Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সাকিব অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানটা হারালেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৪৬জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:সাকিব আল হাসান অনেক আগেই টেস্ট ফরম্যাটে অলরাউন্ডারদের শীর্ষস্থান হারিয়েছেন। ওয়ানডেতেও কিছুদিন আগে সাকিবকে সরিয়ে শীর্ষে উঠেছেন আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবি। বাকি ছিল টি-টোয়েন্টি। কদিন আগে শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা এই ফরম্যাটে সাকিবের শীর্ষস্থানে ভাগ বসান। এবার টি-টোয়েন্টিতে অলরাউন্ডারদের র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানটা হারিয়েই ফেললেন সাকিব।

২২৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এখন এককভাবে শীর্ষে হাসারাঙ্গা। সাকিবের রেটিং পয়েন্ট তার চেয়ে ৫ কম, ২২৩।

টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র্যাংকিংয়ে পরিবর্তন এসেছে বেশ কয়েকটি। অস্ট্রেলিয়ার মার্কাস স্টয়নিস এক ধাপ এগিয়ে উঠেছেন পঞ্চম স্থানে। ২ ধাপ উন্নতি করে সপ্তম স্থানে এখন ইংল্যান্ডের মঈন আলি।

ব্যাটিংয়ে বেশ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের তাওহিদ হৃদয়ের। ১২ ধাপ এগিয়ে ৬০ নম্বরে উঠে এসেছেন হৃদয়। তানজিদ হাসান তামিম ৩৪ ধাপ উন্নতি করে অবস্থান করছেন ৮৪ নম্বরে। শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের সূর্যকুমার যাদব।

বোলারদের র্যাংকিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। ৩৮ ধাপ উন্নতি করে বর্তমানে ৫২তম স্থানে রয়েছেন তিনি। মোস্তাফিজুর রহমান এগিয়েছেন ২ ধাপ, এখন তিনি ২৩তম স্থানে। এখানে শীর্ষে আছেন ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




বীরগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সম্প্রতি মেলা ও শিক্ষাবৃত্তি, বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

নাজমুল ইসলাম (মিলন) দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মানব কল্যান পরিষদ এর উদ্যোগে বীরগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষাবৃত্তি, বাইসাইকেল বিতরণ ও স¤প্রীতি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মাঠে ২৮ মে মঙ্গলবার সকাল ১১ টা বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ফজলে এলাহীর সভাপতিত্বে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএও) এর আয়োজনে অহিংসা প্রকল্প, মানব কল্যাণ পরিষদ এর সহযোগিতায় ১৬৭ জনকে শিক্ষাবৃত্তির চেক ও ১৮ জনকে বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠান হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ উপজেলার নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মো: আবু হুসাইন বিপু, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো: তরিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিবেদিতা দাস, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক নুরিয়ার সাইদ সরকার প্রমুখ।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষে “বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা” কর্মসূচির আওতায় শিক্ষা বৃত্তির প্রাইমারি ১০০ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, মাধ্যমিক ৪৫ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীকে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ও উচ্চ মাধ্যমিক ২২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীকে ২ লক্ষ ০৯ হাজার টাকার বৃত্তির চেক ও ১৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১৮টি বাইসাইকেল বিতরণ করেন।

সম্প্রতি মেলায় বিভিন্ন স্টলের মাধ্যমে বাঙ্গালি, আদিবাসী ও অন্যন্য সকল জাতিসত্তা জীবনধারা, মৌলিক অধিকার, মানবধিকার, ভাষা ও সংষ্কৃতি সর্ম্পকে আলোচনা কালে বীরগঞ্জ থানা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি শীতল মার্ডী, বীরগঞ্জ মানব কল্যাণ পরিষদের পরিচালক রবিউল আজম উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিতরণ করা হবে ৫০ লাখ চারা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্ব পরিবেশ দিবস দেশজুড়ে ৫০ লাখ চারা বিতরণ করবে দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‘বনায়ন’। গত ৪৪ বছর ধরে পরিবেশ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে এ উদ্যোগ।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ। বাড়ছে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, তাপপ্রবাহ ও মরুকরণের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ। গাছের সংখ্যা বৃদ্ধি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এবং পরিবেশ রক্ষা ও বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ভূমিকা অপরিসীম। এক্ষেত্রে, ‘বনায়ন’ কর্মসূচি গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) নেতৃত্বে পরিবেশ নিয়ে সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক আয়োজন হিসেবে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রোধে সরকার ও অন্যান্য সকল অংশীদারদের অনুপ্রাণিত ও সচেতন করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে এ দিবস।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৌশলগত নানা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এই লক্ষ্যকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে দেশের ১৯টি নার্সারি থেকে ৫০ লাখ চারাগাছ প্রস্তুত করেছে ‘বনায়ন’। একইসাথে, এই প্রচেষ্টা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ১৫ নং লক্ষ্য (স্থলজ জীবন) তথা দেশের ২৫ শতাংশ ভূমিকে গাছপালায় ঢাকা সবুজ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নেও সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

