Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

রমজানে এই ৩টি গুণ অর্জন করা জরুরি

প্রকাশিত:Monday ১১ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৯১জন দেখেছেন
Image

অনলাইন ডেস্কঃ


সব প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, যিনি বরকতময় রমজান মাসকে মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত মাগফেরাত ও নাজাত পাওয়ার উসিলা বানিয়েছেন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর এ মাসেই মানুষের জীবন বিধান হিসেবে এই কোরআনুল কারিম নাজিল করেছেন। কোরআনের হেদায়েত পাওয়ার সর্বোত্তম মাসও এটি।


১. মসজিদে সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা


মসজিদে সঙ্গে রোজাদারের সম্পর্ক হোক স্থায়ী। কোনো মুমিন মুসলমানের জন্য এমনটি হওয়া উচিত নয় যে, সে শুধু রমজানেই নামাজ পড়তে মসজিদে যাবে। বরং মসজিদের সঙ্গে সব মুসল্লির সম্পর্ক হবে স্থায়ী। মুমিনের জন্য দুনিয়াতেই মসজিদ হবে জান্নাতের সর্বোত্তম নমুনা।


২. রমজানে কোরআন শেখা


রমজান হোক কোরআন শেখার মাস। রমজানে কোরআনের সঙ্গে তৈরি হোক স্থায়ী সম্পর্ক। কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক যেন রমজান কেন্দ্রিক না হয়। রমজানে কোনো ইসলামিক স্কলার কিংবা কোনো ব্যক্তির উপদেশ যেন এমন না হয়-


'কোরআন তেলাওয়াত করতে না পারলে বা না জানলে 'কুল হুওয়াল্লাহ' সুরা কিংবা কোনো দোয়া-জিকিরের অজিফা দুই শত বার কিংবা চার শত বার পড়ুন!'


বরং রমজান মাস হলো কোরআন শেখার সর্বোত্তম মাস। কোরআন পড়তে না জানলে ২/৪/৬ কিবাং হাজার বার কোনো সুরা, দোয়া পড়ার তালিম নয়; বরং আউজুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ থেকে শুরু করে এক আয়াত, দুই আয়াত, একটি সুরা, দুইটি সুরা, এক পারা, দুই পারা- এভাবে কোরআন শেখানো বা শেখার উপদেশই সর্বোত্তম। এভাবে কোরআন পড়া ঈমানের একান্ত দাবি। কোরআন নাজিলের মাস রমজানেই মুমিন মুসলমানের জন্য তেলাওয়াত শেখার সর্বোত্তম সুযোগ। 


মনে রাখতে হবে


কেউ যদি কোরআন পড়তে না পারেন তবে জোড় দিয়ে এ কথা বলতে হবে। আপনি কোরআন শিখুন। আপনাকে কোরআন পড়তে হবে। কোরআন শিখতে হবে।


অনেকে রমজান মাসে তারাবিতে কোরআন শুনে। তারাবির নামাজে কোরআন তেলাওয়াত শোনা কোনো মুমিনের শান নয়। বরং মুমিনকে কোরআন তেলাওয়াত শোনানোর যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। কোরআন পড়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এক সুরা, দুই সুরা, এক পারা, দুই পারা এভাবে পরিমাণ বাড়াতে হবে। যেন এক পর্যায়ে পুরো কোরআন তেলাওয়াত করতে সক্ষম হয়।


দেখে দেখে পুরো কোরআন পড়ার যোগ্যতা অর্জন করার মাধ্যমে রমজানের রহমত মাগফেরাত ও নাজাত পাওয়ার চেষ্টা করা। তাই রমজানেই কোরআন শেখার মেহনত শুরু করা জরুরি। প্রয়োজনে আরবি ২৯টি হরব শেখার মাধ্যমে তা শুরু করা যেতে পারে।


কোরআন শেখার হুকুম


কোরআন শেখা প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের জন্য ফরজ। বিশুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত শেখা সবার উপর ফরজ। কোরআন শেখার জন্য কোনো অজুহাত-ওজরের প্রয়োজন নেই। আর কোনো ওজর দিয়ে পার পাওয়ারও কোনো সুযোগ নেই।


শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ সবার জন্য পুরো কোরআন তথা সুরা ফাতেহা থেকে নাস পর্যন্ত দেখে দেখে বিশুদ্ধভাবে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করা জরুরি। তাই রমজানই হোক সবার জন্য কোরআন শেখার সর্বোত্তম সময়।


৩. কোরআনের লানত/অভিশাপ থেকে বেঁচে থাকা


এমন অনেক মানুষ আছে, যারা কোরআন তেলাওয়াত করে আর কোরআন তাদের লানত করে। অভিশাপ দেয়। কোরআনের ভাষায় নিজেকে নিজে লানত করে চলেছে। বিষয়টি এমন-


