Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

রূপগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক প্রতিবন্ধী স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৪৮৬জন দেখেছেন
Image

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)  প্রতিনিধিঃ-মোঃআবু কাওছার মিঠু 


ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও  আহাম্মেদ সানী নামে এক ধর্ষকের লালসা থেকে রেহায় পায়নি নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল শিক্ষার্থী। একবার নয় দুবার নয় টানা তিন-চার বছর ধরে চলছে এ পাষবিক নির্যাতন।


বিচারের আশায় প্রহর গুণতে গুণতে মৃত্যুর পথও বেছে নিয়েছিল নির্যাতিতা ওই শিক্ষার্থী।তবুও কারো চোখের কোনে একফোটা জল ফুটেনি। পাষাণ হৃদয়ে বিচার পাইয়ে দেয়ার আশ্বাসটুকুও মেলেনি কারো। শুধু শারীরিক প্রতিবন্ধী ওই শিক্ষার্থীই নয় একাধীক মেয়ের সাথে এ অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে লম্পট সানী। তবুও হয়না কোন মামলা, জিডি বা অভিযোগ। 


বার বার-ই টাকার বিনিময়ে উপর মহলের লোকজনদের ম্যানেজ করে পাড় পেয়ে যায় এ প্রতারক। সব শেষ ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের একটি বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শারীরিক প্রতিবন্ধীর সাথে ঘটে। মেয়েটির সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। ওই ঘটনা সবাইকে জানিয়ে দেয়ার হুমকী দিয়ে টানা চার বছর ধরে চলে পাষবিক নির্যাতন। 


লম্পট আহাম্মেদ সানী উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়া পার্ক এলাকার সোলাইমানের ছেলে। প্রতিবন্ধী ওই শিক্ষার্থী ধর্ষনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী সহ স্থানীয় সাধারণত জনতা। ওই শিক্ষার্থীর পরিবার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ছেলের পরিবারের সাথে কথা বললে উল্টো তাদেরকে শাসিয়ে দেয় সানীর মা এবং এ বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে স্বপরিবারে হত্যার হুমকী দেয়ার কথাও স্থানীয়দের অজানা নয়।


গতকাল রাতে মেয়েটির বাড়িতে আবারও পাষবিক নির্যাতন চালায় লম্পট সানী। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয়রা ছেলেটিকে আটক করে। 


পরে উভয় পরিবারের সাথে বোঝাপড়া করে ছেলেটির সাথে মেয়েটির বিয়ের দেয়ার কথা বলে ছেলে ও মেয়েকে প্রতারক সানীর বাড়িতে পাঠানো হয়। সেখানেই ঘটে বিপত্তি।


মোটা অংকের টাকায় উপর মহলকে ম্যানেজ করে ছেলের পরিবার। পরে মেয়েটির বয়স কম এ অজুহাতে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় স্থানীয় ৩ নং ওয়ার্ল্ড কাউন্সিলর মাইন উদ্দিন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা রিক্সা চালক বলেন, আমরা গরিব। নিরিহ মানুষ।  আমরা আল্লাহর কাছেই এর বিচার দিলাম।


এ বিষয়ে কাউন্সিলর মাইন উদ্দিন জানান, মেয়েটির বয়স কম বলে বিয়ে দেয়া সম্ভব হয়নি। তাই মেয়ের বাবার কাছে তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।


এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এফ এম সায়েদ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রতিবন্ধী ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের সাথে কথা বলে তাদেরকে আইনের সর্বোচ্চ সহযোগীতা দেওয়া হবে।


আরও খবর



প্রথম ম্যাচের নায়ক মিরাজ এবার একাদশে, দলে দুই পরিবর্তন

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় খেলতে নামবে মালদ্বীপের বিপক্ষে। বাংলাদেশ প্রথম দুই ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১-০ এবং ভারতকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে বেশ এগিয়ে রয়েছে।

ভারতের ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ জিতলে ফাইনাল প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে পল স্মলির শিষ্যদের।

প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলােদেশ জিতেছিল বদলি মিরাজুল ইসলামের একমাত্র গোলে। মিরাজুলকে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠেই নামাননি কোচ। ভারতের বিপক্ষে এগিয়ে থাকার কারণে তাকে নামানোর প্রয়োজন মনে করেননি পল স্মলি।

মিরাজ আজ (শুক্রবার) মালদ্বীপের বিপক্ষে শুরুর একাদশেই জায়গা করে নিয়েছেন। এই ম্যাচে কোচ একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছেন। নাহিয়ান ও আক্কাস আলীকে রিজার্ভ বেঞ্চে রেখে কোচ একাদশে রেখেছেন মিরাজুল ইসলাম ও মুর্শেদ আলীকে।

বাংলাদেশ একাদশ
মো.আসিফ, তানভীর হোসেন, শাহীন মিয়া, আজিজুল হক, ইমরান খান, রফিকুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, পিয়াস আহমেদ নোভা, মইনুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম ও মুর্শেদ আলী।


আরও খবর



দ্রৌপদী মুর্মুকে মোদীর শুভেচ্ছা

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ০৩ August ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

ইতিহাস গড়ে ভারতের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে করা এক পোস্টে মোদী লিখেন- ‘ইতিহাস রচিত হল ভারতে। ১.৩ বিলিয়ন মানুষ যখন আজাদিকা অমৃত মহোৎসব পালন করছে, সেই সময় পূর্ব ভারতের আদিবাসী সমাজের এক মেয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। এই জয়ের জন্য তাকে অনেক অভিনন্দন।’

পরের আরেক টুইটে তিনি লিখেন, দ্রৌপদী মুর্মুর জীবনকাহিনী, জীবনের শুরু থেকে তার লড়াই, ভালো কাজ এবং দৃষ্টান্তমূলক সাফল্য প্রত্যেক ভারতীয়কে অনুপ্রাণিত করে। আমাদের দেশবাসীর জন্য উনি আশার আলো হিসেবে উঠে এসেছেন আজ। উনি দেশের নাগরিকদের জন্য, বিশেষ করে গরিব, প্রান্তিক এবং নিম্নবিত্তদের কাছে আশার আলো।’

আরও এক টুইটে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, দ্রৌপদী মুর্মুজি এক জন অসামান্য বিধায়ক এবং মন্ত্রী ছিলেন। ঝাড়খণ্ডের গভর্নর হিসাবেও দারুণ কাজ করেছেন। আমি নিশ্চিত, রাষ্ট্রপতি হিসাবেও তিনি অসাধারণ কাজ করবেন। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন। ভারতের উন্নয়ন যাত্রাকে আরও শক্তিশালী করবেন।

শেষ টুইটে মোদী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেন, দল নির্বিশেষে যে সাংসদ এবং বিধায়করা দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করেছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। গণতন্ত্রের পক্ষে রেকর্ড জয় অত্যন্ত ভালো।

ওড়িশার ৬৪ বছর বয়সী দ্রৌপদী মুর্মু প্রায় কয়েক দশক ধরেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। দায়িত্ব পালন করেছেন ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গভর্নর হিসেবেও। এন ডি এ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের বিষয়ে প্রথম থেকেই আশাবাদী ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


আরও খবর



কথা কম বলে কাজে প্রমাণ দিন

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল সম্প্রতি নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রসঙ্গে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আত্মঘাতী ও অপরিণামদর্শী। এমন বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত। জাতি সিইসির কাছে এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য কোনোভাবেই প্রত্যাশা করে না। সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের ‘তলোয়ারের বিপরীতে রাইফেল নিয়ে দাঁড়ানো’ বক্তব্যে গোটা জাতি হতাশ হয়েছে। তার এই বক্তব্য নিয়ে ইতোমধ্যে সর্বমহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মতো একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়ে সহিংসতাকে উসকে দেওয়ার মতো এমন বক্তব্য কোনোভাবেই দিতে পারেন না। জাতি তা প্রত্যাশাও করে না। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরুর দিনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) সঙ্গে সংলাপে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, সব দল সহযোগিতা না করলে আমরা সেখানে ব্যর্থ হবো। আপনাদের সমন্বিত প্রয়াস থাকবে, কেউ যদি তলোয়ার নিয়ে দাঁড়ায়, আপনাকে রাইফেল বা আরেকটি তলোয়ার নিয়ে দাঁড়াতে হবে। আপনি যদি দৌড় দেন, তাহলে আমি কী করবো?

গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন সংবাদে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করেছে। নির্বাচন কমিশন একটি দায়িত্বশীল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রের নির্বাচনসমূহ স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও সবার জন্য সমান ক্ষেত্র নিশ্চিত করার দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত। কিন্তু নির্বাচনে সবার সহযোগিতা চাইতে গিয়ে সম্ভাব্য সহিংসতা প্রসঙ্গে সিইসি যে তলোয়ারের বিপরীতে তলোয়ার বা রাইফেল ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছেন- প্রকান্তরে তা সহিংসতাকেই উসকে দেবে। এধরনের বক্তব্য যেকোনো নাগরিকের জন্য যেখানে অপরাধ প্রবণতার শামিল, সেখানে সিইসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত থেকে এমন বক্তব্য আত্মঘাতী, অপরিণামদর্শী ও অগ্রহণযোগ্য।

সিইসির এমন বক্তব্য নির্বাচনকেন্দ্রিক পেশিশক্তির ব্যবহার, বুথ দখল কিংবা ভোটারদের ভোট দিতে বাধা প্রদান, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধাদান, জোরপূর্বক বাক্স ভরার মতো ঘটনা, অরাজকতা বিগত কয়েকটি নির্বাচনকে যেখানে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করেছে, সেখানে এমন বক্তব্য এই প্রবণতাকে আরও উৎসাহিত করবে।

জাতি আশা করে সিইসি তার এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেবেন ও তলোয়ারের বিপরীতে রাইফেল বা তলোয়ার নিয়ে দাঁড়ানোর পরামর্শটি জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে প্রত্যাহার করে নেবেন। মূলত কথা কম বলে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান আয়োজন করাটা ইসির অঙ্গীকার হওয়া উচিত। কিন্তু নির্বাচনকালীন সহিংসতাকে রোধের নামে পাল্টা সহিংস আচরণের এই পরামর্শ সহিংসতা ঠেকানোর জন্য কোনোভাবেই যথোপযুক্ত কৌশল হতে পারে না।

এধরনের বক্তব্য সহিংসতারোধে কার্যকরী কৌশল প্রণয়নে কমিশনের ব্যর্থতাকে স্পষ্ট করে দেয়। একই সঙ্গে তা নির্বাচনের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার বা রাজনৈতিক দলগুলোকে বা তাদের ছত্রচ্ছায়ায় স্বার্থান্বেষী মহলকে সহিংসতা বেছে নিতেই উৎসাহিত করবে। জাতি আশা করে, কমিশন এ ধরনের সহিংসতা সহায়ক প্রস্তাবের পথ পরিহার করে নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য সহিংসতা রোধে কার্যকর কর্মকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে উদ্যোগী হবে।

পাশাপাশি কোনো ধরনের সহিংসতা বিশেষত নির্বাচনকালীন সহিংসতাকে উসকে দেয় এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া থেকে কমিশন নিজেকে বিরত রাখবে বলেও সচেতন নাগরিকরা আশা প্রকাশ করে। আমার একটা বিষয় কোনোভাবেই মাথায় ঢুকছে না যে, যারাই নির্বাচন কমিশনে যান তাদের বিবেক বুদ্ধি ও স্বাভাবিক বিচার বিবেচনা কি লোপ পেয়ে যায়? নাকি যাদের বিচার বিবেচনাবোধ খুবই কম তারাই কমিশনে নিয়োগ পান। নির্বাচন কমিশন কাজের চেয়ে কথা বলাটাকে যে কেন বেশি পছন্দ করেন তা মোটেই বোধগম্য নয়। কমিশন কি জনগণের মনের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ? নাকি তারা বুঝতেই চান না।

ভোটাররা কথা নয় নির্বাচন সহায়ক দৃশ্যমান কাজ দেখতে চায়। যেখানে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশে এই মুহূর্তে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ব্যাপক বাক্যযুদ্ধ চলমান। কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে তা এখনও অমীমাংসিত, ইভিএমের ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো বিভক্ত। নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা কেমন হবে তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তখন ইসির এমন দায়িত্বনহীন বক্তব্য কতটা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সহায়ক হবে তা আজ সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে।

যেখানে মানুষ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ দায়িত্বশীল ভূমিকা আশা করে সেখানে এমন বিতর্কিত বক্তব্য রাজনৈতিক সংকটকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলবে। জনগণ আশা করে নির্বাচন কমিশন যতদূর সম্ভব কম কথা বলবে। বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন কাজ বা কথা বলা থেকে বিরত থাকবে। জাতি কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন পুনরায় দেখতে চায় না। আশা করতে চাই কমিশন সরকারি দলের নয় বরং প্রকৃত ভোটারদের মনোভাবটা জানার বা বোঝার চেষ্টা করবে। তাহলেই তারা সফল হবেন।

লেখক: আইবিএ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]


আরও খবর



প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সবধরনের সহায়তা দেবে সরকার

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

প্রাণিসম্পদের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে রাষ্ট্র সবধরনের সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাজী আলাউদ্দিন রোডে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের (বিভিসি) নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন ও ভেটেরিনারি সেবা জোরদারকরণে ‘বিভিসির ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রাণিসম্পদে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, এ ধারা উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী দেশের টেকসই ও গুণগত উন্নয়ন চান। কাজেই আমাদের মানসম্মত প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে জোর দিতে হবে। রোগাক্রান্ত পশুর মাংস বা দুধ থেকে মানুষের শরীরে রোগের জীবাণু প্রবাহিত হতে পারে। সে জন্য গুণগতমানের প্রাণি উৎপাদন ও প্রাণির চিকিৎসায় দায়িত্ববোধ নিশ্চিত করতে হবে। ওয়ান হেলথের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিভিসির নতুন ভবন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার বহিঃপ্রকাশ। এ ভবন দেশের সব ভেটেরিয়ানদের জন্য একটি অনিন্দ্য সুন্দর নিদর্শন। এটি তাদের নিজস্ব একটি পরিচয়ের জায়গা। বিভিসির ভবন উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে ভেটেরিনারি পেশাজীবীদের দায়িত্ব অর্পণ হলো। সে জন্য একটি শক্তিশালী কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ থাকতে হবে। এ প্রতিষ্ঠানকে প্রকৃতপক্ষে কার্যক্ষম করে তুলতে হবে। এর কাজের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করতে হবে। সরকারের বিধিসঙ্গতভাবে এ প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতে হবে। নিয়মকানুনের অধীনে ভেটেরিনিয়ানদের রেজিস্ট্রেশন দিতে হবে। ভেটেরিনারি পেশার মানোন্নয়নে কাজ করতে হবে। এ পেশার অপব্যবহার প্রতিরোধ করতে হবে।

ভেটেরিনারি শিক্ষার মান ও যোগ্যতা অনুযায়ী পেশাগত দায়-দায়িত্বের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। দেশে প্রাণিসম্পদের বিপ্লব ধরে রাখতে হলে এ খাতে কর্মের পরিধি বাড়াতে হবে, জনবল বাড়াতে হবে এবং ভেটেরিনারি পেশাজীবীদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। ভেটেরিনারি পেশার মর্যাদা বাড়াতে ভেটেরিনারিয়ানদের দায়িত্ব নিতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ সময় বিভিসির সমস্যা সমাধানে সবধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

এর আগে বিভিসির নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। বিভিসির সভাপতি ডা. মো. মনজুর কাদিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা। স্বাগত বক্তব্য দেন বিভিসির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক চৌধুরী।


আরও খবর



ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, বন্ধ কলেজ ছাত্রাবাস

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

নাটোরের সিংড়া গোল-ই আফরোজ সরকারি অনার্স কলেজ ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর কলেজ ছাত্রাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২০ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব ইসলাম জুয়েলের অভিযোগ, বিকেল ৩টার দিকে ছাত্রাবাসে প্রবেশ করে ছাত্রাবাসে থাকা আমার অনুসারী ছাত্রলীগের নেতাদের বিছানাপত্র, বই-খাতা, আসবাবপত্র বাইরে বের করে ফেলে দেয় ভিপি মাসুমের অনুসারীরা। এ সময় প্রতিবাদ করলে আমার গ্রুপের উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আ. হাকিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুরশিদুল ইসলাম, রনিসহ কয়েকজনের ওপর হামলা করা হয়। এ সময় তাদের টাকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সার্টিফিকেট হারিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন ছাত্রলীগ নেতা আ. হাকিম। দুই গ্রুপের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব ইসলাম জুয়েল বলেন, ছাত্রাবাসের সবাই আমার অনুসারী এজন্য তাদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। কারো কোনো টাকা বাকি নেই, সবাই ভর্তি হওয়া ছাত্র।

jagonews24

গোল-ই আফরোজ সরকারি কলেজ ছাত্রসংসদের ভিপি মাসুম আলী বলেন, অনেকে ভর্তি না হয়ে অবৈধভাবে ছাত্রাবাসে থাকে। তাদেরকে বের করার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা নিজেদের বিছানা ও আসবাবপত্র নিজেরাই এলোমেলো করেছে, আমরা স্যারের সঙ্গে মিটিংয়ে ছিলাম।

সিংড়া থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহিম বলেন, আমরা এসে পরিস্থিতি শান্ত করেছি। বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

গোল-ই আফরোজ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. জহির উদ্দিন বলেন, ছাত্রাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্রদের সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ছাত্রাবাস ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটি গঠন করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর