Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ৮৮ বারের মতো পিছিয়েছে

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৯৯জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ৮৮ বারের মতো পিছিয়েছে। পরবর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।


মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তদন্ত সংস্থা র‍্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এদিন ধার্য করেন। শেরেবাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক জালাল উদ্দিন  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।


প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।


দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।



আরও খবর



গেম খেলতে না দেওয়ায় মাকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

মোবাইলে গেম খেলতে না দেওয়ায় মাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে ১৬ বছরের এক কিশোরের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, সে তার মাকে হত্যা করে দুই দিন ধরে সেই মরদেহ বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল। এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের লক্ষ্ণৌতে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোর গত রোববার সকালের দিকে তার মাকে গুলি করে হত্যা করে। সে তার বাবার রিভলবার দিয়ে তার মাকে গুলি করেছে। মোবাইলে তার গেম খেলায় আসক্তি ছিল। মায়ের সঙ্গে এ নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরেই এমন ঘটনা ঘটেছে। মাথায় গুলি লাগায় অল্প সময়ের মধ্যেই ওই নারী নিহত হন।

পরে ওই কিশোর তার মায়ের মরদেহ একটি রুমের মধ্যে লুকিয়ে রাখে এবং তার নয় বছরের বোনকে নিয়ে দুই দিন ধরেই বাড়িতেই অবস্থান করে। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ গন্ধ যেন ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য সে রুমের মধ্যে এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করেছে।

ওই কিশোরের বোন পুলিশকে জানিয়েছে যে, কাউকে কিছু জানালে তাকেও হত্যার হুমকি দেয় তার ভাই। মঙ্গলবার যখন ওই নারীর পচে যাওয়া মরদেহ থেকে যখন ভয়াবহ দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে তখন ওই কিশোর তার বাবাকে ফোন করে মায়ের মৃত্যুর কথা জানায়। তার বাবা তখন প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানালে তারা পুলিশকে ফোন করে।

ওই কিশোরের বাবা সেনাবাহিনীতে কর্মরত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করছেন। বাবাকে ফোন করে ওই কিশোর মিথ্যা গল্প বলেছিল। সে জানিয়েছিল, তাদের বাড়িতে কাজ করতে আসা এক ইলেকট্রিশিয়ান তার মাকে গুলি করে হত্যা করেছে।

পুলিশকেও সে একই গল্প শুনিয়েছে। কিন্তু পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে যে সে মিথ্যা বলেছে। জিজ্ঞাসাবাদে ওই কিশোর তার অপরাধ স্বীকার করেছে।


আরও খবর



পাঁচ মিনিটের মাথায় গোল শোধ করে দিলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

তুর্কমেনিস্তান অচেনা প্রতিপক্ষ। কখনও তাদের বিপক্ষ খেলা হয়নি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের। এই অচেনা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ম্যাচ শুরু হতে না হতেই ধাক্কা খায় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

বুকিত জলিল স্টেডিয়ামে এএফসি এশিয়া কাপের বাছাইপর্বের ম্যাচে সপ্তম মিনিটের মাথায় পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। গোল করেন আলতিমিরাত আনাদুর্দি।

তবে সেই গোল শোধ করতে মাত্র পাঁচ মিনিট নিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের ১২তম মিনিটে ১-১ সমতা এনেছেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

আগের ম্যাচে বাহরাইনের কাছে বাংলাদেশ হেরেছে ২-০ গোলে। তুর্কমেনিস্তান ৩-১ গোলে হেরেছে স্বাগতিক মালয়েশিয়ার কাছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকতে হলে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। হারলে বিদায় নিশ্চিত।


আরও খবর



স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন নাজমুল হক

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

গ্রামীণ ইউনিক্লোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হক একজন দুর্দান্ত ব্যবসায়ী। চলার পথে বদলে দিয়েছেন অনেক হিসাব-নিকাশ! রীতিমত লাইফস্টাইল ইন্ড্রাস্টিতে আলোচিত নামে পরিণত করেছেন নিজের প্রতিষ্ঠানকে। স্বপ্নের কারিগর মানুষটির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বেনজির আবরার

আপনার শৈশব সম্পর্কে কিছু বলুন—
নাজমুল হক: আমার জন্ম বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে। শৈশব সেখানেই কেটেছে। এরপর বাবার চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকা হয়। বাবা দেশের বাইরে চলে গেলে আবার গ্রামে ফিরে যাই। ঠিক তখন থেকে এসএসসি পর্যন্ত গ্রামেই ছিলাম। ছোটবেলায় দুষ্টু হলেও পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলাম। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ক্লাসে কীভাবে ভালো ফলাফল করা যায়, সে প্রচেষ্টা সব সময় ছিল। গ্রামে তখন পরিবেশগত বৈরিতা থাকলেও মায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, তত্ত্বাবধান ও শাসনের কারণে অনেক নিয়মতান্ত্রিক পরিবেশেই বেড়ে উঠি। সন্ধ্যার আগেই বাড়ি ফেরা ছিল অলিখিত আইন। সন্ধ্যার পরে যদিও অনেক ঘুম পেত। কিন্তু মা সব সময় গভীর রাত পর্যন্ত পাশেই থাকতেন পড়াশোনা দেখার জন্য। মা এভাবে আগলে রেখেছিলেন বলেই পড়াশোনার প্রতি প্রবল আগ্রহ সৃষ্টি হয়। তবে খেলাধুলা অনেক পছন্দ করতাম, যেটা মা জানতেন না। স্কুল শেষে বিভিন্ন খেলায় অংশ নিতাম। একবার ষষ্ঠ শ্রেণিতে থাকতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ৫টি খেলায় অংশ নিয়ে ৫টিতেই পুরস্কার পাই। এ ঘটনায় মা খুব অবাক হন। যেহেতু আমার খেলাধুলার ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। এরপর থেকেই তিনি আমার খেলাধুলার আগ্রহের ব্যাপারে জানতে পারেন।

jagonews24

এইচএসসিতে আমার ঢাকার কোনো কলেজে পড়ার আগ্রহ থাকলেও কিছু জটিলতার কারণে ভর্তি হতে পারিনি। বরিশাল বিএম কলেজে ভর্তি হই। সারাদেশে নম্বরের ভিত্তিতে ৪র্থ স্থান অর্জন করি। এরপর ভর্তি হই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। আইনজীবী হওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু ১ম বর্ষে মনে হয় দেশের বাইরে কোথাও পড়াশোনা করব। গার্মেন্টস সেক্টর তখন উজ্জীবিত হচ্ছিল। তাই মনে হলো এ সেক্টরে কাজ করা যায়। তখন ভারতে একটি স্কলারশিপ পেলেও যাওয়া হয়নি। ঠিক তখন জাপানের মনোবুশো স্কলারশিপ হয়। চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সেখানে গিয়ে ১ বছর জাপানিজ ভাষা শিখি। আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলে পড়াশোনা শেষ করে কনসালটিং সেক্টরে কাজ শুরু করি। পড়াশোনার প্রবল আগ্রহ থেকে জাপানে এমবিএ শেষ করি।

ক্যারিয়ার শুরুর গল্পটা শুনতে চাই—
নাজমুল হক: পড়াশোনা অবস্থায় বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানিতে খণ্ডকালীন কাজ করতাম। জাপানে জব মার্কেট একটু আলাদা। ৩য় বর্ষে থাকতেই জব খোঁজা শুরু করতে হয়। পড়াশোনা শেষের একবছর আগেই জব কনফার্ম করতে হয়। আমি একটি কার রিলেটেড কোম্পানিতে জব পাই। আমার যেহেতু কনসালটিং রিলেটেড কাজে আগ্রহ, তাই চেষ্টা করি ওই সেক্টরে চাকরি খুঁজতে। জব পেয়ে যাই জাপানের নাম্বার ওয়ান অ্যাডভার্টাইজিং এজেন্সি ডেনস্যু কর্পোরেশনে। যার ১৩০টির বেশি দেশে ব্যবসা আছে। ডেনস্যুতে কাজ করা অবস্থায় অভিজ্ঞতা হয় বিখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ড নিয়ে কাজ করার। যেমন- হোন্ডা, প্যানাসোনিক, নেসলে, মিৎসুই সুমিতোমো কাইজোকাসাই, ওরাকল, ফাইজার, সানোফি, ফিলিপ মরিস, ফুজিৎসু, ইউনাইটেড এয়ার, এমেক্স, ফেডেক্সসহ অনেক কোম্পানি। এ সময় আমি ইউনিক্লো থেকে অফার পাই গ্লোবাল মার্কেটিংয়ে কাজ করার। এতদিন কনসালটিংয়ে কাজ করলেও সরাসরি ব্যবসায় এ কাজ করতে যোগদান করি ইউনিক্লোতে। কাজ শুরুর পর বিভিন্ন দেশের ইউনিক্লোর মার্কেটিংয়ের বিষয়গুলো দেখতাম। ঠিক তখন আমাকে বাংলাদেশে গ্রামীণ ইউনিক্লোর দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয় বিজনেস পুনর্গঠনে। এরপর থেকেই কাজ করে যাচ্ছি গ্রামীণ ইউনিক্লোর সম্প্রসারণে।

jagonews24

আপনার জীবনের ইউটার্ন বলবেন কোন ঘটনাকে?
নাজমুল হক: ইউটার্ন বলা যায় জাপানে স্কলারশিপ নিয়ে যাওয়াকে। কারণ এর পরেই আমি নতুনভাবে শিখতে ও নতুন জগতে প্রবেশ করি। নতুন একটি ভাষা শেখা ও নতুন পরিবেশে মানিয়ে ওঠা আমার জীবনের অন্যতম ঘটনা। যা আমাকে আজকের এ অবস্থায় নিয়ে এসেছে।