> কোনো লোক নিজে মিথ্যাবাদী। কথা ও কাজে মিথ্যা ত্যাগ করে না অথচ সে তেলাওয়াত করছে-


فَنَجْعَلْ لَعْنَتَ اللهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ


মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহর লানত বা অভিশাপ।


> কোনো লোক নিজে অন্যের উপর অত্যাচারী। মানুষের উপর যুলম করে। হয়ত সে পড়ছে-


أَلَا لَعْنَةُ اللهِ عَلَى الظَّالِمِينَ


অত্যাচারীদের উপর আল্লাহর লানত।


এভাবে কোরআন তেলাওয়াতকারী নিজেই নিজের ধ্বংসের জন্য আল্লাহর কাছে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ধ্বংস প্রার্থনা করে। তাই কোরআন তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।


সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, রমজানে মসজিদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়বো এবং কোরআন তেলাওয়াত শেখার পাশাপাশি কোরআনের লানত থেকে নিজেদের মুক্ত রাখা। মিথ্যা ও অত্যাচার থেকে মুক্ত থাকাও জরুরি।


আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের রোজায় মসজিদ হয়ে এবং কোরআন তেলাওয়াত শিখে বছরব্যাপী এ আমল জারি রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।



আরও খবর



জানে আলম চট্টগ্রাম অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক

চট্রগ্রামে চাঁদাবাজী মামলার প্রধান আসামী জানে আলম গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নগরের বাকলিয়া-নতুন ব্রিজ এলাকায় চাঁদাবাজির ঘটনার মূল হোতা মো. জানে আলমকে (৪১) গ্রেফতার করেছে বাকলিয়া থানা পুলিশ।


রোববার (২২ মে) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান বাকলিয়া থানার ওসি রাশেদুল হক।


তিনি জানান, বাকলিয়া-নতুন ব্রিজ এলাকার ত্রাস, চাঁদাবাজদের নেতৃত্বদানকারী এবং ভাসমান ভ্যানগাড়ি ও হকারদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কারী এই জানে আলম। চাঁদা না পেয়ে এক ফল বিক্রেতার ওপর হামলা-ভাংচুর মামলার আসামি সে।


চন্দনাইশের পশ্চিম কেশুয়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোরত আলীর বাড়ির মৃত গুরা মিয়ার ছেলে জানে আলম চট্টগ্রাম অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছে।


পুলিশ জানায়, গত ১৬ মে জানে আলমের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ দলের সদস্যরা নতুন ব্রিজ এলাকায় ভ্যান গাড়িতে ফল বিক্রেতা মো. বাদশার (২০)  কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় জানে আলম তার সহযোগী আরাফাত,  মো. আলী ও জাবেদুল ইসলামকে নিয়ে ১৭ মে রাত ৯টার দিকে নতুন ব্রিজ সংলগ্ন নবাব খাঁ কলোনির সুমনের দোকানের সামনে বাদশার পথরোধ করে।


 এসময় তাকে মারধর করে এবং ভ্যানগাড়ি ভাংচুর করে। পরে থানায় মামলা হলে অভিযান চালিয়ে অন্য আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হলেও মূল হোতা জানে আলম পালিয়েছিল।


রোববার (২২ মে) দুপুরে আসামি জানে আলমকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি রাশেদুল হক।


আরও খবর



বেনাপোল স্থল বন্দর থেকে চারটি ওয়ান সুটার গান উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল কাস্টম হাউজ থেকে অবৈধভাবে রাখা চারটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করেছে পুলিশ।


রবিবার (৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি তালাবদ্ধ রুমে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস একটি টিম কাস্টম হাউসে আসে। 


বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর পুড়ে যাওয়া মালামালের মধ্যে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখতে পায় পুলিশ।


সংশ্লিষ্টরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউসে অ্যান্টি শাখার পাশে পুরনো একটি অফিস রুম রয়েছে। তবে সেটি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ায় অব্যবহৃত কিছু মালামাল রেখে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। 


রবিবার সন্ধ্যায় ওই রুম থেকে আগুনের ধোঁয়া দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফোন দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


 পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পায় পুড়ে যাওয়া পণ্যের মধ্যে চারটি ওয়ান শুটার গান রয়েছে। তবে কারা সেগুলো সেখানে রেখেছে তা জানা যায়নি।


এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউজ সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরা, অস্ত্রধারী আনসার ও আর্মড পুলিশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।  কারা কী উদ্দেশ্যে এ আগ্নেয়াস্ত্র সেখানে মজুত রেখেছিল তা খতিয়ে দেখা জরুরি।