‘বনায়ন’ কর্মসূচির মুখপাত্র আহমেদ রায়হান আহসানউল্লাহ বলেন, “বিশ্ব পরিবেশ দিবস জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় সমন্বিত ও সামগ্রিক কৌশল গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরে। সম্ভাবনাময় আগামী নিশ্চিতে আমাদের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ‘বনায়ন’ কর্মসূচির অধীনে এ বছর আবারও আমরা ৫০ লাখ চারা বিতরণ করব। বাস্তুসংস্থানের পুনরুদ্ধারে দেশজুড়ে বনায়নের প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করে তুলতে সরকারের পাশাপাশি কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমরা গর্বিত। এক্ষেত্রে, সবাই একযোগে কাজ করতে পারলে শীঘ্রই ২৫ শতাংশ গাছপালায় ঢাকা ভূমির লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো বলে আশাবাদী আমরা।”

পরিবেশের সুরক্ষা ও বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ১৯৮০ সালে ‘বনায়ন’ কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়। এই কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে বিনামূল্যে ১২ কোটি ৫০ লাখ ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে; গড়ে তোলা হয়েছে ১১৯টি ঔষধি গাছের বাগান।

বর্তমানে ঢাকা, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, রংপুর, রাজশাহী, লালমনিরহাট, নাটোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, যশোর, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও নোয়াখালি (সুবর্ণচর) সহ দেশের মোট ২৪টি জেলায় ‘বনায়ন’-এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জলবায়ু বিপর্যয় মোকাবিলায় ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে ‘বনায়ন’ কর্মসূচি। এর মধ্যে রয়েছে- প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার (পাঁচবার), প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় পুরস্কার, এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩, ‘এন্টারপ্রাইজ এশিয়া’ থেকে গ্রিন লিডারশিপের জন্য ‘এশিয়া রেসপনসিবল অন্ট্রাপ্রনারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ এবং এসডিজি ইনক্লুশন ক্যাটাগরিতে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২১।’

একটি সম্ভাবনাময় আগামী নিশ্চিত করতে ‘বনায়ন’ কর্মসূচির নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রোধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সকল অংশীদারের সাথে একযোগে কাজ করবে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।


আরও খবর



গলাচিপায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ২০০জন দেখেছেন

Image

রিয়াদ হোসাইন,গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি খরিপ-১/২০২৪-২৫ এর আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিস হল রুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এসএম শাহজাদা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলালের সভাপতিত্বে ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার। 

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাসিম রেজা, গলাচিপা থানার ওসি তদন্ত মোকাম্মেল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাজী মু. মজিবর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সরদার মু. শাহ আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোফাজ্জেল হোসেন মাসুদ, কৃষক প্রতিনিধি কাওসার আহম্মেদ তালুকদার, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ আলম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন ও মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

এছাড়া সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজসহ প্রান্তিক কৃষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



খাগড়াছড়িতে আশ্রয়ন প্রকল্পের অসহায় মানুষে মাঝে পুলিশ সুপার মুক্তা ধর এর ঈদ উপহার বিতরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৫১জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পবিত্র ঈদ-উল আযহা  উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে আশ্রয়ন প্রকল্পের দু:স্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে পুলিশ সুপারের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ।

রবিবার  ( ৯ জুন )  বিকালে খাগড়াছড়ির শালবাগান আশ্রয়ন প্রকল্পের দু:স্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে  ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন খাগড়াছড়ি  পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।

খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) বলেন, “ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা  মুসলমানদের জীবনে এক স্বর্গীয় শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। সমাজে একটি অংশ রয়েছে যাদের কাছে ঈদ-আনন্দ মানেই হলো বেঁচে থাকার লড়াই। দু’বেলা খাওয়ার সংগ্রাম। আজো রয়েছে দুঃখী মানুষের ভীড়। আমরা কি পারিনা- তাদের দুঃখ লাঘবের চেষ্টা করতে। তাদের মুখে একটু হাসি ফোঁটাতে। নতুন পোশাক বা ঈদের অন্য আনন্দগুলো তাদের সাথে ভাগাভাগি করতে। সমাজের বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ, আপনারাও অসহায় ও দু:স্থ মানুষের পাশে দাঁড়ান। বিলাসী ঈদ উদ্যাপনের পরিবর্তে দুঃস্থ  মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সম্মিলিতভাবে আনন্দের ঈদ উদ্যাপন করি৷

আশ্রয়ন প্রকল্পের এক বাসিন্দা আব্দুল হান্নান বলেন যে, আমি খেটে খাওয়া মানুষ। বয়সের ভারে এখন শরীরে শক্তি পাইনা যার জন্য কাজও করতে পারিনা। এই বছর ঈদ উপলক্ষে কিছু কিনতে পারি নাই। পুলিশ সুপার স্যার আমাদের জন্য ঈদ উপহার নিয়ে এসেছেন। এর চেয়ে আনন্দের আমাদের জন্য আর কি হতে পারে। আমরা সবাই স্যারের জন্য দোয়া করি আর যেন ভবিষ্যতে আমাদের মত অসহায় ও দু:স্থ মানুষদের পাশে এভাবেই মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারে। 

এসময় উপহার পেয়ে অসহায় ও দুঃস্থ  মানুষজন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন যে, পুলিশ সুপার মহোদয়ের থেকে উপহার পেয়ে ঈদের আনন্দ আরও বেড়ে গেলো। আগে কোনো স্যার এভাবে আমাদের কথা ভাবেনি। স্যার সবসময়ই আমাদের খুজ খবর রাখেন। আজ আবার ঈদ উপহার দিয়েছেন। সত্যিই আমরা অনেক আনন্দিত।আল্লাহ পুলিশ সুপার মহোদয়ের মঙ্গল করুক। 

উল্লেখ্য যে এর আগেও খাগড়াছড়ি জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয় দু:স্থ নারী,এতিম শিশু,অসহায় মানুষ,তৃতীয় লিঙ্গের সুবিধাবঞ্চিত মানুষজনদের পাশে বিভিন্ন সময় উপহার সামগ্রী বিতরণ করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

এ সময় খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



দেশে কোটিপতির সংখ্যা কমেছে

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কয়েক দফা দেশে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়ার পর এবার কমেছে। এসব হিসাবে টাকার রাখার পরিমাণও কমেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছে, নানা কারণে ব্যাংক খাতের ওপর মানুষের আস্থা কমেছে। যার প্রভাব পড়ছে সব শ্রেণির আমানতকারীর ওপর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ সময়ে) কোটি টাকার ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি। পাশাপাশি আমানত কমেছে ১ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। মার্চ পর্যন্ত ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৯০টি। কোটি টাকার ওপরে এসব ব্যাংক হিসাবে ৭ লাখ ৪০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা জমা আছে। গত বছরের (২০২৩ সাল) ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি। এসব ব্যাংক হিসাবে মোট জমা ছিল ৭ লাখ ৪১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতিদের হিসাব সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি, আর তাদের অ্যাকাউন্টে আমানত কমেছে ১ হাজার ১১ কোটি।

মার্চ প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২০২ টি। এসব হিসাবের বিপরীতে আমানত জমা রয়েছে ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। তবে কোটি টাকার হিসাব মানে কোটিপতি নাগরিকের হিসাব নয়। অনেক ব্যক্তিই যেমন ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখেন, তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠানও ব্যাংকে কোটি টাকা জমা করে। অর্থাৎ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব বলতে যুগপৎ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই। তাছাড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তারও নির্দিষ্ট সীমা নেই। এতে করে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং নানা সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৬২৩টি, এসব হিসাবে জমা ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকার ১২ হাজার ৪৪৬টি হিসাবে জমার পরিমাণ ৮৮ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৫১৬টি। যেখানে জমার পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৪ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা। আর পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটির ১২ হাজার ৬৫২টি হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ৮৯ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা।

আলোচিত সময়ে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ৪ হাজার ৩৯৬টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৯৬১টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ২১১টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৮৭৫ টি আমানতকারীর হিসাব। আর ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫০১টি এবং ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৩৬৯টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ৬৮১টি। ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ১ হাজার ৮২৬টি। যা গত ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৮২টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ২ হাজার ২টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৩৪৫টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে ছিল ৯১২টি আমানতকারীর হিসাব। এছাড়া ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫১২টি, ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে ছিল ৪৮০টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ছিল ৭৩৮টি এবং ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮১২টি।

দেখা যায়, ১৯৭৫ সালে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব ছিল মাত্র ৪৭টি, ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৭ হাজার ৫১৬টি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার শুরুতে ২০২০ সালের মার্চে এই সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫, বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজারে ৮৯০টিতে দাঁড়িয়েছে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