Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত
বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে

রম্যগল্প- বিয়ে বিড়ম্বনা

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪২৬জন দেখেছেন
Image

 

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম


বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে।আমি কেবলই ইউনিভার্সিটিতে পা রেখেছি ছ'মাসও হয় নি আর তিনি অলরেডি আমার জন্য পাত্রী দেখা শুরু করেছেন।আরে বাবা,এই সদ্য উৎপন্ন চাল কি আর সেই সরিষার মতো ফুটফুটে ফুলের তেলের ঘানি টানতে পারবে!

 

বাবাকে কিছু বললেই বলে আমি বেকার হয়েছি তো কি হয়েছে?সেও নাকি এই বয়সেই বিয়ে করেছিল,তার পূর্বপুরুষের পন্থা নাকি এটা!মনে মনে সাধে তো আর বলি না যে এই জন্যেই তো মাথায় আস্ত একটা টাক জন্ম দিয়েছো!!

রাফিনকে ফোন করে আসতে বললাম সেদিন যে দোস্ত,একটা ইমারজেন্সি কথা আছে জলদি টিএসসির সামনে আয়।

ওই ব্যাটা মুখের উপরই বলে দিল,"কি রে আঙ্কেল আবার নিশ্চয়ই তোমার পিছনে বাছুরের মতো ছুটছে?তো বিয়ে করছিস কবে?"

কথাটা শুনে হাসবো না কাঁদবো না ইমোশনাল হবো কিছুই বুঝতে পারলাম না।শেষমেশ রাফিনকে অভিশাপ....থুক্কু বকা দিয়েছি আর কি!তাকে সোজাসাপটা বলে দিয়েছি বিয়ে করলে আমি একটা হিজড়ারেই বিয়ে করবো।

এই শালা রাফিন ডিরেক্ট গিয়ে বাবাকে বলে দিয়েছে কিন্তু আমি জানি না।

প্রতিদিনের মতো এবারও বেশ ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকেছি।ঢুকেই দেখছি বাসা ভর্তি মানুষ।তাজ্জব ব্যাপার তো!এ সময়ে বাসায় এত মানুষ,কারো বিয়ে হবে নাকি?

বাবাকে খুঁজছি কিন্তু কেউ নেই।রুমের মধ্যে ঢুকতেই দেখি একজন মাথায় ঘোমটা দিয়ে কি সুন্দর করে শাড়ি পরে বসে আছে।মনে মনে ভাবলাম যাক বাবা মনে হয় আমার জন্য ভালো পাত্রীই ঠিক করেছেন।আস্তে আস্তে এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলবো এমন সময় রাফিন এসে গেছে।

কি রে মুহিব্বি!কি খবর?আঙ্কেল তোরে বিয়ে তাইলে দিয়েই দিলো।তো দোস্ত তোমার মনের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক।আর ভাবী,ছেলেকে তো আগেই দেখেছেন।এখন আরও ভালো করে দেখে নেন।

আসি দোস্ত,ভালো থাক...

এতক্ষণ জোর করে রাগটা চেপে রেখেছিলাম কিন্তু যাক,গাধাটা গেছে এখন।এখন তো আমার বউকে দেখাই যায়!

আস্তে আস্তে আবার এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলছি ধীরেধীরে।

মেয়ের চেহারা যেই না দেখতে যাবো অমনি কি এক বিচ্ছিরি মেয়েছেলে গলা দিয়ে কে যেন বলে উঠলো,"ও গো আমার না লজ্জা লাগছে!প্লিজ ওভাবে তাকিও না!"

আমি কিছুক্ষণ কথাগুলো হজম করলাম।ভাবছি আমার রুমে তো অন্য কেউ নেই তাহলে এই পুরুষ-মহিলা কণ্ঠস্বর আসছে কোথা থেকে!

ধুর,ওসব পাত্তা না দিয়ে এবার ঘোমটাটা খুললাম।ইশশ কি সুন্দর মিষ্টি গায়ের রঙ,ঠোঁটগুলোও কি গোলাপি-- একেবারে গোলাপের পাপড়ির মতো পাতলা,আর চোখ উফফ কি যে অথৈ সাগরে ডুবে গেলাম!একেবারে সাক্ষাৎ পরি!

"এই অমন করে কি দেখছো?আমাকে পছন্দ হয়েছে তো তোমার,বলো না?"

জীবনে বোধহয় এতটা হতভম্ব কখনোই হই নি।মানে কি?শেষ পর্যন্ত মেয়ের গলা পুরুষের মতো হলো!!!এত সুন্দর মেয়ে আর গলা এই বিচ্ছিরি!

মানতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু তারপরেও তো সে আমার বউ।

আমার জড়িয়ে ধরে সে বলতে লাগলো,"এই দেখো না আমার দিকে!কেমন লাগছে আমার হু?"

আচ্ছা এক সেকেন্ড এটা তো কোনো মেয়ের গলা না।মেয়েদের গলার স্বর তো সুকণ্ঠ,সুমিষ্ট কিন্তু...

তার মানে এ কি তাইলে হিজড়া!!!আল্লাহ গো, আমাকে বাঁচাও,আব্বা শেষমেশ আমাকে সত্যিসত্যিই হিজড়ার সাথে বিয়ে দিয়েছে!

নাআআআআআআআআ!!!

আব্বাআআআআআআআআআ....

কয়েকদিন পর...

আমি এখন কোথায়?আব্বা,রাফিন দোস্ত আছিস?

-হ্যাঁ দোস্ত বল।তুই হসপিটালে। এখন কেমন লাগছে?

-কিছুটা ভালো লাগছে।কিন্তু আমি না বাসায় ছিলাম,হসপিটালে আসলাম কিভাবে?

-আরে ব্যাটা,তোর মনে নাই তোর বিয়ে হয়েছিল।ওই যে সুন্দর একটা হিজড়ার সাথে।তোদের কথা হচ্ছিলো আর তুই তো আব্বা বলে এমন চিৎকার দিলি। আর আমরা এসে দেখি তুই অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছিস!

ভাইয়া,মুহিব্বি এখন কেমন আছে?

-দোস্ত,এবার বোধহয় আমি আর বাঁঁচবো না!

অতঃপর আমি আবারও সেন্সলেস!!!

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম

 


আরও খবর



অভিযানের খবরে ডিমের দাম হালিতে কমলো ৮ টাকা

প্রকাশিত:Wednesday ১৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালী সদরের সোনাপুর ও পৌর বাজারের ছয়টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ৪১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় অভিযানের খবর পেয়ে ডিমের হালিপ্রতি দাম আট টাকা কমিয়ে দেন দোকানিরা।

বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে মূল্য তালিকা না থাকায় চারটি ডিমের দোকান এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ওষুধ বিক্রি করায় দুটি ফার্মেসিকে এ জরিমানা করা হয়।

এর মধ্যে সোনাপুরের যমুনা ফার্মেসিকে পাঁচ হাজার, নিউ যমুনা ফার্মেসিকে ৩০ হাজার, পৌর বাজারের জনি ডিম স্টোরকে দুই হাজার, বিসমিল্লাহ স্টোরকে দুই হাজার, নোয়াখালী ডিম হাউজকে এক হাজার ও করিমের ডিমের দোকানকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

jagonews24

অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নোয়াখালী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাওছার মিয়া। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, মূল্য তালিকা না থাকায় চারটি ডিমের দোকান এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ওষুধ বিক্রির দায়ের দুটি ফার্মেসিকে ৪১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মো. কাওছার আরও বলেন, অভিযানের খবর পেয়ে ডিমের হালিতে আট টাকা কমিয়ে ৫০ টাকার স্থলে ৪২ টাকা করে বিক্রি করেন দোকানিরা। এসময় সব দোকানে পণ্যের সঠিক বিক্রয়মূল্য টাঙিয়ে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, ড্রাগ সুপার মো. আহসান উল্লাহসহ সুধারাম মডেল থানার একদল পুলিশ উপস্থিত ছিল।


আরও খবর



পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে কে খুঁজে বের করতে হবে: গয়েশ্বর

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ১৫ August ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

ভোলায় বিএনপির নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যকার সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আমরা পুলিশকে দোষারোপ করি। পুলিশ যে গুলি করেছে, সেই নির্দেশ দিয়েছে কে? তাকে আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। এছাড়া আগামী নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাসন নিশ্চিত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (১ আগস্ট) ভোলায় পুলিশের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা নিহতের ঘটনায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি। জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।

সমাবেশে গয়েশ্বর বলেন,আমরা পুলিশকে নিয়ে এমনভাবে কথা বলি যেন মনে হয়, ওরা আমাদের দুলাভাই। প্রজাতন্ত্রে সকল কর্মচারী আমাদের ট্যাক্সের টাকায় চলে। কিন্তু তাদের টাকায় জনগণ চলে না। তারা যদি আমাদের সঙ্গে বেআইনি কিছু করে, তাহলে আমরাও তাদের সঙ্গে সে রকম করতে পারবো।

দেশের মালিক পুলিশ কিংবা সরকার নয় জানিয়ে তিনি বলেন, এ দেশের মালিক আব্দুর রহিমের মতো জনগণ। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। টাকার হিসাব চাইলে গুলি করে মানুষ মারবেন? আমরা পুলিশকে দোষারোপ করি। পুলিশ যে গুলি করেছে, সেই নির্দেশ দিয়েছে কে? তাকে আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।

‘এসপিকে বলতে চাই, আপনি পৈতৃক সূত্রে ভোলার মালিক হননি। চাকরি করতে গেছেন। সভা শেষে তারা মিছিল করতে চেয়েছে। মিছিল করা কোনো অন্যায় নয়, এটা নাগরিক অধিকার। আপনি বাধা দেওয়ার কে? আর বাধা দিতে গিয়ে আপনি গুলি করার কে? প্রতিটি গুলির হিসাব আপনাদের দিতে হবে।’

‘আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, ঈশ্বর যে সকল পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দীর্ঘায়ু করো। আমরা নিজের হাতে তাদের বিচার করা না পর্যন্ত ওরা যেন জীবিত থাকে। সরকারের নির্দেশ যদি না থাকতো, তাহলে ভোলার এসপি এরই মধ্যে সাসপেন্ড হতো। যারা গুলি করেছে, তারা বিভাগে ক্লোসড হতো।’

‘ভোলায় গতকালের (রোববার) ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ও আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, ভোলায় কর্মীদের সমাবেশ ও মিছিলে পুলিশের বেপরোয়া গুলিতে হারিয়ে গেলো আমাদের এক সহযোদ্ধা আব্দুর রহিম। ঢাকার দুটি মেডিকেলে এখন যারা চিকিৎসাধীন, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, মোবাইলে ছবি তোলা এবং ভিডিও করে শেয়ার দেওয়ার মধ্যেই নেতাকর্মীরা তাদের দায়িত্ব সেরেছেন। রহিমের মৃত্যুতে কেন তাৎক্ষণিক তারা সারা দেশে আগুন জ্বালিয়ে না দিয়ে নির্দেশের অপেক্ষায় রইলো?

‘আজ (সোমবার) সকালে গায়েবী জানাজায় ছিলাম ও দেখলাম। একটি জানাজার অনুষ্ঠানে চারদিকে শুধুই ক্যামেরা, মানে ছবি তোলাটাই মূল কাজ। তার জন্য দোয়া করাটা মূল কাজ না? হাতে-হাতে, পকেটে-পকেটে ক্যামেরা। ছবি তোলা আর নেতাদের কাছে পাঠানো আর ফেসবুকে দেওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতেছি। এটিই প্রমাণ করে আমাদের দায়িত্ব। আমরা প্রতিদিন আসি, প্রতিশ্রুতি দেই, অঙ্গিকার করি কিন্তু কাজটা করি না।’

‘আজকে আমার দলের কর্মী মারা গেছে। সে ছাত্রদল, যুবদল বা সেচ্ছাসেবক দল কী না জানি না। সে জিয়ার অনুসারী, সে খালেদা জিয়ার অনুসারী, সে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কর্মসূচি পালনে মারা গেছে। আজকে এখানে কেন বেছে বেছে সেচ্ছাসেবক দলের লোকদের আসতে হবে? কেন ঢাকা শহরের অন্যান্য নেতাকর্মীরা আসতে পারবে না? কেন ঢাকার একটি নির্ধারিত জায়গায় মিছিল হবে? কেন সারা ঢাকা, সারা দেশে সেটি ছড়িয়ে পড়বে না? এটা আমার মাথায় ধরে না।’

‘সিদ্ধান্ত দেন, নির্দেশ দেন, আমরা অনেক কিছু করবো। এটা রাজনীতির ভাষা না। যখন ঘটনা ঘটে তৎক্ষণাৎ জানিয়ে দিতে হয় সারা দেশে। এই কাজ করার জন্য উপরের দিকে সিদ্ধান্তের জন্য তাকিয়ে না থেকে সঙ্গে সঙ্গেই মাঠের কর্মসূচিতে যাওয়া দরকার। সেটি হবে নগদ।’

কারো নির্দেশের অপেক্ষায় বসে না থেকে যার যার জায়গা থেকে প্রতিবাদ ও আক্রমণ প্রতিহত করার ইঙ্গিত দিয়ে গয়েশ্বর বলেন, আব্দুর রহিমের মতো মানুষ মারা যাবে, আর বক্তৃতা দেবো, আর বসে বসে চীনাবাদাম খাবো? এটা হয় না। আন্দোলন করতে গেলে কেউ একা নয়। সকল সংগঠনকে মাঠে নামতে হবে। তাদেরকে জবাব দিতে হবে। এরা রক্তপিপাসু, এদের সঙ্গে সুন্দর সুন্দর কথা, সুন্দর বাক্য বিনিময়ের দরকার নেই।

‘যেখানে হাত ছাড়া কথাই চলে না, সেখানে হাতই ব্যবহার করতে হয়। আপনারা সব বোঝেন, তাই যখন যেখানে ঘটনা ঘটবে, সারা দেশে যে যেখানে আছেন, মূহুর্তের মধ্যে বেরিয়ে পড়বেন। আজকে আমাদের না পেয়ে ঘরের মানুষদের ধরে নিয়ে যায়। সুতরাং এরা যদি নিয়ম ও আইনের বাইরে কাজ করতে পারে, এদের সঙ্গে আমার আইনের ভাষায় কথা বলার প্রয়োজনটা কী? আগামী নির্বাচনের আগে এই সরকারের পতন নিশ্চিত করতে হবে।’

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান। এতে আরও বক্তৃতা দেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, নুরুজ্জামান সর্দার ও নাজমুল হাসান প্রমুখ।


আরও খবর



সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:Friday ১২ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পরীক্ষা হবে৷

সরেজমিনে ঢাকা কলেজ কেন্দ্রে দেখা যায়, পরীক্ষা শুরুর এক ঘন্টারও বেশি আগে থেকেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করানো হচ্ছে ৷ ব্যাগ, ঘড়ি, মোবাইলসহ যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধ রয়েছে ৷

কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা বিষয়টি কঠোরভাবে দেখছেন ৷ এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র ও কেন্দ্রের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করছে ৷ কলেজের বিভিন্ন সংগঠন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ক্যাম্পাসের বাইরে কাজ করছে। তারা বিনামূল্যে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মাস্ক, কলম, পানির বোতল সরবরাহ করছে।

ঢাকা কলেজ কেন্দ্রের মূল ফটকে দায়িত্ব পালন করা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার মাহমুদ বলেন, ঢাকা কলেজ কেন্দ্রে সাড়ে তিন হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন। তারা যেন যথাসময়ে দুর্ভোগবিহীন অবস্থায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন সেজন্য আমরা আগে থেকেই শিক্ষার্থীদের ভেতরে প্রবেশ করাচ্ছি। দুটি আলাদা লাইনে মেয়ে এবং ছেলেরা চেকিং শেষে ভেতরে প্রবেশ করছেন। কেউ যেন কোনো অসদুপায় অবলম্বন করতে না পারেন সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

দায়িত্ব পালন করা পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ওবায়দুল করিম বলেন, কেন্দ্রে প্রবেশ করা পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ঢাকা কলেজের স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন সংগঠন দায়িত্ব পালন করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন। আমরা প্রত্যাশা করছি সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে।

এবার বিজ্ঞান অনুষদে ৬ হাজার ৫০০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৩৯ হাজার ৫১৭ টি ৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজসহ ১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


আরও খবর



দেশ থেকে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি প্রতিহত করার ডাক

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

দেশ থেকে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি প্রতিহত করার ডাক দিয়েছে সম্প্রীতি বাংলাদেশ। শুক্রবার (২৯ জুলাই) বিকেলে মৌলভীবাজার পৌর কনফারেন্স হলে সম্প্রীতি সমাবেশ থেকে এই ডাক দেওয়া হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিশ্বজুড়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির আস্ফালন চলছে। তার আঁচ বাংলাদেশেও লেগেছে। তবে আমাদের ভয় পেলে চলবে না। একাত্তরের মতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নিল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলণ্ঠিত করার ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। গুজব ছড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলা হচ্ছে। শুধু সরকারের পক্ষে তাদের প্রতিহত করা সম্ভব নয়। এজন্য দেশবাসীকে একাত্তরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবিও জানান তিনি।

মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তানিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান, পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, সম্প্রীতি বাংলাদেশ মৌলভীবাজারের সদস্য সচিব সৌমিত্র দেব, আইভা সমাদ্দার, পুলক কান্তি ধর, সাখাওয়াত লিটন, খসরু চৌধুরী, আ স ম ছালেহ সোহেল, জাভেদ ভূঁইয়া, শর্মিলা দে প্রমুখ।


আরও খবর



বিধবা ভাবি অন্তঃসত্ত্বা, দেবর গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় এক বিধবা নারী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন। এ ঘটনায় ওই নারীর দেবর মো. মামুন মাদবরকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি জাজিরা উপজেলার বড় গোপালপুর টেকেরকান্দি গ্রামের আলেপ মাদবরের ছেলে।

শনিবার (৬ আগস্ট) রাতে মামুনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী। এরপর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাঁচ বছর আগে ওই নারীর স্বামী মারা যান। তাদের বিবাহিত জীবনে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর মামুন মাদবর ওই নারীকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দেন। সর্বশেষ গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে বাড়িতে কেউ না থাকায় ভাবিকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেন মামুন। পরে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে এলাকার জানাজানি হয়। পরে ওই বিধবা নারী শনিবার রাতে বাদী হয়ে জাজিরা থানায় মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ওই নারী বলেন, মামুন আমাকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। আমি ভয়ে ও লজ্জায় কাউকে কিছু বলিনি। পরে আমার পেটে সন্তান আসে। এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে আমার ভাবি জাজিরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা করায়। সেই রিপোর্ট দেখা যায় আমি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আমি এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মামলার পরে বড় গোপালপুর টেকেরকান্দি এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেফতার করা হয়। আজ তাকে শরীয়তপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ওই নারীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এর আগে ওই নারী বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা করালে জানতে পারেন তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।


আরও খবর