আরও খবর



নাহিয়ান আয়ান

মডেলিং অভিনয় সব ক্ষেত্রেই সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছে নাহিয়ান আয়ান

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৪৪জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

নাহিয়ান আয়ান একজন বিস্ময়কর অভিনেতা এবং মডেল, শুধুমাত্র তার দীপ্তিময় শিশুসুলভ সৌন্দর্য দিয়েই নয়, তার দুর্দান্ত প্রতিভা দিয়েও দর্শকদের আকর্ষণ করে। তার দিকে তাকালে মনে হয় একজন সত্যিকারের অভিনয় শিল্পীর ঠিক এইরকমই হওয়া উচিত - নীল পর্দার ওপারে বসবাসকারী একটি শিশু।সংস্কৃতির বিভিন্ন অঙ্গনে ‘সাফল্যের স্বাক্ষর’ রেখেই চলেছে নাহিয়ান আয়ান।


৭ বছর বয়সী নাহিয়ান আয়ান স্বল্প সময়ে নিজেকে বেশ প্রতিষ্ঠিত করেছে।সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল ফিতরে নাহিয়ান আয়ান নাটক ও ওয়েব ফিকশনে অভিনয় করেছে। আসাদ জামানের পরিচালনায় রবিনহুড নামক নাটকে দেখা গেছে নাহিয়ানকে। যেখানে নাহিয়ান আয়ান ছাড়াও আরো অভিনয় শিল্পীরা হলেন তানজিম হাসান অনিক, সেরতাজ জেবিন। ঈদে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে অবমুক্ত হয়েছে নাটকটি। এছাড়াও ওয়েব ফিকশন মায়া ঘরে অভিনয় করেছে নাহিয়ান। রুবেল আনুশ পরিচালিত এই ওয়েব ফিকশনে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, মনিরা মিঠু, ইভান সাইর প্রমুখ। এছাড়াও নাহিয়ান আয়ান অনন্য মামুনের পরিচালনায় আর জি লাইফস্টাইলের টিভিসিতে অভিনয় করেছে। আসছে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে জনপ্রিয় পোষাক ব্রান্ড বিশ্বরঙ, শৈশব, দুরন্ত কিডস, ইয়েস পয়েন্টের মডেল ফটোশ্যুট ও করেছে।


শুধু পোষাকের মডেল হিসেবে নয় এভার কেয়ার হসপিটালের পেডিয়াট্রিক বিভাগের সুস্থ শিশুর চরিত্রে ও মডেল হয়েছে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক তানিম রহমান অংশুর পরিচালনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর নির্মিত মিউজিক্যাল ভিডিওতে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান চরিত্রেও অভিনয় করেছে এই শিশুশিল্পী।তাছাড়া ফ্যাশন মডেলিং শো “বাংলাদেশ এক্সিলেন্স এ্যাওয়ার্ড” এবং ঈদ লাইফস্টাইল ফ্যাশন শো-তে পারফর্ম করেছেন সে। এক কথায় অল্প বয়সে মেধা ও বিচক্ষণতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নাহিয়ান আয়ান।



 

নাহিয়ান আয়ান ২০১৫ সালের হেমন্তের প্রথম দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পুর্ব পুলুষের জন্ম বাংলাদেশের খুলনার সবুজ শ্যামল শান্ত একটি গ্রামে।তিনি রাজধানী ঢাকা শহরে জন্মগ্রহন করেন। আমাদের আজকের সফল শিশুশিল্পী নাহিয়ান আয়ান খানের জন্ম পুলিশ পরিবারে।খুব অল্প বয়স থেকেই, নাহিয়ান আয়ান নিজের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে ভবিষ্যতে তিনি অবশ্যই একজন বিখ্যাত অভিনয় শিল্পী এবং জনপ্রিয় মডেল হয়ে উঠবেন। এবং তাই সে আত্মবিশ্বাসের সাথে এবং পদ্ধতিগতভাবে অভিপ্রেত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।


প্রথমে, শিশুটি নিকেতনের Little Star Grooming Institute  থেকে গ্রুমিং শিখে হাটা চলা বসা শিখে বিজ্ঞাপনে অভিনয় করতে শুরু করে এবং তারপরে ফ্যাশন মডেল হিসাবে ফ্যাশন শোতেও অংশ নেয়। আমাদের আজকের নাহিয়ান আয়ানের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিখ্যাত কৃতিত্বের মধ্যে রয়েছে  বিজ্ঞাপন প্রচারে অংশগ্রহণ, আর.জি ষ্টাইল নামক সুপরিচিত ব্র্যান্ডের মডেল হওয়া। 


তাকে নিয়ে সরব হয়ে উঠেছে দেশের মিডিয়া পাড়া ।বিভিন্ন সংবাদ পত্র বিনোদন ম্যাগাজিনগুলো নাহিয়ান আয়ান কে নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার ফটোশুট করেছেন দেনিক দেশের পত্র পত্রিকা নাহিয়ান আয়ান কে নিয়ে প্রতিবেবদ প্রকাশ করেছে,টাইমট্রেন্ড ম্যাাজিনে তাকে নিয়ে লেখালেখি হয়েছে।


ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউজের সাথে নাহিয়ান কাজ করেছে। নাটকেও অভিনয় করেছে গুনী অভিনেতাদের সাথে। নাহিয়ানের স্বল্পদিনের ক্যারিয়ারে ভাল ভাল কাজ করেছে। এভাবে এগিয়ে যেতে পারলে খুব অল্প সময়ে নাহিয়ান সকলের ভালবাসায় জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এটাই আশা করি।


আরও খবর



পিছন থেকে ট্রাকটি এসে ধাক্কা দেয়

রাজধানীর জুরাইনে ট্রাক চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

রাজধানীর জুরাইন কমিশনার রোড এলাকায় ট্রাকের চাপায় রাসেল (৩২) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে।


শুক্রবার (২০ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


রাসেলের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায়। বাবার নাম আবুল হোসেন।


তিনি শ্যামপুরের আলী বহর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন বলে জানা গেছে।


ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রাত দেড়টার দিকে রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন।


কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইমরুল হাসান জানান, রাসেল ট্রাকের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। শুক্রবার রাতে কমিশনার রোড চেয়ারম্যান বাড়ি মোডে রাস্তার পাশে ট্রাক থেকে বালু ফেলার কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক।


এ সময় ট্রাকের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। তখন চালক ট্রাকটি পেছনের দিকে নিতে গেলে রাস্তার পাশে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ট্রাকের মধ্যে চাপা পড়েন রাসেল। পরে তাকে উদ্ধার করে সহকর্মীরাই হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যান তিনি।


এসআই মো. ইমরুল হাসান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



আরও খবর



গাইডলাইনটি বেশ সহায়ক

স্নাতক পর্যায়ে আইসিটি বিভাগের কারিকুলাম হালনাগাদ

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষার জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে বিশ্ববদ্যিালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।


বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই/আইটি/আইসিই/আইসিটি বিষয়ে ক্যারিকুলাম হালনাগাদে এই গাইডলাইন বেশ সহায়ক হবে বলে মনে করে ইউজিসি।


বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার সহযোগিতায় এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়।


ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে দেশের তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাত সদস্যের কমিটি এই গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে।


 


জাপানে ১০ হাজার আইটি ইঞ্জিনিয়ারের কর্মসংস্থান তৈরি, আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সচেতনতা বাড়াতে ইউজিসি, বিসিসি ও জাইকা যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানায় ইউজিসি।

 

ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগমের হাতে বুধবার স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইনের কপি হস্তান্তর করা হয়।


সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ ইনামুল কবির, জাইকা বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিরোকি ওয়াটানাবে, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম, ইউজিসির ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিকেশন এবং ট্রেনিং বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, দেশর তরুণ প্রজন্মকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী করে গড়ে তুলতে হলে প্রযুক্তির শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।


আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার জন্য এই গাইডলাইন বেঞ্চমার্ক হিসেবে কাজ করবে। এই গাইডলাইন বাস্তবায়নে ইউজিসি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবে।  


তিনি আরও বলেন, এই গাইডলাইন অনুসারে তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার পাঠ্যক্রম হালনাগাদ করা হলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েটরা এগিয়ে থাকবে।

 

অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এই গাইডলাইন অনুসারে তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষার ক্যারিকুলাম প্রণয়ন করা হলে আইসিটি সেক্টরে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ঘাটতি কমবে। এটি আইসিটি শিক্ষার গুণগত মান বাড়াবে। এর মাধ্যমে আইসিটি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি হবে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েটদের চাহিদা বাড়বে।  


জাপানে আইটি পেশাজীবীদের মাননিয়ন্ত্রক জাতীয় পরীক্ষা আইটিইইসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশি গ্রাজুয়েটরা ভালো করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


জাপানের ইনফরমেশন টেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশনে দেশের আইটি গ্রাজুয়েটরা যাতে ভালো ফলাফল করতে পারে সেজন্য দিনব্যাপী এক কর্মশালার আয়োজন করে ইউজিসি। এই কর্মশালার সুপারিশ মোতাবেক এই গাইডলাইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।  



আরও খবর