Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

“রিভেঞ্জ” নিয়ে আশাবাদী ডিপজল, ‘তুফান’-এর বেলায় হতাশ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৭৮জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:ঈদে মুক্তির তালিকায় থাকা সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে শাকিব খানের ‘তুফান’ আর শবনম বুবলীর ‘রিভেঞ্জ’। রায়হান রাফীর পরিচালনায় ‘তুফান’-এ শাকিবের বিপরীতে আছেন ঢাকার নাবিলা ও কলকাতার মিমি চক্রবর্তী। আর মোহাম্মদ ইকবালের ‘রিভেঞ্জ’ সিনেমায় বুবলীর নায়ক রোশান।

এই দুই সিনেমার মধ্যে বুবলীর ‘রিভেঞ্জ’ নিয়ে বেশ আশাবাদী খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। আর হতাশা প্রকাশ করেছেন শাকিবের ‘তুফান’ সিনেমাটি নিয়ে।

এই খল অভিনেতার কথায়, ‘“রিভেঞ্জ” ছবিটা ভালো হয়েছে। আমরা মনে হয় এই ঈদে এটাই এক নম্বরে থাকবে। “তুফান” ছবি আগেও অনেক নাম হয়েছে। আমি তো এই ছবির গল্পটা জানি না। তবে এটি যদি রিমেক হয় তাহলে এটি চলার কথা না। আর যদি রিমেক না হয়ে অন্য কোনো গল্প হয় আর যত বড় কথা বলে ওই ছবি অত বড় যায় না। কথা কম বলা ভালো, ছবি দেখেই তো দর্শক বলবে ভালো না মন্দ। আমি যতটুকু আওয়াজ পেয়েছি, অত ভালো হয় নাই। যার জন্য হল মালিকরাও কম চাপছে ছবিটার পেছনে।

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের এক নম্বর ছবি হবে “রিভেঞ্জ”। সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা ছবিটি দেখে বেশ প্রশংসা করেছে। তারাও বলেছে, ঈদের সেরা ছবি হবে এটি। এই ছবির জন্য আমার শুভ কামনা থাকবে।

‘তুফান’ প্রসঙ্গে ডিপজল বলেন, ‘শাকিব আমাদের ঘরের ছেলে। এই ঈদেও ওর ছবি আসছে। ওর জন্যও শুভকামনা থাকবে।

উল্লেখ্য, ঈদে মুক্তির তালিকায় এগিয়ে থাকা সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে মোহাম্মদ ইকবালের ‘রিভেঞ্জ’, রায়হান রাফীর ‘তুফান’, মুস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’, রাশিদ পলাশের ‘ময়ূরাক্ষী’, সুমন ধরের ‘আগুন্তুক’।


আরও খবর



ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী-বিশ্বস্ত বন্ধু: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে , ‘ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী-বিশ্বস্ত বন্ধু। আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে আমরা অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মধ্যে রাজনীতি ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সংযোগ, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, জ্বালানি ও শক্তি এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছি।

আজ ২২ জুন শনিবার নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন শেখ হাসিনা। দুই নেতার উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে ১০টি সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর দেওয়া বক্তব্যে বৈঠক ফলপ্রসু হওয়ার কথা উল্লেখ করেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, ‘ঢাকা ও নয়াদিল্লি উভয় দেশের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে ডিজিটাল ও সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য একটি যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়সহ উচ্চপর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত এবং দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে আমরা দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার পথ এবং কার্যপন্থা নিয়ে আলোচনা করেছি।

দুই দেশের ও জনগণের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার বিষয়ে তারা সম্মত হয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা তিনি বলেন, ‘যেহেতু নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে ঢাকা ও দিল্লি নতুনভাবে পথচলা শুরু করেছে, সে ধারাবাহিকতায় আমরা ‘রূপকল্প ২০৪১’ এর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ অনুসরণ নিশ্চিত করার জন্য ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি।

শেখ হাসিনা বক্তব্যের শুরুতে নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন । তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পর এটিই কোনো দেশে আমার প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। আমাকে ও আমার প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ আতিথেয়তা প্রদান করায় ভারত সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশি, বিশ্বস্ত বন্ধু ও আঞ্চলিক অংশীদার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে শুরু হওয়া ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে বাংলাদেশ সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার এবং ভারতের জনগণের অবদানকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। ভারতের সেইসব বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, যারা ১৯৭১ সালের আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।


আরও খবর



ডোমারে দৃষ্টি নন্দন করে সাজিয়েছে ছোটরাউতা সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক নাজিরা আখতার ফেরদৌসী

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারী ডোমারে মনের মাধুরি দিয়ে দৃষ্টি নন্দন হিসাবে গড়ে তুলেছেন নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপজেলার ছোট রাউতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিরা আখতার ফেরদৌসী চৌধুরী। 

বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান, পরিবেশ, শতভাগ স্কুল ড্রেসসহ ফুলের বাগান, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে ব্যপক ভুমিকা রেখে গোটা উপজেলায় প্রশংসার জোয়ারে ভাষছেন এই গুণি শিক্ষক। 

শিশুদের কারিগর ফেরদৌসী ম্যাডাম, তার সারাদিনের কর্মের মূল ভাবনাই বিদ্যালয় ও বিদ্যালয়ের শিশুদের নিয়ে। ছোট রাউতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টিকে তিনি সাজিয়েছেন মনের মাধুরি মিশিয়ে। মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ থাকার জন্য উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠের স্থান দখল করে নিয়েছেন তার বিদ্যালয়টি। ২০১৭ সালে তিনি এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেন, সেই থেকে সফলতার সাথে কর্মদক্ষতা দিয়ে কাজ করে ২০২২ সালে উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসাবে পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এই জীবন্ত কিংবদন্তি শিক্ষক ফেরদৌসী ম্যাডাম যার ধ্যান জ্ঞান পুরোটাই বিদ্যালয় ও তার শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে। পরিপাটি ভাবে সাজানো পরিস্কার পরিছন্ন স্কুলের খেলার মাঠটি দেখলেই বোঝাযায় কোথাও একটি পাতাও পড়ে থাকতে দেখবেন না। শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মন কেড়েছে বিদ্যালয়ের ছাদ বাগান। বাগানটি একটি নজর দেখতে প্রতিদিন মানুষের ভীড়জমে। এই কাজে উৎসাহ দিয়েছেন সহকারী শিক্ষকগণ। সরকারী ভাবে বরাদ্ধকৃত টাকা ছাড়াও নিজের অর্থ ব্যায়ে তিনি বিদ্যালয়টিকে সাজিয়েছেন মনের মতকরে। উপজেলায় ১৭৯টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বিদ্যালয় গুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর শিক্ষা উপকরণ সহ বিদ্যালয় উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু এই অর্থ সঠিক ভাবে ব্যবহার করলে বিদ্যালয় গুলোকে শিশুদের শিক্ষার উপযোগী করে গড়ে তোলা যায় তার প্রমান দিলেন এই প্রধান শিক্ষক। তিনি এই অর্থ বিদ্যালয় ও শিশুদের জন্য ব্যয় করে শিশুদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিদ্যালয়টিকে উপযোগী করে তুলেছেন। সবচেয়ে বড় সফলতার বিষয় গত কয়েকদিন আগে ইউনিট লিডার নাজিরা আখতার ফেরদৌসী চৌধুরীর নের্তৃত্বে ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী শিক্ষিকা ইলোরা জাহানের কন্যা মুসাফ্ফা কবির জাতীয় পর্যায়ে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছ থেকে শ্রেষ্ঠ কাব অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হয়। বিদ্যালয়টিতে ৩৩১ জন ছাত্র ছাত্রী রয়েছে। শিশু শ্রেনীসহ সব শ্রেনী গুলো রয়েছে  ইতিহাসের কালের স্বাক্ষী হিসেবে সাজানো। বিভিন্ন কবি,সাহিত্যিক মুক্তি যোদ্ধাদের নামে নামকরণ করা হয়েছে শ্রেনী কক্ষগুলো। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার নামে করা হয়েছে মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাস ঐতিহ্য ভিত্তিক মুক্তি যোদ্ধা গ্যালারী। সেখানে নতুন প্রজন্মকে জানার জন্য রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক শিশুদের জন্য লেখা নানা লেখকের বই, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা, খেলার উপকরণ। এছাড়া জাতীয় চার নেতা, বীর শ্রেষ্ঠসহ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ছবি ও চার্ট দেয়ালে প্রদর্শন করা হয়েছে। অফিস কক্ষটিতে রয়েছে জাতীর শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তি ছবিসহ ফুলের সমারহো। শিশুদের লেখা দেয়ালিকায় মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনকের অবদান ও তার কর্ম জীবন ফুটিয়ে তুলেছে। শিশুদের জন্য একটি ফুলের বাগান। সব মিলিয়ে একটি পরিপাটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা দেখলে প্রান জুড়িয়ে যায়। বিদ্যালয়টির সামনে বারান্দায় বিভিন্ন প্রজাতির ফুল গাছ। স্কুলের ছাদে তিনি লাগিয়েছেন বিভিন্ন প্রজাতির  ফল ও ফুলের গাছ, যা টিফিনের সময় সহকারী শিক্ষকসহ সকলে পরিচর্চা দিয়ে ফুলের সুবাসে ফুটিয়ে তুলেছে ছাদ বাগানটি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, আমরা এই বিদ্যালয় নিয়ে গর্ববোধকরি, এই বিদ্যালয়টি শিশুদের শিক্ষার জন্য একটি আদর্শ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগীরা ফুল প্রেমী মানষেরা ভীড় জমায়।  শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও এলাকা বাসীর সহযোগীতা থাকলে প্রত্যেকটা প্রাথমিক বিদ্যালয় এভাবে সাজিয়ে তোলা  সম্ভব। এ বিদ্যালয়টি দেখে অন্যদের ও তাদের নিজস্ব উদ্যোগে নিজ বিদ্যালয়কে সরকারের নিয়ম মেনে সুন্দর করার চেষ্টা করলে প্রাথমিক শিক্ষার আরো মানবৃদ্ধি পাবে।


