Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

রূপগঞ্জে বিআরটিসি পরিবহন যেন ঘাড়ের উপর বিষফোঁড়া

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিআরটিসি বাসের চালক হেলপার সহ লিজ পার্টি জিল্লুর রহমানের ম্যানেজার মাসুদ কাউন্টার ম্যান ও লাঠিয়াল বাহিনীর হাত থেকে স্বস্তি চায় সাধারণ যাত্রীরা। 

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রূপগঞ্জের একমাত্র গণপরিবহন বিআরটিসি। ভুলতা থেকে কুড়িল পর্যন্ত নিয়মিত যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই গণপরিবহনটি বিভিন্ন অভিযোগ মাথায় নিয়ে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে যাত্রা শুরু করে। এতে সাধারণ যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা হবে এবং অল্প টাকায় সকলে ঢাকা সহ আশেপাশের এলাকায় যাতায়াত করতে পারবে।  কিন্তু সে আসার গুড়ে বালি। যেখানে কুড়িল থেকে গাউছিয়া বাস ভাড়া হওয়ার কথা ৩০ থেকে ৪০ টাকা সেখানে বিআরটিসি বাসের ভাড়া গুনতে হয় ৬০ টাকা করে।

অথচ এই একই ভাড়ায় সিএনজিতে চলতে পারে সাধারণ যাত্রীরা। কিন্তু এখানেও বাধা দেয় বিআরটিসির লাঠিয়াল গুন্ডাবাহিনী।  কুড়িল থেকে কোন সিএনজি ড্রাইভার যদি যাত্রী উঠানামা করে তাহলে তাদের ধরে সেখানে বেধড়ক মারধর করার ঘটনা ঘটে প্রায়ই। ইদানিং আর লাঠিয়াল গুন্ডা নয়, জিল্লুর রহমান খোদ পুলিশ পাহারা রেখেছে বিআরটিসি কুড়িল কাউন্টারে। গত চার মেয়ে শনিবার কুড়িল রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করে সিএনজি চালক ও যাত্রীরা তাদের অভিযোগ কুড়িল গেলেই বিআরটিসি লাঠিয়াল গুন্ডাবাহিনী তাদেরকে লাঠি দিয়ে তাদের গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয় এবং সুযোগ পেলে তাদের মেরে রক্তাক্ত করে দেয় এজন্য তারা কাঞ্চন-কুড়িল ৩০০ ফিট রোড অবরোধ করে ৪ ঘন্টা বন্ধ করে রাখে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন ও রুপগঞ্জ থানার ওসি দীপকচন্দ্র সাহার অনুরোধে তারা রাস্তা থেকে সরে যায়।  রূপগঞ্জ থানার ওসিম দীপক চন্দ্র সাহা আশ্বস্ত করেন যে এরপর কারো গায়ে একটি আঘাত আসলে তাদের বিরুদ্ধে আইননব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

সিএনজি চালকদের এখন লাঠিয়াল দিয়ে নয় খোদ পুলিশ দিয়ে শুরু হয়েছে হয়রানী।  কাউন্টারের আশেপাশে সিএনজি দাড়ালেই পুলিশ দিয়ে গাড়ি আটকে হয়রানীর  অভিযোগ উঠেছে। এজন্য বিআরটিসি বাসের প্রতি যাত্রীদে অনিহা ও দিন দিন যাত্রী সংকট তৈরীসহ বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। 

সম্প্রতি বিআরটিসি লিজ পার্টি জিল্লুর সন্ত্রাসী বাহিনী ও কর্মচারী কর্তৃক গ্রীন ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা লাঞ্চিত হয়,  ঘটনার সূত্র ধরে গাউছিয়া-কুড়িল হাইওয়ে ব্যস্ততম রাস্থা অবরোধ করে ছাত্ররা। এ দিন ভুলতা- গাউছিয়া থেকে ঢাকা শহর পর্যন্ত যানজটের শিকার হয় সাধারণ যাত্রীরা।  ছাত্রদের অভিযোগ তাদের হাফ ভাড়া ও সাধারণ যাত্রীসহ ছাত্র হয়রানি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।  অবশেষে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বিআরটিসি চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করে তা সমাধান করা হয়।  

অভিযোগ আছে, ভুলতা গাউছিয়া এবং কুড়িল বিশ্বরোডের দুটি কাউন্টার থেকে সিট ভর্তি যাত্রী নেয় এবং পুরা গাড়ি যাত্রী দাঁড়িয়ে থাকে তারপর গাড়ি ছাড়ে,  টিকিট কাউন্টারে মাইক দিয়ে বলা হয় যে পরবর্তী বাস আসতে ১ ঘন্টা বা তারও বেশি দেরী হবে। 

অভিযোগের ব্যাপারে মুঠোফোনে কথা হয় বিআরটিসির প্রধান কার্যালয়ের ডিজিএম অপারেশন শুকদেব ঢালীর সাথে, তিনি বিআরটিসির পিআরওর নাম্বার দিয়ে বলেন,  আমরা বিষয়টি আমলে নিচ্ছি এবং এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেব। 

এ ব্যাপারে লিজ পার্টি জিল্লুর রহমানের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করে নাই। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



যুবসমাজের স্বেচ্ছাশ্রমে ও চাঁদায় চলাচলের অযোগ্য সড়ক সংস্কার

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গ্রামবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে ও চাঁদায় চলাচলের অযোগ্য জরাজীর্ণ সড়ক সংস্কার করছেন যুবসমাজ। গত দুদিন ধরে তারা উপজেলার আষাড়িয়াবাড়ি-গর্জনখালী সড়কটি সংস্কার কাজ করছেন। এতে প্রশংসায় ভাসছেন উদ্যোগ গ্রহণকারী যুবসমাজ। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ অনেকের কাছে সড়কটি টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

এলাকাবাসী ও যুবসমাজ সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার গর্জনখালী ও আষাড়িয়াবাড়ী এই দুই গ্রামের একমাত্র যোগাযোগের অবলম্বন হচ্ছে আষাড়িয়াবাড়ী-গর্জনখালী সড়ক। গত ৪/৫ বছর আগে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদেরমাধ্যমে প্রায় ৩/৪ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন করা হয়। এই একমাত্র কাঁচা সড়কটি দিয়েই উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে গর্জনখালী গ্রামের মানুষ। এটি দিয়ে কৃষকেরা তাদের মাঠ থেকে বাড়িতে ফসল তুলেন। এখান দিয়েই চলাচল করেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও। কিন্তু ওই এলাকার একটি ইটভাটার অভারলোড বাহী ট্রাক ও স্থানীয় মাটি খেঁকোদের মাটিবাহী ট্রাক অতিরিক্ত চলাচল করায় বিভিন্ন স্থানে মাটি ধসে রাস্তা ভেঙ্গে সড়কটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। এটা যেন দেখার কেউ নাই। এছাড়াও দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় ও এবারের ভারী ভর্ষণে সড়কের বিভিন্ন ছোট-বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে সেখানে পানি জমে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। চরম দুর্ভোগে পড়েন ওই সড়কে চলাচলরত মানুষ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন স্কুল- কলেজের শিক্ষার্থী ও রোগীরা। মাঠের ফসল ওই সড়ক দিয়ে ঘরে তুলতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কৃষকেরাও। এ অবস্থায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেনদরবার করেও সাড়া পাননি গ্রামবাসী। অবশেষে গ্রামবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন বজলুর হক কলি, সুজন সিকদার, বিপ্লব হোসেন রেজাউলসহ কয়েকজন যুবক। তাদের সহযোগিতা করছেন গ্রামবাসী ও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরাও। দুদিন ধরে ওই যুবসমাজের উদ্যোগে চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমে সড়কটি সংস্কার করেছেন। গত শনিবার থেকে শুরু হয়ে রোববারও তাদের সংস্কার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এ সংস্কার কাজ করতে তাদের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচ হবে। এ কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন উদ্যোগ গ্রহণকারী যুবসমাজ। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ অনেকের কাছে সড়কটি টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

সড়ক সংস্কারে উদ্যোগী যুবসমাজের মধ্যে বজলুর হক কলি বলেন, এ সড়কটি খুবই লাজুক অবস্থার সৃষ্টি হয়। এখান দিয়ে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আমরা কয়েকজন মিলে ওই সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। এখানে গ্রামবাসীসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীরাও সহযোগীতা করেছেন। তবে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আমাদের সংস্কার খরচ বাবত প্রায় ৫০/৬০ হাজার টাকা খরচ হবে।

ওই ইটভাটার ম্যানেজার কামরুজ্জামান জানান, এখন তো আমাদের ইটভাটার গাড়ি চলে না। এছাড়াও বিভিন্ন সময় আমাদের ইটভাটার মালিকও ওই সড়ক সংস্কার করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) রফিকুল ইসলাম জানান, গত ৪/৫ বছর আগে ওই সড়কটি সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু একটি ইটভাটার ওভারলোড করা ট্রাক চলাচলে

ওই সড়কের এতো ক্ষতি হয়েছে। তবে শুনেছি গ্রামবাসী ওই সড়কটি সংস্কার কাজ করছেন।

এব্যাপারে স্থানীয় চাপাইর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান সেতু জানান, যুবসমাজ ওই সড়কটি সংস্কার করছেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই। তারা সংস্কার করলে এটা একটি ভাল উদ্যোগ। ওই সড়কটি ইটভাটার ট্রাক চলাচলে নষ্ট করেছে। তবে বরাদ্দ পেলে ওই সড়ক সংস্কারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



হামিদপুর ইউনিয়নে বাল্যবিবাহ

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের শাহাগ্রামে নাবালক পুত্র আরহাম আল মুক্তাক্তীর বাল্য বিবাহ হয়। পার্বতীপুর উপজেলার ৯নং হামিদপুর ইউপির শাহাগ্রামের মোঃ গোলাম রব্বানীর পুত্র আরহাম আল মুক্তাক্তীর সাথে বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ী গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের কন্যা মোছাঃ রাফিয়া নূর নিলা এর সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এর মাধ্যমে পরিচয় হলে তাকে সেখান থেকে গত ১৮/০৬/২০২৪ ইং তারিখে পালিয়ে এলে আরহাম আল মুক্তাক্তীর পিতা মোঃ গোলাম রব্বানীর উপস্থিতিতে গত ২০/০৬/২০২৪ইং তারিখে কোট এফিডেভিটের মাধ্যমে পুত্রকে বিবাহ দেন। উল্লেখ্য যে, পুত্র মোঃ আরহাম আল মুক্তাক্তীর জন্ম তারিখ- ০৯/০৭/২০০৮ইং। তার বর্তমান বয়স ১৫ বছর ১১ মাস ১৪দিন। তার এখনও পরিপূর্ণ বিবাহের বয়স হয়নি। সেদিকে লক্ষ্য রেখে ঐ বিবাহ বাল্য বিবাহ হয়। মেয়ের বয়স দেখা যায় যে, জন্ম তারিখ ১৭/০৬/২০০৬ইং তারিখ থেকে বর্তমান বয়স ১৮ বছর ০০ মাস ০৬ দিন। এই বিবাহটি একেবারে বাল্য বিবাহের মধ্যে পড়ে। এই ঘটনায় নাবালকের পুত্রের বাবা বাল্য বিবাহ কিভাবে দেয় এলাকাবাসীর প্রশ্ন? ২০১৭ সালের বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে ৭(১) ও ৮ ধারামতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে। এই ঘটনায় এলাকাবাসী দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কাছে বাল্য বিবাহ রোধ কল্পে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেছেন। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী তদন্তস্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইন প্রয়োগ কারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আরও খবর



যবিপ্রবি'র কোটা আন্দোলনকারীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:কোটা পদ্ধতি বাতিল ও ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল রাখার দাবিতে শনিবার সকালে বিক্ষোভ-মিছিল করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে আগামী ৭ দিন যবিপ্রবির সকল ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা ।

শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সাময়িক সময়ের জন্য যশোর-চৌগাছা স্বাধীনতা সড়ক অবরোধ করে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান রাস্তাসমূহে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের নিচে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে দিনের কর্মসূচি শেষ করে। এসময় আন্দোলনকারীরা আগামী সাত দিনের জন্য সকল ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ও সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা দেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এ সময় বলেন, আমাদের এ কোটা বাতিল আন্দোলন যৌক্তিক আন্দোলন। যৌক্তিক এ দাবির বাস্তবায়ন না হলে আমরা থেমে থাকব না। দাবি মেনে না নিলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা কোটার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান ‘কোটা না মেধা? মেধা মেধা’, আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘আঠারোর পরিপত্র, পুনর্বহাল করতে হবে’, ‘কোটাপ্রথা নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটাপ্রথার কবর দে’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন সম্মিলিত কণ্ঠে।

উল্লেখ্য, কোটা বাতিলের দাবিতে গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মুখ সড়কে বিক্ষোভ করে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা এবং রাতে শহীদ মিনার চত্বরে মশাল জ্বালিয়ে মিছিল করে তাঁরা।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫৩জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপারের। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে ভোলা সদর এবং তজুমদ্দিন উপজেলায় দেখা মেলে রাসেল ভাইপারের। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে রাসেল ভাইপার গুলো। প্রতিনিয়ত ভোলার বিভিন্ন এলাকায় বিষধর রাসেল ভাইপার দেখা মেলায় স্থানীয় লোকজনের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের শান্তির হা নামক এলাকার চায়না ইপিজেড সংলগ্ন এলাকায় দেখা মেলে একটি রাসেল ভাইপার। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ওই সাপটিকে পিটিয়ে মেরে মাটিতে পুতে ফেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকালের দিকে শান্তির হাট এলাকার চায়না ইপিজেড সংলগ্ন নদীর তীরবর্তী এলাকায় রাসেল ভাইপারটিকে স্থানীয় লোকজন দেখতে পায়। ওই সময় স্থানীয় লোকজন সাপটিকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলে।

অন্যদিকে তজুমদ্দিন উপজেলায় দেখা গেছে ভয়ঙ্কর বিষধর রাসেল ভাইপার। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের কাচারী বাড়ির দরজায় এলাকাবাসী দেখতে পায় রাসেল ভাইপারটি। এ সময় সাপটিকে পিটিয়ে মেরে মাটিচাপা দেন স্থানীয়রা। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।

এর আগে, বুধবার (১৯ জুন) বিকেলে চাঁদপুর ইউনিয়নের চৌমুহনী ঘাট সংলগ্ন একটি ফসলি জমির খেলার মাঠে বল খেলতে দেখা মেলে সাপটির। স্থানীয় খেলোয়াড়দের সাপটি আক্রমণ করতে আসলে নিজেদের রক্ষা করতে সাপটিকে মেরে ফেলেন। পরে পলিথিন পেঁচিয়ে সাপটিকে মাটির নিচে পুঁতে রাখেন।

রায়হান নামে এক খেলোয়াড় বলেন, বিভিন্ন সময় ফেসবুকে রাসেল ভাইপার সাপ দেখেছি। এবার বাস্তবে ফসলি জমিতে ফুটবল খেলতে গিয়ে সাপটিকে নিজ চোখে দেখলাম। পরে সাপটির ছবি তুলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে শনাক্ত করি যে সাপটি বিষাক্ত রাসেল ভাইপার। সাপটি দেখে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।আরো জানা গেছে, বাংলাদেশে বর্তমানে যেসব সাপ দেখা যায় সেগুলোর মধ্যে রাসেল ভাইপার সবচেয়ে বিষাক্ত। এই সাপের কামড়ে শরীরের দংশিত অংশে বিষ ছড়িয়ে অঙ্গহানি, ক্রমাগত রক্তপাত, রক্ত জমাট বাঁধা, স্নায়ু বৈকল্য, চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়া, পক্ষাঘাত ও কিডনির ক্ষতিসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়।

তজুমদ্দিন উপজেলার শশীগঞ্জ বনবিভাগের বিট অফিসার গাজী মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, রাসেল ভাইপার সাপ লোকালয়ে সাধারণত খুব কমই দেখা যায়। বাচ্চা দেওয়ার কারণে হয়তো ওই সাপটি লোকালয়ে চলে এসেছে। তবে সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।


আরও খবর



স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হবে আজকের শিশুরাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৫৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হবে আজকের শিশুরাই,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন নতুন প্রজন্মই দেশকে এগিয়ে নেবে সমৃদ্ধির দিকে৷ আর তাই কোমলমতি শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে৷

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ প্রদান এবং জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন নতুন প্রজন্মই দেশকে এগিয়ে নেবে সমৃদ্ধির দিকে৷ একসময় চাঁদেও যাবে আমাদের ছেলেমেয়েরা। কোমলমতি শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে৷ শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দুই বছরের করার পরিকল্পনা করছে সরকার। দেশের সব প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমটা কমিউনিটিভিত্তিক করতে হবে৷ পুষ্টিকর বিস্কুটের স্বাদে চকোলেট-ভ্যানিলা ফ্লেভার দিতে বলেছি৷ স্কুলে যে বিস্কুট দেয়, সেটাতে কোনো টেস্ট ছিল না তেমন৷ বাচ্চারা সেটা খেতেও একঘেঁয়েমি বোধ করত৷ নিজে টেস্ট করে, আমি এ বিস্কুটের স্বাদ বদলানোর নির্দেশ দিয়েছি৷

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৫ বছরে দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নারী শিক্ষক বেড়েছে তিন গুণ৷ এর আগে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসি। এবারের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শিশুবান্ধব প্রাথমিক শিক্ষা, স্মার্ট বাংলাদেশের দীক্ষা’। ২০২২ সালে প্রাথমিক শিক্ষা পদক নীতিমালায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কয়েকটি নতুন পদক সংযোজন করে মোট ১৮ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে নিজ সংস্কৃতির উন্নয়ন, আত্ম-উন্নয়ন, আত্ম-নির্ভরশীলতা অর্জন এবং দেশ ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজ দেশের সংস্কৃতি উন্মোচন করা।


আরও খবর