Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

রূপগঞ্জে স্কুল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন 

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩২০জন দেখেছেন

Image

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মোঃআবু কাওছার মিঠু 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার ছাত্তার জুট মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও অবরোধ করেছে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গতকাল ২৩ নভেম্বর বুধবার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী হানিফ মিয়ার আত্মহত্যার প্ররোচনায় শিক্ষার্থীরা ঢাকা-রূপসী-কাঞ্চন সড়কের ত্রিশকাহনীয়া এলাকায় অবরোধ করে তারা এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে।


মানববন্ধনপূর্বক সভায় সভাপতিত্ব করেন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইয়াকুব হোসেন। সভায় বক্তব্য রাখেন সাত্তার জুট মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়াদ মিয়া, মোরসালিন, ইমাম হোসেন, সিয়াম হোসেন প্রমুখ।


সভায় বক্তারা বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা কথা বলতেই পারে। সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলার অপরাধে নবম শ্রেণির ছাত্র হানিফ মিয়াকে জীবন দিতে হয়েছে। হানিফ মিয়ার আত্মহত্যার প্ররোচনা করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। অন্যায়ভাবে হানিফ মিয়াকে বেত্রাঘাত ও অপমান করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনাকারীকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে।


জানা গেছে, ছাত্তার জুট মিল উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সঙ্গে বিদ্যালয়ের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলার অপরাধে গত ২১ নভেম্বর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ সকল ছাত্র-ছাত্রীকে ডেকে এনে নবম শ্রের্ণির ছাত্র হানিফ মিয়াকে অপমান ও বেত্রাঘাত করে। পরে প্রধান শিক্ষকের অপমান সইতে না পেরে হানিফ মিয়া (১৬) বাড়িতে গিয়ে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করে। নিহত হানিফ মিয়া হাটাবো ত্রিশকাহনীয়া এলাকার আজাহার মিয়ার ছেলে।  


এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা  শাসন করতেই পারে। তবে হানিফ মিয়া এতটা অভিমান করবে সেটা আমার জানা ছিল না। 


রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএফএম সায়েদ বলেন, শিক্ষার্থী হানিফ মিয়ার লাশ ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানায় ইউডি মামলা হয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ডিএমপির ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিরপুরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুলিশের উদ্যোগে চকলেট বিতরণ

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার : ডিএমপির ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার ১৬৭৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১১ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে চকলেট এবং শুভেচ্ছা কার্ড (রেসপন্স কার্ড) বিতরণ করছে ডিএমপি।    ডিএমপির মিরপুর জোনের অতিরিক্ত উপ- পুলিশ কমিশনার মাসুক মিয়া পিপিএম পুরো ডিএমপির ন্যায় মিরপুর ইসলামি আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতরণ করেন। 
এই সময়ে বিদ্যায়লটির প্রধান শিক্ষক মো: হাবিবুর রহমানসহ সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

এই সময়ে এডিসি মাসুক মিয়া বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ জনগনের বন্ধু। এই জন্য প্রতিটি শিশু যাতে করে নিরাপদে স্কুলে যেতে পারে। রাস্তা-ঘাটে কোন ধরনের ইভটিজিং বা যৌন হয়রানির শিকার হলে যাতে করে পুলিশে তথ্য দিয়ে সহায়তা করে এই জন্য মিরপুর জোনের পুলিশ সবসময়ই সচেষ্ট আছে।
শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের দুরত্ব  কমাতে এবং সহায়তা বৃদ্ধি করাই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য। 

প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান মিরপুর বিভাগের  পুলিশকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, পুলিশের এই কার্যক্রমে তিনি সন্তুষ্ট। এর মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থী এবং পুলিশের দুরত্ব কমে যাবে। পুলিশ কে উনার প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীরা সবসময়ই সহায়তা করবেন বলে জানান।

আরও খবর



বিদ্যুৎ সংযোগ না পেয়ে বিপাকে হাকিমপুরের ৩০০ বিঘা ফসলি জমির চাষিরা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪২জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি প্রতিনিধিঃদিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় এনেছে সরকার। অথচ এই উপজেলার কোকতারা গ্রামে ৩০০ বিঘা জমির উপর বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। যার কারণে এসব জমির চাষাবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছে চাষিরা। বিদ্যুৎ না পেয়ে বিগত পাঁচ বছর ডিজেল চালিত মিশন দ্বারা পানি সেচ দিয়ে আসছেন তারা। তাতে কয়েকগুণ বাড়তি খরচ করতে হয় তাদের। বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও বিদ্যুৎ সংযোগ পাচ্ছে না এখানকার চাষিরা।

উপজেলার কোকতারা গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ৩০০ বিঘা জমিতে রয়েছে একটি গভীর নলকূপ। তবে নলকূপের পাশ দিয়ে রয়েছে বিদ্যুতের পৈলসহ লাইন। কিন্তু এই নলকূপের সাথে নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। ফসল ফলার তাগিদে ডিজেল চালিত মেশিন দিয়ে এই শতশত বিঘা জমিতে ফসল ফলাচ্ছেন তারা। বিঘাপ্রতি পানির মুল্য দিতে হয় প্রায় ৪ হাজার টাকা। অথচ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে খরচ হয়ে থাকে ১২০০ টাকা। ২৮০০ টাকা বেশি ব্যয় করতে হয় এখানকার কৃষকদের। এতে করে বছরে তিনটি ফসল ফলাতে লোকসানের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের। ফলে দিনদিন এই ৩০০ বিঘা জমিতে ফসল ফলাতে আগ্রহ হারার পাশাপাশি সর্বশান্ত হতে বসেছে এখানকার কৃষকেরা।

জানা যায়, ২০০৪ সালে প্রথম বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে এখানে চালু হয় গভীর নলকূপ। ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই মাঠের কৃষকেরা এই নলকূপ থেকে পানি পেয়েছিলো। কিন্তু কাদের নামের এক প্রভাবশালী নলকূপটিকে নিজের বলে দাবি করে এবং প্রভাব খাটিয়ে নলকূপটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কোন মতেই বিদ্যুৎ সংযোগটি না পেয়ে চাষাবাদ নিয়ে দিশেহারা এখানকার ভুক্তভোগী চাষিরা।

মহির উদ্দিন, আলম হোসেন, জহুরুল ইসলাম সহ ভুক্তভোগী কৃষকেরা বলেন, আমরা কোকতারা গ্রামের অসহায় কৃষক। সরকার আমাদের উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় এনেছে। অথচ আজ আমরা কৃষি কাজে বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন। গত ৫ বছর যাবৎ বিদ্যুৎ না পেয়ে চাষাবাদ নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমাদের এই ৩০০ বিঘা জমির চাষাবাদ নিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ পড়ে আছি। সরকার সেচে ভর্তুকি দিচ্ছেন। অথচ আমরা তা থেকে বঞ্চিত রয়েছি।

তারা আরও বলেন, বছরে আমরা তিনটি ফসল ফলাই। ডিজেল দিয়ে আবাদ করতে আমাদের কয়েকগুণ বাড়তি খরচ হয়ে যায়। একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। কোথাও কোন অভিযোগ দিয়ে আমাদের সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমাদের আকুল আবেদন বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে আমাদের বাঁচান।

হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনুর রেজা শাহিন বলেন, উপজেলার কোকতারা গ্রামে প্রায় ৩০০ বিঘা জমিতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, আমি বিষয়টি জানি। বিগত ৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ নেই, আগে সংযোগটি ছিলো। কাদের নামের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি তার প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। এতোগুলো জমিতে ডিজেল চালিত মেশিন দ্বারা পানি সেচ দিয়ে ফসল ফলাতে তারা হিমশিম খাচ্ছে। আমি সরকার এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট অনুরোধ করছি দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিবেন এবং এই ৩০০ বিঘা জমিতে ফসল ফলাতে কৃষকদের উৎসাহিত করবেন।

এবিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত রায় বলেন, কোকতারা গ্রামের গভীর নলকূপের বিষয়টি অবগত আছি। কয়েক দিনের মধ্যে গ্রামবাসী সহ দুই পক্ষকে নিয়ে বসবো এবং এর একটা সমাধান করবো।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাজধানীর হানিফ ফ্লাইওভারে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় নিহত ১

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মো. শাহিন (২২) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছে রাজধানীর হানিফ ফ্লাইওভারে। এ ঘটনায় আজিম নামে আরও এক যুবক আহত হয়েছে।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহিনের বন্ধু শাওন বলেন, শাহীন ও আজিম দুইজন বন্ধু ছিল। সকালে মোটরসাইকেল নিয়ে তারা ঘুরতে বের হলে হানিফ ফ্লাইওভারের ধোলাইপাড় ঢালে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে দুজনেই আহত হয়। পরে পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। এরপর শাহীনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা ঘোষণা করেন। আজিম বর্তমানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, হানিফ ফ্লাইওভারের সড়ক দুর্ঘটনায় আহত দুই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাদের মধ্যে শাহীন নামে এক যুবককে মৃত ঘোষণা করেন। জরুরি বিভাগে আহত অন্য যুবকের চিকিৎসা চলছে। আমরা বিষয়টি যাত্রাবাড়ী থানাকে জানিয়েছি।


আরও খবর



বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্তদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ভূগর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলনের কারণে পার্শ্ববর্তী বৈগ্রাম-কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের ঘরবাড়ী ফাটলে এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি আদায় বাস্তবায়ন কমিটি।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বৈগ্রাম-কাশিয়াডাঙ্গা ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি আদায় বাস্তবায়ন কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা লিখিত বক্তব্যে জানান, কয়লা খনির কারণে ঘরবাড়ীতে ফাটল সৃষ্টি হলে গত ২২/০১/২০২৪ তারিখে আমরা সংগঠনের পক্ষথেকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ জানাই, আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সার্ভারের মাধ্যমে পদক্ষেপ না নিলে এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বিক্ষোভ মিছিল সহ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কিন্তু খনি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। আমরা ছয় দফা চুক্তির কথা বলেছিলাম সেই ছয় দফা চুক্তি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। ছয় দফা চুক্তির মধ্যে রয়েছে কর্তৃপক্ষের সমঝোতা চুক্তি মোতাবেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার হতে চাকরি দেওয়ার কথা, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার দুইটি গ্রামের বাড়ী ঘর ফাটল কাঁপুনি ঝুঁকিপূর্ণভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছে তাদের দ্রুত পুনর্বাসন করতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ভূমিহীন প্রতিটি পরিবারকে মাইনিং সিটি অথবা উন্নত মানের বাসস্থান তৈরি করে দিতে হবে, ক্ষতিগ্রস্তদের অবশিষ্ট ক্ষতিপূরণের টাকা দিতে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের সুপ্রিয় প্রাণীর ব্যবস্থা করতে হবে এবং মসজিদ মন্দির স্কুল কলেজ ও হাসপাতাল তৈরি করে দিতে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের যাদের জমি থেকে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে তাদেরকে কয়লা উৎপাদনের বোনাস পাসেন্ট দিতে হবে।

কিন্তু গত ৩০ বছরে কয়লাখনি কর্তৃপক্ষ বৈগ্রাম সহ অন্যন্যা গ্রামগুলির অফুরন্ত যে ক্ষতি হয়েছে তার কিছুই পায় নি। খনি কর্তৃপক্ষ এই এলাকার মানুষকে বোকা বানিয়েছে। তাই আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর কাছে ন্যায় দাবী জানাচ্ছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বৈগ্রাম-কাশিয়াডাঙ্গা ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি আদায় বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ সাদেকুল ইসলাম,কোষাধ্যক্ষ সফিকুল ইসলাম, সদস্য মোঃ মেনাজুল হক সহ সংগঠনের শতাধিক সদস্য।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন যদি আমাদের দাবিসমূহ বাস্তবায়ন না হয় তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলন করতে বাধ্য হব ।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে যা বললেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২০জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:পাকিস্তানে অনেক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে শেষ হয়েছে জাতীয় নির্বাচন। ভোট শেষ হওয়ার ৪০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা করতে পারেনি দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)। কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট সরকারের দিকে এগোচ্ছে দেশটি। এরই মধ্যে দেশটির শক্তিশালী সেনাবাহিনী নির্বাচন নিয়ে নিজেদের মুখ খুলেছে। খবর আল-জাজিরার।

গত বৃহস্পতিবারের ভোট নিয়ে এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল সায়েদ আসিম মুনির বলেন, ‘আমাদের দেশকে একটি স্থিতিশীল হাতে থাকতে হবে। নৈরাজ্য ও মেরুকরণের রাজনীতি থেকে সরে এগিয়ে যেতে হবে।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী থেকে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে সেনাপ্রধান বলেন, ‘জয়-পরাজয়ের একটি মহড়া যা কি না জনগণ ঠিক করে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও তাদের কর্মীদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে ওঠে জনগণের সেবা করার প্রচেষ্টা করতে হবে।

ইসিপির ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ২৫১টি আসনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বতন্ত্ররা পেয়েছে ৯৯টি। লন্ডন থেকে ফেরা দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) পেয়েছে ৭১টি আসন। বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৫৪টি আসন।

১৭টি আসন পেয়েছে মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্টের (এমকিউএম)। পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল) পেয়েছে তিনটি আসন। দুটি করে আসন পেয়েছে জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম ফজল (জিইউআই-এফ) ও ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি (আইপিপি)। একটি করে আসন পেয়েছে এমডাব্লিউএমপি, বিএনপি ও পিএমএল।

পাকিস্তানের কোনো দলকে সরকার গঠন করতে হলে এককভাবে তাদের ১৩৪টি আসনে জিততে হবে। সবশেষ ফলাফল অনুযায়ী, কোনো দলই সরকার গঠনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এমনকি, স্বতন্ত্ররা এগিয়ে থাকলেও তারা মোর্চা করে সরকার গঠনের মতো পর্যাপ্ত আসন পায়নি। সে জন্য সরকার গঠনে জোটই হবে শেষ ভরসা। এবার পাকিস্তানের ২৬৫ আসনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ভোটগ্রহণের কয়েকদিন আগে সেখানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে একজন প্রার্থী নিহত হওয়ায় সেখানকার ভোট স্থগিত করা হয়।

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের মোট আসনসংখ্যা ৩৩৬টি। এর মধ্যে ২৬৬ আসনে সরাসরি ভোট হয়। এ ছাড়া বাকি ৭০টি আসন সংরক্ষিত। এসব আসনের মধ্যে ৬০টি নারীদের ও ১০টি সংখ্যালঘুদের।


আরও খবর