গ্রামীণ ইউনিক্লোর এগিয়ে যাওয়ার গল্পটা বলবেন?
নাজমুল হক: গ্রামীণ ইউনিক্লো ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে সোশ্যাল বিজনেস হিসেবে। আমি যুক্ত হই ২০১৫ সালে। যখন ডেনস্যুতে জব করতাম; তখন গ্রামীণ ইউনিক্লোর বিষয়টি প্রথম আসে কিছু কাজের প্রেক্ষিতে। ইউনিক্লোতে কাজ করার সময় গ্রামীণ ইউনিক্লো রিস্ট্রাকচারিংয়ের কথা এলে আমাকে এখানে দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়। যেহেতু আমি বাংলাদেশ সম্পর্কে জানি এবং জাপান ও ইউনিক্লো সম্পর্কেও জানি। আমারও বিশ্বাস ছিল গ্রামীণ ইউনিক্লোকে রিস্ট্রাকচার করতে পারব। গ্রামীণ ইউনিক্লো শুরুতে গ্রামীণ নারীদের মাধ্যমে গ্রামের নারীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে স্যানিটারি প্রোডাক্ট ও পোশাক সেল করত। এরপর আমরা ২০১৩ সালে সামগ্রিক বাংলাদেশের মানুষের জীবনধারা উন্নয়নের জন্য প্রথম ২টি স্টোরের মাধ্যমে তৈরি পোশাক বিক্রির মূলধারার সামাজিক ব্যবসায় যাত্রা শুরু করি। স্টোরের যাত্রা শুরুর পর থেকে অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন ইউনিক ও ফাংশনাল পোশাক, ব্যতিক্রমী স্টোর ব্যবস্থাপনা, জাপানিজ মান নিয়ন্ত্রণ এবং তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে বিক্রি করে আসছি। ব্যবসা থেকে অর্জিত মুনাফা পুরোপুরি ব্যবসায় সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক উন্নয়নে ব্যয় করছি। আমাদের মূল নীতি কমফোরটেবল। আমরা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছি কমফোরটেবল পোশাক, শপ ও লাইফস্টাইল।

jagonews24

দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণির মানুষের পছন্দের এ প্রতিষ্ঠানকে কোথায় দেখতে চান?
নাজমুল হক: ইউনিক্লোর একটি ব্র্যান্ড কনসেপ্ট আছে—লাইফওয়্যার। গ্রামীণ ইউনিক্লোকে আমরা লাইফওয়্যার হিসেবে মানুষের মাধ্যে উপস্থাপন করতে চাই। লাইফওয়্যার হচ্ছে কোনো স্পেশ্যাল নয় বরং দৈনন্দিন জীবনে যে পোশাকের প্রয়োজন সেটি। নারী-পুরুষ সবার জন্য প্রতিদিনের পোশাক। এখন ঢাকা বা ঢাকার আশেপাশে শুধু শোরুম থাকলেও আমরা সারাদেশে লাইফওয়্যারকে ছড়িয়ে দিতে চাই।

তরুণদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
নাজমুল হক: তরুণরা এখন অনেক এগিয়ে। তারা ক্যারিয়ার সম্পর্কে যেমন সচেতন; তেমনই বিশ্বের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ-খবর রাখেন এবং জানেন। তথ্যপ্রযুক্তিতেও তরুণরা অনেক এগিয়ে। তবে একটি বিষয় হচ্ছে, তরুণরা যখন কোনো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন; তখন অনেকে ঘাবড়ে যান। আমি মনে করি, জীবনে চ্যালেঞ্জ আসবেই। সেই চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হবে। চ্যালেঞ্জকে ভয় না করে স্বাগত জানিয়ে জয় করতে হবে।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: উচ্ছ্বসিত স্পেন প্রবাসীরা

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

বহুল প্রতীক্ষিত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হতে চলেছে আজ শনিবার। এ সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় দেশের মানুষের মতোই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেনে বসবাসরত প্রায় ৫০ হাজার বাংলাদেশি।

আন্তর্জাতিকভাবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে স্মরণীয় করে রাখতে স্পেনের বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রবাসীদের নিয়ে ভিন্নধর্মী আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন অভিহিত করে দূতাবাসের মিশন উপ-প্রধান এটিএম আব্দুর রউফ মণ্ডল বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে স্মরণীয় করে রাখতে আজ শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় দূতাবাস হলে আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সরওয়ার মাহমুদ বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মানুষের মর্যাদা ও সক্ষমতার প্রতীক। দেশ স্বাধীন করার সময় যেভাবে পুরো জাতি এক হয়েছিল, সেভাবে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্যও দেশে-বিদেশে সবাই এক হয়েছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় যেভাবে দেশের মানুষ তার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই দেশের মানুষ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। স্বাধীনতার পর একমাত্র পদ্মা সেতুর জন্যই আবারও পুরো জাতি এক হয়েছে।

বাংলাদেশ দূতাবাস স্পেনের বাণিজ্যিক সচিব রেদোয়ান আহমেদ বলেন, পদ্মার বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো সেতুটি বাংলাদেশের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশে বড় বড় বিনিয়োগে আস্থা পাবে। এ সেতু ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের নতুন বাণিজ্য সম্ভাবনা তৈরি করার পাশাপাশি মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আনন্দ উৎসব করা হবে জানিয়ে স্পেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল কামালী বলেন, যারা পদ্মা সেতু নির্মাণের বিরোধিতা করেছিলেন তাদের দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

রোববার (২৬) জুন সকালে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে সেতুটি। নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থাপনা এ সেতু। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এ সেতুর এক অংশ মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত ও অপর অংশ শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত। সেতুটিতে একই সঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে। চার লেনের ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেললাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।


আরও খবর



গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিতে বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদ

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

আবাসিক খাতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন মহল, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। রোববার (৫ জুন) গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণার পর গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক পৃথক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে ১৯৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতারা বলেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেশবাসীকে হতাশ করেছে। দেশে বেকারত্ব বৃদ্ধি, কর্মহীনতা, দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে এরই মধ্যে সাধারণ মানুষ পরিবার নিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছে। মানুষ আশা করছিলো বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখবে। কিন্তু দেশে খাদ্যপণ্য এখন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এ অবস্থায় অনাবাসিকসহ সব ক্ষেত্রে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি দেশবাসীকে হতাশ করেছে। এতে করে বাজার ব্যবস্থা, উৎপাদন বণ্টন সবক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে। মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।

বিবৃতিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে গ্যাসের মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে সই করেন, নাজমুল হক প্রধান, মোস্তফা ফারুক, নুর আহমেদ বকুল, শফি আহমেদ, বজলুর রশিদ ফিরোজ, আখতার সোবহান মাশরুর, আমিনুল ইসলাম, মনসুরুল হাই সোহন, সুজাউদ্দিন জাফর, ডা. সরদার ফারুক, মুখলেছউদ্দিন শাহীন, সিরাজুমমূনীর, রেজাউল করিম শিল্পী, রাজু আহমেদ, সালেহ আহমেদ, হারুন মাহমুদ, জায়েদ ইকবাল খান, কামাল হোসেন বাদল, বদরুল আলম প্রমুখ।

অপরদিকে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ বলেন, মহামারি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এমনিতেই দেশের মানুষের অসহায়ত্বের শেষ নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধি, কর্মহারা মানুষের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, বেকারত্বের জর্জরিত সময়ে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা জাতীয় আত্মহত্যার শামিল।

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দেশে নতুন করে উৎপাদন বণ্টন বাণিজ্যসহ সব ক্ষেত্রে নৈরাজ্য নেমে আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রত্যাহারের দাবি জানান।

ন্যাপ সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য এক বিবৃতিতে বলেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা জাতীয় জীবনে বিপর্যয় নেমে আসবে। প্রায় তিন বছর হতে চলেছে করোনা বিপর্যয়ের কারণে উৎপাদন-বণ্টন, শিল্প-বাণিজ্যে মন্দা। তার ওপর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে বিশ্বব্যাপী নতুন করে বিপর্যয় নেমে এসেছে। আমাদের দেশে এই অজুহাতে প্রায় সব পণ্যের দাম বাড়িয়ে জনগোষ্ঠীর ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। মানুষ পরিবার নিয়ে অসহায় জীবন যাপন করছে। এমতাবস্থায় গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণায় জাতীয় জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনবে।


আরও খবর