Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

সাক্কুর হ্যাটট্রিক নাকি নতুন মুখ

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image

রাত পোহালেই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন (কুসিক)। বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮ থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। শেষ হবে বিকেল ৪টায়। এবার কুমিল্লা সিটির ২৭টি ওয়ার্ডে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হবে।

এদিকে কুসিক নির্বাচন ঘিরে সবার দৃষ্টি এখন সেখানে। যে কোনো নির্বাচনের তুলনায় বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে আবার আউয়াল কমিশনের অধীনে বড় কোনো নির্বাচন এটি। তাই এই নির্বাচনে কোনো ধরনের ফাঁক রাখতে চাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন।

এরপরও ক্ষমতাসীন দলের মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটকক্ষে পেশিশক্তি প্রদর্শনের শঙ্কা করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীও সদ্য সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে কালো টাকা বিতরণের অভিযোগ করেছেন।

এবার নির্বাচনে পাঁচজন মেয়রপ্রার্থী রয়েছেন। তবে মূল লড়াইটা হবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সদ্য সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু এবং নিজাম উদ্দিন কায়সারে মধ্যে। আর সাক্কু তো গত দুই মেয়াদে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। বাকি দুজন প্রথমবারের মতো লড়াই করছেন। ফলে কুমিল্লাবাসীর মুখে এখন প্রশ্ন- সাক্কুর হ্যাটট্রিক নাকি নতুন মুখের অভিষেক।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব কিছুই করা হয়েছে। কুমিল্লা জেলা ও পুলিশ প্রশাসন যথেষ্ট তৎপর। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো শঙ্কার কারণ নেই।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। দায়িত্বে কেউ গাফিলতি ও অনিয়ম করলে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রত্যেক পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

তিনি জানান, কুসিক নির্বাচনে তিন হাজার ৬০৮ জন পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবেন। সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবেন যথাক্রমে ১৫ ও ১৬ জন করে পুলিশ। এছাড়া আনসারসহ গ্রাম পুলিশের সদস্যরাও থাকবেন।

আর পুলিশের মোবাইল ফোর্স থাকবে ২৭টি, প্রতি ওয়ার্ডে একটি। স্ট্রাইকিং ফোর্স নয়টি। রিজার্ভ ফোর্স দুটি। আর বিজিবি মোতায়েন করা হবে ১২ প্লাটুন, র‌্যাবের ২৭টি টিম থাকবে। এছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাচনী ম্যাজিস্ট্রেট ও নয়জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন।

ভোটগ্রহণ কাজে নিয়োজিত থাকবেন দুই হাজার ৫৬০ জন কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার ৬৪০ জন, পোলিং অফিসার ১২৮০ জন এবং সহকারী পোলিং অফিসার ৬৪০ জন।

এদিকে এরই মধ্যে কুমিল্লা সিটির বিভিন্ন পয়েন্টে ৭৫টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। কেন্দ্রের বাইরে-ভেতরে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার নির্বাচনে মোট ভোটার দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২, পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন। আর দুজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার।

মোট ১০৫টি কেন্দ্রের ৬৪০টি কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। মেয়র ছাড়াও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১০৬ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রার্থী হয়েছেন।


আরও খবর



পুতিনের প্রতিশ্রুতিতে দাম কমেছে খাদ্যপণ্যের

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো থেকে জাহাজে পণ্য পরিবহন করতে পারছে না ইউক্রেন। কারণ এগুলোর নিয়ন্ত্রণ করছে রাশিয়া। এবার বন্দরগুলো থেকে নিরাপদে খাদ্য সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পুতিন। তার এমন ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম কমে এপ্রিলের পর্যায়ে চলে এসেছে।

শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডের তথ্য থেকে জানা যায়, শুক্রবার গম প্রতি বুশেল (২৭.২ কেজি) দশ দশমিক চার ডলারে বেচা-কেনা হয়েছে, যা মে মাসের সর্বোচ্চ মূল্যের চেয়ে দশ শতাংশ কম।

পশুখাদ্যের জন্য ভুট্টার দামও এই সপ্তাহে কমেছে, প্রতি বুশেল সাত দশমিক ২৭ ডলারে নেমে এসেছে।

বিস্তারিত আসছে...


আরও খবর



সালমান শাহর মৃত্যু: চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে রিভিশন গ্রহণ

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

চিত্রনায়ক সালমান শাহ মৃত্যুর মামলায় পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে করা রিভিশন মামলা বিচারের জন্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

রোববার (১২ জুন) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ রিভিশন আবেদন গ্রহণ করে শুনানির জন্য আগামী ২৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

এ বিষয়ে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ বলেন, পুলিশের দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করেছিলাম। কিন্তু বাদী সালমান শাহর মা নিলুফা চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরীর অনুপস্থিতির জন্য সময় চাওয়ার পরও গত বছর ৩১ অক্টোবর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি খারিজ করে দেন আদালত। আমরা ওই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন মামলা করেছি। যা প্রাথমিকভাবে আদালত বিচারের জন্য গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নথি তলব করেছেন। আগামী ২৬ অক্টোবর শুনানি হবে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। ওই ঘটনায় তখন অপমৃত্যুর মামলা করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী (প্রয়াত)।

‘ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে’ অভিযোগ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাইয়ে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন আদালত। ওই বছরের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। পরে ঢাকার সিএমএম আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে।

তখনো সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা করেন। ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠান আদালত। ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক বিকাশ কুমার সাহার কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। এ প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে ‘অপমৃত্যু’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী ছেলের মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান এবং ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আবেদন করেন। ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী ঢাকা মহানগর হাকিম জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে নারাজির আবেদন করেন। মামলাটি এরপর তদন্ত করে র‌্যাব। তখন রাষ্ট্রপক্ষ আপত্তি তুললে ২০১৬ সালের ২১ অগাস্ট ঢাকার বিশেষ জজ ৬-এর বিচারক ইমরুল কায়েশ র‌্যাবকে মামলাটি আর তদন্ত না করার আদেশ দেন। তখন তদন্তের দায়িত্বে আসে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিবিআইর পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম ছয়শ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি খারিজ করে দেন আদালত।


আরও খবর



উৎসে কর শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বহাল চায় বিজিএমইএ

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

করোনার কারণে তৈরি পোশাক খাতে তেমন কোনো কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। আবার রেমিট্যান্সে মন্দাভাব ও আমদানি ঊর্ধ্বগতি কারণে ব্যালেন্স অব পেমেন্টে চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের সর্ববৃহৎ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী পোশাক শিল্পের অগ্রযাত্রা মসৃণ রপ্তানির বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসে কর শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ আগামী ৫ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। সংস্থাটি বলছে, এতে শিল্প টিকে থাকবে, রাজস্ব আসবে ও আরও নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

সোমবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে পোশাক খাতের সমসাময়িক পরিস্থিতি ও প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রতিক্রিয়া নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব দাবি জানায় বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

প্রস্তাবিত ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে পোশাক খাতসহ রপ্তানি খাতের উৎসে করহার দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে এক শতাংশ করার প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, প্রায় দুই বছরে করোনার কারণে যেখানে আমাদের তেমন কোনো কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের রেমিট্যান্সে মন্দাভাব ও আমদানি ঊর্ধ্বগতির কারণে ব্যালেন্স অব পেমেন্টে চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সর্ববৃহৎ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত, পোশাক শিল্পের অগ্রযাত্রা যেকোনোভাবেই হোক মসৃণ রাখা জরুরি।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, শিল্পের কাঁচামাল সংগ্রহ, কন্টেইনার ভাড়া বাড়ানো, ডিজেলে মূল্য বৃদ্ধিসহ সামগ্রিক উৎপাদন খরচ বিগত ৫ বছরে গড়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। আর সম্প্রতি গ্যাসের মূল্য বাড়ার ফলে উৎপাদন খরচ আরও বেড়েছে। আবার ডলারের বিপরীতে ইউরো যেভাবে মান হারাচ্ছে, তাতে করে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইউরো ও ডলারের মূল্য সমান পর্যায়ে চলে আসতে পারে। অর্থাৎ এক ইউরো দিয়ে এক ডলার পাওয়া যাবে। ফলে ইউরোপের বাজারে আমাদের পণ্যের মূল্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়টা অস্বাভাবিক নয়।

তিনি বলেন, আমাদের একান্ত অনুরোধ, রপ্তানির বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসে কর শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ আগামী ৫ বছর পর্যন্ত কার্যকর রাখলে শিল্পটি বর্তমান সংকটকালীন স্বস্তিতে থাকবে। শিল্প টিকে থাকলে রাজস্ব আসবে, নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। সেই সঙ্গে আমরা নন-কটন খাতে বিনিয়োগ ও রপ্তানি উৎসাহিত করতে, নন-কটন পোশাক রপ্তানির ওপর ১০ শতাংশ হারে বিশেষ প্রণোদনা প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি। আমাদের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ৭৪ শতাংশ কটনের তৈরি, যেখানে বিশ্বের মোট টেক্সটাইল কনজাম্পশনে কটনের শেয়ার মাত্র ২৫ শতাংশ। বর্তমান বিশ্বে ক্রমাগত জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে নন-কটন পণ্যের চাহিদা বাড়ছে।


আরও খবর



নাটোরে প্রাণ-এর শিল্পপার্ক পরিদর্শন করলেন কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image

নাটোরের একডালায় অবস্থিত প্রাণ গ্রুপের শিল্পপার্ক ‘প্রাণ এগ্রো লিমিটেড’ পরিদর্শন করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। এসময় কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। বুধবার (১ জুন) সন্ধ্যায় তারা শিল্পপার্কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। প্রতিনিধিদল কারখানায় নুডলস, মশলাসহ বিভিন্ন প্রোডাকশন প্লান্ট ঘুরে দেখেন।

এসময় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল ও প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক একেএম মইনুল ইসলাম মইন কারখানার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

jagonews24

কৃষিমন্ত্রী কারখানার সার্বিক কর্মকাণ্ড দেখে প্রাণ গ্রুপের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কারখানায় এসে যে উপস্থাপনা দেখলাম, তাতে প্রাণ কারখানায় এসে আমাদের প্রাণমুগ্ধ হয়েছে। প্রাণ যেভাবে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করে দেশে বিক্রি করছে ও বিদেশেও রপ্তানি করছে, ১৪৫টি দেশে তাদের যে সাফল্য ও অর্জন তা আমাদের জন্য গৌরবের। প্রাণ এটি ধীরে ধীরে আরও সম্প্রসারণ করছে। তারা দুধ প্রক্রিয়াজাত করছে, টমেটো, আম ও শাকসবজি প্রক্রিয়াজাত করছে।

ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রাণ কৃষি খাতে অনেক উদাহরণ সৃষ্টি করছে। আমরা চাচ্ছি, কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ করা এবং এটার জন্য প্রক্রিয়াজাত করা। সেসব বিষয় আমি নিজে এখানে দেখতে এসেছি। তারা অনেক কিছু করছে যা নিজে না দেখলে বোঝা যায় না। প্রাণ যা করছে সেটা আমাদের জন্য আনন্দের।

jagonews24

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল, গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীমা আক্তার খানম ও হোসনে আরা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. বেনজীর আলম, নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা প্রমুখ।


আরও খবর



জুমার বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

মুসলিম উম্মাহর কাছে অনেক মর্যাদাপূর্ণ একটি দিন জুমা। আল্লাহ তাআলা দুনিয়ায় অনেক দিন-ক্ষণ-মাস ও মুহূর্তকেও বিশেষ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য দিয়েছেন। তন্মধ্যে একটি জুমার দিন। কোরআন-সুন্নায় জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বর্ণিত রয়েছে। যার কিছু তুলে ধরা হলো-

১.শ্রেষ্ঠ দিন

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নিঃসন্দেহে জুমার দিন সেরা এবং আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। আল্লাহ তাআলার কাছে তা ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়েও উত্তম।’ (ইবনে মাজাহ)

তিনি আরো বলেছেন, ‘যে সব দিনগুলোতে সূর্য উঠে; তন্মধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমার দিন। এ দিনেই আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এ দিনেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিনেই তাকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে।’ (মুসলিম)

২. ঈদের দিন

জুমার দিন ঈদুল ফিতর কিংবা ঈদুল আজহা হলে ওই দিন মুসলিম উম্মাহর দুই ঈদ একত্রে হয়। জুমার দিনকে ইহুদিরা ঈদের দিন বানানোর আফসোস করে। হাদিসের বর্ণনায় তা ওঠে এসেছে এভাবে-

হজরত ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি যখন-

اَلۡیَوۡمَ اَکۡمَلۡتُ لَکُمۡ دِیۡنَکُمۡ وَ اَتۡمَمۡتُ عَلَیۡکُمۡ نِعۡمَتِیۡ وَ رَضِیۡتُ لَکُمُ الۡاِسۡلَامَ دِیۡنًا

এ আয়াতটি তেলাওয়াত করেন; তখন তার কাছে একজন ইহুদি ছিল। সে বলল, যদি আয়াতটি আমাদের ওপর নাযিল হতো তাহলে আমরা দিনটিকে ঈদের দিন বানিয়ে নিতাম। এরপর ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘আয়াতটি ঈদের দিনেই নাজিল হয়েছে (আর তা ছিল) জুমার দিন ও ‘আরাফার দিন।’ (তিরমিজি)

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন, ‘নিঃসন্দেহে জুমার দিন সেরা এবং আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। আল্লাহ তাআলার কাছে তা ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়েও উত্তম।’ (ইবনে মাজাহ)

৩. পাপ ক্ষমার দিন

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘এক জুমা থেকে অপর জুমা এতদুভয়ের মাঝে (পাপের) কাফ্‌ফারা হয়ে যায়, যদি কবিরা (বড়) গুনাহের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়ে থাকে।’ (মুসলিম)

৪. বছরজুড়ে নামাজ-রোজার সওয়াব পাওয়ার দিন

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করে সকাল সকাল মসজিদে আসবে এবং ইমামের কাছাকাছি বসবে এবং মনোযোগ দিয়ে (খুতবা) শুনবে ও চুপ থাকবে তার জুমা’র নামাজে আসার প্রত্যেক কদমের বিনিময়ে এক বছরের নামাজ ও রোজা পালনের সওয়াব হবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ)

৫. দোয়া কবুলের দিন

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয়ই জুমার দিন এমন একটি সময় আছে যে সময়ে কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে কোনো ভালো জিনিসের প্রার্থনা করলে তিনি তাকে তা দান করেন। তিনি বলেন, তা সামান্য সময় মাত্র।’ (বুখারি ও মুসলিম); কেউ কেউ বলেন, এটি আসরের নামাজের পরের সময়।

৬. বিশেষ ইবাদতের দিন

জুমা উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য বিশেষ ইবাদতের দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘জুমা থেকে আল্লাহ আমাদের আগের উম্মতকে বিভ্রান্ত করে রেখেছিলেন। ফলে ইহুদিদের জন্য ছিল রোববার। এরপর আল্লাহ  আমাদের নিয়ে এসেছেন এবং আমাদের জুমার দিনের জন্য পথ দেখিয়েছেন এরপর শনি তারপর রোববার। এমনিভাবে কেয়ামতের দিনও তারা আমাদের পরে হবে। দুনিয়ার অধিবাসীদের মধ্যে আমরা সবার পরে এবং কেয়ামতের দিন আমাদের ফয়সালা সাবার আগে হবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

৭. কেয়ামত অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘জুমার দিনেই কেয়ামত অনুষ্ঠিত হবে।’ (মুসলিম)

৮. ফেতনামুক্ত হওয়ার দিন

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো মুসলিম যদি জুমার দিনে অথবা জুমার রাতে মারা যায় তবে আল্লাহ তাআলা তাকে কবরের ফেতনা থেকে মুক্তি দেবেন।’ (তিরমিজি)

নবিজীর বর্ণনা মতে জুমার দিন বিশেষ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্যের দিন। জুমার দিন জোহরের সময় জুমার নামাজ পড়া সবার জন্য ফরজ। জুমার দিনের মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য অন্যান্য দিনের চেয়ে অনেকগুণ বেশি হওয়ায় দিনটির ইবাদত-বন্দেগিও মুসলিম উম্মাহর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত জুমার দিন নামাজ, ইবাদত-বন্দেগি, কোরআন তেলাওয়াত, দরূদসহ তাওবা-ইসতেগফার বেশি বেশি করা। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করা। জুমার দিনের আমল থেকে বিরত না হওয়া।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে এ দিনের নামাজ ও আমল যথাযথ পালন করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে নিজেদের যুক্ত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর