Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

রাতে নিষিদ্ধ হচ্ছে বালি উত্তোলন, আসছে নীতিমালা

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

নদী থেকে বালি উত্তোলন নিয়ে সরকার একটি নীতিমালা করছে। নীতিমালা অনুযায়ী রাতে বালি উত্তোলন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

সোমবার (১৩ জুন) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী ভাঙনের সবচেয়ে বড় কারণ বালি উত্তোলন। এই ব্যবসা একটি রমরমা ব্যবসা। এখানে বিনিয়োগ খুবই কম, দেশীয় ছোট ছোট ট্রলার নিয়ে আসে। রাতের অন্ধকারে তারা বালি উঠায়। বালি নদীর মাঝখান থেকে উঠায় না।

তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বালুমহাল আছে, জেলা প্রশাসন এসব বালুমহাল ইজারা দেয়। জেলা প্রশাসনের প্রতি নির্দেশনা আছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে বালুমহাল ঘোষণা করতে হবে। তারা সেখান থেকে বালি উঠাতে পারবে। তবে বালি উঠানো আমরা বন্ধ করতে পারবো না। বন্ধ করলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়ে যাবে, দাম বেড়ে যাবে বালির।

তীর থেকে বালি উঠানোর কারণে বাঁধের ক্ষতি হচ্ছে উল্লেখ করে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, আহ্বান জানাচ্ছি আমরা যেখান থেকে বলবো সেখান থেকে আপনারা বালু উত্তোলন করেন। কিন্তু এরা করে কী রাতের অন্ধকারে নদীর কিনারা থেকে বালি উত্তোলন করে। যেখান থেকে উঠায় সেখানে ব্লক থাকে, মাটির বাঁধ থাকে। আমি বলেছি সেখানে যদি লোহা দিয়ে বাঁধ দেই, (তীর থেকে বালি উঠানোর কারণে) সেই বাঁধও টিকবে না।

বালি উত্তোলনের বিষয়ে একটি নীতিমালা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি শিগগির মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। সেখানে আমরা বলেছি, বালি উত্তোলন কোনোভাবেই সন্ধ্যার পর হবে না। বালি উত্তোলনের সময় হবে সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। যাতে দিনের বেলা বালি উঠানো হয়, তাহলে জনগণসহ সবাই দেখতে পারবে।

জাহিদ ফারুক আরও বলেন, আমি মনে করি বালি উত্তোলনটা যদি সঠিকভাবে হয়, তবে এই নদী ভাঙনের যে প্রবণতা আছে তা অনেকাংশে কমে যাবে। এখন ইঞ্জিনিয়াররা বলা শুরু করেছেন, এভাবে যদি বালি উত্তোলন করা হয়, তবে যতই কাজ করি সব দোষ তো এসে আমাদের ওপরে পড়বে। তারাও একটা অজুহাত দেখানোর চেষ্টা করছেন।

jagonews24সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী

তিস্তা চুক্তি নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

তিস্তা চুক্তির অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে জাহিদ ফারুক বলেন, তিস্তা চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী, আমরা আগে চেষ্টা করেছিলাম। কাজটা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আছে। এটার স্টাডি হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে গেছি। কোন কোম্পানি কাজটা করবে সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যালোচনা করছে। পর্যালোচনার পর একটা দিক-নির্দেশনা দিলে সেই বিষয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, দুই বছর আগে আমি যখন হাঙ্গেরি গিয়েছিলাম, তখন ভারতের জলশক্তি মন্ত্রীর সঙ্গে আমার দেখা হয়। আসার পর আমি তাকে কয়েকবার পত্র দিয়েছি। আমি তাকে বাংলাদেশে আসার জন্য দাওয়াত দিয়েছি। বলেছি, আসেন আমরা আলোচনা করি। উনি হয়তো একটা সময় দেখে আসবেন।

বাংলাদেশ সরকার তিস্তা চুক্তি করতে আগ্রহী উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তাটা নিয়ে আমরা নিজেরাই উদ্বিগ্ন। এই চুক্তিটি আমরা করতে চাই। ধীরগতিতে হলেও কাজ আগাচ্ছে। আপনারা জানেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কারণে কাজটি স্লো হয়ে গেছে। হয়তো অচিরেই তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের ব্যাপারটি সমাধান করতে পারবো।

সুনামগঞ্জের হাওর

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম থেকে সুনামগঞ্জের বিষয়ে আমার নজর রয়েছে। সেখানে এক হাজার ৫৪৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়েছি। সেখানে আমরা ১৪টা নদী খনন করবো। সমীক্ষা সেপ্টেম্বর মাসে চলে আসবে, অক্টোবরের মধ্যে চেষ্টা করবো একনেক থেকে সেটা পাস করিয়ে নিতে। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই কার্যক্রম শুরু করবো।

তিনি বলেন, বর্ষার আগে যদি ২০ শতাংশ কাজও করতে পারি, আশা করি সুনামগঞ্জের হাওরে তেমন কোনো ক্ষতি হবে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক একজন ঠিকাদার ৫০-৭০টি কাজ নিয়ে বসে আছেন। সে কাজগুলো তারা নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারছে না। এই ঠিকাদাররা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত- এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমে ১১ জন ঠিকাদার ছিল। অনেক বড় বড় ঠিকাদার ছিলো। এক একজন ডিপিএমে (সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি) ৩০০-৪০০ কোটি টাকার কাজ পেতো। আমরা একটি কাজও ডিপিএমে দেইনি। আমরা বলেছি এই ১১ জন ঠিকাদার কাজ শেষ না করা পর্যন্ত নতুন করে কোনো কাজ পাবে না। কাজগুলো শেষ করার পর সেই পুরনো ১১ জনকে এখন আমরা কাজ দিচ্ছি। এখন নির্দেশনা হচ্ছে একজন ঠিকাদার তিনটির বেশি কাজ করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা সতর্ক আছি যে, একজন ঠিকাদারকে বেশি কাজ দেবো না। বেশি কাজ দিলে দেরি হয়ে যায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস। সঞ্চালনা করেন বিএসআরএফের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।


আরও খবর



কুয়াকাটা সৈকতে সাঁতার না জানা পর্যটকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Thursday ০৪ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে গোসল করতে নেমে নাহিয়ান মাহাদি (১৮) নামের এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সাঁতার জানতেন না বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২২ জুলাই) দুপুর ২টায় সৈকতের জিরো পয়েন্টের পশ্চিম পাশে পরিবারের সঙ্গে গোসল করতে নেমে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মাহাদীর পরিবারের ২৩ জন সদস্য সকালে ঢাকার ধানমন্ডি থেকে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসেন। পরে তারা হোটেল সমুদ্র বাড়ি রিসোর্টে অবস্থান করেন বলে জানিয়েছেন মাহাদির বড় বোন নামিরা জাহান ঐশি।

ঐশি আরও জানান, গোসল করার এক পর্যায়ে মাহাদিকে দেখতে না পেয়ে তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সি বিচের ভাঙনরোধে ব্যবহৃত দুটি জিও ব্যাগের মধ্যে পানিভর্তি গর্তে তাকে ডুবে থাকতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাহাদী ধানমন্ডি এলাকার বংশাল থানার হাজি মোহাম্মদ নাছিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি ধানমন্ডির একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আমরা পরিবারের সঙ্গে কথা বলছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ পর্যটকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



দুই দিনের রিমান্ডে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিকে দুই দিনের হেফাজতে নিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তবে ব্যাঙ্কশাল আদালতেই অসুস্থ বোধ করায় বিচারক তাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশেই তাকে এসএসকেএম হাসপাতালে নেওয়া হয়। কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তির পর তাকে আইসিউতে নেওয়া হয়। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে রাতে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পার্থ চ্যাটার্জির নাকতলার বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যায় ইডির একটি দল। রাতভর মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। শনিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়

নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানা গেছে। তখন তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় এর আগেও পার্থ চ্যাটার্জিকে সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিতে হয়েছিল। তখন সিবিআই জানায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায় তদন্তে সহযোগিতা করছেন না।

পার্থ চ্যাটার্জিকে গ্রেফতার করার পর অর্পিতা মুখার্জিকেও আটক করা হয়। শনিবার সকালে অর্পিতাকে আটক করা হয়।

ইডির দাবি, অর্পিতা রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। ‘পার্থ-ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতার বাড়ি থেকে ২০টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার হয়েছে। পাওয়া গেছে স্বর্ণসহ বিদেশি মুদ্রা।

ইডি সূত্র আরও জানায়, টালিগঞ্জের কাছে হরিদেবপুরের একটি আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট। সেখানে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে অন্তত ২০ কোটি নগদ অর্থ।

শুক্রবার রাতেই ইডি টুইটারে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন ও পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এর সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে নগদ টাকার ছবিও পোস্ট করে ইডি।

তবে শনিবার অর্পিতা মুখার্জিকে যখন ইডির হেফাজত থেকে বের করা হচ্ছিল তখন তিনি অভিযোগ করে বলেন, এসবই বিজেপির চক্রান্ত, আমাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে।


আরও খবর



আরও ৬৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

 

দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা। এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৬৬ জন। এ নিয়ে সারাদেশে মোট ২৩৪ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

সোমবার (১৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার একই সময়ের মধ্যে সারাদেশে নতুন করে আরও ৬৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৪৪ জন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ছয়জন। ঢাকার বাহিরে চিকিৎসা নিচ্ছে ২২ জন।

এ নিয়ে বর্তমানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ২৩৪ জন ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪৭টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৭৭ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৫৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সর্বমোট এক হাজার ৭৮৯ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন এক হাজার ৫৫২ জন।

এ সময়ে ঢাকায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫৩৫ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক হাজার ৩৫৭ জন। ঢাকার বাহিরে ভর্তি হয়েছেন ২৫৪ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯৫ জন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। গত ২১ জুন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর পর গত ১৭ জুলাই দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এ নিয়ে এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ এ সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



কুমিল্লায় সড়কে ঝরলো তিন প্রাণ

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবিদ্বারের ইস্টগ্রাম এলাকায় পিকআপভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুইজন। অপরদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনার নাওতলা এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ি চাপায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার জাজিয়ারা গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার ছেলে সেলিম (২২), একই উপজেলার কুটি গ্রামের শুবল চন্দ্র বর্মণের ছেলে লক্ষ্মণ বর্মণ (২৬) এবং কুমিল্লা চান্দিনার মাধাইয়া ইউনিয়নের নাওতলা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ (৮০)।

মিরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. কামাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, দেবিদ্বার উপজেলার ইস্টগ্রাম এলাকায় পিকআপভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। খবর পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পিকআপভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এসময় চালক পালিয়ে যায়।

অপরদিকে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ প্রেমধন মজুমদার জাগো নিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে দাউদকান্দির বানিয়াপাড়া দরবার শরিফে যাওয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হন আব্দুর রশিদ। এসময় মহাসড়কের ঢাকা লেনের নাওতলা এলাকায় অজ্ঞাতনামা গাড়ি তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই আবদুর রশিদের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের অভিনন্দন

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সোমবার (২৫ জুলাই) তিনি এক বার্তায় এ অভিনন্দন জানান।

দ্রৌপদী মুর্মু (৬৪) সোমবার ভারতের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিয়েছেন। তিনি দেশটির প্রথম আদিবাসী ও দ্বিতীয় নারী রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার হলেন।

অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে, আমার নিজের পক্ষ থেকে ভারতের প্রজাতন্ত্রের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে চাই। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমি এই অঞ্চলে নারীর ক্ষমতায়নে সেরা দেশগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে আপনাকে এ উচ্চপদের দায়িত্ব নিতে দেখে আনন্দিত।’

আবদুল হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পারস্পরিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি, আস্থা এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও অব্যাহত সহযোগিতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত সরকার এবং জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন ছিল আমাদের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আজ আমাদের সহযোগিতা বাণিজ্য, সংযোগ, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, শক্তি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত।’

তিনি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে, ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসাবে আপনার মেয়াদে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ বন্ধন ও ভালো সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। আমি শুধু পারস্পরিক স্বার্থকে এগিয়ে নিতেই নয়, এই অঞ্চলে উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচেষ্টা বাড়াতেও আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।’


আরও খবর