন্যূনতম কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বালাই ছিল না।

যদিও বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিগ্রি পাস পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষিত, মার্জিত এবং শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি গভর্নিং বডির সদস্য হবেন। শিক্ষানুরাগী প্রতিটি মানুষ এটা প্রত্যাশা করে। গভর্নিং বডির সভাপতিসহ সব সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি।

শুধু রাজনৈতিক বিবেচনায় গভর্নিং বডির সভাপতিসহ অন্যান্য সদস্য নিয়োগপ্রাপ্ত হলে তারা শিক্ষা উন্নয়নের চেয়ে নিয়োগ, শিক্ষক হয়রানি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ করার মতো অনৈতিক কাজে বেশি মনোযোগী হবেন। কিন্তু একজন শিক্ষিত মানুষ কোনোভাবেই শিক্ষা উন্নয়নের পরিবর্তে শুধু ব্যক্তিগত আখের গোছানোর জন্য তিনি কাজ করবেন না। এ বিষয়টি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা বোর্ডের কর্তাব্যক্তিরা সঠিকভাবে তদারকি করবেন বলে আশা করতে চাই। কোনোভাবেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অর্থ আত্মসাৎকারী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে না আসতে পারেন তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে।

মনে রাখতে হবে একটি দেশের যদি সবকিছু ধ্বংস হয়ে যায় কিন্তু যদি সে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা মানসম্মত হয় তাহলে একদিন না একদিন সেই জাতি অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে। কিন্তু যদি সব ঠিক থাকে আর শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে সে জাতি আর কখনোই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। এই চিরন্তন সত্য কথাটি মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগে মনোনিবেশ করতে হবে। মেধার সাথে কোনো আপস নয় বরং শিক্ষক নিয়োগে সর্বাবস্থায় মেধা ও যোগ্যতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

আরেকটি বিষয় না বললেই নয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষ করে দেশের অনেক মাদরাসায় প্রচুর ধন-সম্পদ রয়েছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের ধন সম্পদের সঠিক ব্যবহার বা তদারকি কোন কোন ক্ষেত্রে একেবারেই হচ্ছে না। গভর্নিং বডির সভাপতি বা ক্ষেত্রবিশেষে অসৎ ও দুর্নীতিপরায়ণ কিছু অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ করছেন, মাদরাসার সম্পদ নিজেদের স্বার্থের জন্য ব্যয় করছেন। এজন্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষ করে সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাজার হাজার মাদরাসা, স্কুল, কলেজে যেসব সম্পদ দানশীল ব্যক্তিরা সওয়াবের আশায় দান করে গেছেন তার সঠিক এবং উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য গভর্নিং বডি এবং সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আরও তৎপর হতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনিয়মের লাগাম টেনে ধরার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর রয়েছে। শিক্ষা কর্মকর্তা রয়েছে কিন্তু তাদের জনবল স্বল্পতা ও একশ্রেণির কর্মকর্তাদের দুর্নীতিপরায়ণ মনোভাবের কারণে সরকার তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ অর্জন করতে পারছে না।

দেরিতে হলেও সরকার স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে একটি অভিন্ন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছে। কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে, যা ২০২৩ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে কার্যকরী হবে। শিক্ষানীতি সুচারুরূপে বাস্তবায়ন করতে হলে সর্বাগ্রে মেধাবী শিক্ষকের প্রয়োজন। প্রয়োজন যোগ্য শিক্ষকের।

আগেই বলেছি দেশের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানের ক্রমাবনতি হয়েছে, যা দেশবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ, মেধার পরিবর্তে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগই এমন ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতির জন্য দায়ী।

এছাড়া শিক্ষা প্রশাসনের দুর্নীতি আজ অনেকটা ওপেন সিক্রেট। সম্প্রতি টিআইবি ‘মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা কার্যপরিচালনা করেছে। তাদের গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটিতে অশিক্ষিত মানুষ অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় শিক্ষকদের সঙ্গে কমিটির সমস্যা ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, শিক্ষার গুণগতমানের ক্রমাবনতি ঠেকাতে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিবেচনা নয় বরং মেধা ও যোগ্যতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষকদের গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে। তাহলেই দেশের শিক্ষার মানের ক্রমাবনতি ঠেকানো সম্ভবপর হবে।

লেখক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ'র প্রফেসর।
[email protected]com


আরও খবর