আরও খবর



আজাদের শাস্তির দাবিতে তাহিরপুরের ৬টি স্পষ্টে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image
জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে সাধারণ মানুষকে হয়রানি,ভয়ভীতি ও ব্ল্যাকমেইল করে চাদাঁবাজি করার অভিযোগে উপজেলার ৬টি স্পটে মানববন্ধন,প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। 

সোমবার(১৫ জুলাই)বিকেলে উপজেলার বাদাঘাট বাজার,তাহিরপুর বাজার, আনোয়ারপুর বাজার, বালিজুরী বাজার,কলাগাও, বড়ছড়া বাজারে পৃথক পৃথক ভাবে তাহিরপুর উপজেলাবাসীর ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ বিক্ষুদ্ধ জনতা ঝাড়ু হাতে নিয়ে নানা কুকর্ম তুলে ধরে স্লোগানে স্লোগানে প্রতিটি বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামের মৃত বৈদ মিয়ার ছেলে হাবিব সারোয়ার আজাদ। 

বিক্ষোভ মিছিল শেষে বিক্ষুদ্ধ জনতা প্রতিবাদ সমাবেশে বাবলু দাস,আজহারুল ইসলাম,রিয়াদ হাসান,সাকিল মিয়া,জসিম উদ্দিনসহ
বক্তারা জানান,তাহিরপুর সীমান্তের ভারতীয় বুঙ্গার কয়লা,চিনি,মাদক,যাদুকাটা নদীর পাড়কাটা,গাঁজা ইয়াবার ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ভারতীয় পণ্য চোরাচালানের গডফাদার এই হাবিব সারোয়ার আজাদ। সে সীমান্তের কালো ব্যাবসায়ীদের দ্বারা একটি সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ বাহিনী গড়ে সীমান্ত এলাকার কালো ব্যবসার বিভিন্ন পয়েন্টসহ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চোরাচালান ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রন করতে শুরু করে গত ১৫ বছর ধরে। সাধারন মানুষ তার এসব কালোবাজারি ব্যবসা ও অপকর্ম জানা স্বত্তেও ভয়ে মুখ খুলতে চাইনা। তার ছেলে কিশোর গ্যাংয়ের লিডার,ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী। এসব মাদক ব্যবসা ও ভারতীয় কয়লা ও চিনির চোরাচালান করে গত কয়েক বছরে আজাদ কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। আজাদের আন্ডারগ্রাউন্ডের এসব অপকর্ম নিয়ে কেউ মুখ খুলতে চাইলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে মামলা দিয়ে হয়রানি করে।

এছাড়াও হাবিব সারোয়ার আজাদ নিজেকে সাংবাদিক ও র‌্যাব,পুলিশ,বিজিবির সোর্স পরিচয় দিয়ে তার একান্ত সহযোগীদের নিয়ে সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদকদ্রব্য পাচাঁর করাসহ চাঁদাবাজি করতে গিয়ে দফায় দফায় গণধৌলাইয়ের শিকার হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আদালতে ও থানায় চাঁদাবাজি ও চোরাচালান ও শিশু বলৎকারসহ একাধিক মামলা হয়েছে। শুধু তাই নয় "হাবিব সারোয়ার আজাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর পোষ্টার পুরানো ও মূর্তি ভাংচুর মামলাও রয়েছে। 

মাদ,গাজাঁ,ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ সীমান্তের চোরাচালানের গডফাদার হাবিব সারোয়ার আজাদের অত্যাচারে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছে,তার এইসব অপকর্মের সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক বিচারের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি করছি।

ব্যবসায়ী আব্দুল হক(৪৮)বলেন,হাবিব সারোয়ার আজাদ প্রশাসনের নাম ভাংগিয়ে ওপেন চাঁদাবাজি ও মাদকের ব্যবসা করছে,তার কারণে এলাকার ছোট বড় সকলেই অতিষ্ট,আমরা তার দৃষ্ঠান্ত মূলক শাস্তি দাবী করছি।

উল্লেখ,গতকাল ২০১৮সালে ইয়াবা বিক্রি শেষে চরগাঁও লতারকিত্তা নামকস্থানে যাওয়ার পর খবর পেয়ে এলাকাবাসী ৩৪৫পিছ ইয়াবাসহ হাবিব সারোয়ার আজাদকে হাতেনাতে আটক করে। এসময় আজাদ মাতাল অবস্থায় এলাকার লোকজনের সাথে খারাপ আচরণ করলে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে তাকে গণধৌলাই দেয়। খবর পেয়ে বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এসআই সাইদুর ও এএসআই পীযুষ ঘটনাস্থলে গিয়ে ইয়াবাসহ মাতাল অবস্থা তাকে গ্রেফতার করে। একই সালে পার্শ্ববর্তী বিন্নাকুলি বাজারে ইয়াবা বিক্রি করার সময় হাবিব সারোয়ার আজাদের ভাতিজা জুবায়ের শাহকে ৫০০পিছ ইয়াবাসহ র‌্যাব গ্রেফতার জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



টাঙ্গাইলের মধুপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৬৫জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:মধুপুর প্রেসক্লাবে সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক গোলাম ছামদানী ও সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন নির্বাচিত হয়েছেন।শনিবার (৬ জুলাই) সকালে মধুপুর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম অধিবেশনে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও দ্বিতীয় অধিবেশনে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে ২জন সভাপতি এবং ২জন সাধারণত সম্পাদক পদে  প্রতিদন্ধিতা করেন।

উক্ত নির্বাচনে সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ০৮ ভোট এবং অধ্যাপক গোলাম জামদানী পেয়েছেন ১১ ভোট । সাধারণ সম্পাদক পদে সাবেক সম্পাদক এস এম শহীদুল ইসলাম শহীদ পেয়েছেন ০৮ ভোট এবং তার প্রতিদন্ধি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন পেয়েছেন ১১ভোট ।

মধুপুর প্রেসক্লাবের সর্বমোট ১৯জন সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে ১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক গোলাম ছামদানী এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১১ ভোট পেয়ে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন নির্বাচিত হয়েছেন। এ নব- নির্বাচিত কমিটি আগামী ২০২৪/২৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।  

উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরাম ও গোপালপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন। এছাড়াও মধুপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ রউফ ও ধনবাড়ী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনছার আলী সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



বাইডেন পাঁচ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছেন

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৭৩জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন কমপক্ষে ১০ বছর ধরে যারা তাদের মধ্য থেকে ৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আসন্ন প্রেসিডেনশিয়াল নির্বাচনের আগে বাইডেন প্রশাসনের এমন নীতিকে বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে চিহ্নিত করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

যতই সময় গড়াচ্ছে, ততই ঘনিয়ে আসছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। কিছুদিন আগেও হান্টার বাইডেনের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মামলায় সরগরম ছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। এবার নতুন অভিবাসন নীতি ঘোষণা করে আলোচনায় এলেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৮ ‍জুন) হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কমপক্ষে ১০ বছর ধরে যারা দেশটি বসবাস করছেন এমন ৫ লাখ দম্পতিকে কাজের অনুমতি দেবে প্রশাসন। এই পদক্ষেপ তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে যারা কোনো মার্কিন নাগরিককে বৈধভাবে বিয়ে করেছেন। ‘প্যারোল ইন প্লে’ নামে এ পদক্ষেপটি অভিবাসীদের জন্য গ্রীন কার্ড ও নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ আরো সহজ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা স্নাতক সম্পন্ন করেছেন, তাদেরও আনা হবে এ নীতির আওতায়। বৈধ হতে খুব দ্রুতই প্রার্থীরা আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বেশ কয়েক বছর ধরেই অনথিভুক্ত অভিবাসীদের অগ্রাধিকার দেয়ার ব্যাপারে প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন অভিবাসন আইনজীবীরা।

নতুন নীতির বিষয়ে তারা বলেছেন, এটি বাইডেন প্রশাসনের একটি বুদ্ধিদীপ্ত রাজনৈতিক পদক্ষেপ। আসন্ন নির্বাচনে নেভাডা ও অ্যারিজোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোতে লাতিন ভোটারদের সমর্থন পেতে মরিয়া বাইডেন। এর অংশ হিসেবেই তিনি এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর